রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২৬.
Home Blog Page 672

ফার্মেসি খুলে ওষুধ বিক্রি করছিলেন করোনা রোগী

0
প্রতিকী ছবি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবার পরেও দোকান খুলে ওষুধ বিক্রি করায় সোহাগ মোল্লা (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক কাশিয়ানী উপজেলা সহকারী কমিশনার আতিকুল ইসলাম এ অর্থদন্ড করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত সোহাগ রামদিয়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ও একই গ্রামের ডাঃ বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আতিকুল ইসলাম বলেন, রামদিয়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী সোহাগ মোল্লা করোনায় আক্রান্ত হয়েও দোকান খুলে কেনাবেচা করছিলেন।

স্থানীয়দের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। পরে প্রচলিত আইনে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আরও পড়ুন-আমার বেটা ষোলডা বছর বাড়ি আসে না

আরও পড়ুন-আজ ভয়াল একুশে আগস্ট

তিনি আরও জানান, করোনা নেগেটিভ না হওয়া পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীকে বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসে গন্ধ হারানোর অনুভূতি

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

করোনা ভাইরাসের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে গন্ধ না পাওয়া। ইউরোপীয়ন গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে গন্ধ হারানোর অনুভূতি সাধারণ ঠান্ডা বা ফ্লুতে আক্রান্ত রোগীর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা।

গবেষণায় দেখা গেছে, করোনার কারণে গন্ধ হারানোর অনুভূতি হঠাৎ করেই শুরু হয়। সেটা খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের নাক বন্ধ, সর্দি থাকে না। করোনা আক্রান্ত হলেও বেশিরভাগ মানুষ ভালোভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন।
এছাড়া আরেকটি ব্যাপারও ঘটে করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে। তা হলো স্বাদের অনুভূতি হ্রাস পাওয়া।

রাইনোলজি জার্নালে গবেষকরা জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্তরা স্বাদ পান না কারণ তাদের গন্ধের অনুভূতিও কার্যকর থাকে না। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যারা স্বাদ পান না তারা তিতা বা মিষ্টির মধ্যেও পার্থক্য করতে পারেন না।

বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ করছেন, মহামারি করোনা ভাইরাস সরাসরি স্নায়ু কোষকে প্রভাবিত করায় গন্ধ এবং স্বাদের ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

করোনা ভাইরাসের প্রধান লক্ষণগুলি হলো-

১. তীব্র জ্বর

২. কাশি বা একটানা কাশি

৩. স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি হারানো

চিকিৎসকরা বলছেন, যাদেরই এমন সমস্যা দেখা দেবে তাদের আইসোলেশনে থাকবে হবে। সেই সঙ্গে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে।

ইংল্যান্ডের পূর্ব আঞ্জলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক অধ্যাপক কার্ল ফিলপট ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর স্বাদ ও গন্ধের পরীক্ষা করেছেন। এদের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত, ১০ জন সাধারণ ঠান্ডা-কাশিতে আক্রান্ত এবং ১০ জন সুস্থ ব্যক্তি ছিলেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি গন্ধ পাওয়ার ক্ষমতা হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে গন্ধ শনাক্ত করার ক্ষমতা সবচেয়ে কম ছিল। এমনকী তারা তেতো বা মিষ্টি স্বাদও শনাক্ত করতে পারছিলেন না।

গন্ধ এবং স্বাদের অনুভূতি হারানো ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করা ফিফটি সেন্স দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ফিলপট বলেন, শ্বাসযন্ত্রে আঘাত করা অন্যান্য ভাইরাস থেকে করোনা ভাইরাস বৈশিষ্ট্য একদমই আলাদা।

তিনি আরও বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির স্বাদ-গন্ধ হারানোর অনুভূতি সাধারণ সর্দি বা ফ্লুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে পার্থক্য করছে।

তিনি বলেন, কফি, রসুন, কমলা বা লেবু এবং চিনি জাতীয় উপাদান ব্যবহার করে লোকজন বাড়িতে বসেই নিজের গন্ধ-স্বাদ পাওয়ার অনুভূতি পরীক্ষা করতে পারেন।

তিনি এটাও বলেছেন, কেউ যদি মনে করেন তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাহলে তিনি ল্যাবে গিয়ে নমুনা পরীক্ষাও দিতে পারেন।

