শীতের সবজির দাম নামতে নামতে তলানিতে ঠেকেছে। কৃষক পূজি বাঁচাতে নসিমন গাড়িতে ২৫ টাকা জোড়া ফুল কপি ও পাতা কপি ফেরি করে বিক্রি করে বেড়াচ্ছে। শুক্রবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার থানা মোড় থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে।


শীতের সবজির দাম নামতে নামতে তলানিতে ঠেকেছে। কৃষক পূজি বাঁচাতে নসিমন গাড়িতে ২৫ টাকা জোড়া ফুল কপি ও পাতা কপি ফেরি করে বিক্রি করে বেড়াচ্ছে। শুক্রবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার থানা মোড় থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে।


দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাকর্মী তার সাথে উপস্থি ছিলেন।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে তিনি শ্রদ্ধা জানান।
বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি সমাধিস্থলে প্রবেশ করেন। এ সময় জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীরা রাস্তার দু’পাশে দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানান এবং শুভাগমন উপলক্ষে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন। এসময় জিয়া উদ্যান ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন ও বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে তারেক রহমান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে জিয়া উদ্যানের উদ্দেশ্যে রওনা হন। গুলশান-২ গোলচত্বর হয়ে বনানী, সেখান থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এলাকা, বিজয় সরণি ও বিমানচত্বর অতিক্রম করে জিয়া উদ্যানে যান।
এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. এ কে এম শামসুল রহমান শামস, উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস ছাত্তার, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল এবং দপ্তর সম্পাদক আব্দুস ছাত্তার পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখে গুলশানের বাসার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি হাসপাতাল থেকে বের হন। এরপর লাল-সবুজ বাসে চড়ে গাড়িবহর নিয়ে গুলশানের উদ্দেশে রওনা করেন।
এর আগে বিকাল পৌনে ৫টার দিকে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চ ত্যাগ করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা করেন। সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটে তিনি হাসপাতালে পৌঁছান।
বৃহস্পতিবার সকালে তারেক রহমান, তার স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজ বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে বিমানটি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে যাত্রাবিরতির পর তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাটি স্পর্শ করে।
বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। এসময় তিনি দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশলবিনিময় করেন এবং উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বের হন তিনি। এরপর বিমানবন্দরের সামনে জুতা খুলে খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করেন তারেক।
দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে তারেক রহমান বিমানবন্দরের সামনে থেকে লাল-সবুজ বাসে ওঠেন। বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে তিনি ৩০০ ফিটের গণসংবর্ধনা মঞ্চের কাছে পৌঁছান। সেই হিসাবে বিমানবন্দর থেকে মঞ্চে পৌঁছাতে সোয়া ৩ ঘণ্টা সময় লেগেছে তার।
শীতকালীন পেঁয়াজ আবাদের শুরুতেই কৃষকরা চারার আকালে ভুগছেন। একদিকে সারে সংকট অন্য দিকে চারার আকাল। এ যেনো মরার উপর খাড়ার ঘা। বীজতলা তৈরীর সময় অতিরিক্ত বৃষ্টিতে আশানুরূপ চারা উৎপাদন করতে পারেনি কৃষক। গ্রামীন হাট গুলোতে বিক্রেতা চারা আনার সাথে সাথে চাষীরা হামলে পরছে। বাজারে ভালো জাতের পেঁয়াজের প্রতিমন চারা বিক্রি হচ্ছে ২৮শ থেকে ৩৫ শ টাকার মধ্যে। বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার খোকসার শোমসপুর সাপ্তাহিক হাট থেকে পেঁয়াজের চারা কেনা-বেচার ছবি গুলো তোলা।





দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
পূর্বাচলে ৩০০ ফিটে আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বললেন, প্রিয় বাংলাদেশে, যে কোনো মূল্যে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। সবাই মিলে একটি নিরাপদ দেশ গড়ার সময় এসেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের দেওয়া সংবর্ধনা শেষে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তারেক রহমান। ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরে তিনি রাজধানীর পূর্বাচলে গণসংবর্ধনায় মঞ্চে উপস্থিত হন।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘উপস্থিত প্রিয় মুরুব্বিবর্গ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ, প্রিয় ভাই ও বোনেরা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশ থেকে যাঁরা দেখছেন এই অনুষ্ঠান, প্রিয় ভাই-বোনেরা, প্রিয় মা-বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় ভাই-বোনেরা আজ প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাজারো লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাতে চাই। রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি আপনাদের দোয়ায়, আপনাদের মাঝে।’
