বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২৬.
Home Blog Page 176

গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ বৈষম্যবিরোধী চেতনার পরিপন্থী : টিআইবি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের ওপর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ, নির্বিচারে মামলা, হেনস্তার উদ্দেশ্যে অপতৎপরতা- বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশের অভীষ্টের জন্য ভালো বার্তা বয়ে আনবে না বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বুধবার (৬ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করার এই প্রবণতার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে অন্তর্র্বতী সরকারকে গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের জন্য ভয়হীন পরিবেশ সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা নিশ্চিতের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘পতিত কর্তৃত্ববাদী সরকারের শাসনামলে মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৪ বছরে ৪২ ধাপ নেমেছিলো বাংলাদেশ।

এ সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসংক্রান্ত সকল মানদন্ডেই বাংলাদেশের ক্রমাবনতি হয়েছে। ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন প্রাণহানি ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে এই অবস্থান থেকে উত্তরণের অভূতপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অন্তর্র্বতী সরকারের পক্ষ থেকেও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে না, ক্ষমতার প্রভাবের বাইরে থেকে দেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে বলে প্রতিশ্রæতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন মহল দেশের কোনো কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা, হামলা, ঘেরাওয়ের হুমকিসহ নানাবিধ আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে।

দৃশ্যত, অতি ক্ষমতায়িত কোনো কোনো মহলের স্বার্থের বাইরে গেলেই গণমাধ্যমকে আক্রমণ ও সাংবাদিক হেনস্তা, গণমাধ্যমকে দখল বা খেয়ালখুশিমতো পরিচালনার প্রচেষ্টা চলছে। যা আসলে মুক্ত গণমাধ্যমের সম্ভাবনার জন্য অশনি সংকেত।’

ড. জামান আরও বলেন, ‘টিআইবি বিশ্বাস করে, সাংবাদিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো ফৌজদারী অপরাধের অভিযোগ থাকলে বা যারা সরাসরি কর্তৃত্ববাদের দোসরের ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত। কিন্তু পতিত কর্তৃত্ববাদী সরকারের সহযোগী ‘ট্যাগ’ দিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যথেচ্ছ মামলা, তথ্য অধিদপ্তরের দেওয়া স্থায়ী ও অস্থায়ী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল, হুমকি ও বরখাস্ত করার মতো ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার স্বপক্ষে কোনো ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে না।

আরও পড়ুন –কুষ্টিয়ায় বিএনপি’র নবগঠিত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

বরং, ভিন্নমতের কারণে স্বৈরাচারের দোসর অভিযোগ তোলার পেছনে স্বার্থান্বেষীদের দুরভিসন্ধি কাজ করছে। টিআইবি স্পষ্টভাবে বলতে চায়, শুধুমাত্র সাংবাদিকতার জন্য কোনো সাংবাদিককে শাস্তি দেওয়ার সুযোগ নেই।’

কুষ্টিয়ায় বিএনপি’র নবগঠিত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপির নবগঠিত আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি’র পদ বঞ্চিত বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা। একই সাথে তারা কমিটি বাতিলের দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই কমিটি বাতিল করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সমবেত হন জেলা বিএনপির সাবেক কমিটির কয়েকজনসহ বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা।

বঞ্চিত নেতা-কর্মীরা সেখান থেকে বিভিন্ন ¯েøাগান সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক এনএস রোডে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মজমপুর গেটে সমাবেশ করেন। এ সময় শহরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাবেশে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীমুল হাসান অপু বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কতুব উদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক ও ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে যে কমিটি ঘোষণা করেছিল তাতে পুরোপুরি সন্তুষ্টু নাহলেও আমরা প্রতিক্রিয়া দেখাইনি। কেন্দ্রীয় কমিটি যেটা ভালো মনে করেছে, তা মেনে নিয়েছিলাম। আমরা তাদের কাছে গেছি, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। ভেবেছিলাম তারা সবাইকে নিয়ে রাজনীতি করবে। কিন্তু আমাদের সেই ভাবনা ভুল ছিল। আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব মিলে নিজেদের লোকজন দিয়ে ৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিয়েছে, যা আমাদের মতো বহু নেতার রাজনৈতিক ভবিষৎ ধ্বংসের নীলনকশা। আমরা তা বাস্তবায়ন হতে দেবো না।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ত্যাগীদের এই কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়নি। বরং যারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে-মিশে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন তারাই স্থান পেয়েছেন। জেলার তিনজন সাবেক সংসদ সদস্যকেও এই কমিটিতে সদস্য পদ দিয়েও রাখা হয়নি। যেটা স্পষ্টত ষড়যন্ত্র।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজল মাজমাদার, মিরাজুল ইসলাম রিন্টু, ভেড়ামারা কলেজের সাবেক ভিপি নুরুল ইসলাম নুরু, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ হাবলু মোল্লা ও কুমারখালী উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ।

