বুধবার, মে ৬, ২০২৬.
Home Blog Page 585

ম্যারাডোনা আর নেই

0
MARADONA-DROHO-26-P2
দিয়াগো ম্যারাডোনা

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা দিয়াগো ম্যারাডোনা আর নেই। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো কিংবদন্তি এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। গত মাসে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে সফল অস্ত্রোপচারও হয়। এরপর সুস্থ হয়েই হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছিলেন। এর আগেও বেশ কয়েক বার অসুস্থ হয়েছেন ৮৬’র বিশ্বকাপ জয়ী এই কিংবদন্তি।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে। লিখেছে, ‘কিংবদন্তির বিদায়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সব সময় তুমি আমাদের হৃদয়ে থাকবে।

ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার জার্সিতে চারটি বিশ্বকাপ খেলেছেন। এর মধ্যে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মাঠেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে ফাইনাল জেতান তিনি। এর মধ্যে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার ‘হ্যান্ড অব গড’ চিরস্মরণীয়। কিংবদন্তি এই ফুটবলার আকাশি-নীল জার্সিতে ৯১ ম্যাচ খেলে করেছেন ৩১ গোল।

ঊর্ধ্বতন নারী সহকর্মীকে “স্যার” বলার সংস্কৃতি!!!

0
MUNSHE-MOR-DRO-26-P1
ড. মুন্সী মুর্তজা আলী

ড. মুন্সী মুর্তজা আলী

নিম্নপদের নারী ও পুরুষ সকল সহকর্মী নির্বিশেষে তাদের ঊর্ধ্বতন নারী সহকর্মীকে “স্যার” বলে সম্বোধন করার সংস্কৃতি আগে কখনো চালু ছিল না। কিন্তু ইদানীং বাংলাদেশে এই সংস্কৃতি চালু হয়েছে। “স্যার” একটি পুরুষ লিঙ্গবাচক শব্দ। যার বাংলা অর্থ জনাব বা মহাশয়। স্যার এর স্ত্রীলিঙ্গ করলে অর্থ দাঁড়ায়, “মিস” বা “ম্যাডাম”। মিস ও ম্যাডাম দুটোই ইংরেজী শব্দ। অথচ আমাদের মানসিক ধারণা এমন হয়ে গিয়েছে যে, আপা বলার পরিবর্তে ম্যাডাম বলে সম্বোধন করলে অধিকাংশ মহিলারা গর্ববোধ করেন। মিস ও ম্যাডামের অর্থের মধ্যেও ভিন্ন অর্থ লুকানো আছে। মিস মানে কুমারী। যদিও উন্নত দেশে অফিসিয়ালী ও আনঅফিসিয়ালীভাবে বিবাহিত ও অবিবাহিত মহিলাদেরকেও মিস বলে সম্বোধন করে থাকে। আর আমাদের দেশে ম্যাডাম বলতে আগে বিবাহিত মহিলাদেরকে বোঝাতো।

এখন সেখান থেকে মনেহয় আমরা একটু সরে এসেছি। মূলত ম্যাডাম অর্থ সম্ভ্রান্ত রমণীকে ভদ্রতাসূচক সম্বোধন, যাকে বাংলায় বলে ভদ্রমহিলা। সম্ভারন্ত রমণীকে তো আর “ভদ্রমহিলা” বলে ডাকলে শ্রুতিমধুর শোনা যায় না। তাই সম্ভ্রান্ত রমণীকে কিংবা উচ্চস্তরের চাকুরীজীবী মহিলাকে ম্যাডাম বলে ডাকায় অধিকতর শ্রেয় বলে মনে করা হয়। যদিও আপা বলেও সম্বোধন করলেও শ্রেয় হয় এবং অনেকে তা করেও।

আমাদের বাংলাদেশের কালচারটা হলো এরকম। স্কুলের শিক্ষিকাকে আমরা আপা বলে ডাকি। আর কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে ম্যাডাম বলে ডাকি। এখন অবশ্য বেশীরভাগ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা মহিলা শিক্ষিকাদের ম্যাডাম বলার পাশাপাশি ম্যাম বলেও ডাকে। এখন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ছাত্র বা ছাত্রী যদি তার শিক্ষিকাকে ম্যাডাম বা ম্যাম না বলে স্যার বলে সম্বোধন করে, তাহলে আমি শতভাগ নিশ্চিত যে সেই শিক্ষিকা বির্বত বোধ করবেন। কারণ, মহিলা শিক্ষিকরা এখনো সৃষ্টিশীল বাঙালি ঐতিহ্য ধারণ করে আছেন।

