সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২৬.
Home Blog Page 127

ধর্ষকদের মৃত্যুদন্ডের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

0

ইবি প্রতিনিধি

মাগুরায় শিশু ধর্ষণসহ সব ধর্ষণ ঘটনায় অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির ও জনপরিসরে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

রবিবার দুপুর ১২টায় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক সম্মুখে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। এসময় প্রায় আধা ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়।

এর আগে ক্যাম্পাসের বটতলা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। তারা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বিক্ষোভস্থলে গিয়ে অবস্থান নেয়। এসময় বিক্ষোভকারীরা ধর্ষণকারীদের শাস্তি মৃত্যুদন্ড নিশ্চিতের দাবি জানান।

বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা ‘সারা বাংলায় খবর দে, ধর্ষকদের কবর দে’, ‘দড়ি লাগলে দড়ি নে, ধর্ষকদের ফাঁসি দে’সহ বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। এছাড়াও তারা ‘মাগুরায় ধর্ষণকান্ডের অভিযুক্তদের ফাঁসি চাই’, ‘ধর্ষণের বিচার মৃত্যুদন্ড দেওয়া হোক’, ‘আশ্বাস নয়, আইনের বাস্তবায়ন চাই’সহ বিভিন্ন লেখা সম্বলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন।

বিক্ষোভে নারী শিক্ষার্থী মিথিলা ফারজানা বলেন, ‘ধর্ষকদের একমাত্র শাস্তিস্তৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে হবে। তাদের বাঁচিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই। প্রয়োজনে আমরা মারব। এটা না হলে নারীরা কোনোভাবেই নিরাপদে চলাচল করতে পারবে না। যত নারী এবং শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে তারা যেন বিচার পায়, ক্ষতিপূরণ পায়।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সহ-সমন্বয়ক সাদিয়া মাহমুদ মীম বলেন, ‘সবসময় শঙ্কার মধ্যে থাকি, এর পরে কি আমার পালা বা আমার রুমেমেটের অথবা কোনো রক্তের সম্পর্কের কেউ। একটা মেয়ে যার এখন খেলা করার বয়স, তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন – মাহমুদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা মামলায় ইনু কারাগারে

সমন্বয়ক মুখলেসুর সহমান সুইট বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদের ওপর যারাই ধর্ষক বা নিপীড়কের দৃষ্টিতে তাকাবে, ছাত্রসমাজের দায়িত্ব হবে তাদের সেই চোখগুলো উপড়ে ফেলা। ধর্ষকদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন – নারীর শ্রম বাড়ছে কৃষিতে

মাহমুদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা মামলায় ইনু কারাগারে

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি ও আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কুষ্টিয়ার আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।

রবিবার (৯ মার্চ) ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে কুষ্টিয়া সদর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে৷

কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে কাশিমপুর কারাগার থেকে কুষ্টিয়া কারাগারে আনা হয় কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে। ইনুকে দেখতে আদালতে জাসদের শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। আদালতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

তিনি মামলার এজাহারভুক্ত চার নম্বর আসামি। এখন পর্যন্ত এ মামলার মোট চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই সাইমুম হাসান বলেন, মাহমুদুর রহমান হত্যাচেষ্টা মামলায় ইনুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করতে কাজ করছে পুলিশ।

কুষ্টিয়া আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খন্দকার সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাহমুদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা মামলায় হাজিরা দিতে আনা হয়েছিলো ইনুকে। বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কুষ্টিয়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর মাহমুদুর রহমান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আলোচিত এই মামলায় ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ, সাবেক তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী, কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান ও কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি নাসির উদ্দিনসহ ৪৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন – নারীর শ্রম বাড়ছে কৃষিতে