এদিকে কমিটি বাতিলের দাবিতে পদ বঞ্চিত নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ সমাবেশ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জেলা বিএনপি’র নবগঠিত আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব জাকির হোসেন সরকার বলেন, যারা বিক্ষোভ করলেন, তাদের মধ্যে আমাদের মাত্র সাতজন ছিলেন। বাকিদের তো চিনতে পারলাম না। যদি আপনারা চেনেন, আমাদের জানাবেন।

অপরদিকে জেলা বিএনপি’র নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, যারা নিজেকে পদবঞ্চিত মনে করেন, তাদের রাস্তাঘাটে হইচই না করে সঠিক উপায়ে দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, আহ্বায়ক কমিটি ছোট একটা কমিটি। চাইলেও সবাইকে সেখানে জায়গা দেওয়া সম্ভব হয় না। পৌরসভা-উপজেলাসহ ১১টি ইউনিট আমাদের। সবার প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন আছে। কাউন্সিল করে যখন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে, তখন ত্যাগী বিবেচনায় সবাইকে স্থান দেওয়া সম্ভব হবে বলেও জানান জেলা বিএনপির সর্বোচ্চ এই নেতা।

আরও পড়ুন – কুমারখালীতে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রসঙ্গত, গত ৩ নভেম্বর কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আহবায়ক ও প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত এই আহ্বায়ক কমিটিতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক তিন এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও অধ্যাপক শহিদুল ইসলামসহ বিগত কমিটির সিংহভাগ নেতা-কর্মীই বাদ পড়েছেন।

কুমারখালীতে চার ব্যবসায়ীকে জরিমানা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক রেস্তোরাঁয় ফ্রিজে পচা- বাসি খাবার সংরক্ষণ ও মিষ্টির পাত্রে তেলাপোকা থাকার অপরাধে ব্যবসায়ীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত টাস্কফোর্স।

এছাড়াও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ থাকায় এক ফার্মেসী মালিককে ৮ হাজার, নামের আগে ডাক্তার লেখা ও প্রেসক্রিপশন করায় এক পল্লী চিকিৎসককে ৫ হাজার এবং দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা হয় এক চাল ব্যবসায়ীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত উপজেলার পান্টি ও বাঁশগ্রাম বাজার এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে পান্টির তোজাম হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের মালিক তোজাম্মেল হককে ৫ হাজার টাকা, ফারুকি ফার্মেসীর মালিক মো. ফারুককে ৮ হাজার টাকা, ডক্টরস কর্ণারের পল্লী চিকিৎসক আব্দুল কাদের জাপানকে ৫ হাজার টাকা ও বাঁশগ্রাম বাজারের মেসার্স নাসির ট্রেডার্সের মালিক নাসিরকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ ও পচাবাসি খাবার ধ্বংস করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। এসময় তাকে সহযোগীতা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানিটারি পরিদর্শক ফারুক হোসেন, কুষ্টিয়া টাস্কফোর্সের ছাত্র প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।

অভিযানে থাকা কুষ্টিয়া টাস্কফোর্সের ছাত্র প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, এতোকিছুর পরেও ব্যবসায়ীরা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোক্তাদের আরো সতর্ক হতে হবে। যেখানে অন্যায়, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

আরও পড়ুন – বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে রাজি আওয়ামী লীগ: হাছান মাহমুদ

কুষ্টিয়া জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচলক সুচন্দন মন্ডল জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে ৪ জনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠান গুলোকে নজরদারি করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মঙ্গলবার

