খোকসার সবজি চাষীরা আবারও লোকশানের আশঙ্কা

0
19

স্টাফ রিপোর্টার

ফুল কপি, বাঁধা কপি, টমেটোর আবাদ করে লোকসানের পর ডাটা শাকে লাভের আশা করছিলেন চাষীরা। তবে ঈদ উৎসব সে আশায় আবার বাগরা দেওয়ার আশঙ্কার করছে তারা।

খোকসার শিমুলিয়া ইউনিয়নের সিংঘরিয়া গ্রামের কৃষক গবিন্দ মন্ডল। সারা বছরই সবজি জাতিয় ফসল আবাদ করেন। ১৫ শতক জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি ডাটা শাক আবাদ করেছেন। আশার থেকে আনেক বেশী ফলন হয়েছে। রোজার কারণে বাজারে ডাটা শাকের চাহিদাও প্রচন্ড। আসন্ন ঈদুল ফিতরের কারণে প্রায় ১ সপ্তাহ সবধরনের সবজির চাহিদা পরে যাবে। এ সময়ে উপজেলা প্রায় শতাধিক বিঘা জমির ডাকা জাতিয় সবজির বয়স বেশি হয়ে যাবে।

সবজি জাতিয় ফসলের কৃট নাশক ও বীজ সার বিক্রির সাথ জড়িত কম্পানীর লোকদের দেওয়া তর্থের ভিত্তিতে জানা গেছে, পৌর এলাকার পাতিলডাঙ্গি, বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের জাগলবা, ভবানীপুর, চান্দট, বনগ্রাম, শিমুলিয়ার ইউনিয়নের ৫টির বেশী গ্রাম, গোপগ্রাম ইউনিয়নের তিন গ্রাম, শোমিসপুর ইউনিয়নের ৩ গ্রামে, আমবাড়িয়া ইউনিয়ন ২টি গ্রামে সারা বছরই সবজি আবাদ হয়ে থাকে। এই সবজিই স্থানীয়দের চাহিদার বড় অংশ পুরণ করে।

শীতের মৌসুমে ফুল কপি, বাঁধা কপি, টমেটোর চাহিদা থাকলেও মধ্যস্বত্বা ভোগিদের কারণে চাষীরা ফসরের দাম পায়নি। অনেক কৃষক লোকশান ঠেকাতে জমি থেকে পালংশাক, মূলা, বাঁধা কপি তোলেই নাই।

সিংঘরিয়া গ্রামের ডাটা চাষী গবিন্দ মন্ডল বলেন, শুধু তিনি নিজে নন। তারমত শতশত কৃষক এ বছর লোকশানের ভয়ে অনেক পদের শীতের সবজি জমি থেকে তোলেন নি। তিনি ১ বিঘা জমিতে বাঁধা কপি রোপণ করেছিলেন। তার ক্ষেতে এখনো কয়েকশ কপি রয়ে গেছে। রোজায় বিক্রির আশায় ১৫ কাঠা জমিতে ডাটা শাক বপণ করেছিলেন। আশার থেকেও বেশী ফলন হয়েছে। দামও ভালো পাচ্ছিলেন। ঈদের কারণে কয়েক দিন সবজির চাহিদা থাকবে না। তাই সবজিতে লোকশানের আশঙ্কা করছেন তিনি।

আরও পড়ুন – শান্ত কামার পাড়া

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, পুরাতন চাষ পদ্ধতির কারনে এই এলাকার কৃষকরা পিছিয়ে আছেন। তারদের উচ্চ ফলনশীল চাষ আবাদে অভ্যস্ত করার চেষ্টা করছি। তারা যদি সময় মত বীজ বপল করতে পারেন তবে সঠিক সময়ে ফসল তুলতে পারবে। তা হলে তাদের আর লোকমানের কথা ভাবতে হবে না।