এখানে আপা থেকে ম্যাডাম কথাটি যেন আমরা বেশী প্রেস্টিজিয়াস মনে করছি। কারণ কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাদেরকে আমরা বেশী শিক্ষিত ও উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন বলে মনে করছি। যেহেতু তাঁরা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। অবশ্য সাম্প্রতিককালে অনেক প্রাইমারী ও হাইস্কুলের বেশীরভাগ শিক্ষক শিক্ষিকাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী। শিক্ষক শিক্ষকই। সে যে কোন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা শিক্ষিকাই হোক না কেন। সকল শিক্ষকের মর্যাদা সমান। কারণ যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সে তার প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষককে সবসময়ই মর্যাদা প্রদান করে থাকে। অথচ বেশীরভাগ মানুষের ভাবনা এরকম তা হলো, প্রতিষ্ঠানভেদে শিক্ষকদের মর্যাদা ভিন্ন ভিন্নভাবে ভাবা। এটা একটা আমলাতন্ত্রিক মানসিকতা ছাড়া কিছুই নয়।

এদিকে আমাদের দেশের সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে ঊর্ধ্বতন মহিলা কর্মকর্তাকে (মহিলা কর্মকর্ত্রী) তাদের অধঃস্তন কর্মকর্তারা বা কর্মচারীরা স্যার বলে সম্বোধন করেন। শুধু তাই নয়, মাঠ পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন বিভাগে নিয়োজিত মহিলা কর্মকর্তাদেরকে নাকি এলাকার লোকজন যেয়ে স্যার বলে সম্বোধন করেন। তা না করলে নাকি অনেক মহিলা কর্মকর্তা মন খারাপ করেন অর্থাৎ বিব্রতবোধ করেন। এমনকি রাগও করেন। এখন নাকি রেওয়াজ হয়ে গেছে সকল মহিলা কর্মকর্তাদেরকে স্যার বলে সম্বোধন করতে হয়। আমার কাছে বিষয়টি একটু চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁয়িয়েছে। আমার মনে হয়, একজন মহিলা কর্মকর্তাকে স্যার বলে সম্বোধন করলে তো সেই মহিলা কর্মকর্তারই বিব্রতবোধ করা উচিত। অথচ সে বিব্রতবোধ না করে তুষ্ট হচ্ছেন। সব মহিলা কর্মকর্তারাই কি তুষ্ট হন? আর সব মহিলা কর্মকর্তারাই কি বিব্রত হন? এ নিয়ে আমার মনে দ্বীধা আছে। আমার ধারনা এতে সবাই তুষ্ট হন না। হয়তো কেউ কেউ বিব্রতও হন।

মহিলা কর্মকর্তাকে স্যার বলে সম্বোধন করে প্রকারান্তরে মহিলাদেরকে সম্মান করার বদলে শুধু অসম্মান করাই নয় তাদেরকে অপমান করা হচ্ছে বলেই আমার মতামত। নারী পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেক পুরুষ ও
নারীরই স্বাত্যন্ত্রবোধ আছে। কিন্তু যখন কোন নারী কর্মকর্তাকে ম্যাডাম না বলে স্যার বলা হয়, তখন এটা পুরো চাকুরীজীবী নারী সমাজের জন্য বিব্রতকর বিষয় হওয়া উচিত বলে আমি বিশ্বাস করি। নারী কর্মকর্তাকে স্যার বলার মাধ্যমে নারীকে তার প্রাপ্য “নারী অধিকার” থেকে বঞ্চিত করার পুরুষ শাসিত সমাজের আরেকটি কৌশল বলেই আমি মনে করি। এতে নারী কর্মকর্তাদের তুষ্ট হওয়া বাতুলতা মাত্র। আশাকরি আমাদের বোধোদয় হবে।

পরিশেষে শরৎ চন্দ্রের একটি কথা দিয়ে শেষ করতে চাই। সোনাকে রুপা মনে করে ছুঁড়ে ফেলে দিলে, সোনা কখনো রুপা হয়ে যায় না। আর রুপাকে সোনা মনে করে সিন্দুকে তুলে রাখলেও রুপা কখনো সোনা হয়ে যায় না। আমাদের তথাকথিত নারীবাদী পুরুষেরা নারীকে রুপা মনে করে সোনার সিন্দুকে আটকে রেখে নারীকে মিছে নারী অধিকারের গোলক ধাঁধায় ফেলতে চায়। নারীদেরকে “স্যার” বলে ডাকার রেওয়াজ সৃষ্টি নারীর মর্যাদা বৃদ্ধির পরিবর্তে নারীর মর্যাদা হানি ও অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই না।

