খোকসায় সাপের কামড়ের ভ্যান চালকের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার খোকসায় সাপের কামড়ে এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার প্রত্যুশে হিলালপুর গ্রামের ভ্যানচালক সোবাহান (৬০) প্রকৃতির ডাকে সাড়ে দিতে কুষ্টিয়া রাজবাড়ি সড়কের পাশের একটি পতিত জমিতে যায়। এ সময় তার ডান পায়ের উরুতে সাপে কামড় দেয়। সে তাৎক্ষনিক ভাবে বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকদের জানায়। শুরু হয় ধানুড়ে চিকিৎসা। ডাকা হয় স্থানীয় ওঝাদের।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
এক পর্যায়ে সকালে গুরুতর অসুস্থ ভ্যানচালকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতবলে ঘোষনা করে।
বাদ জোহর জামিনী-কামিনি কবর স্থানে মরহুমের দাফন করা হয়।
কুষ্টিয়ায় ফেন্সিডিলসহ যুবক আটক
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
র্যাব-১২, সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার সময় কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানাধীন মহিষকুন্ডি বাজারস্থ জামে মজসিদের অজুখানার পাশের্^ পাঁকা রাস্তা উপর একটি মাদক অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে ৫০ বোতল ফেন্সিডিল, ১টি মোবাইল ফোন, ২ টি সীম কার্ড ও নগদ ১২শত টাকাসহ দৌলতপুর উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের জরাফত সরদারের ছেলে মিঠুন আলী (২৪) কে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত মিঠুন আলীর বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মাদক মামলা দায়ের করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীরের চিরবিদায়
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর চিরবিদায় নিলেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তার মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া। অতীত কিংবা বর্তমানকে বিশ্বাস করতেন না মুর্তজা বশীর। তার বিশ্বাস ছিল ভবিষ্যতে। তিনি বলতেন মৃত্যুর পরও বেঁচে থেকে সময়কে অতিক্রম করতে পারাই জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। সেই অর্জনের পেছনেই হয়ত তাড়িত হয়ে একজন মুর্তজা বশীর বৃত্তাবদ্ধ হননি শুধু চিত্রশিল্পী পরিচয়ে। ভাষা সংগ্রামী মুর্তজা বশীর ছিলেন একাধারে কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক। এমনকি চলচ্চিত্র অঙ্গনেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত ভাষাবিদ ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন আবুল খায়ের মুর্তজা বশীর উল্লাহ। কিন্তু বাবার নামে পরিচিত হতে চায় না ছেলেটি। তাই বড় হয়ে নিজের নাম রাখলেন মুর্তজা বশীর।
যদিও বাবার মৃত্যুর পর বশীর লিখলেন, অসাধারণ এক স্মৃতিকথা। যার নাম ‘বাবা ও আমি’। ১৯৩২ সালে জন্ম নেয়া বশীর ৪৯ সালে ভর্তি হন বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে। তবে তা ছবি আঁকার তাড়নায় নয়, কমিউনিষ্ট পাটির্র নির্দেশে দলীয় একটি সেল তৈরী করতে।
জয়নুল আবেদীনের এই ছাত্রটি পরবর্তীতে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে বের হন বিশ^বিদ্যালয় তেকে। এরপর শিল্পকলায় উচ্চতর শিক্ষার জন্য চলে যান ইতালিতে। এর আগে লড়াই এ নামেন ভাষা আন্দোলনের। আঁকতে থাকেন, আন্দোলনের দুর্দান্ত সব কার্টুন এবং ফেস্টুন।
শুধু রং তুলি নয় সাহিত্যক্ষেত্রেও রেখেছেন অবদান। চিত্রশিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার, একুশে পদকসহ বহু জাতীয়-আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন এই গুনি শিল্পী।
আমরা চোখের সামনে যা দেখতে পাই, সেটাইতো সব নয়। অন্তর্লোকে যা থাকে তাইতো সারবস্তু। একজন বশীর তার তৃতীয় নয়ন দিয়ে সেই অদেখাকে দেখতে পান, তিনি আলোকিত করেন নিজেকে দেশকে আর ভবিষ্যত প্রজন্মকে।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পক্ষে মহান এ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার ১৫ আগস্ট সকাল সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
পরে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী একটি চৌকস দল তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর। ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বঙ্গবন্ধু ভবনের ভেতরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অবস্থান করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।
পরে প্রধানমন্ত্রী বনানী কবরস্থানে যান। সেখানে তার মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টের শহীদদের কবর রয়েছে।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
আজ বাঙালীর শোকের দিন
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী।
জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালন করে দিনটি। তবে এবার বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস এর কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোরে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।
পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকা- থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে মহান আল্লাহর দরবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
দেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে।
স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ আগস্ট শনিবার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার বনানীস্থ কবরস্থানে ১৫ আগস্ট শাহাদতবরণকারী জাতির পিতার পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক ও ফুলের পাপড়ি অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, পুষ্পস্তবকক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিস্থলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিশেষ দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিনে কর্মসূচি পালনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সারা দেশের মসজিদসমূহে বাদ যোহর বিশেষে মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। এছাড়াও জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীগুলো ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/গ্রোথ সেন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার স্থাপন ও এলইডি বোর্ডের মাধ্যমে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনর্মিত রাখা হবে এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।
