সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬.
Home Blog Page 167

চিত্রা নদী অবৈধ দখলদার মুক্ত হতে যাচ্ছে

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের চিত্রা নদীর দুই পারে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বর্তমান অর্ন্তবতীকালীন সরকারের পানি সম্পদ উপদেষ্টার নির্দেশে ইতিমধ্যে দখলবাজদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সুত্র জানাগেছে, চিত্রা নদীর বুকে গজিয়ে ওঠা স্থাপনা ও পুকুর আগামী বছরের শুরুতে উচ্ছেদ করা হবে।

চিত্রা নদী দখলমুক্ত হলে এক সময়ের প্রমত্তা নদীটি আবারো প্রাণ ফিরে পেতে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি সুত্র জানায়, ঝিনাইদহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত ১২টি নদ-নদী রয়েছে। এরমধ্যে চিত্রা নদীর ১৭১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মধ্যে ঝিনাইদহ রয়েছে ৫৭ কিলোমিটার। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী, দোড়া, কালীগঞ্জ, তত্বিপুর ও মালিয়াট ইউনিয়নের উপর দিয়ে যশোরের অভয়নগর উপজেলায় মিশেছে চিত্রা। এই নদীর উপ্তত্তিস্থল চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে।

সরজমিন দেখা গেছে, ঝিনাইদহ অংশে বেশির ভাগ নদী জুড়েই অবৈধ স্থাপনা ও শত শত পুকুর রয়েছে। নদীর তীরবর্তী বাজার এলাকায় অবৈধ দোকানপাট ও বাড়িঘর তৈরী করেছে দখলবাজরা। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গান্না, জিয়ানগর, বংকিরা, হাজরা, লক্ষিপুর, মোহাম্মদপুর ও গোবিন্দ এলাকায় নদী বক্ষে পুকুর কেটে মাছ চাষ করা হচ্ছে।

কোটচাঁদপুরের তালসার, ইকড়া, কালীগঞ্জ শহরের পুরাতন বাজার, বলিদাপাড়া, হেলাই, নিমতলা, নদীপাড়া ও ফয়লা এলাকায় দখল হয়ে গেছে চিত্রা। নদীর বুকে চাষাবাদ করছে মানুষ। নদীর মাটি কেটে ব্যক্তিগত কাজেও লাগাচ্ছেন কেউ কেউ। কালীগঞ্জ উপজেলার সিংদহ গ্রামে নদীর মধ্যে ৮টি পুকুর কেটে প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করছেন। ফলে এক সময়ের প্রমত্তা নদী চিত্রা তার যৌবন হারিয়ে মৃতপ্রায়। দখলবাজদের কারণে নদীর কোথাও সরু কোথাও মৃত হয়ে হারানো ঐহিত্য নিয়ে দাড়িয়ে আছে।

চিত্রা নদীর অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ নিয়ে ঝিনাইদহের মানবাধিকার কর্মী অধ্যক্ষ আমিনুর রহমান টুকু জানান, সরকারের এ ধরণের সিদ্ধান্ত খুবই যুগান্তকারী। জেলার নদ-নদীগগুলো বাঁচানোর এখনই উপযুক্ত সময়। কারণ রাজনৈতিক সরকারের আমলে প্রভাব বিস্তারের আশক্সক্ষা থাকে।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, প্রতিটি জেলায় একটি করে নদী দুষন ও দখল মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান অর্ন্তবতীকালীন সরকার। সেই হিসেবে ঝিনাইদহ জেলায় চিত্র নদীকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে দখলদারদের চিহ্নিত করে তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। নদীর বেশির ভাগ অংশ কোটচাঁদপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত।

