এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের আসামি আটক

7
ছবি সাইফুর রহমান

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

স্বামীকে আটকে রেখে সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার আসামি সাইফুর রহমানকে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে আটক করা হয়েছে।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

রবিবার সকালে ছাতক খেয়াঘাট এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে আটক করে।

তবে সিলেট মহানগর পুলিশের কেউ এখনও আটকের তথ্য জানেন না বলে জানিয়েছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

শুক্রবার ওই বর্বরোচিত ঘটনার পর ক্ষোভ, নিন্দা আর ধিক্কারে সরব হয়ে উঠেছে বিভিন্ন সংগঠন। অবিলম্বে ধর্ষকদের আটকের দাবিও জানান সবাই। বন্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ কর্মীদের থাকতে দেওয়ায় কলেজ কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, ১২৮ বছরের পুরাতন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় এক কলঙ্কজনক ইতিহাস সৃষ্টি হলো।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।

Print Friendly, PDF & Email