কুমারখালীর অধ্যাপকের কব্জি কর্তন মামলায় আটক ৭

0
22

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর একটি কলেজেরর অধ্যাপক তোফাজ্জেল হোসেনের ডান হাতের কব্জি বিছিন্ন ও হত্যা চেষ্টা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সলেমানের ছেলে মোশারফ হোসেন মশা (২৬), মোকাদ্দেস হোসেনের ছেলে নাজিম উদ্দিন (২৭), আব্দুল খালেকের ছেলে সামাদ (২৭), আইয়ুব আলীর ছেলে মুহাইমেন হোসেন (২৭), সামেদ আলীর ছেলে হালিম (৪০), আব্দুল খালেকের ছেলে পলাশ (২৩) ও গোপাল শেখের ছেলে মুকুল (৪২)। তাঁরা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার সকালের দিকে সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকে র‌্যাব-১২, সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান, আটক আসামিদের কাছ থেকে ৩ রাউন্ড গুলি, ম্যাগজিনসহ ১টি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

আরো পড়ুন – সরকারের উন্নয়নে বিএনপির রাজনীতি শেষ – হানিফ

র‌্যাব-১২, সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান জানান, তোফাজ্জেল হোসেন কুমারখালী বাঁশগ্রাম কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি কুমারখালী বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া এলাকার জালাল বিশ্বাসের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র দু‘পরে মধ্যে বিবদমান দ্ব›েদ্বর জেরে এ ঘটনা। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে দু‘পরে মধ্যে পূর্বশত্রুতার জেরে গত মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের বংশীতলা নতুন ব্রিজের ওপর প্রকাশ্যে অধ্যাপক তোফাজ্জেল বিশ্বাসের ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন ও হত্যার চেষ্টা করে প্রতিপরে লোকজন। এ ঘটনায় বুধবার কুষ্টিয়া মডেল থানায় ওই শিকের ছেলে নাজমুস সাকিব বাদী হয়ে ২৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গুরুতর আহত কলেজ শিক বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।