তিনি বলেন, চিত্রা নদীর ৩০ কিলোমিটারে ৯৪টি অবৈধ স্থাপনা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে রয়েছে ভবন, পুকুর, দোকান, বাজার, ঝুলন্ত স্থাপনা ও মুরগীর খামার।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছাত্র অধিকার পরিষদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস জানান, হালনাগাদ তথ্য মতে চিত্রা নদীর কালীগঞ্জ অংশে ৬২টি, কোটচাঁদপুরের লক্ষিপুর বাজারে ১১টি ও একই উপজেলার ধোপাবিলা গ্রামে ২১টি স্থাপনা ও পুকুর উচ্ছেদের তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। আগামী নতুন বছরের শুরুতেই এই উচ্ছেদ অভিযান পারিচালনা করা হবে।

খোকসায় ছাত্র অধিকার পরিষদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা-কুমারখালীর তৃণমূল নেতাকর্মীদের গনসংযোগ উপলক্ষে সমাবেশ করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা কর্মীরা।

সোমবার ২৫ নভেম্বর বিকালে খোকসা বাস স্ট্যান্ড চত্বরে সমাবেশটি অনুাষ্ঠত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক অধিকার পরিষদ কুষ্টিয়া জেলা শাখার সহ প্রচার সম্পাদক তারিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ঢাবি শিক্ষার্থীসহ আহত ২

বক্তব্য রাখেন জেলা গণধিকার পরিষদ সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান, জেলা যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক জ্বিলহজ খান, মিলন মালিথা, রাজিজুল ইসলাম সভাপতি, স্বপন হোসেন, রফিকুল ও রকি, রঞ্জু প্রমুখ।

কুমারখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় ঢাবি শিক্ষার্থীসহ আহত ২

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ডাকা সালিসে দুই জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী।

রবিবার (২৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গড়েরবাড়ি কাঞ্চনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন সরফরাজ ইউসুফ শিপন (২৫) ও রবিউল ইসলাম (৫০)। এদের মধ্যে শিপন ঢাবির ভূতত্ত¡ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি শনিবার রাতে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। তাদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সরফরাজ ইউসুফ শিপন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে চাচাদের সঙ্গে জমি নিয়ে আমাদের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে কয়েক বার সালিসে বসেও কোনো সুরাহা হয়নি। এর আগে গত ৮ নভেম্বর আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। সে সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আমার শাশুড়ির দুই আঙুল কেটে অকেজো হয়ে যায়। এ ঘটনায় শ্বশুর সাইদুর রহমান বিশ্বাস বাদী হয়ে কুষ্টিয়া আদালতে মামলা করেছেন।

তিনি আরও বলেন, রবিবার সকালে গ্রামবাসী ও স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষকে নিয়ে সালিস চলছিল। বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই চাচা মহম্মদ আলী, চাচাতো ভাই স্বপন আলী ও চাচাতো জামাতা সাইদুলের নেতৃত্বে আমাদের ওপর আবার হামলা হয়। এ সময় আমাদের পক্ষের রবিউল ইসলামের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়। আমার মাথায়, পিঠে ও কানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।’

আরও পড়ুন – শপথ ভঙ্গ হবে না : সিইসি

এ বিষয়ে জানতে মহম্মদ আলীকে মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে বন্ধ পাওয়া যায়।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে আমাদের জানানো হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শপথ ভঙ্গ হবে না : সিইসি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেছেন, যে শপথ নিয়েছি এর সম্মান রাখতে চাই। আমার শপথ ভঙ্গ হবে না, আমি এই দায়িত্বকে জীবনের একটি অপরচুনিটি (সুযোগ) হিসেবে দেখছি।

শপথের পর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিলো কবে নাগাদ নির্বাচন দেবেন-তখন সিইসি বলেন, নির্বাচন নিয়ে দিনক্ষণ তো এখন বলা যাবে না। আগে দায়িত্বটা নিই, কাজকর্ম বুঝে নিই।

আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনার ইচ্ছে আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রিফর্ম কমিটির সুপারিশ আসুক, আওয়ামী লীগ নিয়ে অনেক বিতর্ক চলছে, আগে বিতর্কের ফয়সালা হোক। ফয়সালা হলে আপনারা দেখতে পারবেন।

