বাবার সামনে ডাকাতের ছোড়া গুলিতে ছেলে খুন

0
36
DROHO-JONY-08-P5
নিহত শিল্পী ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে ফেরার পথে কক্সবাজার সদরের একটি সড়কের সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে তরুন কন্ঠ শিল্পী ও এইসএসসি পরীক্ষার্থী খুন হয়েছেন।

সামাজিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফেরার পথে ডাকাত দলের হামলার শিকার হন এই উদীয়মান শিল্পী। এ সময় তার বাবা সাথে ছিলেন।

নিহত জনি দে রাজ (২০) রামু উপজেলার পাহাড়ি জনপদ ঈদগড় ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চরপাড়া এলাকার তপন দে’র ছেলে। জনি ঈদগাঁও কলেজ থেকে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে গান করত সে।

নিহতের বাবা তপন দের বরাত দিয়ে ঈদগড়ের সমাজকর্মী নুরুল আবছার জানান, বুধবার রাতে একটি সামিজক আয়োজনে গান পরিবেশন করতে গিয়েছিল জনি রাজ। সঙ্গে তার বাবা এবং এলাকার আরও একজন ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার সকালে সিএনজি নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন বাবা-ছেলেসহ অন্যরা।

ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছামাত্র ১০-১৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল তাদের গতিরোধ করে। তারা জনি রাজকে অপহরণ করার চেষ্টা চালায়। এ সময় ডাকাত দলের সাথে জনির ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতদের ছোড়া গুলি জনির মাথার ডানপাশে লাগে। গুলিবৃদ্ধ আহত জনিকে উদ্ধার করে ঈদগাঁও মেডিকেল নামে একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র্রের ইনচার্জ পরিদর্শক আবদুল হালিম শিল্পী জনি রাজ হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, কক্সবাজার জেলার পুরো পুলিশ টিমই নতুন। ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্র্রে আসা সকল পুলিশ সদস্য এখানকার জন্য নতুন। সবখানে চিনে উঠতে বেগ পেতে হচ্ছে।
ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি এলাকাটিতে সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পুলিশ পাহারা থাকত জানতে পেরে সেভাবেই পুলিশ টহল চালু রয়েছে। তবে, সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ টহল শুরুর আগে সিএনজি পেয়ে দুর্বৃত্তরা অ্যাটাক করেছে বলে জানান তিনি।

ওসি হালিম আরও বলেন, খবর নিয়ে জেনেছি এর আগেও নিহত জনি রাজকে দুর্বৃত্তরা অ্যাটাক করেছিল। বৃহস্পতিবার তাকে অপহরণ করতে চেয়েছিল। পূর্ব কোনো ঘটনার জেরে এটা হলো কিনা তাও খতিয়ে দেখছি আমরা। তার মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।