২০১৮ সালের ২২ জুলাই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার একটি আদালত থেকে মানহানির মামলায় জামিন নিয়ে বের হওয়ার সময় আদালত চত্বরে মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা বর্বরোচিত হামলা চালায় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। আদালত প্রাঙ্গণ ছাড়ার সময় লাঠি ও ইটের আঘাতে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হন। তাকে বহনকারী গাড়ির প্লাসও ভেঙে ফেলা হয়। পরে বিকাল ৫টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে মাহমুদুর রহমান ও তার সহযোগীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

আরও পড়ুন – বিষ কিনে চাইলেন নারী কৃষি উদ্যোক্তার স্বামী

নারীর শ্রম বাড়ছে কৃষিতে

0

কৃষিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীর শ্রম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘর গৃহস্থালীর কাজের অবসরে স্বামী ও পরিবারের দিকে তাকিয়ে এইসব নারীরা ঝুঁকি পূর্ণ কাজ করতে বাধ্য হয়। সামাজিক কারনেই অবহেলিত নারীদের মুক্তি মিলছে না। পরিবারের অর্থ সাশ্রয়ে তামাক পাতা ভাটায় শুকানোর জন্য পক্রিয়া জাত করছেন নারীরা। ফলে নারীর মানষিক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরছে। শনিবার বিশ্ব নারী দিবসে খোকসার শিমুলিয়া ইউনিয়নের মানিকাট গ্রাম থেকে নারীদের ছবিটি তোলা।

আরও পড়ুন – বিষ কিনে চাইলেন নারী কৃষি উদ্যোগক্তার স্বামী

আরও পড়ুন – পলিপাস অপারেশনে কলেজছাত্রের মৃত্যু

 

 

বিষ কিনে চাইলেন নারী কৃষি উদ্যোক্তার স্বামী

0

স্টাফ রিপোর্টার

ফসলের দামে হতাশ হয়ে বিষ কিনে চাইলেন নারী কৃষি উদ্যোক্তার স্বামী হালিম শেখ। এ সময় তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন সাথে ছিলেন। এই দম্পতি শীতকালীন সবজি চাষ করেন। বাজারে ৫ টাকায় টমেটো ও ১৫ টাকা কেজি দরে পেয়াজ বিক্রি করে নিজের ক্ষেতে ফিরে এমন মন্তব্য করলেন তিনি। তিনি দাবি করেন, তার টমেটোই খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে।

কুষ্টিয়ার খোকসার পৌর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাতিলডাঙ্গী গ্রামের কৃষক দম্পতি হালিম শেখ ও সেলিনা খাতুন। এ মৌসুমে পাতা কপি কেটে ২০ শতক জমিতে নাবি করে (বিলম্বে) টমেটো আবাদ করেছেন। শনিবার সকালে ৩ মন টমেটো ও কয়েক মন মূলকাটা পেয়াজ নিয়ে বাজারে গিয়েছিলেন তিনি। বাজার দর ও মধ্যস্বত্বা ভোগিদের দৌরত্বে তিনি প্রতিকেজি টমেটো পাইকেরি বিক্রি করেছেন ৫ টাকায়। আর পেয়াজ বিক্রি করেছেন ৬ শ টাকা মন দরে। প্রতিকেজি পেয়াজ ১৫ টাকায় বিক্রি করেছেন। বিক্রি মূল্য থেকে আড়ৎদার (মধ্যস্বত্বা ভোগি) প্রতিকেজিতে আড়ৎ বাবদ ২ টাকা কেটে নিয়েছেন। আসা যাওয়ার ভ্যান ভাড়া গুনতে হয়েছে ২ শ টাকা। টমেটো বিক্রি করে খরচ বাদে কৃষক পেয়েছেন কেজিতে ১ টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০৮ বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ হয়েছে। শুধু পাতিলডাঙ্গী গ্রামে ৬০ বিঘা জমিতে টমেটো আবাদ হয়েছে। ফলন খুবই ভালো হয়েছে। মৌসূমের শুরুতে অনেকে চড়া দামে টমেটো বিক্রি করেছেন। এখন মৌসূম শেষ তাই দামে হেরফের হচ্ছে।