সিইসি বলেন, দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত, তারা ফ্রি ফেয়ার একটা ইলেকশনের জন্য সংগ্রাম করেছে, অনেক আন্দোলন করেছে। বিগত বছরগুলোতে অনেকে রক্ত দিয়েছে। আমি তাদেরকে একটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল (স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য) ইলেকশন দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। আমি আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। আমি ইনশাল্লাহ কনফিডেন্ট। আমরা সবাই মিলে আপনাদের সবার সহযোগিতা নিয়ে, দেশবাসীর সহযোগিতা নিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাসহ এ জাতিকে একটা স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংস্কার একটা চলমান প্রক্রিয়া, নির্বাচন করতে গেলে কিছু এসেনশিয়াল সংস্কার লাগবে। যেমন: এখন নানা রকম কথা হচ্ছে- আনুপাতিক ভোটের হারে এবং আগের নিয়মে হবে। সংবিধানে যদি এটার ফয়সালা না হয়। তাহলে আমরা নির্বাচনটা করব কীভাবে।

ইলেকশন করতে ইয়ং জেনারেশন যারা ভোট দেওয়ার জন্য বছরের পর বছর মুখিয়ে আছে, তাদেরকে তো ভোটার লিস্টে আনতে হবে। আমাকে ভোটার লিস্ট করতে হবে, কোথায় কোথায় রিফর্মশেনের দরকার হবে, সেটা আমরা পাব। এ বিষয়ে নির্বাচন সংস্কার কমিশন কাজ করছে। আগে তাদের পরামর্শ আসুক। এর যেগুলো প্রহণযোগ্য সেগুলো আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধান যদি ঠিক না হয়, তাহলে আমাদের যাত্রা এলোপাথাড়ি হয়ে যাবে। সংস্কার কমিশন কাজ করছে, এটা শেষ হোক। আর বেশিদিন-তো নাই।

সরকার বলছে ডিসেম্বরের মধ্যে কমিশনগুলোর রিপোর্ট দেবে। আপনারা আশ্বস্ত থাকুন, আমাদের নিয়ত সহি। ইনশাল্লাহ একটা ফ্রি, ফেয়ার এন্ড ক্রেডিবল নির্বাচন হবে। এবার আরেকটা সুযোগ এসেছে, রাজনৈতিক দলগুলো, যারা নির্বাচন করবেন তারা ১৫-১৬ বছর ধরে বলে আসছেন আমরা ভোটের অধিকার চাই। আমরা আমাদের ভোট দিতে চাই। সুতরাং আমরা তাদের সাথে পাবো। তাদের দাবিকে বাস্তবায়ন করব, তারাও জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ।

আরও পড়ুন – ডেঙ্গুতে সারাদেশে ১১ জনের মৃত্যু

আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি আমাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ চ্যালেঞ্জ কীভাবে মোকাবিলা করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- হতে পারে, এমন বিশেষ পরিস্থিতি আমার চাকরি জীবনে অনেক এসেছে, আমি তথ্য মন্ত্রণালয়, জ্বালানি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলাম। জীবনে বহু চ্যালেঞ্জ দেখেছি- সাকসেসফুল্লি মোকাবিলা করেছি। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সাহস এবং অভিজ্ঞতা আমার রয়েছে। যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ আসুক সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে ওভারকাম করব।

ডেঙ্গুতে সারাদেশে ১১ জনের মৃত্যু

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জন মারা গেছেন। এটিই একদিনে মৃত্যুর সর্বচ্চো রেকর্ড। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে মৃতের সংখ্যা ৪৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার (২৪ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১ জনের মধ্যে ৯ জনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা। এর মধ্যে ৫ জন উত্তর সিটির, ৪ জন দক্ষিণ সিটির। বাকি ২ জন খুলনা বিভাগের। চলতি বছরে সবমিলিয়ে ৮৬ হাজার ৭৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১,০৭৯ জন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৯৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৩৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৭২ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৯৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১২১ জন, খুলনা বিভাগে ১৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৫ জন, রংপুর বিভাগে ১৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে গত একদিনে সারা দেশে ১২৩০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬১২ জন।