0

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৫ নভেম্বর মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটির মসনদ আগামী চার বছর কে সামলাবেন তা নির্ধারিত হবে এই নির্বাচনের মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতিসহ বিশ্ব রাজনীতির মেরুকরণে কে প্রভাব বিস্তার করবে এ নিয়ে বিশ্ববাসীর নজর এখন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে লড়তে যাচ্ছেন কমলা হ্যারিস এবং রিপাবলিকান দল থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই প্রার্থীই এখন শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের নির্বাচনে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য মূল ভূমিকা পালন করবে। কারণ এগুলোতে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা কঠিন, রাজ্যগুলোতে ডেমোক্রেট এবং রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থন প্রায় সমান। তাই দোদুল্যমান এই অঙ্গরাজ্যগুলোর দিকেই নজর সকলের। এমনকি দুই প্রার্থীও ব্যস্ত এই অঙ্গরাজ্যগুলো নিয়ে।

এর মধ্যে রবিবার (৩ নভেম্বর) মিশিগানে প্রচারণার সময় গাজায় যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রæতি দিয়েছেন কমলা হ্যারিস। আরব আমেরিকানদের ভোটারদের সমর্থন পেতেই এই ধরনের প্রতিশ্রæতি দেন তিনি।

কমলা বলেন, গাজায় মৃত্যু ও ধ্বংসের মাত্রা এবং লেবাননে বেসামরিক হতাহত ও বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতির কারণে এ বছরটি কঠিন ছিল। ক্ষমতায় এলে গাজায় যুদ্ধ বন্ধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রæতি দেন তিনি। গাজা যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রæতি দিলেও ইসরাইলের নিরাপত্তার কথাও উঠে আসে কমলার বক্তব্যে।

আরও পড়ুন – ডেঙ্গুতে সারা দেশে আরও ৬ জনের মৃত্যু

একই দিন পেনসিলভানিয়া ও নর্থ ক্যারোলিনায় প্রচারণায় অংশ নেন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। জো বাইডেনের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে ট্রাম্প বলেন, ব্যর্থতার জন্য ডেমোক্র্যাটদের লজ্জিত হওয়া উচিত। রিপাবলিকান পার্টি জিতলে আগামী চার বছর স্বর্ণযুগে পরিণত করার প্রতিশ্রæতি দেন তিনি।

আরও পড়ুন – বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে রাজি আওয়ামী লীগ: হাছান মাহমুদ

তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, নির্বাচনে জিতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন মার্কিন নীতিতে খুব একটা পরিবর্তন আসবেনা। রিপাবলিকানরা জিতলে হয়ত যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি একটু কঠিন হবে যা ডেমোক্রেটদের সময়ে তুলনামূলক সহজ।

ডেঙ্গুতে সারা দেশে আরও ৬ জনের মৃত্যু

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায়ও সারাদেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ২৯৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৩২০ জন এবং শনাক্ত বেড়ে ৬৫ হাজার ৭৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও তিনজন নারী। তাদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তিনজন, ঢাকা বিভাগে (ঢাকার দুই সিটির বাইরে) একজন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাসপাতালে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮৫, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৩৮, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৬৪, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৪৩, খুলনা বিভাগে ১৭১, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৩ জন। এছাড়াও রাজশাহী বিভাগে ৩৪ জন, রংপুরে ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে এক হাজার ২৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬১ হাজার ৩০৪ জন।

প্রতি বছর বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গেল বছর দেশে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ১০ হাজার ৮ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১১ হাজার ১৭১ জন।

আরও পড়ুন – বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে রাজি আওয়ামী লীগ: হাছান মাহমুদ

এর আগে ২০১৯ সালে দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। ওই সময় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় জাতীয় পার্টির সাইনবোর্ড ও জানালা ভাঙলো দুর্বৃত্তরা

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন একটা দেখা না গেলেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

এছাড়া ২০২২ সালে ডেঙ্গু নিয়ে মোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ওই বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ২৮১ জন মারা যান।

বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে রাজি আওয়ামী লীগ: হাছান মাহমুদ

0
ড. হাছান মাহমুদ সংগৃহীত ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাংলা স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল এস’-এর মতামত বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘অভিমত’-এ গত ৩ নভেম্বর ‘আওয়ামী লীগ: তটস্থ, হতাশ, কোনঠাসা?’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঐক্যের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর এটিই ছিল তার প্রথমবারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য।

অনুষ্ঠান সঞ্চালক বুলবুল হাসানের এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপর্যয় ইতোপূর্বেও ঘটেছে। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা সবার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। ইতোপূর্বে বিপর্যয় কাটিয়ে আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়িয়েছিল এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পরপর চারবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়েছিল। আমরা আরও বড় বিপর্যয়ে পড়েছিলাম, সেগুলো আমরা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল সপরিবারে। জাতীয় ৪ নেতাকেও হত্যা করা হয়েছিল। এবারও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ছিল। আমরা যে বুঝতে পারিনি তা নয়। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমেই কিন্তু ৫ আগস্টের পরিবর্তিত ঘটনা হয়েছে।

