ঝিনাইদহ হাসপাতালে ফেলে যাওয়া যুবতীর পরিচয় মেলেনি

0
16

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরী ফেলে যাওয়া যুবতীর পরিচয় মেলেনি। ২০ বছর বয়সী যুবতী কথাবার্তা বলছে অসংলগ্ন। তবে সে নিজের নাম বলছেন লুনা খাতুন।

শনিবার দুপুরে একটি প্রাইভেট কারে কে বা কারা ওই যুবতীকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফেলে যায়। এখন তিনি হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিজের বাড়ির ঠিকানা জানিয়েছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মাদারবাড়ি গ্রামে।

ঝিনাইদহ ফিমেল মেডিসিন ওয়ার্ডের ইনচার্জ ছায়েরা খাতুন জানান, শনিবার বেলা ১২টার দিকে লুনা খাতুন নামের ওই যুবতীকে জরুরী বিভাগ থেকে মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। মেয়েটি প্রথমে কথা বলতে না পারলেও এখন পারছে। তবে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতার ছাপ রয়েছে। মেয়েটির দাবী দুই বছর আগে তিনি তার দেবর রুহুল আমিন ও শ^শুড়ি মেরিনা বেগমের সঙ্গে ঝিনাইদহে ঘুরতে আসেন। এখানে তার ননদ সুলতানা বেগম ভাড়া থাকেন। ননদের স্বামী মিজান একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকরী করেন।

তিনি জানান, ঘুরতে বের হওয়ার পর একটি মেয়ে তাকে ইজিবাইকে করে অপহরণ করে ঝিনাইদহ শহরের একটি বাসায় আটকে রাখে। ঝিনাইদহের ওই বাসায় রেখে তাকে মারধর করা হতো। তার মাথায় আঘাত করা হয়েছে। কেটে নেওয়া হয়েছে মাথার চুল। খাওয়ানো হতো ঘুমের বড়ি। নিয়মিত নির্যাতন চালানো হতো।

ওই যুবতী ২০১৯ সালে এসএসসি পরীার আগে ২০১৯ সালে একই গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে জুলফিকার আল আমিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তার স্বামী ঢাকায় উবার চালান। তার পিতা রফিকুল ইসামের মুদি দোকানি। তার মামা আব্দুল হান্নান পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলে দাবী করেন।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ ফালগুনি রানী জানান, বেলা ১১টার দিকে মেয়েটিকে কে বা কারা জুরুরী বিভাগে ফেলে রেখে যায়। মেয়েটির কথাবার্তা অসংলগ্ন। তিনি সঠিক ভাবে কিছু বরতে পারছেন না।

আরো পড়ুন – কুষ্টিয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়

ঝিনাইদহ স্পেশাল ব্রাঞ্চের এএসআই আমিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে মেয়েটির তথ্য নিয়ে যাচাই বাছাই করছি। তার দেয়া তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা পিরোজপুরের নাজিরপুর থানায় এ বিষয়ে কোন জিডি হয়েছে কিনা খোঁজ নিচ্ছি।