সবজি গ্রাম হিসেবে পরিচিত পাতিলডাঙ্গী গ্রামে সবজি চাষী দুলাল, বিশ্বনাথ, নারয়ন, প্রশান্ত, হালিম, কালামসহ প্রায় ৫০ জন কৃষক শীতে ১০০ বিঘা জমিতে ফুলকপি, পাতাকপি, সিম, গাজর জাতিয় সবজি আবাদ করেছিলেন। এবছর তাদের সবাইকে লোকশান গুনতে হয়েছে।

শনিবার সকাল তখন প্রায় ১১ টা। কৃষক হালিম শেখ তখন সবে বাজার থেকে জমিতে ফিরেছেন। তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন তখন আর দুইজন নিয়ে ক্ষেত থেকে টমেটো তোলায় ব্যস্ত। তার ক্ষেতের আইলে পৌচ্ছানোর আগেই কৃষক বলে উঠলেন,“শুধু ফসল দেখে খুশি হবেন না। আগে বিষ কিনে দেন, পরে কথা বলি।” জমিতে টমেটো তোলা ব্যস্ত কৃষকের স্ত্রী স্বামী মুখের দিকে ফেল ফেলিয়ে তাকিয়ে রইলেন।

কৃষানী সেলিনা গাছ থেকে টমেটো ছিড়তে ছিড়তে বললেন, প্রায় ২ যুগ ধরে স্বামীর সাথে সবজির আবাদ করে আসছেন। প্রতিবছর শীতের তিন মাস স্বামী স্ত্রী সবজির জমিতে শ্রমদেন। এতদিন লুকশান হয়নি। কিছু না কিছু টাকা ডানে রাখতে পেরেছেন। এ বছরে যা গতি শুরু হয়েছে তাতে ফসল বিক্রি করে ভ্যান খরচও হচ্ছে না।

কৃষক হালিম জানান, তার কাছ থেকে ৫টাকা দরে কেনা টমেটো চার গুন বেশী দরে ২০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু নিজে শ্রম দিয়ে ১ কেজি টমেটো বিক্রি করে পাচ্ছেন ১ টাকা। তিনি বলেন, প্রতিমন পেয়াজ উৎপাদন করতে কৃষকের ব্যয় হয়েছে ১১শ টাকা। কিন্তু সেই পেয়াজ বিক্রি করে এলেন মাত্র ৬শ টাকা মন দরে।

তিনি আরও বলেন, যদি খুচরা বাজারের সাথে পাইকেরী বাজারের সমন্বয় থাকতো তবে কৃষক তার উৎপাদন করা ফসলের ন্যায্য দাম পেতেন। কিন্তু কৃষকের দুঃখ দেখার কেউ নেই।

সাবেক শিক্ষক কৃষক অমল কুমার বলেন, সবজি চাষীদের জন্য বছরটি খুবই খারাপ। কপি-টমেটোসহ সব ফসলেই লোকসান হয়েছে। এর জন্য আড়ৎদার শ্রেণিরকেই দুষলেন এই শিক্ষক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান নিজেও শনিবারের কৃষি পণ্যের বাজার সম্পর্কে অবগত। তিনি বলেন, কৃষকের প্রতিমন পেয়াজ উৎপাদনে হাজার টাকার বেশী ব্যয় হয়েছে। বাজার দরে কৃষকের লোকশান গুনতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন – পলিপাস অপারেশনে কলেজছাত্রের মৃত্যু

তিনি আরও বলেন , বাজার নির্দ্ধারণের জন্য কৃষি বিপনণ অধিদপ্ত কাজ করে। ওই খানে তাদের কিছু করার নেই।

খোকসা বাজারের আড়ৎদার রাজা বলেন, আসলে কাচা বাজারের কোন ঠিক ঠিকানা নেই। পণ্য আমদানির সাথে বাজারদর নির্ভর করে। এ ছাড়া ব্যবসায়ি সমির সাথে আলচনে করে তারা আড়ৎদারি নিয়ে থাকেন।

