আত্মঘাতী পরিবার, ২০ বছরে ৯ সদস্যের আত্মহনন

0
83
প্রতিকী ছবি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

আত্মহত্যায় শীর্ষ থাকা এক পরিবারের সন্ধান মিলেছে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আত্মহত্যা করেছেন এই পরিবারের ৯ সদস্য।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে এমনি এক পরিবার রয়েছে। সে পরিবারের অনেকেই আবার আত্মহত্যার চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বেঁচে অআেেছন।

তথ্য সংগ্রহে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আইন উদ্দীন মন্ডল, কিয়ামুদ্দিন মন্ডল ও খয়বর মন্ডল আপন তিন ভাই। সবাই একই বাড়িতে একই সােথ বসবাস করতো।

বছর বিশেক আগে কিয়ামুদ্দিন মন্ডলের স্ত্রী আত্মহত্যা করেন। চাচির দেখাদেখি একই বছরে আইন উদ্দীনের মেয়ে ফরিদা গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করে। ক’বছর আগে কিয়ামুদ্দিনের ছোট ছেলে আয়ুব আলীর স্ত্রী সাহেরা খাতুন আত্মঘাতী হন। স্ত্রী বিয়োগের পর আয়ুব আলী তার ছোট শ্যালিকা সোনিয়াকে বিয়ে করেন।

আরও পড়ুনজলমগ্ন স্কুলের মাঠঃ স্পট ধুবইল স্কুল

কিন্তু দূর্ভাগ্য পিছু ছাড়ে না, বিয়ের দুই বছরের মধ্যে সোনিয়াও আত্মহত্যার পথে পা বাড়ায়। ২/৩ মাস আগে একই পরিবারের আইন উদ্দীন মন্ডলের ছোট মেয়ে মোমেনা খাতুন আত্মহত্যা করেন।

মোমেনা খাতুনের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই আইন উদ্দীনের বড় মেয়ে ভুরভুরি খাতুন এবং মায়ের মৃত্যুর পর ভুরভুরি খাতুনের ছেলে চঞ্চলও আত্মহত্যা করেন।

গ্রামবাসিদের ভাষ্যমতে, কিয়ামুদ্দীন মন্ডলও একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেঁচে গেছেন। তবে ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট গলায় রশি দিয়েই তিনি আত্মহত্যা করেন।
গেল বৃহস্পতিবার রাতে আইন উদ্দীন মন্ডলের মেয়ের জামাই সাইফুল ইসলাম পারিবারিক কলহের জেরে বিষপান করেন। স্বামীর দেখাদেখি অভিমানে স্ত্রী সাজু ওরফে লাইলী বিষপান করেন। তবে এ যাত্রায় স্ত্রীর জীবন বাঁচলেও বাঁচেনি জামাই সাইফুল।

বালিয়াডাঙ্গার এই পরিবারটির সদস্যরা একজনের দেখাদেখি অন্যজন আত্মহত্যা করছেন। একের পর এক আত্মহননে এ অবধি ৯ সদস্য জীবন আত্মহুতি দিয়েছেন।