তিনি জানান, করোনা ভাইরাস থেকে সেরে ওঠার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি ফিরে আসে।

আমেরিকার জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক এবং সাইনাস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অ্যান্ড্রু লেন ও তার দল নাকের পেছন থেকে টিস্যুর নমুনা নিয়ে গবেষণা করেছেন। তারা দেখেছেন করোনা ভাইরাস কীভাবে গন্ধের অনুভূতি নষ্ট করে। ইউরোপীয়ান শ্বাসযন্ত্র জার্নালে গবেষণার সেই ফলও তারা প্রকাশ করেছেন।

সেই গবেষণায় তারা অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার একটি এনজাইম শনাক্ত করেন যেটি শুধুমাত্র গন্ধের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষকরা এসিই নামের পরিচিত ওই এনজাইমটিকে ‘এন্ট্রি পয়েন্ট’ বলে মনে করছেন। তাদের ধারণা, ওখান দিয়েই করোন ভাইরাস দেহের কোষে প্রবেশ করে এবং দেহকে সংক্রমিত করে।

আরও পড়ুন-আমার বেটা ষোলডা বছর বাড়ি আসে না

আরও পড়ুন-আজ ভয়াল একুশে আগস্ট

অধ্যাপক লেন বলেছেন, ভাইরাসগুলো কোন স্থান দিয়ে দেহে প্রবেশ করছে তা নিয়ে এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যদিও জানা সম্ভব হয় নাকের মাধ্যমেই ভাইরাসটি শরীরকে সংক্রমিত করছে তাহলে অ্যান্টি ভাইরাল থেরাপির মাধ্যমে তা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। সূত্র: বিবিসি

মেহেরপুরে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত

0
Covid-19-Dro-7-7-p-1-compressed
সংগৃহিত ছবি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুরে নতুন করে ২৩ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় ৪০৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে এখন অবধি সুস্থ হয়েছেন ১৯১ জন এবং মারা গেছেন ১১ জন।

সিভিল সার্জন নাসির উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার নতুন আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন-আমার বেটা ষোলডা বছর বাড়ি আসে না

আরও পড়ুন-আজ ভয়াল একুশে আগস্ট

জেলা সিভিল সার্জন অফিস জানায়, বুধবার রাতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ল্যাব থেকে ৫০ জনের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যায়। এর মধ্যে এক শিশুসহ ২৩ জনের করোনা পজেটিভ আসে। তাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২১ ও গাংনীতে রয়েছেন দুজন।

মাগুরায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

0
Magura-Dro-21-8-p-1
প্রতিকী ছবি

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার মোহম্মদপুর এলাকায় পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মৃত তাসনিয়া (৩) উপজেলার রাহাতপুর গ্রামের সবুজ মোল্লার মেয়ে।

মোহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারক নাথ বিশ্বাস জানান, বৃহস্পতিবার বিকালের কোন এক সময় পরিবারের লোকজনের অজান্তে কোন এক সময় পুকুরের পানিতে পড়ে যায় শিশু তাসনিয়া। কিছুসময় পরে বাড়ির লোকজন শিশুটিকে পুকুরে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খেলতে যেয়ে পুকুরে ডুবে তাসনিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন-আমার বেটা ষোলডা বছর বাড়ি আসে না

আরও পড়ুন-আজ ভয়াল একুশে আগস্ট

এ ব্যাপারে মোহম্মদপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

আমার বেটা ষোলডা বছর বাড়ি আসে না

0
গ্রেনেট হামলায় নিহত প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষী মাহাবুবের মা

দুর্জয় বাউরি

সবাইতো চাকরি করে, ঈদ উৎসবে বউ ছেলে পেলে নিয়ে সবাই বাড়ি আসে কিন্তু আমার বেটা আর আসে না। ১৬ বছর ধরে ছেলের ছবিটি যত্নে আগলে রেখেছেন। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় জড়িত খুনিদের শাস্তি বাস্তবায়ন দেখে মরার পণ করেছেন ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা হাসিনা বেগম।

বছর ঘুরে এলেই জোরে-সোরে দোষীদের শাস্তি বাস্তবায়নের নানা খবর তিনি টেলিভিশনে শোনেন। মাঝে মাঝে রায় বাস্তবায়নের আশার আলোও দেখেন। কিন্তু সবাই ভুলে যায়। তিনি ভুলতে পারেন না নিহত ছেলে (তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার) দেহরক্ষি মাহাবুব রশিদের কথা।