আরও পড়ুন – সামনে অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে : তারেক রহমান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবমিলিয়ে ৮৬ হাজার ৭৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৪৫৯ জনের।

উল্লেখ্য, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

সামনে অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে : তারেক রহমান

0

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, সামনে একটি অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচার হাসিনার পতন ঘটাতে সফল হয়েছে। বাংলাদেশের সৃষ্টির পর সবচেয়ে বড় যে স্বৈরাচার ছিল তার পতন হয়েছে। তারা কৃষি, শিক্ষা, অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেক সেক্টরকে গত ১৫ বছরে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকালে রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনার পতন পরবর্তী সময়ের বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের অনেকেই মনে করেন, আহা রে, সামনে তো নির্বাচনে ফাঁকা মাঠ। দয়া করে এই ভুল করবেন না। বিশ্বাস করুন, সামনে একটি অসম্ভব শক্তিশালী অদৃশ্য দেওয়াল আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। যেটি ভেদ করে যেতে খুব কষ্ট হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করুন। সব প্রত্যাশা এখনই পূরণ করতে পারবেন না। যদি ইনশাআল্লাহ আমরা সরকার গঠন করি, অনেকাংশেই সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হবো। জনগণ যেন আপনার ওপর আস্থা রাখে, ধৈর্য ধারণ করে সেভাবে সেই ভূমিকা আপনাকে পালন করতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপির সব শক্তি বা রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎসই হচ্ছে জনগণ। আমরা একটি দায়িত্বশীল দলের ভূমিকা পালন করি। তারা (আওয়ামী লীগ) তো বসে নেই। তারা ষড়যন্ত্র করছে। যদি তাদের ষড়যন্ত্র সফল হয়, আপনার মামলা তো উঠবেই না বরং জ্যামিতিক হারে মামলা হবে। সেই সম্ভাবনাও কিন্তু আছে। নিজেকে যদি রক্ষা করতে হয় রাস্তা একটাই জনগণের আস্থা রক্ষা করা, এর বাইরে কোনো উপায় নেই।

তারেক রহমান বলেন, হাসিনা সরকারের পতনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। এই নতুন অধ্যায়ের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী জনগণ। জনগণের রায়ের মাধ্যমেই বিএনপি ক্ষমতায় আসবে। রাজনীতি, জনগণ বা ইতিহাসের পাতায় যদি টিকে থাকতে চাই, এই দেশের জন্য জনগণ যা চায় সেরকম কাজের বাইরে কিছু করলে আমরা টিকে থাকতে পারবো না।

আরও পড়ুন –কর্মস্থলে অনুপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহীন শওকত খালেকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাসিকের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন, ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু দ্যা চেয়ারপারসনস ড. মাহাদী আমিন, রাজশাহী বিভাগীয় সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু প্রমুখ।

কর্মস্থলে অনুপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যদিয়ে ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর এখন পর্যন্ত যেসব পুলিশ সদস্য নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরেননি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ১৮৭ পুলিশ সদস্য এখনও পলাতক। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৬ কনস্টেবল কর্মস্থলে অনুপস্থিত।

তাদের বেতন-ভাতাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় মামলাও করা হচ্ছে পলাতকদের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর বলেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

পলাতক থাকা সদস্যদের গ্রেফতারে আলাদা টিম গঠন করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। তারা যেন বিদেশে পালাতে না পারেন সে জন্য তাদের সব ধরনের পাসপোর্ট বাতিল করা হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, পলাতক ১৮৭ সদস্যের মধ্যে রয়েছেন- ডিআইজি একজন, অতিরিক্ত ডিআইজি সাতজন, পুলিশ সুপার দুইজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একজন, সহকারী পুলিশ সুপার পাঁচজন, পুলিশ পরিদর্শক পাঁচজন, এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, এএসআই ৯ জন, নায়েক সাতজন এবং কনস্টেবল ১৩৬ জন।