পলিপাস অপারেশনে কলেজছাত্রের মৃত্যু

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নাকের পলিপাস অপারেশন করাতে গিয়ে উৎস ভট্টাচার্য্য নামের (১৭) এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) কালীগঞ্জ শহরের ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত উৎস ভট্টাচার্য শহরের সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও কালীগঞ্জের ছোট রায় গ্রামের উজ্বল ভট্টাচার্য্যের ছেলে। এদিকে ঘটনা পর থেকে ক্লিনিক সংশ্লিষ্টরা গা-ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উৎস বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) নাকের পলিপাস অপারেশন করানোর জন্য কালীগঞ্জ শহরের ফাতেমা ডায়াগনস্টিক সেন্টার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে ডা. রাজিবুল ইসলাম শুক্রবার সকালে নাকের পলিপাস অপারেশন করেন। অপারেশনের পর প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এতে উৎসের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে সে মারা যায়।

উৎস ভট্টাচার্যের শিক্ষক পলাশ মুখার্জ্জি বলেন, প্রচুর রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। রক্তক্ষরণ শুরু হলেও ওই চিকিৎসক দ্রæত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এ কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ডা. কাজী রাজিবুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে ঘটনার পর ইকো ডায়াগনস্টিক ও ফাতেমা হাসপাতালের কর্মকর্তারা ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি। আগামীকাল (শনিবার) তদন্ত সাপেক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ক্লিনিকটি সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া ভিকটিম পরিবারকে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেছি।

আরও পড়ুন – মাগুরায় শিশু ধর্ষণঃ দোষিদের বিচার দাবি থানা ঘেরাও

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম হাওলাদার জানান, এ ঘটনায় কলেজছাত্রের পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরায় শিশু ধর্ষণঃ দোষিদের বিচার দাবি থানা ঘেরাও

0

মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় শিশু ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার বাবা-ছেলের ফাঁসির দাবিতে মিছিল করে সদর থানা ঘেরাও করেন এলাকাবাসী। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিক্ষুব্ধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করা হয়।

শুক্রবার (৭ মার্চ) দুপুর পর থানা ঘেরাও করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

দুপুরে মাগুরা শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল করে জনতা সদর থানার গেটে অবস্থান নেয়। এসময় থানায় উপস্থিত কর্মকর্তারা জনতাকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু উত্তেজিত জনতা কিছুক্ষণ পর ভুয়া ভুয়া ¯েøাগান তোলেন। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু জুমার নামাজের পর একদল দুষ্কৃতকারী থানা ঘেরাও করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করে এবং পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

আরও পড়ুন – খানকা ঘর

এর আগে বৃহস্পতিবার বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগে বোনের শ্বশুর হিটু শেখ (৫০) ও তার ছেলে সজীব শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন – মিক্সার ডিপো প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

খানকা ঘর

0

গ্রামে জোদ্দার সমাজপতি গোছের মানুষের বাড়ির আঙ্গিনার বৈঠক খানা। বিশেস ধরণের খড় অথবা পাট কাটির তৈরী শীত গরমে আরাম দায়ক ও দৃষ্টি নন্দন করে তোলা হত। এখানেই হতো রুপকথা গল্পবলার ‘কিচ্ছা’ আসর। সালিশ বিচার হত এখানেই। কালের বিবর্তনে এখন খানকা ঘর চোখে পরে কদাচিৎ। কুষ্টিয়ার খোকসার শিমুলিয়া ইউনিয়নের সিংঘড়িয়া গ্রাম থেকে শুক্রবার ছবিটি তোলা।

আরও পড়ুন – মিক্সার ডিপো প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

আরও পড়ুন – জুতা চুরি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

মিক্সার ডিপো প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের একটি আবাসিক এলাকা থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মিক্সার ডিপো প্রত্যাহারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে ক্ষতিগ্রস্তরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের মধুপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক অবরোধ করে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। সে সময় সড়কের দুই ধারে প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। পরে বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরী ও সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ডিপো অপসারণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন।

