ড্রাগন চাষে সফল হলেন চাষী

29
ড্রাগন চাষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

বিদেশী ফল ড্রাগন চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কালীগঞ্জ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে এখন চাষ হচ্ছে ড্রাগন।

এবার ভাল জাত চিনে ড্রাগন চাষ করে সফল হয়েছেন শেখ রাসেল আহমেদ নামের যুবক। রাসেল কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত শেখ আবুল কাশেমের ছেলে। যিনি বাড়ির আঙ্গিনা থেকে শুরু করে মাঠ অবধি ড্রাগন চাষ করেছেন।

রাসেল আহমেদ বলেন, তার বাড়ির আঙ্গিনার আশপাশে ১৬ শতক জমিতে মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ ছিল। ১৫ বছর আগে লাগানো এসব গাছ মাত্র এক লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। গাছ গুলি কাটার সময় তার মা তাকে বাধা দিয়েছিলেন। সে সময় রাসেল তার মাকে বলেন, ১৫ বছর আগে লাগানো সব গাছ বিক্রি করে দাম পাওয়া গেছে ১ লাখ টাকা। আর আপনি আমাকে দোয়া করলে আমি প্রতি বছর আপনাকে ড্রাগন থেকে এক লাখ টাকা লাভ দিব। এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর গাছগুলি কাটা হয়।

আরও পড়ুন-কুষ্টিয়ায় পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত-অগ্রণী ব্যাংক লকডাউন

২০১৯ সালে বাড়ির আঙ্গিনার ১৬ শতক জমিতে প্রথমে ড্রাগন চাষ শুরু করেন রাসেল। একই সময়ে মাঠে আরও এক বিঘা জমিতে ড্রাগনের চাষ করে। এবার বাড়ির আঙ্গিনাসহ মাঠের গাছে প্রচুর ড্রাগন ফল ধরেছে। ইতিমধ্যে তিনি ৫০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন। আরও প্রায় এক লাখ টাকার ফল বাজারজাত করার প্রক্রিয়া চলছে।

মাঠজুড়ে ড্রাগন ফল

রাসেল আহমেদ বলেন, বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে লাভজনক চাষের বিভিন্ন ভিডিও দেখে তিনি ড্রাগন চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর প্রথমে বাড়ির আঙ্গিনার ১৬ শতক জমিতে এবং পরে মাঠে এক বিঘা জমিতে ড্রাগন ফলের আবাদ শুরু করেন। সব মিলিয়ে তার এখন ড্রাগনে আবাদ আছে ২ বিঘা ১৬ শতক জমিতে।

তিনি আরও জানান, ড্রাগন চাষ করতে হলে প্রধানত তিন বিষয় মাথায় রাখতে হবে। সমস্যা, সমাধান এবং সম্ভাবনা। এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে নতুন উদ্যোক্তারা কৃষিতে প্রবেশ করলে তারা লাভবান হবেন।

Print Friendly, PDF & Email