আরও পড়ুরন – ঝাড়খন্ডের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি

এর আগে কাজে যোগদানের জন্য পুলিশ সদস্যদের জন্য সময় বেধে দেওয়া হয়। কিন্তু এসব সদস্যরা সরকারের ডাকে সাড়া দেননি।

ঝাড়খন্ডের বিধান সভার নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতের ঝাড়খন্ডের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হচ্ছে। ৮১ সদস্যের বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য দরকার ছিল ৪১টি আসন। ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট কমপক্ষে ৫৭টি আসন পেয়ে জয় নিশ্চিত করেছে।

হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বাধীন ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস, লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) নিয়ে ‘ভারত জোট’ গঠিত। এর মধ্যে জেএমএম পেয়েছে ৩৪টি আসন, কংগ্রেস পেয়েছে ১৬টি আসন, আরজেডি পেয়েছে ৪টি আসন এবং সিপিআইএমএল লিবারেশন পেয়েছে ২টি আসন।

এদিকে, রাজ্য সরকারে বিজেপি এখন পর্যন্ত মাত্র ২০টি আসন পেয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবার ঝাড়খন্ডে কম আসন পেতে যাচ্ছে কট্টর জাতীয়তাবাদী দলটি।

নির্বাচনের আগে ঝাড়খন্ডে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ বিষয়ে ভুয়া প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে ভোটারদের মাঝে ভয় ঢোকানোর কৌশল নিয়েছিল বিজেপি। তবে সেই প্রোপাগান্ডা প্রত্যাখ্যান করে দিল ঝাড়খন্ডের জনগণ।

জয় নিয়ে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেছেন, লড়াই কঠিন ছিল। অনেকটাই গ্রাউন্ড লেভেলে গিয়ে কাজ করেছি। ভালো টিমওয়ার্ক ছিল। মানুষের কাছে আমরা আমাদের বার্তা পৌঁছতে পেরেছি। লোকসভায় দেখেছিলেন, যে আমাদের রাজ্যে কীভাবে বার্তার মুভমেন্ট হয়। যে সময় জেলে ছিলাম, সেই সময় জেলের বাইরে থাকলে হয়তো ফলাফল আরও সারপ্রাইজ করত।

আরও পড়ুন – ডেঙ্গুতে ২৪ ঘন্টায় ১০ জন মারা গেছেন

২০১৯ সালে ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যটি শাসন করেছে বিজেপি জোট। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বিজেপির রঘুবর দাস। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন একজন আদিবাসী।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘন্টায় ১০ জন মারা গেছেন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

এডিস মশাবাহীত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১০ জন মারা গেছেন। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪৮ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ২১৪ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৮৫ হাজার ৭১২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৬৭ জন, খুলনা বিভাগে ১০৭ জন রয়েছেন। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৪০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৭ জন, রংপুর বিভাগে ৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র ১৫ নেতাকে শোকজ

গত ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে ৯৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪৫৬ জন।

উল্লেখ্য, গত বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন। মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র ১৫ নেতাকে শোকজ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নব গঠিত আহবায়ক কমিটির বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করায় দলটির জেলা পর্যাযের ১৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার স্বাক্ষরিত পাঠানো নোটিশ প্রাপ্তির তিনদিনের মধ্যে তাদের এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শোকজের জবাব না দিলে একতরফাভাবে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির সাবেক ও আহবায়ক কমিটিতে থাকা এরকম ১৫ নেতাকে এ শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

নোটিশ পাওয়া বিএনপি নেতারা বলছেন, এটা দুই নেতার স্বেচ্ছাচারিতা। তারা সংগঠনের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছেন। যার কোন ভিত্তি নেই। এতে প্রতিবাদ থামবে না।

