করোনা ভাইরাসের আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আশঙ্কা

0
16
‰kjKzcvq cÖvwšÍK K…l‡Ki gv‡S DcKiY weZiY Kg©m~wPi D‡Øvab ‰kjKzcv (wSbvB`n) †_‡K: wUcy myjZvb ÔK…wlB mg„×Õ †¯øvMvb‡K mvg‡b †i‡L wSbvB`‡ni ˆkjKzcvq 2019-20 A_© eQ‡i cÖ‡Yv`bv Kg©m~wPi AvIZvq cvwievwiK mewR cywó evMvb ¯’vc‡bi j‡ÿ¨ ÿz`ª I cÖvwšÍK K…l‡Ki gv‡S web¨vg~‡j¨ DcKiY weZib Kg©m~wPi D‡Øvab Kiv n‡q‡Q| G Kg©m~wPi D‡Øvab K‡ib ˆkjKzcv Dc‡Rjv fvBm †Pqvig¨vb I Dc‡Rjv K…lKjx‡Mi mfvcwZ Rvwn`ybœex Kvjy| Dc‡Rjv wbev©nx Kg©KZv© †gvnv¤§` mvBdzj Bmjv‡gi mfvcwZ‡Z¡ Dcw¯’Z wQ‡jb Dc‡Rjv K…wl Kg©KZv© mÄq Kzgvi KzÛz, Dc‡Rjv mv‡eK fvBm †Pqvig¨vb kvgxg †nv‡mb †gvj¨v, Dc‡Rjv QvÎjx‡Mi mfvcwZ w`bvi wek^vm mn K…wl Awd‡mi Kg©Pvwi ,wewfbœ BDwbq‡bi eøK mycvi fvBRvi I cÖvwšÍK K…l‡Kiv Dcw¯’Z wQ‡jb| Gwel‡q K…wl Kg©KZv© Rvbvb, DcKiY weZiY Kg©m~wPi AvIZvq wewfbœ cÖKvi mewRi exR Dc‡Rjvi 50 Rb cÖvwšÍK K…l‡Ki gv‡S cÖv_wgKchv©‡q weZiY Kiv nq| GQvov Dc‡Rjvi †gvU 416 Rb K…l‡Ki gv‡S G exR weZiY Kiv n‡e e‡jI Rvbvb wZwb|
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

করোনা ভাইরাসের টিকা বা প্রতিষেধক যদি বাজারে না আসে, তবে ২০২১সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় তিন লাখ মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন । শুধু এখানেই শেষ নয়, বর্তমান পরিস্থিতির যদি পরিবর্তন না হয় তবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, রাশিয়াকে পেছনে ফেলে বিশ্বে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর শীর্ষে চলে আসবে ভারত। এ পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ জায়গায় পৌঁছাবে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে।

গবেষকরা দাবি করে বলছেন, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রে আগামী আট মাসে করোনা সংক্রমণ আরও উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে পৌঁছাবে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিষয়ে এই ভয়াবহ আশঙ্কার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি।

আরও দেখুন খোকসায় মুক্তিযোদ্ধার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

বিশ্বের ৮৪টি দেশে এবং বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের উপর সমীক্ষা চালিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের বিষয়ে এমন উদ্বেগজনক পূর্বাভাস দিয়েছে এমআইটির স্লোয়ান স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট।

গবেষকরা আরও বলেন, কোনো কার্যকরী টিকা বাজারে না আসলে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হবেন দৈনিক ২ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ। আর আগামী মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছাবে ২০ থেকে ৬০ কোটির মধ্যে।