সবাই মিলে দেশ গড়ার সময় এসেছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, এই দেশে একইভাবে সমতলের মানুষ আছে, এই দেশে মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, আমরা যেই বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছি, একজন মা দেখেন, অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমি ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তীতে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। আমরা তারপর দেখেছি ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী, পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত-নির্বিশেষে সব মানুষ সেদিন এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।’
সংবর্ধনা মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দীর্ঘদিনের যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘ নির্বাসিত প্রবাস জীবনের ইতি টেনে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার আগেই তিনি ঢাকায় অবতরণ করবেন। তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকছেন স্ত্রী-কন্যাসহ আরও পাঁচজন।
সূত্র জানায়, বিমানের বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ২০২০ ফ্লাইটে আসছেন তারেক রহমান। ফ্লাইটটি ২৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। এরই মধ্যে তিনি হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের উড়োজাহাজটি ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে।
ঢাকায় অবতরণের আগে উড়োজাহাজটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ঘণ্টা যাত্রা বিরতি করবে।
সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসে তারেক রহমানের পাশাপাশি আরও পাঁচজন সফরসঙ্গীর টিকিট কনফার্ম রয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন তারেকের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা জারনাজ রহমান।
এছাড়া তারেক রহমানের মিডিয়া টিমের প্রধান আবু আবদুল্লাহ সালেহ, পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট আব্দুর রহমান সানি ও তাবাসসুম ফারহানা নামে আরেকজন আছেন। টিকিটের মোট মূল্য ৯ হাজার ৮৫৬ ব্রিটিশ পাউন্ড, বাংলাদেশি টাকায় যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
একটি সূত্র জানায়, এছাড়া দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী নিজস্ব উদ্যোগে একই ফ্লাইটে টিকিট কেটেছেন। তারাও আসছেন।
বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি প্রথমে তিনশো ফিট এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাবেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনিই একমাত্র বক্তা থাকবেন। এরপর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তার অসুস্থ মাকে দেখবেন। সেখান থেকে তিনি বাসায় যাবেন।
কুমারখালী প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে স্থানীয় আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়ামে সভার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারজানা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিরিনা আখতার বানু, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুম মনিরা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক প্রমূখ।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার বলেন, ১২ ফেব্রæয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে জনগণের আশা আকাঙ্খা প্রত্যাশা পূরণ ও সংস্কারের লক্ষ্যে হ্যাঁ /না গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সকল শ্রেণি পেশার মানুষ যেন ভোটে অংশগ্রহণ করেন, – সেই লক্ষ্যে আপনারা ব্যাপক প্রচার – প্রচারণা ও মানুষকে সচেতন করবেন।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, অনুষ্ঠানে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী, খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ড. বেনেডিক্ট আলো ডি রোজারিও, জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশ-এর সভাপতি ক্রিস্টোফার অধিকারীসহ দেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় খ্রিষ্টান ধর্মের নেতারা তাদের শুভেচ্ছা বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সুনাম এবং দেশের অর্থনীতি ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়নে তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে যিশু খ্রিস্টকে সার্বজনীন উল্লেখ করে বলেন, যিশু খ্রিষ্টের ক্ষমা ও মানবসেবার আদর্শ সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষও এ বছর উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে বড়দিন উদযাপন করছে।