ড. মুন্সী মুর্তজা আলী, অধ্যাপক, লোক প্রশাসন বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

খোকসায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

0
MALA-DROHO-25-P3

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে ২ দিন ব্যাপী জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং মেলার উদ্বোধন করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী সদর উদ্দিন খান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হক। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ উদ্দীন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইসহাক আলী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সবুজ কুমার সাহা, সহকারী মাধ্যমিক অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, একাডেমিক সুপারভাইজার মিলন হোসেন খান, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

নিঃস্ফলা জমির ফসল সোনা মুখি কচু

0

ঝিনাইদহে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সমাবেশ

0
Jubo-Somabesh-DROHO-25-P2

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ করণীয় বিষয়ক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার শহরের এইড ফাউন্ডেশন কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সদর উপজেলা পরিষেদে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে মোমবাতি প্রজ্জলনের মাধ্যমে সমাবেশের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদরুদ্দোজা শুভ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশিদুর রহমান রাসেল, এইডের প্রকল্প সমন্বয়কারী আশরাফুন্নাহার আশা, প্রকল্প সহায়ক মোহাম্মদ আয়াতুল্লাহ, ডিপিসি নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্যরা। সমাবেশ শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

লটারির মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে ভর্তি

0
EDCUTISON-DROHO-25-P1

দ্রোহ অনলাইন

লটারির মাধ্যমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতি শ্রেণিতেই ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তির বিষয়ে অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন সময়ে স্কুলে এনে ভর্তি পরীক্ষার নেয়ার বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাধ্য হয়েই লটারির মাধ্যমে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ভর্তির ক্ষেত্রে এলাকা ভিত্তিক কোটা বাড়িয়ে ৫০ ভাগ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিরেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক গোলাম ফারুক, বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

মেহেদীর নৈপুণ্যে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রাজশাহীর জয়

0
BPL-DROHO-24-P5
ছবি সংগ্রহ

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মেহেদী হাসানের নৈপূণ্যে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে রাজশাহী। ব্যাট হাতে ৩২ বলে ৫০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলার পাশাপাশি বল হাতে শেষ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মেহেদী।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে ঢাকার প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। কিন্তু ৬ বলে ৯ রানও তুলতে পারেননি সাব্বির রহমান রুম্মন ও মুক্তার আলীরা।

মেহেদী হাসানের করা শেষ ওভারের প্রথম তিন বল ডট দেন। চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকান মুক্তার আলী। পঞ্চম বল নো দেন মেহেদী হাসান। ফ্রি হিটে কিছুই করতে পারেননি মুক্তার আলী।

শেষ বলে জয়ের জন্য ঢাকার প্রয়োজন ছিল তিন রান। জয়ের জন্য মুক্তার আলীকে বাউন্ডারি হাঁকাতে হতো। কিন্তু মেহেদীর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১ রানের বেশি নিতে পারেননি মুক্তার।

এর আগে ঢাকা লিগে শেখ জামালের হয়ে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে জয় উপহার দিতে পারলেও এদিন সেই ঝলক দেখাতে পারেননি। যে কারণে ১৭০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে তীরে গিয়ে তরী ডুবে ঢাকার।

মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে আশানুরূপ খেলতে পারেননি আশরাফুল।

এদিন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ৩১ রানে ফেরেন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত (১৭)। এরপর ১৭ রানের ব্যবধানে ফেরেন তিনে ব্যাটিংয়ে নামা রনি তালুকাদার (৬)।

৪৮ রানে দুই উইকেট পতনের পর ওপেনার আনিসুল ইসলাম ইমনের সঙ্গে জুটি গড়তে পারেননি চারে ব্যাটিংয়ে নামা আশরাফুল। নয় মাস পর খেলতে নেমে ৯ বলে মাত্র ৬ রানে ফেরেন জাতীয় দলে ‘সাবেক’ হয়ে যাওয়া এই তারকা ব্যাটসম্যান।

তবে শেষ দিকে মেহেদী হাসানের ব্যাটিং তা-বে শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ১৬৯ রান তুলতে সক্ষম হয় রাজশাহী। দলের হয়ে ৩২ বলে চারটি ছক্কা ও তিন চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন মেহেদী হাসান। এছাড়া ৩৯ রান করেন নুরুল হাসান সোহান। ৩৫ রান করেন ইমন।