বিক্ষুব্ধরা জানান, মধুপুর চৌরাস্তার মোড়ে আ’লীগ নেতা ঠিকাদার মিজানুর রহমান মাসুম নামে এক ঠিকাদার কয়েক বছর আগে মিক্সার ডিপো তৈরি করেন। যা থেকে প্রচÐ কালো ধোঁয়া বের হয়। এ কারণে এলাকার শতাধিক বিঘা জমির ফসলহানি ঘটে। রান্না করা খাবারের মধ্যে কালো ধোঁয়ার ময়লা-আবর্জনা গিয়ে খাবার নষ্ট হয়ে যায়। মানুষ হাঁপানি, অ্যাজমাসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন – জুতা চুরি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিয়া আক্তার চৌধুরী জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মিক্সার ডিপো প্রত্যাহারের দাবিতে মধুপুর চৌরাস্তা মোড়ে এলাকাবাসী ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবির মুখে প্রাথমিকভাবে মিক্সার ডিপোর কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পরে বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

জুতা চুরি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১০

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে মসজিদে জুতা চুরি নিয়ে দুইদল গ্রামবাসির মধ্যে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধাবার রাতে তারাবীর নামাজের পর এই সংঘর্রে ঘটনা ঘটে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে উভয় পক্ষের ১০ ব্যক্তি আহত হন। আহদের উদ্ধার করে শৈলকুপা ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান জানান, দিগনগর ইউনিয়নের গোকুলনগ গ্রামের আধিপত্য নিয়ে আব্দুল মালেক ও আমজাদ হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। গত কয়েকদিন ধরে গ্রামের মসজিদের তারাবির নামাজ থেকে আব্দুল মালেকের সমর্থকদের জুতা ও সেন্ডেল রহস্যজনক ভাবে হারাতে থাকে। বুধবার রাতেও একই ঘটনা ঘটলে নামাজ শেষে মালেক সমর্থক ও আমজাদ সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সঘর্ষে নজরুল ইসলাম, সুজন বিশ^াস, উত্তম বিশ^াস ও রিপন বিশ^াসসহ ১০ ব্যক্তি আহত হয়।

আরও পড়ুন – আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা শহীদ আবারার ফাহাদ – যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুম খান বলেন, গোকুলনগর গ্রামে তারাবির নামাজ খুব সম্ভব কুকুর খেলার ছলে সেন্ডেল নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গ্রামের একপক্ষ আরেক পক্ষের দোষারোপ কতে থাকে। যা এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রুপ নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়েন্ত্রনে নিয়ে আসে।

আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা শহীদ আবারার ফাহাদ – যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

আবরার ফাহাদ আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ের একটি জার্নি বলে মন্তব্য করে যুব ও ক্রীড়া এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন, আগ্রাসন বিরোধী দীর্ঘ লড়াইয়ে আবরার ফাহাদ একটি নতুন ধাপ সংযোজন করে দিয়ে গেছেন। তাঁকে সামনে রেখে আমরা সেই লড়াইটাকে চালু রাখতে চেয়েছি। আবরার ফাহাদ শুধু একটা নাম না। আগ্রাসন বিরোধী লড়াইয়ের একটি জার্নি। সেই জার্নির একটা অন্যতম অর্জন হচ্ছে জুলাই গণ অভ্যুত্থান।