ছেলের মৃত্যু বার্ষিকীর কয়েকদিন আগে কুষ্টিয়ার খোকসার ফুলবাড়ী গ্রামে নিজের ঘরের দাওয়ায় বসে খুব মৃদু স্বরে নিজের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, শারীরিক অবস্থা ভালো না। এখন আর বেশী ভাবতে পারেন না। বুকের মধ্যে “ধরপর” করে ওঠে। নিহত ছেলের স্ত্রী তাদের খোঁজ খবর নিচ্ছে বলেও জানান। তবে নিহত মাহাবুবের দুই ছেলেকে নিয়েও তিনি স্বপ্ন দেখেন। তারা বড় হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে।

সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলে নিহত হওয়ার পর থেকে তিনি অপেক্ষায় আছেন- দোষীদের বিচার ও সাজা বাস্তবায়ন দেখার। কিন্তু তার সে আশা আর বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বয়সের ভারে এখন আর বুক ভরে শ্বাস নিতে পারেন না। ছেলের মৃত্যুর পর তার শরীরে রোগ বাসা বেঁধেছে।

বৃদ্ধা হাসিনা বেগমের কাছে কোন হিসাবই বড় না। তিনিও স্বামী হারুন অর রশিদের মত ছেলের সমাধির স্থল সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও কবরস্থানে বিদ্যুতের আলোর ব্যবস্থা করার দাবি জানান। টেলিভিশনে অভিযুক্তদের বিচারের খবর অনেকবার শুনেছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জেনেছেন কিন্তু তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

চরম করোনা পরিস্তিতিতেও নিহতের বাবা মা বৃদ্ধ দম্পতি কোন সরকারী সহয়তা পাননি। উল্টো করে স্থানীয় নেতারা তার পরিবারকে রাজাকার পরিবার বলে আখ্যা দিয়েছে। এ নিয়ে তিনি কষ্ট পেয়েছেন। প্রতিবাদ করেননি।

এবারেও ছেলের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নিজের বাড়িতে মিলাদ মাহফিলের ব্যবস্থা করেছেন গাভীর দুধ বিক্রি করে জমানো টাকায়। তিনি বলেন, প্রতিমাসে কল্যান ফান্ড থেকে যে টাকা দেওয়া হয় তা দিয়ে দু’জনের সংসার চলতে চায় না। তাই তিনি দুধ বিক্রির টাকা থেকে নিহত ছেলের মৃত্যু বার্ষিকীর জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখেন।

আজ ভয়াল একুশে আগস্ট

0
আজ-ভয়াল-একুশে-আগস্ট
সংগৃহিত ছবি

সঞ্জয় বিশ্বাস

২০০৪ সালের এই দিনে, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। দেখতে দেখতে ১৬ বছর শেষ হয়েছে এই নারকীয় হত্যা যজ্ঞের। হরকাতুল জিহাদের (হুজি-বি) একদল জঙ্গির ছয় বছর ধরে আপ্রাণ চেষ্টার চূড়ান্ত রূপ দেখায় এই দিনে। ৭৫ এর পরে ২০০৪ সালের আগস্ট মাসটা আবারো রক্তাত হলো।

এ জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ধারাবাহিক চেষ্টার এক চূড়ান্ত রূপ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ অবধি নৃশংস সহিংসতার যেসব ঘটনা ঘটেছে এ ঘটনা তারমধ্যে অন্যতম।

সেদিন যা ঘটেছিল

২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট শনিবার। বঙ্গবন্ধু এভিনিউ এ আওয়ামী লীগের সমাবেশে মধ্যমনি হয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা। সভাবেশ শুরু হয়েছিল বিকাল ৪ টায়।

সময় তখন সাড়ে ৪টা- বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। বিকাল ৫ টার সময় শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে পৌঁছান। বুলেটপ্রুফ মার্সিডিজ বেঞ্জ জিপ থেকে নেমেই, নিরাপত্তা কর্মী বেষ্টিত অবস্থায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের উপর তৈরি অস্থায়ী মঞ্চে উঠে বক্তৃতা শুরু করেন।

২০ মিনিটের বক্তৃতা শেষে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু উচ্চারণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার হাতে থাকা একটি কাগজ ভাঁজ করতে করতে এগোচ্ছিলেন মঞ্চ ট্রাক থেকে নামার সিঁড়ির দিকে।

এমন সময় দক্ষিণ দিক থেকে মঞ্চকে লক্ষ্য করে একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। সময় তখন ৫টা ২২ মিনিট। গ্রেনেডটি মঞ্চের পাশেই রাস্তায় পড়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এরপর একে একে আরও ১২টি গ্রেনেড বিস্ফোরনের ঘটনা ঘটে। স্বল্প সময়ের মধ্যে পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। আতঙ্কিত মানুষ ছোটাছুটি শুরু করে। সেদিনের গ্রেনেড হামলায় মঞ্চের নিচে রাস্তার উপরে বসা আইভি রহমানসহ অসংখ্য মানুষ লুটিয়ে পড়েন। তবে ঘাতকদের প্রধান লক্ষ্যই ছিল শেখ হাসিনা।

পরিস্থিতির তাৎপর্য বুঝতে পেরে মঞ্চে উপস্থিত ঢাকার মেয়র মোহাম্মদ হানিফ এবং শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী মাহাবুব তাৎক্ষণিকভাবে এক মানবঢাল তৈরি করে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেন।

সেদিনের ঘটনায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন নেতা অল্পের জন্য প্রানে বাঁচলেও নিহত হোন দলের ২৪ জন নেতাকর্মী। এ ছাড়াও এ হামলায় আরও চার শতাধিক মানুষ আহত হন। আহতদের অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে গেছেন। তাদের কেউ কেউ আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাননি।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

রেলভ্রমণে জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার বাধ্যবাধকতা উঠল

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

রেলভ্রমণের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের যে শর্ত দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। তবে রেলের টিকেট কিনতে আগের মতই জাতীয় পরিচয়পত্র লাগবে।

এক পরিচয়পত্রে পরিবারের সর্বোচ্চ চারজন সদস্যের টিকিট কেনা বা ভ্রমণ করা যাবে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্যমতে, ১৩ আগস্ট রেলওয়ের গণবিজ্ঞপ্তিতে যাত্রীদের ভ্রমণের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছিল। যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শনের সেই শর্ত শিথিল করা হল। ভ্রমণের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বাধ্যতামূলক করায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে না থাকায় অনেকের ভ্রমণ বাতিল করা হয়।

নিজের নামে কাটা ট্রেনের টিকেট কারো কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করলে তিন মাস পর্যন্ত জেল ও জরিমানার শাস্তির কথা মনে করিয়ে দিয়ে ১৩ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ার করেছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন- খোকসার প্রয়াত কবি পরিবারের সহায়তা দিলো তারা

এছাড়া অন্যের টিকিট ব্যবহার করলে, কিংবা ব্যবহার করার চেষ্টা করলে ওই টিকেটের ভাড়ার সমান টাকা জরিমানা হিসেবে আদায় করা হবে বলেও সেখানে জানানো হয়।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে দুই মাসের বেশি সময় দেশে সাধারণ ছুটির পর ৩১ মে আট জোড়া এবং ৩ জুন আরও ১১ জোড়া ট্রেন চালু হয়। এরপর ১৬ আগস্ট আরও ১৩ জোড়া ট্রেন চালু হওয়ায় এখন ৩০ জোড়া ট্রেন দিয়ে যাত্রী সেবা দিচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

দেশের গরিব মানুষেরা ক্ষুধার জ্বালায় হাহাকার করছে-ফখরুল

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাস ও বন্যার দুর্যোগ মোকাবেলা করে সকল গরিব মানুষরা ক্ষুধার জ্বালায় হাহাকার করছে। এই অসহায় ও ক্ষুধার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে বিএনপির ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতাকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারছে না সরকার। তাই মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া তাদের এখন নয়া কৌশলে দাঁড়িয়েছে। সরকার দল নানাভাবে নানা কায়দায় হেনস্তা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপি’র সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। পুলিশের অভিযানে বিএনপি নেতাকর্মীরা এখন এলাকা ছাড়া।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা শ্যামনগরকে যেন নিজেদের জমিদারি এলাকা ভাবছে। সেজন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের কোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিও পালন করতে দিচ্ছে না। শ্যামনগরে এখন আতঙ্ক ও ভয়ের ছায়া নেমে এসেছে।

একদিকে করোনা ভাইরাসের ছোবল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মানুষের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা, এর ওপর সরকারি দুঃশাসন ও কর্তৃত্ববাদী হিংগ্রতায় দেশের মানুষ চরম নৈরাজ্যকর অবস্থার মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে।

নাশকতার অভিযোগে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান কবীর, বিএনপি নেতা আমির আলী, আব্দুর রশিদ ঢালী, জামিলুর রহমান বাবলু, মোস্তাফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম বেলাল, আনিসুর রহমান, আল মামুন, আব্দুর রহিম, শরিফুল ইসলাম যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম দুলু, কামাল হোসেন, আব্দুল গফফার মিঠু, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা এম নুরুজ্জামান, এস এম আবু বক্কর ও ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল কাইয়ুম আবুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল এই বিবৃতি দেন।

মাদ্রাাসাছাত্র হত্যা মামলায় কিশোরের ১০ বছরের সাজা

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বরগুনায় মাদ্রাসা ছাত্রকে নৃশংস ভাবে গলা কেটে হত্যা মামলায় একই মাদ্রাসার ছাত্র ফেরদৌসকে াভিযুক্ত করা হয়। তবে আদালত এই মামালায় অভিযুক্ত ফেরদৌসকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে অধিক ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ-ের আদেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাফিজুর রহমান রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল।

বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নে আদাবাড়িয়া গ্রামে মদিনাতুল উলুম কওমিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়।

আসামি ফেরদৌস একই উপজেলার পালের বালিয়াতলী গ্রামের হোসেন তালুকদারের ছেলে।

জানা যায়, একই মাদ্রাসায় নিহত মোবারক ও সাজাপ্রাপ্ত ফেরদৌস অধ্যয়ন করত। একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় ২০১০ সালের ১৭ এপ্রিল গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে অবস্থানরত ১১ বছরের মোবারককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। মোবারকের বাবা পালের বালিয়াতলী গ্রামের সাদেক মোল্লা বাদী হয়ে বরগুনা থানায় অজ্ঞাত আসামি দিয়ে মামলা করেন।

পুলিশ সন্দেহ করে ফেরদৌসকে আটক করে। পরে ফেরদৌস ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকা-। আসামির বয়স ১৬ বছর। শিশু আইনে নাবালককে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়ার বিধান নেই; যে কারণে ফাঁসি দেয়া যায়নি।

নদীতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় দমকা হাওয়ায় ভুবনেশ্বর নদীতে পড়ে তামিম হোসেন (১০) ও বোন অমি আক্তারের (১৫) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যার আগে সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামে বসতবাড়িসংলগ্ন ভুবনেশ্বর নদীতে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা সদর ইউনিয়নের উত্তর আলমনগর গ্রামের সৌদি প্রবাসী শেখ রাসেলের দুই সন্তান। নিহত অমি আক্তার চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী এবং তার ছোট ভাই উপজেলা সদরে আল-হেরা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যার আগে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ভাই-বোন মিলে একটি টিনের তাফালে উঠে ভুবনেশ্বর নদী পার হয়ে নানা নয়ন মোল্যার বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করে। দমকা হাওয়ায় মাঝ নদীতে তাদের তাফালটি ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার রাতে এলাকাবাসী অমি আক্তারের লাশ নদী থেকে উদ্ধার করলেও শিশু তামিম হোসেনের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ডুবুরি আবদুল খালেক ক্বারি (৫০) নদীর তলদেশ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন।
বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিতে ডুবে মৃত দুই ভাইবোনের দাফন-কাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

মশার কয়েল থেকে অগ্নিকান্ডে দুই কৃষক অগ্নিদগ্ধ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গরুর ঘরে মশা তাড়াতে জ্বালানো কয়েল থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক কৃষকের গবাদিপশু, বসতঘর ও ঘরে থাকা ফসল পুড়ে...

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই – ভাতিজাদের সংঘর্ষ আহত ১৬

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বসতবাড়ির মাত্র ৬ শতাংশ জমি নিয়ে চাচাতো ভাই - ভাতিজাদের মধ্যে দফায় দফায় পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের...

বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুই কৃষক। শনিবার দুপুরে উপজেলার খড়িবাড়িয়া মাঠের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সূত্রে...

বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদক ও মালামাল উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এক...

আগুনে পুড়ে ছাই হলো দুই ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 'বিশ বছর আগে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কষ্টেমষ্টে তিলেতিলে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ হয়ছিল। আর আমার কিছুই অবশিষ্ট নেই।...