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আমি বিএনপির দায়িত্বশীলদের বক্তব্য দেখেছি। তারাও এটার বিরোধিতা করেছে। কোনো রাজনৈতিক দলকে কাগজে কলমে নিষিদ্ধ করলেও কিন্তু সেটি নিষিদ্ধ হয়ে যায় না। ছাত্রলীগের ক্ষেত্রেও সেটা প্রযোজ্য। বাংলাদেশে পঁচাত্তরের পর যখন প্রথম নির্বাচন হয়, সেভেন্টি নাইনে যখন পার্লামেন্ট নির্বাচন হয় আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা অনেকের মতে কমে গিয়েছিল তখন। সেই সময় আওয়ামী লীগ ৩৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল। এখন একেবারে কমপক্ষে বাংলাদেশের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে। আওয়ামী লীগের মতো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধের কথা যারা ভাবেন সেটি অলীক একটি কল্পনা ছাড়া কিছু নয়।

তিনি বলেন, যে রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে এই বাংলাদেশের সৃষ্টি, যে রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ললাটে বহুবিদ অর্জন সেই রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধের কথা যারা ভাবেন তারা কীভাবে ভাবেন, কেন ভাবেন তা বোধগম্য নয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে হাজার হাজার মামলা দেওয়া হয়েছে। কারও কারও মতে এই সমস্ত মামলার আসামি ৬ মিলিয়ন। তৃণমূল পর্যায়ের ওয়ার্ড লেভেলের কর্মীর বাড়িতেও তল্লাশী চালানো হচ্ছে পুলিশ দিয়ে। তারা ঘর বাড়িতে থাকতে পারছে না। আমাদের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। জুলাই-আগস্টের হত্যাকান্ড যে বলছে, হত্যাকান্ড তো এখনো চলছে। এগুলোকে হত্যাকান্ড মনে করা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টে পুলিশকে যখন আক্রমণ করা হয়, পুলিশের কি আত্মরক্ষার অধিকার নেই? আত্মরক্ষার্থে পুলিশ তখন গুলি ছোঁড়েনি তা নয়, অবশ্যই ছুঁড়েছে। সেজন্য পুলিশের দায় আমরা কখনো অস্বীকার করিনি বা সরকার পক্ষের দায় আমরা কখনো অস্বীকার করিনি। এখনো অস্বীকার করছি না। অবশ্যই দায়িত্বে থাকলে দায় নিতে হবে। সেই দায় থেকেই শেখ হাসিনা সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। ৫ আগস্টের আগে আমাদের বহু নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। সেটির ডাটা আমরা তৈরি করছি, প্রকাশ করা হবে।

সাবেক এই মন্ত্রী আরও বলেন, মৃত্যুর যে সংখ্যা-তথ্য দেওয়া হচ্ছে সেটি আসলে কত? সেটি নিয়ে বড় প্রশ্ন আছে। আসলে কতজন হত্যাকান্ডের স্বীকার হয়েছে সেই নামটা প্রকাশ করুক। আমি মনে করি, প্রথম থেকেই সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের যে দাবি ছিল, সেই বিষয়টি পুরোপুরি আদালতের হাতে ছেড়ে না দিয়ে যদি বিষয়টি অন্যভাবে হ্যান্ডেল করা যেত তাহলে ভালো হতো। এটিকে এতদূর যেতে দেওয়াটাই ভুল ছিল আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।

গত ১৫ বছরে সবচেয়ে বড় ভুল বা ব্যর্থতা কী ছিল এ প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, সরকারে থাকলে ভুল হবেই। পৃথিবীর কোনো সরকার শতভাগ নির্ভুল কাজ করতে পারবে না। আমাদেরও অনেক ভুল ছিল। শুধু একটি দুটি ভুল নয়, দায়িত্বে থাকলে ভুল হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটি আমার দলের অভিমত নয়, ব্যক্তি ড. হাছান মাহমুদের অভিমত হচ্ছে আমি মনে করি বিএনপি অবশ্যই সব সময় নির্বাচন বর্জন করেছে, নির্বাচন প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে, কিন্তু যেহেতু আমরা দায়িত্ব ছিলাম, বিএনপিকে নির্বাচনে অ্যাকোমোডেট করতে না পারা আমাদের ব্যর্থতা ছিল। ১৪ সালে, ২৪ সালে নির্বাচনে আনতে না পারা আমাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা ছিল। যদিও তারা আমাদেরকে ব্যর্থ করার চেষ্টাই করেছে, তবুও এটা আমাদের ব্যর্থতা।