রাজশাহী: ২০ ওভারে ১৬৯/৯ (মেহেদী হাসান ৫০, সোহান ৩৯, আনিসুল ইসলাম ইমন ৩৫, নাজমুল হোসেন শান্ত ১৭; মুক্তার আলী ৩/২২ )।

ঢাকা: ২০ ওভারে ১৬৭/৫ (মুশফিকুর রহিম ৪১, আকবর আলী ৩৪, মুক্তার আলী ২৭* মোহাম্মদ নাঈম ২৬, তানজিদ হাসান ১৮)।

ফল: রাজশাহী ২ রানে জয়ী।

হাই কোর্টে জামিন মিললো ফটো সাংবাদিক কাজলের

0
KAJUL-DROHO-24-P4
ফাইল ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সংসদ সদস্যের দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজল হাই কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। রাজধানীর দুই থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থাকায় আপাতত মুক্তি মিলছে না।

কাজলের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার তাকে জামিন দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রিপন বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পি।

যে মামলায় কাজল জামিন পেলেন, সেটি দায়ের করা হয়েছিল শেরেবাংলা নগর থানায়। হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীর চর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরো দুটি মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফলে এখনই তার মুক্তি মিলছে না।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পি বলেন, আজকে দুই মামলার (কামরাঙ্গীর চর ও হাজারীবাগ থানা) তদন্ত কর্মকর্তা এসেছিলেন, ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আদালত এ দুই মামলার জামিন প্রশ্নে রুল দিয়েছিল। আগামী ১৫ ডিসেম্বর রুলের ওপর শুনানি হবে, সেদিন তদন্ত কর্মকর্তাকেও থাকতে বলা হয়েছে।

যুব মহিলা লীগের নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়ার ওয়েস্টিন হোটেলকেন্দ্রিক কারবারে ‘জড়িতদের’ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে গত ৯ মার্চ ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করেন মাগুরা-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর।

ওই মামলা হওয়ার পর আসামির তালিকায় থাকা শফিকুল ইসলাম কাজল প্রায় দুই মাস নিখোঁজ ছিলেন। পরে গত ২ মে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বিজিবি।

যশোর থেকে ঢাকায় আনার পর গত ২৩ জুন কাজলকে শেরেবাংলা নগর থানার ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচারকের মুখোমুখি করা হয়। আদালত সেদিন কাজলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে।

এরপর গত ২৪ আগস্ট ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতও কাজলের জামিন আবেদন নাকচ করলে তিনি ৮ সেপ্টেম্বর হাই কোর্টে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে হাই কোর্ট গত ১৯ অক্টোবর রুল জারি করে।
কেন কাজলকে জামিন দেওয়া হবে না, জানতে চাওয়া হয় সেই রুলে। দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সঙ্গে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার কেইস ডকেট (সিডি) নিয়ে আদালতে হাজির থাকতে বলা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যাখ্যা শোনার পর আদালত রুলটি যথাযথ ঘোষণা করে সাংবাদিক কাজলকে জামিন দিল।

এদিকে সাংসদ শিখর মামলা করার পর ১০ ও ১১ মার্চ হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীর চর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরো দুটি মামলা হয়; যার মধ্যে একটির বাদী যুব মহিলা লীগের নেত্রী ইয়াসমিন আরা ওরফে বেলী।

মুক্তি পাওয়ার জন্য এ দুটি মামলায় জামিনের অপেক্ষায় থাকতে হবে ফটো সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে।

অপেক্ষায় মনিরা মিঠুর একাধিক ছবি

0
Monira Mithu-DROHO-24-P3
মনিরা মিঠু

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

টিভি নাটক দিয়েই অভিনয় শুরু করেন এবং জনপ্রিয়তা পান মনিরা মিঠু। তবে এসব কাজের পাশাপাশি ছবিতেও অভিনয় করেন নিয়মিত।

বিশেষ করে রায়হান রাফির পরিচালনায় ‘দহন’ ছবিতে একজন মমতাময়ী মায়ের ভূমিকায় তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় জাকির হোসেন রাজুর পরিচালনায় নির্মিত ‘পোড়ামন’ ছবিতেও তিনি সাবলীল অভিনয় করেন। এসব কাজের সাফল্যের কারণে একাধিক ছবিতে অভিনয় করছেন মনিরা মিঠু।

