প্রায় ২ হাজার করোনার ভুল রির্পোট দিয়েছে জেকেজি

0
30
সংগৃহিত ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

করোনা নমুনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টের সনদ প্রদান করে জালিয়াতি মামলায় আটক হন জেকেজি’র সাহেদ।

জেকেজির কম্পিউটার ও অন্যান্য মেশিনারিজ সিআইডির কাছে পাঠিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করিয়েছি ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা।

গোয়েন্দা বিভাগে প্রধান আবদুল বাতেন বলেছেন, ১৩ হাজার ৫৮৫ টি করোনা নমুনা সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে ১১ হাজার ৬৬০টি নমুনা জেকেজি কর্তৃক ব্যবহৃত কম্পিউটারে সংরক্ষিত ছিল। আর এসব পরীক্ষার ভেতর গড়মিল রয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টি করোনা পরীক্ষার ফলাফল।

বৃহস্পতিবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার গোয়েন্দা শাখার প্রধান আব্দুল বাতেন বলেন, জেকেজি করোনা প্রতারনার মামলার তদন্ত কাজও আমরা শেষ করেছি। দ্রুতই আমরা অভিযোগ পত্র জমা দিতে পারব।

তিনি আরো বলেন, সিআইডির ফরেনসিকে ১ হাজার ৯২৫ টি পরীক্ষায় গরমিল পাওয়া গেছে। তারা এসবের কোনটির নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠিয়েছে, আবার কোনটির নমুনা ল্যাবে পাঠায়নি।

আরও দেখুনঃ খোকসার কিশোরী তান্ত্রিকের তেলেসমাতি

এমনো হয়েছে পরীক্ষা করতে আসা ব্যক্তিদের শুধু কাগজে লেখা কিছু করোনার সিমটম জিজ্ঞাসা করেও রিপোর্ট দিয়েছে। আইডিসি নামক ভূয়া ইমেইল সার্ভারে মাধ্যমে এসব মনগড়া রিপোর্ট তারা ক্লাইন্টদের কাছে পাঠিয়েছে। তিনি আরো বলেন, জেকেজি কোন তালিকাভুক্ত গ্রুপ অফ কোম্পানীজ না। তাই সংশ্লিষ্টরা তাদের মন মতো পদবী ব্যাহার করেছেন। তাই ডা. সাবরিনা কখনো নিজেকে চেয়ারম্যান কখনো কনভেইনার দাবী করতেন। আসলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংগে চুক্তির দুমাস পর জেকেজি সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নেয়। এটা কোন জয়েনস্টক কোম্পানী না।