ছাত্রশিবিরের অনেকেই ছাত্রলীগ করেছে এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে এমন ঘটেনি। এটা এখন আশ্চর্যজনক মনে হচ্ছে যে এটা কীভাবে সম্ভব হলো এবং আমাদের ছাত্রনেতারা কীভাবে এটা নোটিশ করতে পারলো না। এটি আমাকেও বিস্মিত করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যেভাবে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে, আমি রিজয়েন্ডার দিয়েছি প্রত্যেকটা খবরের। একটি ছাড়া কোনোটাই ছাপানো হয়নি। বলা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। এগুলো কি ছিল আওয়ামী লীগের সময়? আমাদের সময় গণমাধ্যম যে স্বাধীনতা ভোগ করেছে সেটি অনেক উন্নয়নশীল দেশে পারেনি।

দলের পরবর্তী নেতৃত্ব প্রসঙ্গে হাছান মাহমুদ বলেন, দলে সব সময় পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের শেখ হাসিনাই প্রাণ এবং শেখ হাসিনা হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ ভোমরা। তাকে ছাড়া আওয়ামী লীগ কল্পনা করা যায় না। দলে গণতন্ত্র আছে তাই কোনো লাইনআপ তৈরি করা নেই। সময় এবং পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে পরবর্তী নেতৃত্ব তৈরি হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিএনপির অনেক বক্তব্যের সঙ্গে আমরা একমত। ১/১১ সরকারের সময় বিএনপির সঙ্গে একজোট হয়েই আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম করেছিলাম এবং গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেব কিংবা বিএনপির মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যে বক্তব্যগুলো দিচ্ছেন সেগুলোর অনেকগুলোর সঙ্গে আমি একমত। গতন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য যদি প্রয়োজন হয়, অবশ্যই বিএনপির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে আমরা তৈরি আছি, এক্ষেত্রে কোনো দ্বিমত নেই। তারা রাষ্ট্রপতি ইস্যু থেকে শুরু করে দেশে যেন সাংবিধানিক সংকট তৈরি না হয়, সে ব্যাপারে তাদের যে স্ট্যান্ড সে ব্যাপারে আমি অ্যাপ্রিশিয়েট করি। জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ হওয়ার পর বিএনপির যে বক্তব্য সেই বক্তব্যের সঙ্গেও আমি একমত। একটি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়ে, রাজনৈতিক দলের অফিস জ্বালিয়ে দেওয়া হলো এ নিয়ে সরকারের কোনো বক্তব্য পাচ্ছি না। অত্যন্ত হতাশ হচ্ছি, আমরা কোন দিকে যাচ্ছি।

মনে রাখতে হবে, কোনো সরকারই কিন্তু শেষ সরকার নয় এ কথা উল্লেখ করে সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরাও কিন্তু শেষ সরকার ছিলাম না। অনেকে মনে করেনি, সেটা সঠিক। কিন্তু আমি সব সময় মনে রেখেছি। ফলে এই সরকারই শেষ সরকার নয় সেটা মনে রাখতে হবে। তারা যে আগের সরকারের মন্ত্রীদের হাতকড়া পরালেন, ডিম ছুঁড়লেন ভবিষ্যতের যে ভয়ংকর একটা উদাহরণ তৈরি করে গেলেন, ভবিষ্যতে কী ঘটে সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সুতরাং আমি বিএনপির সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে একমত এবং বিএনপি যে গণতন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের কথা বলছে, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলছে সেটির সাথে আমরা একমত। প্রয়োজনে বিএনপির সঙ্গে আমরা একযোগে গণতন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা কাজ করবো।