বৃহস্পতিবার (০৬ মার্চ) ১২টার দিকে কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়াম উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জুলাই গণ অভ্যুত্থানে এদেশের তরুণেরা জীবন দেওয়ার প্রেরণা পেয়েছে আবরার ফাহাদের কাছ থেকে। আগ্রাসন থেকে মুক্তির জন্য এদেশের তরুণেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছে রাজপথে। অবশেষে আমরা আগগ্রসী পরাশক্তির বাংলাদেশীয় সবচেয়ে বড় খুঁটি শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে পালাতে বাধ্য করেছি। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সহস্্র শহীদ এবং আহতদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামে,আগ্রাসন বিরোধী সংগ্রামে আবরার ফাহাদসহ আরো যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ ও ভবিষ্যত প্রজন্ম মনে রাখবে। সেইজন্য কুষ্টিয়া জেলা স্টেডিয়ামের নাম আবরার ফাহাদের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও সারাদেশে আরো যতো সরকারী স্থাপনা আছে আমরা সেখানে আত্মত্যাগকারী বীরদের,শহীদদের স্মরণ করার জন্য তাদের নামে নামকরণ করবো। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকার আবরার ফাহাদের স্মৃতি মুছে দিতে চেয়েছিল। তারা কোন সংবাদ করতে দিত না, কর্মসূচী পালন করতে দিতো না। কর্মসূচী পালন করতে গেলে সেখানে হামলা হতো। জেল, জুলুমের শিকার হতে হতো।

তিনি বলেন, যারা আত্মত্যাগ করে তাদের নাম মুছে ফেলা যায়না। এটি আবারও প্রমাণিত হলো। ২৪’এর গণ অভ্যুত্থানের পর এখন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ আবরার ফাহাদকে স্মরণ করে। আগ্রাসন বিরোধী প্রতিটি লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকেন শহীদ আবারার ফাহাদ।

আসিফ মাহমুদ বলেন, আবরার ফাহাদ শাহাদাতের পর সেদিন সকালে যখন আমাদের কাছে খবরটা পৌঁছয়। তখন থমথমে পরিবেশ, কিছু করলেই ছাত্রলীগের হামলা, পুলিশ গ্রেপ্তার করতো। তখন আমরা কোনোকিছু না ভেবেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মসূচি ঘোষণা করি। সেদিন প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে সবাই ভিজে মিছিলে অংশগ্রহণ করি। তারপর খুনিদের বিচারের দাবিতে আমাদের আন্দোলন চলমান থাকে।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকসুদ জাহেদী, যুগ্ম সচিব আমিনুল ইসলাম ও জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন শহীদ আবরার ফাহাদের বাবা মো.বরকত উল্লাহ।

আরও পড়ুন – সাংবাদিকতা করবেন না ভ্যানচালক রেজাউল

এর আগে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা শহীদ আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান। সেখানে তিনি সকাল ১১টা ৫ মিনিটে আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করেন। পরে আবরারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আবরার ফাহাদ জামে মসজিদের সম্প্রসারণ কাজের ফলক উন্মোচন করেন।
এদিকে দুপুর দুইটায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে জেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

ঘাট পারে বিরম্বনা

নদীতে চর যেগে ওঠায় কয়েক সপ্তাহ আগেই খেয়া ঘাটে নৌকা পারা বন্ধ হয়ে যায়। গড়াই নদীতে বাঁশের চরাট দিয়ে যাত্রী পারপার হচ্ছিলো। কিন্তু রবিবার...

আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, ঢাকায় স্থানান্তর

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে শফিকুল ইসলাম আজম (৫২) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক...

দিগন্ত পরিবহনের কাউন্টার মাস্টারকে জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় বাস যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে দিগন্ত পরিবহনে কাউন্টার মাষ্টারকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৪ টার...

নদীর তীর রক্ষার বাঁধে ভাঙ্গন

ড্রেনদিয়ে আসা কয়েক মিনিটের বৃষ্টির পানি ¯্রােতে কালীবাড়ি ঘাটে গড়াই নদীর বাম তীর রক্ষা বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। রবিবার সন্ধ্যায়...

মশার কয়েল থেকে অগ্নিকান্ডে দুই কৃষক অগ্নিদগ্ধ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে গরুর ঘরে মশা তাড়াতে জ্বালানো কয়েল থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক কৃষকের গবাদিপশু, বসতঘর ও ঘরে থাকা ফসল পুড়ে...