শোকজ চিঠিতে বলা হয়, গত ০৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং মহাসচিব কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহবায়ক কমিটির অনুমোদন ও ঘোষণা দিয়েছেন। অনুমোদিত কমিটি এবং নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আপনি অগঠনতান্ত্রিক, বে-আইনি, উচ্ছৃঙ্খল ও হাটকারিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে “দায়িত্বজ্ঞানহীন তথাকথিত কর্মসূচীতে” বারবার অংশ নিয়ে অসত্য, বিদ্বেষপূর্ণ, অশালিন ও হুমকিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছেন। যা দলের গঠনতন্ত্রের “৭” এর “খ” ধারা মতে দলের চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বকে অস্বীকৃতি জানানো। এবং “৫” এর “গ” ধারামতে দলবিরোধী শাস্তিযোগ্য কর্মকান্ড হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। নোটিশ প্রাপ্তির ৩ দিনের মধ্যে উত্থাপিত অভিযোগের লিখিত জবাব দাখিল করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয় হয়। এরপর ৪ নভেম্বর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। নেতা-কর্মীদের অভিযোগ কমিটিতে যাদের রাখা হয়েছে, তাদের অনেকেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন অত্যাচারের সময় মাঠে ছিলেন না। এরপর কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিতে কয়েক দফায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেন পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ সমাবেশে আহবায়ক কমিটিতে থাকা কয়েকজন ত্যাগী নেতারাও অংশ নেন। গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে কমিটি ভেঙে দিতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা। সর্বশেষ ১৭ নভেম্বর আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিতে আবারও মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিতরা।

আন্দোলন থেমে থাকবে না জানিয়ে শোকজ নোটিশ পাওয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন চৌধুরী মিলন বলেন, কমিটিতে দুর্দিনে দলের হাল ধরা অনেক নেতাকর্মীদের জায়গা হয়নি। অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দলের পাশে থেকে দলের জন্য যারা ত্যাগ শিকার করেছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে আন্দোলন করেছি। ওই শোকজ চিঠির কোন প্রশাসনিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। শোকজ চিঠির ধরণ দেখে মনে হচ্ছে সদস্য সচিব ব্যক্তিগত চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে যে ধারা উল্লেখ করা হয়েছে সেই ধারা মোতাবেক সদস্য সচিব শোকজ চিঠি পাঠাতে পারেন না। কেউ অনিয়ম বা সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ড করলে সদস্য সচিব কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাতে পারেন। তারপর সিদ্ধান্ত কেন্দ্র নেবে।

শোকজ নোটিশ পাওয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু বলেন, আমরা কোন দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করি নাই। কুতুব উদ্দিন-জাকির হোসেন সরকারের পকেট কমিটির বিরুদ্ধে আমরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। দলের গঠনতন্ত্র মেনেই প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে দুই ট্রাকে মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ আহবায়ক কমিটির এখতিয়ার ভুক্ত। যারা দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদেরকে শোকজ করা হয়েছে এবং জবাব দিতে বলা হয়েছে। এমন সম্ভাব্য ১৫ জন হতে পারে। এটা কোন সাংগঠনিক ব্যবস্থা না। তবে যারা নোটিশের জবাব দিবেন না তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে বিএনপির তৃণমূলে বিভেদ বাড়তে পারে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন সরকার বলেন, তারা সংখ্যায় খুব বেশি নয়। তাই আমি মনে করি না এতে দলীয় বিভেদ তৈরি হতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদ

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ। এ নিয়েছে জনমনে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী ইব্রাহিম ও...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের কোন সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর দলিল, যার বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক...

কুষ্টিয়া সীমান্তে দুইটি বোমাসহ চোরাকারবারী আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইটি বোমাসহ এক চোরাকারবারীকে আটক এবং বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ...

পেট্রোল রিজার্ভ থাকতেও দু’দিন বিক্রি বন্ধ রাখলো পাম্প কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় মক্কা মদিনা নামের একটি পেট্রোল পাম্পোর আন্ডার গ্রাউন্ডে কয়েক হাজার লিটার পেট্রোল থাকলেও গতদুই দিন (শুক্র ও শনিবার) মোরসাইকেল চালকদের ফিরিয়ে...

কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আফরান নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...