প্রধান উপদেষ্টাকে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে জনগণ আপনার ওপর আস্থা রেখেছেন। আপনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। প্রার্থনা করি, একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আপনার প্রচেষ্টা সফল হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা উপস্থিত নেতাসহ সবাইকে বড়দিন ও আসন্ন নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আপনারাই সমাজের প্রতিবিম্ব। আপনাদের দেখলে বুঝতে পারি, সবকিছু ঠিক আছে কি না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে চাই। সে জন্যই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা সমুন্নত রাখতে জুলাই সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। এই সনদের ওপর গণভোটের মাধ্যমে দেশ আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোটও হবে। গণভোটে জনগণ যে রায় দেবে, পরবর্তীতে সংসদ সেভাবেই সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করে তুলতে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার জন্য অনুষ্ঠানে অন্তর্র্বতী সরকারকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান ট্রাস্টের নেতারা। দেশব্যাপী ৮০০টি চার্চের মধ্যে তিন ধাপে এ অনুদান বিতরণ করা হচ্ছে বলে জানান তারা।
পরে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন প্রধান উপদেষ্টা।
স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৪ আসনের বিএনপি’র ধানের র্শীষের প্রার্থীতার চুড়ান্ত চিঠি পেলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী। এবার দিয়ে তিনি ছয় বার বিএনপি’র ধানের র্শীষের মনোনয়ন লাভ করলেন।
বুধবার রাতে খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্নআহবায়ক নাফিজ আহমেদ খান রাজু মুঠোফোনে দ্রোহ পত্রিকাকে সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমীর দলীয় মনোনয়নের চুড়ান্ত চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বুধবার বেলা ১২ টার দিকে বেগম জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলগীর প্রার্থীদের দলীয় মনোনয়নের চুড়ান্ত চিঠি প্রার্থীদের হাতে তুলে দেন। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী নিজে তার চিঠি গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী যুবদলের রাজনীতি দিয়ে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেন। স্বৈরাচার এরশাদ পতনের পর ১৯৯১ সালে প্রথম বিএনপির ধানের শীষের দলীয় মনোনয় লাভ করেন। দলীয় মনোনয়নে পরপর দুইবার জাতীয় সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হন।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
রিকশায় চড়ে এসে মনোনয়ন ফরম কিনলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আমির হামজা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে রিকশাযোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৌঁছান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে অল্পসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বিতর্কিত বক্তব্যে নিয়মিত আলোচনায় থাকা ইসলামী বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা আমির হামজা সম্প্রতি অনেকটাই নীরব। গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে না তার চটকদার বক্তব্য। আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, এমন কাজ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছেন। আজকে রিকশাযোগে এসে আবারও দৃষ্টি কাড়লেন গণমাধ্যম কর্মীদের।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সুজা উদ্দীন জোয়ার্দ্দার, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মাজহারুল হক মমিন ও খায়রুল ইসলাম রবিন, কুষ্টিয়া শহর জামায়াতের আমির এনামুল হক, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শরিফুল ইসলাম, সেক্রেটারি ডা. রায়হান আলী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান বোরহান ও আলী মুজাহিদ। এছাড়া কুষ্টিয়া শহর শিবিরের সভাপতি হাফেজ মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, সাবেক সভাপতি সেলিম রেজাসহ জামায়াত ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর সাংবাদিকদের আমির হামজা বলেন, হত্যাকান্ড কখনো সমর্থন করি না যারা ঘটিয়েছে আমরা তাদের বিচার চাই। এ হত্যাকান্ডের মধ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত আছে। অনেকে চাচ্ছে নির্বাচন পিছেয়ে যাক এবং দেশটা অন্যের হাতে চলে যাক। নির্বাচিত সরকার না আসলে কি হয় আমরা তো দেখেছি সুতরাং এই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই এবং নির্বাচনে যে তারিখ দেওয়া আছে আশা করি এই তারিখেই নির্বাচন হয়ে যাবে।
আমির হামজা আরও বলেন, আমরা অনেকদিন ধরে মাঠে আছি, সে হিসাবে নির্বাচনের পরিবেশ যেভাবে চলছে এভাবে চললে আমরা আশাবাদী জয়ী হব। আমাদের দুইটা থানায় প্রত্যেক ঘরের দুয়ারে আমরা গিয়েছি, মানুষের যেভাবে সাড়া পেয়েছি আমরা আশা করছি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হব।