কুমারখালীতে মাদ্রাসার শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ

0
21

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে ওই মাদ্রাসার ৪ শিককে পিটিয়েছে ভুক্তভোগী ওই শিার্থীদের অভিভাবকরা।

সোমবার বিকালে উপজেলা সদরের পৌরসভার মোহাম্মদীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসায় ঘটনা ঘটে।

মারপিটের শিকার শিক্ষকরা হলেন ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক জুবায়ের, সহকারী শিক আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা মোতালেবুর রহমান ও হাফেজ মিজবা উদ্দিন। হামলায় আহত মিজবা উদ্দিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক শিশু বলাৎকারের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, মাদ্রাসাটি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি। অহেতুক ওই ছাত্রের বাবা ও চাচা মাদ্রাসায় ঢুকে সকল শিককে মারপিট শুরু করেন।

ছাত্রের বাবা বলেন, দুই দিন আগে আমার ছেলে মিজবা উদ্দিন বলাৎকার করেছেন। সোমবার দুপুরে ছেলে বাড়ি এসে ঘটনাটি জানালে ােভে উত্তেজিত হয়ে হুজুরকে মারপিট করেছি। থানায় মামলা করা হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক আলহাজ্ব জুবায়ের বলেন, ওই ছাত্র পড়েন চারতলায়। আর পাঁচ তলার শিার্থীদের মারধর করত। আমরা নিষেধ করলেই ওই ছাত্র বাড়িতে বলে দেয়। আর বাবার ভয় দেখাতো। সোমবার সকালেও অন্যান্য ছাত্রদের মারধর করে এবং তাকে নিষেধ করা হলে হুমকি দিয়ে বাড়িতে চলে যায়। এরপর বিকালে ওর বাবা ও চাচা এসে মারপিট শুরু করে দেন।

সহকারী শিক মিজবা উদ্দিন বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অথচ মিথ্যে অজুহাতে আমাকে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন। বিষয়টি পরিচালনা কমিটিকে জানানো হয়েছে।

মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহিম বলেন, ছেলেটি সকালে শিকদের মারপিটের হুমকি দিয়েছিল। আর বিকালেই বাপ-চাচা মারপিট করেছে। মাদ্রাসায় কোনো খারাপ ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার কমিটির সবার সাথে বসা হবে। বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি করা যায়।

আরো পড়ুন – কুমারখালী ও খোকসা ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার অনুষ্ঠিত

কুমারখালী থানার ওসি মহসীন হোসাইন মুঠোফোনে বলেন, সারাদিন সরকারি কাজে বাইরে ছিলাম। এমন ঘটনা জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।