সকাল ১০টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। একই সময় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও বাদ জোহর দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সুবিধা মতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অুষ্ঠিত হবে। দুপুরে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হবে।
বস্তুত ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু হয়। গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক শাসনের অনাচারের ইতিহাস রচিত হতে থাকে।
সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানীর নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরী বাঙালিদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে।
প্রথম ইরানি জ্বালানি কার্গো জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
প্রথমবারের মতো ইরানের তেলভর্তি নৌযান জব্দ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তাদের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের দায়ে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
ভেনিজুয়েলায় পাঠাতে চাওয়া পেট্রোলবোঝাই ইরানের চারটি ট্যাংকার জব্দ করতে জুলাই মাসে একটি মামলা করেন মার্কিন কৌঁসুলিরা।
দুই শত্রুর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে সাম্প্রতিক চেষ্টা হচ্ছে ইরানের এই নৌযান জব্দ করার ঘটনা।
ইরান যাতে তেল রফতানি করে আর্থিকভাবে এগিয়ে যেতে না, সে কারণেই এই মামলাটি করা হয়েছিল।
ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশটির বিরুদ্ধে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শান্তির জন্যই এসব ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি হাতে নেয়ার দাবি করে আসছে তেহরান।
ইরানের ওই চারটি নৌযানের নাম হচ্ছে, লুনা, পান্ডি, বেরিং ও বেল্লা। উন্মুক্ত সাগর থেকে এসব জাহাজ আটক করা হয়েছে, যা বর্তমানে হাউস্টনের পথে রয়েছে।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
জাহাজগুলো জব্দ করার ক্ষেত্রে কোনো সামরিক শক্তির ব্যবহার করা হয়নি। তবে কীভাবে আটক করা হয়েছে; তাও জানা যায়নি।
১১ বছর পর ফাওয়াদের শূন্য
দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক
টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায় কেটেছে বছরের পর বছর। অবশেষে অপেক্ষা ফুরাল প্রায় পর। তবে উপলক্ষটা রাঙাতে পারলেন না ফাওয়াদ আলম। ১১ বছর পরে মাঠে ফেরার প্রথম ম্যাচে প্রথম ইনিংসে আউট হলেন রানের খাতা খোলার আগেই।
সাউথ্যাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার চার বল খেলে শূন্য রানে বিদায় নেন ফাওয়াদ। ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে এলবিডাব্লি¬উ হয়ে যান ক্রিস ওকসের বলে। ইংল্যান্ড তাকে ফেরায় রিভিউ নিয়ে।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
৩৪ বছর বয়সী ফাওয়াদ ২০০৯ সালের নভেম্বরে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন, ডানেডিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই বছরই জুলাইয়ে তার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। অভিষেক রাঙিয়েছিলেন সেঞ্চুরিতে, দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ১৬৮। সেই সিরিজের পরের টেস্ট ও নিউজিল্যান্ড সফরে ভালো করতে পারেননি তিনি। তাতেই জায়গা হারান দলে।
ইউএস ওপেনে খেলবেন না আন্দ্রেয়েস্কোও
দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক
হাঁটুর চোট কাটিয়ে উঠলেও করোনাভাইরাসের কারণে প্রস্তুতিটা ভালো হয়নি। তাই ইউএস ওপেন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন প্রতিযোগিতাটির গতবারের নারী এককের চ্যাম্পিয়ন বিয়াঙ্কা আন্দ্রেয়েস্কো।
টুইট বার্তায় বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ২০ বছর বয়সী এই কানাডিয়ান।
২০১৯ সালের অক্টোবরে বছরের শেষ টুর্নামেন্ট ফাইনালসে হাঁটুতে চোট পান আন্দ্রেয়েস্কো। এরপর থেকে খেলার বাইরে আছেন তিনি।
অনাকাক্সিক্ষত বিরতির পর চলতি বছরের৩১ আগস্ট নিউ ইয়কের ফ্লাশিং মিডোসে শুরু হবে ইউএস ওপেনের এবারের আসর।
আরও দেখুন-খোকসায় নতুন তান্ত্রিকের তেলেসমাতি !!
আরও দেখুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর কারণে প্রতিযোগিতাটি থেকে আগেই নিজেকে সরিয়ে নেন রাফায়েল নাদাল। খেলবেন না বিশ্বের এক নম্বর নারী টেনিস খেলোয়াড় অ্যাশলি বার্টিও।
চলে গেলেন শব্দসৈনিক মোতাহার হোসেন
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশ বেতারের প্রবীণ অনুষ্ঠান উপস্থাপক মোতাহার হোসেন আর নেই। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না ল্লিাহি ….. রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি কিছুদিন ধরে ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অকুতোভয় শব্দসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আগুন ঝরানো মুক্তির গানে মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের বাঙালিদের উদ্দীপ্ত ও উজ্জীবিত করতে অসাধারণ ভূমিকা রেখেছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কলাকুশলীরা।
শব্দসৈনিক মোতাহার হোসেন বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের সে ধরনেরই একজন অগ্রপথিক উল্লেখ করে তিনি বলেন মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবদান জাতি চিরকৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।













