পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বেড়িয়ে খাতায় লিখে আসা উত্তর সহপাঠিদের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছে তারা। চলতি এসএসসি’র প্রথম দিন মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষে কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে থেকে পরীক্ষার্থীদের ছবিটি ধারণ করা।

পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বেড়িয়ে খাতায় লিখে আসা উত্তর সহপাঠিদের সাথে মিলিয়ে নিচ্ছে তারা। চলতি এসএসসি’র প্রথম দিন মঙ্গলবার পরীক্ষা শেষে কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে থেকে পরীক্ষার্থীদের ছবিটি ধারণ করা।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কসহ অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় মরিচা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম (৩৬) নিজ বাড়ির সামনে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এ সময় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ তার ওপর হামলা চালায়।
রবিউলের চিৎকারে তার বাবা-মা ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত নারী-পুরুষসহ তার পরিবারের সদস্যরা গুলিবিদ্ধ হন। পরে হামলাকারীরা এলাকা ত্যাগ করেন।
আহতরা হলেন রবিউল ইসলাম (৩৬), তার পিতা হাফেজ প্রামানিক (৭০), সোহেল রানা (৪৫), তার স্ত্রী তমা খাতুন (২৬), কামরুল ইসলাম (৩৭), মুন্নি খাতুন (২৪), রুনা খাতুন (২৭), মিতা খাতুন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী মেরিন খাতুন (২৫)।
হাসপাতালে উপস্থিত রবিউল ইসলামের মামা লিয়াকত মেম্বার জানান, হামলার কারণ সম্পর্কে তারা কিছুই জানেন না। কারা এই হামলা চালিয়েছে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
তিনি বলেন, “আমার ভাগ্নের সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ ছিল না। রাতে হঠাৎ করেই ১০-১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল এসে হামলা চালায়। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সবাইকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়, এতে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হন।”
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, “রাতে মরিচা ইউনিয়নে কয়েক রাউন্ড গুলির ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি।” ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ এর প্রথম দিনের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষায় ১৭ জন শিক্ষার্থীকে ভুল (২০২৫ সালের সিলেবাসে) প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দীর্ঘ এক ঘণ্টা পর নতুন প্রশ্নপত্র দেওয়া হলেও, ক্ষতিপূরণ হিসেবে মাত্র আধা ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় দেওয়ায় চরম বিপাকে পড়ে ওই সব শিক্ষার্থীরা। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে কেন্দ্র সচিব ও দুই কক্ষ পরিদর্শককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা শুরুর পর কক্ষ পরিদর্শক বালিরদিয়াড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বাহারুল ইসলাম ও ভুরকাপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাশেদা খাতুন ১৭ জন শিক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। ভুক্তভোগী ১৭ জন শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন বিশ্বাস স্কুল এন্ড কলেজের।
শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে সাথে সাথে পরিদর্শকদের অবগত করেন এবং প্রশ্ন পরিবর্তন করে দিতে বলেন । কিন্তু পরিদর্শকরা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে বরং তাদের ধমক দিয়ে পুরাতন প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা চালিয়ে যেতে বাধ্য করেন। ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর নতুন প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হলেও নষ্ট হওয়া এক ঘণ্টা সময়ের বিপরীতে মাত্র ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তাদের অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা।
বিষয়টি জানতে পেরে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ্য গুহ তাৎক্ষণিক কেন্দ্রে উপস্থিত হন। ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও উপস্থিত শিক্ষকদের সাথে কথা বলেন। ঘটনার প্রমাণ পাওয়ায় তিনি যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং কেন্দ্র সচিব ইয়ার আলী, কক্ষ পরিদর্শক বাহারুল ইসলাম ও রাশেদা খাতুনকে পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল দায়িত্ব থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অব্যাহতি দেন।
এ বিষয়ে নাসির উদ্দিন বিশ্বাস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোখলেসুর রহমান বলেন, “এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের সঙ্গে চরম অবিচার। একজন পরীক্ষার্থীর কাছে প্রতিটি মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কক্ষ পরিদর্শকদের দায়িত্বহীনতার কারণেই আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এক ঘণ্টা সময় নষ্ট হওয়ার পর মাত্র আধা ঘণ্টা ক্ষতিপূরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, যা শিক্ষার্থীদের ওপর প্রচন্ড মানসিক চাপ তৈরি করেছে।
ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ইয়ার আলী বলেন, প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় অসাবধানতাবশত এই ভুলটি হয়েছে। বিষয়টি জানামাত্রই আমরা ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। এটি অনিচ্ছাকৃত একটি ভুল ছিল, তারপরও প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান জানাই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনিন্দ্য গুহ বলেন, “পরীক্ষার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে এমন অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। খবর পাওয়া মাত্রই আমি কেন্দ্রে গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করেছি। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সাথে যে অবিচার হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বোর্ডের সাথে কথা বলে ওই শিক্ষার্থীদের রোল নাম্বার গুলো সংশ্লিষ্ট বোর্ডের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক ও কেন্দ্র সচিবকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পারিবারিক কলহের জের ধরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত হয়েছেন।
সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বাড়াদী গ্রামের বানিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাশেদ আলী (৩৫) ওই এলাকার রবিউল শেখের ছেলে। তিনি ফেরি করে পণ্য বিক্রি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। গত শনিবার রাশেদ কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। রাত ৩টার দিকে ছোট ভাই জহুরুল তার বড় ভাই রাশেদকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর থেকেই জহুরুল পরিবারসহ পলাতক রয়েছেন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ হোসেন ইমাম জানান, রাশেদকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
শুষ্ক মৌসুমের শুরুতেই ভূগর্ভস্ত পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় অধিকাংশ টিউবয়েলে পানি উঠছে না। শুকুয়ে গেছে পুকুর জলাধার। খাবার পানির সাথে রান্নার পানির অভাব সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ২ কিলোমিটার দূরের গড়াই নদী থেকে এক গৃহীনি রিকসা ভ্যানে কলস সাজিয়ে রান্নার পানি নিয়ে যাচ্ছেন। এ পানিতে তার পরিবারে একসপ্তাহের রান্নার কাজ চলবে। কুষ্টিয়ার খোকসার হেলালপুর থেকে তোলা ছবি।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহন শ্রমিকেরা।
শুক্রবার সকাল পাঁচটা থেকে অভ্যন্তরীণ সব রুটে কুষ্টিয়ার মালিক গ্রæপ ও মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
এতে কুষ্টিয়া- মেহেরপুর, কুষ্টিয়া-প্রাগপুর রুটে একেবারেই বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া কুষ্টিয়া-খুলনা-যশোর, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া-বরিশাল, কুষ্টিয়া-রাজশাহী, কুষ্টিয়া-পাবনা-সিরাজগঞ্জসহ অন্যান্য রুটে মালিক গ্রæপ ও মালিক সমিতির কোন বাস ছেড়ে যায়নি। তবে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাসগুলো চলছে। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সংশ্লিষ্ট রুটের যাত্রীরা।
এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য এ কর্মবিরতির ডাক দেয় শ্রমিক ইউনিয়ন।
জানতে চাইলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাহাবুল হক বলেন, বাস মিনিবাস মালিক গ্রæপের সঙ্গে কুষ্টিয়া-খুলনা-যশোর রুটে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের বাসও অন্তভুক্ত রয়েছে। অথচ আমাদের কে কোন সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় না। দুইটি দাবিতে মালিক গ্রুপের সাথে আমাদের বৈঠক হয়েছে।
গত ১৫ এপ্রিলের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দাবি না মানাই শুক্রবার সকাল থেকে মালিক গ্রæপের বাস মিনিবাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদের সাথে একমত হয়ে মালিক সমিতির শ্রমিকরাও বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। এতে কুষ্টিয়ার কোন বাস ছেড়ে যায়নি।
সকাল সাড়ে দশটার দিকে কুষ্টিয়া জেলা বাস মিনিবাস মালিক গ্রæপের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জানান, এক সপ্তাহ আগে বাস মিনি বাস শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুটি দাবির কথা জানায়। এর একটি হল পরিবহন সংশ্লিষ্ট মালিক যেসব সুযোগ সুবিধা নেয় শ্রমিকদেরও একই সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। দ্বিতীয়ত শ্রমিক সংগঠনের নামে একটি বাস কুষ্টিয়া থেকে খুলনা রুটে চলাচল করার অনুমোদন দিতে হবে। এসব দাবি পুরণ না করায় তারা সকাল থেকে সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। তবে ঢাকাগামী বাস চলছে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় ট্রাক-পিকআপভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে পিকআপের চালকসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা তিনটি ঘোড়াও মারা গেছে।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসি আবু ওবায়েদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের বিত্তিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- নড়াইল জেলা সদর উপজেলার বাঙালিপাড়া এলাকার আব্দুল হকের ছেলে সিফায়েত (৩৫) ও সাধুখালী এলাকার বিমলের ছেলে বিকাশ (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, সকালে ঘোড়া বহনকারী একটি পিকআপভ্যান নড়াইলের দিকে যাওয়ার পথে এসময় সদর উপজেলার বিত্তিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে সিফায়েত এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাশের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা তিনটি ঘোড়াও মারা গেছে।
দুর্ঘটনায় আহত পিকআপের চালক নাজমুল (৩৭) এবং দুই আরোহী তামিম (১৪) ও জিয়াকে (৪৫) কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার ওসি আবু ওবায়েদ জানান, নিহতদের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৈশাখের শুরুতেই সোনার দোকানের কারখানার ছাই ও ধুলা-মাটি বিক্রি শুরু হয়। কিন্তু এ বছর কাজ কম হওয়ায় কারখানার এই বর্জ্যে দাম খুবই কম। এই বর্জ্য গড়াই নদী পানিতে ধুয়ে সোনা রুপার মত দামী ধাতব উদ্ধারের চেষ্টা করছেন দুই ব্যবসায়ী। শুক্রবার দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসায় গড়াই নদীর কালীবাড়ীর ঘাট থেকে ছবিটি তোলা।


দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশের অন্যতম বড় অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ-এর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন।
এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চলে সাড়ে ছয় কোটির বেশি মানুষের বসবাস, যারা নদী নির্ভর জীবনের সঙ্গে জড়িত।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নতুন নয়। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে চারটি সমীক্ষা পরিচালিত হয়। পরে ২০০২ সালে প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয়। ২০০৪ সালে ৪৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ নকশা চূড়ান্ত করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ অন্যতম। ইতোমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ডিপিপি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের বিস্তীর্ণ নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আটজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে দুজন হাম আক্রান্ত হয়েই মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম সন্দেহে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৭২ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে তিন হাজার ৬৫ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৩৫২ জন।
এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৩ হাজার ১২৯ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১০ হাজার ৪৯৬ জন।