এছাড়া তার অভিনীত একাধিক ছবি মুক্তির অপেক্ষায়। এর মধ্যে সবার আগে মুক্তি পাবে চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় নির্মিত ‘বিশ্ব সুন্দরী’ ছবিটি। এ ছবিতেও তিনি একজন মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মনিরা মিঠু বলেন, এ ছবিতে আমার চরিত্রটি ভীষণ মাধুর্যময় একটি চরিত্র। যে চরিত্রে আছে মায়া, মমতা, ভালোবাসা। অনেক নমনীয় একটি চরিত্র। এর আগে এ ধরনের চরিত্রে সিনেমাতে আমার কাজ করা হয়ে উঠেনি। তাই এ চরিত্রটি পর্দায় দেখার জন্য আমি নিজেও অপেক্ষা করছি।

এদিকে ‘বিশ্বসুন্দরী’ ছাড়া মিঠু অভিনীত মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবিগুলো হল- ‘ঢাকা ড্রিম’, ‘নীল ফড়িং’, ‘আদম’। এছাড়া কাজল আরেফিন অমির পরিচালনায় ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ এবং মোস্তফা কামাল রাজের ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’ নামের দুটি ধারাবাহিক নাটকেও নিয়মিত অভিনয় করছেন। নাটক দুটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে।

ঝিনাইদহে ভূল অপারেশনে প্রসূতির মৃত্যু

0
JHANIDA-DROHO-24-P2

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে ভূল চিকিৎসায় মিতা (৩৫) নামে এক প্রসূতি মারা গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর নোভা মেডিকেল সেন্টার হসপিটালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে ওই প্রসূতি নারীর সিজারিয়ান অপারেশনকরেন ওই নার্সিং হোমের চিকিৎসক ডাঃ ফাহিম উদ্দীন।

জানা গেছে, রবিবার রাতে উপজেলার বড়বামনদাহ গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী মিতা খাতুন (৩৫) এর প্রসব বেদনা হলে শহরের কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে ভর্তি করেন। সেখানে তার সেজারিয়ার অপারেশন করেন ডাঃ ফাহিম উদ্দীন। অপারেশনের পর তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হয়। এসময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অবস্থা বেগতিক দেখে মিতাকে যশোরে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার আগেই মিতার মৃত্যু হয়। মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, তারা কোন কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষার কাগজ পত্র না দেখে রোগীনির সিজার অপারেশন শুরু করেন। অবস্থা খারাপের দিকে গেলেও তারা রোগীকে সেখানেই চিকিৎসা দিতে থাকে। এরপর কোন উপায় না পেয়ে ওই নারীকে যশোরে রেফার্ড করেন। ভোরের দিকে যশোর নোভা মেডিকেল সেন্টার হসপিটালে নিলে সেখানে চিকিৎসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ক্লিনিক মালিক আজাদ রহমান জানান, রোগীর একলেমশীয়ার সমস্যা ছিল। এবং রোগীর পেশার বেশি ছিল। অপারেশনের পর রোগীর অবস্থা খারাপ হয়। পরে তাকে যশোরে পাঠানো হয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রোগীকে প্রাইভেট হাসপাতালে না নিয়ে সদর হাসপাতালে নিলে এঘটনা নাও ঘটতে পারত।

ডাঃ ফাহিম উদ্দীনের সঙ্গে কথা বলতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডা ঃ আব্দুর রশিদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথাও হয়েছে। এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম বলেন, আমি ঢাকায় আছি। বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।

সর্বশেষ সংবাদ

কুষ্টিয়াবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে এমপি আমির হামজার পোষ্ট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দঁড়ানোর জন্য কুষ্টিয়াবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন মুফতি আমির হামজা। একই সাথে তিনি কু্ষ্িটয়াবাসীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানিয়েছেন। সোমবার (৪ এপ্রিল) রাতে...

ঘুড়ি

ঘুড়ি। আগের মত আর রঙিন কাগজের ঘুড়ির দেখা মেলে না। এখন প্রচলন হয়েছে পলিনি পেপারের তৈরী ঘুড়ি। শিশুটি বোরো ধানের আইল দিয়ে ঘুড়ি হাতে...

খোকসায় রাস্তার গর্তে ভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় রাস্তা বর্ধিত করণের গর্তে ভ্যান উল্টে গিয়ে ঝন্টু দাস (৫০) নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ভ্যান একশিশু ও...

খোকসায় রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় বীব মুক্তিযোদ্ধার দাফন

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক কর্মী আব্দুল ওহাব (৭৩) কে রাষ্ট্রিয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে...

পশ্চিমবঙ্গে পদ্ম ফুটেছে, জনতার শক্তি জয়ী হয়েছে: নরেন্দ্র মোদী

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পশ্চিমবঙ্গে পদ্মফুল ফুটেছে বলে সামাজিক মাধ্যম...