Home breaking news ঝিনাইদহে বাস ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, কর্মস্থলে ফেরত যাত্রীরা শিকার

ঝিনাইদহে বাস ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য, কর্মস্থলে ফেরত যাত্রীরা শিকার

0
7

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের পরিবহন কাউন্টারগুলো ঈদ যাত্রায় ফিরতি টিকিটের দাম বেশী নিচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। এ নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শুক্রবার বিকালে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা মুখি যাত্রীদের কাছ থেকে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকার ভাড়া ১২শ থে ১৪ শ টাকা আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে যাত্রী ও মালিক শ্রমিকদের সাথে যাত্রীদের হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে পূর্বাশা পরিবহনের ঝিনাইদহ কাউন্টারের নামে অভিযোগ করেন এক যাত্রী। অভিযোগ পেয়ে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত বসালে পরিবহন শ্রমিকরা অভিযোগকারী যাত্রীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে লাঞ্ছিত করে। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।

সাব্বির আহম্মেদ নামে এক যাত্রী জানান, তিনি ঝিনাইদহ থেকে সায়েদাবাদ টিকেট কেটেছেন ১২০০ টাকা দিয়ে। অথচ এই ভাড়া ৬৫০ টাকা। তার কাছ থেকে ডাবল ভাড়া আদায় করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মামুন পরিবহনের একজন যাত্রী বলেন তার কাছ থেকে ৬৫০ টাকার ভাড়া ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।

কাউন্টার মাষ্টাররা জানান, এই ভাড়া ঢাকা থেকে বৃদ্ধি করে তাদের আদায় করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। তারা মালিকের নির্দেশ পালন করছেন মাত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাউন্টার মাষ্টার জানান, ঢাকা বাস মালিক সমিতির কথা মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে গিয়ে তারা বিব্রত, এমনকি মারামারির মতো ঘটনা ঘটছে।

ঝিনাইদহ বাস মালিক সমিতি পরিচালনা পরিষদের প্রধান রোকনুজ্জামান রানু বলেন, কাউন্টার শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে না। ঢাকা পরিবহন মালিক সমিতি ভাড়ার এই রেটকোট নির্ধারণ করে তা আদায় করতে বলেছে। ঢাকা রুটে চলাচলকৃত গাড়ির মালিকরাই অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সঙ্গে জড়িত।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযোগকারী যাত্রীকে লাঞ্চিত করার সময় মাত্র দুইজন পুলিশ কনস্টেবল ছিল। এ কারণে পুলিশ এ্যকশানে যেতে পারেনি। তিনি বলেন লাঞ্চিত যাত্রী থানায় কোন অভিযোগ করেনি।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে গাড়ি চাপায় চারমাসের শিশু নিহত

ঝিনাইদহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল কুমার দাস বলেন, বেশি ভাড়া যাতে আদায় করেত না পারে সে জন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বেশি ভাড়া আদায় করার শাস্তি খুবই দুর্বল। এ কারণে বাস মালিকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারপরও প্রশাসন সজাগ রয়েছে।