লক্ষণ ভুলবেন না ধোনির যে দুটি ঘটনা

0
44
ভি ভি এস লক্ষন এভং ধোনি

দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক

ভারতীয় ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষণ তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছেন । তিনি ধোনির নেতৃত্বে খেলেছেন মোট ৩৪ টেস্ট। মাঠের ভেতরে-বাইরে দুজনের আছে অসংখ্য স্মৃতি। তবে দুটি ঘটনা আলাদা করে দাগ কেটে আছে লক্ষণের হৃদয়ে। ধোনির বিদায়ের পর মজার সেই দুটি ঘটনা শোনালেন তিনি।

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্রিকেটের বাইরে থাকার পর শনিবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন ধোনি। পর দিন স্টার স্পোর্টসের একটি আয়োজনে স্মৃতি হাতড়ে ভারতীয় কিংবদন্তির বিশেষ দুটি ঘটনা তুলে ধরেন লক্ষণ।

২০০৫ সালের ডিসেম্বরে টেস্ট অভিষেক হয় ধোনির। এক মাস পর পাকিস্তান সফরে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৪৮ রানের সেই ইনিংস খেলার পরই নাকি সবাইকে অবাক করে দিয়ে টেস্ট ক্রিকেট ছাড়ার কথা বলেন ধোনি। পরে অবশ্য নেননি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

“এমএস ধোনির দুটি ঘটনা আমি কখনও ভুলব না। প্রথমটি হলো, যখন সে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফয়সালাবাদে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করে। আমার এখনও মনে আছে, সে ড্রেসিং রুমে ফিরে চিৎকার করে বলছিল, ‘আমি অবসরের ঘোষণা দিতে যাচ্ছি, আমি এমএস ধোনি, টেস্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করেছি, এটাই যথেষ্ট! টেস্ট ক্রিকেট থেকে আমার আর কিছু চাওয়ার নেই।’ এটা শুনে আমরা হতভম্ব ও বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলাম। তবে এমএস ধোনি সবসময় এমনই ছিল।”

২০০৮ সালে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের মাঝপথে অনিল কুম্বলে অবসর নিলে ভারতের টেস্ট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয় ধোনিকে। সে সময় আরেকটি কান্ড ঘটিয়ে সবাই অবাক করে দেন তিনি। ২০১২ সাল পর্যন্ত ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা লক্ষণ মনে করেন, এভাবেই জীবন উপভোগ করতেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

“দ্বিতীয় ঘটনাটি ছিল, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাগপুর টেস্টের সময়। সে ছিল ভারতের অধিনায়ক, কারণ অনিল কুম্বলে দুই ম্যাচ আগে দিল্লিতে অবসরের ঘোষণা দেয়। এমএস ধোনি বাস ড্রাইভারকে বলল, পেছনে গিয়ে বসতে আর সে মাঠ থেকে হোটেল পর্যন্ত দলের বাস চালিয়ে নিল। আমরা সবাই খুব অবাক হয়েছিলাম। ভারত দলের অধিনায়ক, টিম বাস চালাচ্ছে!”

আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!

আরও দেখুন-খোকসায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

“এভাবেই সে জীবন উপভোগ করত। তার ভাবনা এমন ছিল, ক্রিকেটার হিসেবে মাঠে প্রয়োজনীয় সব কিছু করতে হবে, কিন্তু মাঠের বাইরে সবকিছুই ছিল খুব স্বাভাবিক।”