তিনি বলেন, আমরা চাই দেশ ভালো থাকুক। আজকে জাতীয় জীবনে হতাশা নেমে এসেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি বাংলাদেশে একটি আপার হাউজ দরকার, এতে অনেক কোয়ালিটিফুল মানুষ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কন্ট্রিবিউট করতে পারবেন। এ ব্যাপারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও বক্তব্য রেখেছেন, তিনিও আপার হাইজের পক্ষে বলেছেন। আমি খোলাসা করে বলছি এটি আমার ব্যক্তিগত অভিমত এটি আমার দলের অভিমত নয়।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের অনেকগুলো সংস্কার দরকার। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যেটি বলেছেন আমি তার সঙ্গে শতভাগ একমত। আমি মনে করি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমেই রাষ্ট্র সংস্কার হওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আমরা সচেতনভাবেই অপেক্ষা করছি। এখন যদি আমরা রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে নামতাম তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে অনেকে বলতো আমাদের কারণে তারা রাষ্ট্র সংস্কার করতে পারছে না। তাই সচেতনভাবেই আমরা একটু নিশ্চুপ আছি, যাতে আমাদের ওপর দোষ না আসে। আওয়ামী লীগ এমন একটি দল যে দলের লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী আছে, কোটি কোটি সমর্থক আছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ ফুরিয়ে যায়নি, আওয়ামী লীগ কখনো ফুরিয়ে যাবে না।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় ট্রেনের রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন

আওয়ামী লীগ প্রবাসী সরকার গঠনের চিন্তা করছে কিনা জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, এ ধরনের চিন্তা ভাবনার কথা শুনিনি। এ ধরনের কোনো আলোচনা কারও সাথে হয়নি।

দেশে ফিরে আসার সুযোগ হলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রতিহিংসামূলক আচরণ করবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কখনোই নয়। আমি মনে করি আমার দলও প্রতিহিংসামূলক আচরণ করার পক্ষপাতী নয়। কেউ খারাপ উদাহরণ তৈরি করলে সেই খারাপ উদাহরণকে অনুসরণ করতে নেই।

সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের, অহংকারের। আমাদের সেনাবাহিনী অত্যন্ত প্রফেশনাল। সেনাবাহিনীকে যারা বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে আমি সেটার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় জাতীয় পার্টির সাইনবোর্ড ও জানালা ভাঙলো দুর্বৃত্তরা

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমার দলের নেতাকর্মীদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। পঁচাত্তরের পরে কঠিন সময় গেছে এবং দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে। দল পরপর ৪বার রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেছে। নেতাকর্মীদের ওপর আজকে যে নির্যাতন, নিপীড়ন হচ্ছে তাদেরকে বলবো এই আঁধার কেটে যাবে এবং সহসা দেশে একটি সুষ্ঠু, স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সব কিছু সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আছেন, সবার সাথে তিনি যোগাযোগ রাখছেন। তার মনোবল শতভাগ চাঙ্গা আছে। নেতাকর্মীদের বলব, যখন এই আঁধার কেটে যাবে তখন আমরা সবার প্রতি সহনশীল আচরণ করবো। অবশ্যই রাষ্ট্র পরিচালনায় আমাদের ভুল হয়েছে। আমরা সেই ভুলগুলো স্বীকার করছি। ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে।

কুষ্টিয়ায় জাতীয় পার্টির সাইনবোর্ড ও জানালা ভাঙলো দুর্বৃত্তরা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় রাতের আঁধারে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ও জানালা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার দিবাগত রাতে শহরের হাউজিং কদমতলায় অবস্থিত জেলা কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।

জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাফিস আহম্মেদ খান টিটু জানান, রাত আড়াইটার দিকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও মটরসাইকেলে ৮ থেকে ১০জন যুবক কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ও জানালা ভাঙচুর করতে থাকে। শব্দ শুনে অফিসের দেখভালের দায়িত্বে থাকা স্বপন বেড়িয়ে আসলে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে গেট খুলে দিতে বলে। স্বপন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে আপনাদের রাগ কার উপর। তারা বলে অন্য কেউ না সাইনবোর্ডের উপর। এ সময় সাথে থাকা একজন অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার কথা বলে। পরে স্বপন ও ঘটনাস্থলে আসা স্থানীয় কয়েকজনের অনুরোধে তারা সাইনবোর্ড ফেলে রেখে চলে যায়।

জাতীয় পার্টির এই নেতা আরো জানান, রাতেই পুলিশকে ফোন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা আসেনি। অভিযোগের বিষয়ে উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে সকালে কার্যালয় পরিদর্শন করে গেছে থানা পুলিশ।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় ট্রেনের রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন

কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দীপেন্দ্রনাথ সিংহ জানান, জাতীয় পার্টির অফিসে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে ভাঙচুর ঠিক নয়। সাইনবোর্ড খুলে ফেলে রেখে গেছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ায় ট্রেনের রুট পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ওপর দিয়ে চলাচলকারী ঢাকা গামী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট পরিবর্তন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ট্রেন দুটির রুট পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে কোর্ট স্টেশন এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন সর্বস্তরের জনসাধারণ।

সোমবার বেলা ১২ টায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়। তারা ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে আটকে দেয়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা আধা ঘন্টা পর ট্রেনটি ছেড়ে দেয়।

বিক্ষোভকারীরা জানান, ট্রেন চলাচলের রুট পরিবর্তন করলে জেলার মানুষ যাতায়াত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক কাজে ঢাকা বা খুলনা যাতায়াতের জন্য যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়বে। তাই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের এ ধরণের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের দাবি জানান তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেয় বিক্ষুব্ধ জনসাধারণ।

বাংলাদেশ রেলওয়ে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের ইনচার্জ ইতিয়ারা খাতুন জানান, এই রুট থেকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন সড়ানোর ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন নির্দেশনা এখনো আসেনি।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় আলম সাধু চালক নিহত

রেলওয়ে সূত্র জানায়, বেনাপোল ও সুন্দরবন ট্রেনের প্রতিমাসে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন থেকে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে। আগামীতে এই দুটি ট্রেনের রুট পরিবর্তন করা হলে। কুষ্টিয়া -ঢাকা রুটে নতুন ট্রেনের ব্যবস্থার জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন কর হয়েছে।

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় আলম সাধু চালক নিহত

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা মহাসড়কের নগরবাথান ঘোষপাড়া এলাকায় দুই আলমসাধুর মুখোমুখি সংঘর্ষে এক চালক নিহত হয়েছেন।

নিহত চালক শেরআলী (৫০) হামদহ কাঞ্চনপুর গ্রামের বাসিন্দা।

সোমবার ভোরে তিনি নিজ আলম সাধু নিয়ে নগর বাথান যাচ্ছিলেন। কুয়াশার কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পরে। স্থানীয়রা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপালে পাঠানো হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

0
আহত শ্রমিকদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের নারকিলে তলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারতলা থেকে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিকেরে মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। সোমবার বিকাল পাঁচটার দিকে এ র্দুঘটনার শিকার হন শ্রমিকরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হতাহতরা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসন্দিা। তারা ওই এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি র্কমর্কতা আবুল কাশেমের বাসায় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। নির্মান শ্রমিক রাজু (২৪) ঘটনা স্থলেই নিহত হন। নিহত রাজু কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের খুচাবাড়ি গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

দুর্ঘটনায় আহত নির্মাণ শ্রমিক সবুজ জানান, আমরা চার তলায় কাজ করছিলাম। নীচ থেকে লোহার রড তোলার সময় বিদ্যুতের তারে র্স্পশ লাগে। পুরো রড বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়। এ সময় দুইজন শ্রমিক চারতলা থেকে পড়ে যান। এরমধ্যে রাজু (২৪) মারা গেছেন।

আহত ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই ভবনটিতে ৯ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। এদেও সবার বাড়িই কুড়িগ্রাম জেলায়। ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে কোন ধরণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা না রাখার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নির্মাণাধীন ওই ভবনের মালিক আবুল কাশেমের মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন – ১৪ মেডিকেল কলেজের নাম পরিবর্তন

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার জানান, হতাহতদের বিকাল পাঁচটার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত তিন জনের অবস্থা আশংকাজনক।

সর্বশেষ সংবাদ

ধুলায় আঁধার সড়ক

কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার কারের অল্প কিছু দিনের মধ্যে আঞ্চলিক সড়কের কয়েকটি পয়েন্টে চলাচল অযোগ্য হয়ে যায়। এসব স্থানে পাকাসড়ক ভেঙ্গে ইট বিছিয়ে...

দুই দিনেও সন্ধ্যান মেলেনি রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ ভ্যান চালকের

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ ভ্যানচালকের সন্ধান মেলেনি দুই দিনেও। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে গুম করা হতে পারে মনে করছেন পরিবার। সোমবার ভ্যানচালক...

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ। এ নিয়েছে জনমনে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী ইব্রাহিম ও...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের কোন সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর দলিল, যার বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক...

কুষ্টিয়া সীমান্তে দুইটি বোমাসহ চোরাকারবারী আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইটি বোমাসহ এক চোরাকারবারীকে আটক এবং বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ...