শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬.
Home Blog Page 683

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৭ লাখ ছাড়াল

0
Corona-17-7-p-16

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বৈশ্বিক মহামারিতে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার। অপরদিকে আক্রান্তের সংখ্যা দুই কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ছাড়িয়েছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল অবধি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩১ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৯৫৯ জনে। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ কোটি ৩৯ লাখ ১৭ হাজার ৮৬৫ জন।

বিশ্বে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, এ দেশে মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৪১৫ জন। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বে সর্বোচ্চ, ৫৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৬৬ জন।

আর আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে শুক্রবার সকাল অবধি আক্রান্ত হয়েছে ৩২ লাখ ২৯ হাজার ৬২১ জন। দেশটিতে এ পর্যন্ত মারা গেছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৬৪ জন।

তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে মেস্কিকো। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫৫ হাজার ২৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার ৭৫১ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃতের সংখ্যায় চতুর্থ ব্রাজিলের পরেই আছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৪৮ হাজার ১৪৪ জন। আক্রান্ত হয়েছে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৩ জন।

করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত দেশগুলোর চতুর্থ অবস্থানে আছে রাশিয়া। দেশটিতে আক্রান্ত ৯ লাখ ৭ হাজার ৭৫৮ জন। আর মৃতের সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৮৪ জন।

আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটিতে আক্রান্ত ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৫ জন। আর মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ২৭০ জন।

করোনায় মৃতের দিক থেকে পঞ্চম অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৭৯৮ জন। মারা গেছেন ৪১ হাজার ৩৪৭ জন।

আর করোনায় পেরুতে আক্রান্ত ৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৫ জন এবং মারা গেছে ২১ হাজার ৭১৩ জন। কলম্বিয়ায় আক্রান্ত ৪ লাখ ৩৩ হাজার ৮০৫ জন এবং মারা গেছে ১৪ হাজার ১৪৫ জন।

করোনায় ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ৩৫ হাজার ২৩১ জন এবং আক্রান্ত ২ লাখ ৫২ হাজার ২৩৫ জন। ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে মারা গেছে ৩০ হাজার ৩৮৮ জন এবং আক্রান্ত ২ লাখ ৯ হাজার ৩৬৫ জন।

স্পেনে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৬০৫ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৯ জন। এছাড়া জার্মানিতে করোনায় আক্রান্ত ২ লাখ ২২ হাজার ২৬৯ জন, মারা গেছেন ৯ হাজার ২৮১ জন। ইরানে আক্রান্ত ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩২৪ জন, মারা গেছেন ১৯ হাজার ১৬২ জন।

পাকিস্তানে আক্রান্ত ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ জন, মারা গেছেন ৬ হাজার ১৩৯ জন। কানাডায় আক্রান্ত ১ লাখ ২১ হাজার ২৩৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ১৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৬৯ হাজার ১১৫ জন এবং মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৫৫৭ জন। এছাড়া মোট সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭১ জন।

যে লেখা সময়োচিত নয় কেবল, জরুরিও

0
ফাইল ছবি

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

লেখা প্রকাশ করার কথা খবরের কাগজের। তারা সেটা ঠিকমতো করতে পারে না। যা লিখতে চায় তা লিখতে পারে না। নিষেধগুলো দন্ডায়ণ থাকে পাহারায়। যে জন্য ইদানীং দেখা যাচ্ছে পত্রিকার পাঠক কমে যাচ্ছে। অন্য কারণও আছে, তবে সবচেয়ে বড় কারণ স্বাধীনভাবে লিখতে না পারা। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার সাক্ষী সংবাদই, যে সংবাদ উঁকি দেয়, কিন্তু যাকে চাপা দিতে হয়। আরেক সাক্ষী পত্রিকার সম্পাদকীয়। দেখা যাবে পত্রিকার সম্পাদকীয়ই হচ্ছে সবচেয়ে কম আকর্ষণীয়। কারণ সেগুলো দায়সারা গোছের, অধিকাংশ সময়েই খালি জায়গাটা ভরতে হয় তাই বুঝি লিখতে হয়। সেটা যারা লেখেন তারা জানেন, যারা পড়েন তারা টের পান একেবারে প্রথম বাক্যটি পড়েই, কখনো-বা এমনকি শিরোনামটি দেখেই। অথচ সম্পাদকীয়র হওয়া চাই স্বাধীন ও নির্ভীক কণ্ঠস্বর। হায়রে, দেখতে পাচ্ছি কণ্ঠ আছে তবে কণ্ঠের স্বর বড়ই ক্ষীণ।

সবচেয়ে জবর খবর হওয়ার কথা রাজনীতির। কারণ তাতে মানুষের আগ্রহ থাকে। রাজনীতির মূল জায়গাটা হচ্ছে রাষ্ট্রক্ষমতা। প্রাণ ভোমরাই বলা চলে। সেই ক্ষমতা যাদের হাতে থাকে আমজনতার সমষ্টিগত ভাগ্যও তাদের হাতেই ন্যস্ত। ব্যক্তিগত ভাগ্যগুলো রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রণের বাইরে নয়। দেশে রাজনীতি অবশ্যই আছে, কিন্তু জনসাধারণের জন্য রাজনীতির কোনো খবর নেই। খবর তৈরি হতে পারত যদি বিরোধী দল মাঠে থাকত। তারা মাঠে নেই অর্থাৎ কিনা মাঠে থাকার মতো অবস্থা তাদের নেই। একচ্ছত্র দল একতরফা দৌড়াদৌড়ি করে যতই গোল দিক না কেন? তারা মাঠে যেতেও চায় না, যার প্রমাণ সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে না চাওয়া। তা দেশে সব ধরনের নির্বাচনের ব্যবস্থাটাই এখন মোটামুটি ধরাশায়ী অবস্থার কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। এমনকি নির্বাচনে কোনো মতে জিতলেও বিপদ-আপদ পিছু ছাড়ে না। যেমনটা ডাকসুর বর্তমান ভিপি টের পাচ্ছে। তাকে বারবার বহুবার প্রহার তো করা হয়েছেই, এখন নাকি প্রাণনাশের হুমকিও সে পাচ্ছে। জাতীয় সংসদের কয়েকটি উপনির্বাচন হয়ে গেল। একটি কেন্দ্র থেকে ‘সুখবর’ পাওয়া গিয়েছিল। শোনা গিয়েছিল সরকারি দলের ছাড়া অন্যসব দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রই বাতিল হয়ে গেছে। সুখবর এই জন্য যে, তাতে সরকারি দলের পক্ষে মাঠে না গিয়েই জেতার সম্ভাবনা সুনিশ্চিত ছিল, তাতে করে অর্থ ও শ্রমের অপব্যয় থেকে দেশ ও জাতি কিঞ্চিৎ পরিমাণে হলেও পরিত্রাণ পেত। পরে জানা গেল আপিলে বিএনপি প্রার্থীর আবেদন না টিকলেও জাতীয় পাটির প্রার্থীরটা টিকেছে। নির্ভেজাল ‘সুখবর’ পাওয়াটা এখন দেখা যাচ্ছে আমাদের জন্য সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে।

যেমন শামীমা নূর পাপিয়ার ঘটনা। পাপিয়ার ডাকনাম নাকি পিউ। নরসিংদীর একটি মেয়ে। কে আর তার খবর রাখত? তার নামটা অবশ্য বেশ কাব্যিক। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম পাপিয়া নামটিকে স্মরণীয় করে রেখে গেছেন। গানের পাখি পাপিয়াকে নিয়ে তার একাধিক গান আছে। যেমন পিউ পিউ বিরহী পাপিয়া বোলে, পিউ পিউ বোলে, পিয়া পিয়া পাপিয়া পুকারে। আবার একটা গান আছে পিউ নয় পিও নিয়ে। ‘পিও পিও হে প্রিয় শরাব পিও’, এই মর্মে। গানটির ভেতরকার ছবিটা বেশ রোমঞ্চকর। ‘পিও পিও হে প্রিয় শরাব পিও/ চোখে রঙের নেশা লেগে সব অবসাদ হোক রমণীয়’, ইত্যাদি।

তা কবিদের কল্পনা অনেক দূর যায়, কিন্তু নজরুলের অসাধারণ কল্পনাও হার মেনেছে বাংলাদেশের এক মেয়ের অসাধারণ এক পাপিয়া হয়ে ওঠার কাছে। বাস্তবতা পরাভূত করেছে কল্পনাকে। পাপিয়া তার রংমহলের অতিথিদের শরাব পান করানোর জন্য দেশ থেকে তো অবশ্যই, বিদেশ থেকেও মেয়েদের চালান আনত বলে জানা যাচ্ছে। জন বারোকে নাকি এনেছিল সুদূর রাশিয়া থেকে। রাশিয়াতে সমাজতন্ত্রের পতনে যে বুর্জোয়ারা অত্যন্ত উৎফুল্ল হয়েছিলেন ‘মানবমুক্তি’র শুভোদয়ের লক্ষণ দৃশ্যমান হচ্ছে মনে করে, বর্তমানে সে দেশের মেয়েদের এই হাল দেখে তারা হাততালি দেবেন কিনা জানি না, দিলে কাকে যে দেবেন তাও জানি না, মানুষের পতনকে নাকি ‘ব্যক্তিস্বাধীনতার মুক্তি’কে? তবে বাস্তবতা এই যে রুশ দেশের মেয়েরা এখন বাংলাদেশের মতো গরিব দেশে এসে ভাড়া খাটে। উন্নতির তাড়া এতটাই দুর্দান্ত।

তা পাপিয়ার উত্থানের রহস্যটা কী? নিশ্চয়ই তার ‘মেধা’ ছিল, যে মেধাকে সে কাজে লাগিয়েছে। তার মেধাই তাকে বাতলে দিয়েছে উঠতে হলে কোন সিঁড়িটা ধরা চাই। সিঁড়িটা রাজনীতির। বলাই বাহুল্য, সরকারদলীয় রাজনীতির। পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল। তার আগে সে ছিল ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী। পাপিয়ার পদটা ছোট, কিন্তু ওই পদকে ব্যবহার করবার মতো বড় মেধা পাপিয়ার ছিল। সেটা সে ব্যবহার করেছে এবং তরতর করে ওপরে উঠে গেছে। না, বড় নেতা হয়নি। সেটা হওয়া তার লক্ষ্য ছিল না। মোটা টাকা করেছে, টাকার জোরে এবং রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সে ভীষণ ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছে। সেটাই ছিল তার লক্ষ্য। তার নিজস্ব একটি বাহিনী ছিল। নাম কেএমসি, খাজা মাঈনুদ্দীন চিশতির নামে নাম। কর্মোদ্ধারে আমাদের দেশের রাজনীতিকরা ধর্মকে ব্যবহারে কার্পণ্য করেন না, কার্পণ্য পাপিয়াও করেনি। তবে তার ক্ষেত্রে ধর্মের ব্যবহারটা বেশ অসাম্প্রদায়িক। তার আলয়ে নাকি কেবল ইসলাম ধর্মের নয় হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মের প্রতীকও পাওয়া গেছে।

পাপিয়া টাকা করেছে এবং টাকা খরচও করেছে, যাতে আরো টাকা করা যায়। ব্যবসার নিয়ম এটাই। টাকা খাটাতে হয়, টাকাই টাকা ধরে নিয়ে আসে। শোনা যাচ্ছে ওই যে ছোট্ট একটা পদ, নরসিংদী জেলার যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক, ওই পদ পাওয়ার জন্য তার বিনিয়োগ ছিল গুনে গুনে ৪ কোটি টাকার। তারপরে এমপি হওয়ার জন্য আরও বড় বিনিয়োগ সে করেছিল। সেটা ১০ কোটির। এক্ষেত্রে অবশ্য ফল পায়নি, টাকাটা মার গেছে। বেইমানি করা হয়েছে তার সঙ্গে। এমপি হলে তার ক্ষমতা যে বহুগুণে ফুলে-ফেঁপে উঠত তা অনুমান করা যায়। তবে অতটা হয়তো সে উঠতে পারত না যতটা লক্ষ্মীপুর এলাকার এক এমপি সাহেব উঠেছেন। তিনি চৌদ্দশ কোটি টাকা পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। টাকাটা এসেছে মূলত নারী পাচার থেকে। তার স্ত্রীও নাকি একজন এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনে। দুয়ে মিলে করি কাজ। নরসিংদীর পাপিয়ার আশা ছিল, ভরসাও ছিল। ভরসাটা হলো রাজনৈতিক। অনৈতিক কাজে রাজনৈতিক ভরসা। মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে তার ওঠাবসা ছিল, সে কারণে অন্যরা তাকে সমীহ করত। তদুপরি পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কেউ কেউ নাকি তার আসরে পদধূলি দিতেন। সে ঘটনাও তাকে ক্ষমতা দিয়েছিল। কিন্তু ধরা পড়ল কেন? সেটা আমরা জানি না। সে রহস্য পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা কম। হতে পারে পাপিয়ার কাজ এত বড় হয়ে উঠেছিল যে আবরণ দিয়ে তাকে আর ঢেকে রাখা সম্ভব হচ্ছিল না। আবার এমনো সম্ভব যে ঈর্ষাকাতর কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। অপরাধ জগতে তুমি কার, কেই-বা তোমার।

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী, যিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও, বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই পাপিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তার বক্তব্যে ‘ই’ প্রত্যয়ের ব্যবহারটি লক্ষ করবার মতো। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে, বুঝলাম; কিন্তু এমন একটি অপরাধের ব্যাপারে তার নির্দেশ প্রয়োজন হলো কেন? পুলিশের গোয়েন্দা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তকারীরা কি উদাসীন ছিলেন? কর্তব্যে অবহেলা? জিজ্ঞাসা আরো একটা থাকে। ঘটনা নিশ্চয়ই একদিনের নয়, এবং এমন ঘটনা হয়তো আরো ঘটছে, কিন্তু সেগুলোর রহস্য উন্মোচনও কি অপেক্ষায় আছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নির্দেশের?
পাপিয়া অবশ্য একটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বেশি চাপাচাপি করলে সে সব কিছু ফাঁস করে দেবে। তাতে তার সহযোগীদের হৃদকম্প সৃষ্টি হতে পারে। তবে এমনো শঙ্কা যে হুঁশিয়ারিপ্রাপ্তরা তৎপর হবেন আত্মরক্ষার জন্য। ব্যস্ত হয়ে পড়বেন তারা পাপিয়ার মুখ চাপা দিতে।

যুব মহিলা লীগ এবার খবরে এলো, যুব পুরুষ লীগ এসেছিল এর আগে। ওই যুবলীগের ‘সম্রাট’রা নানা পন্থায়, বিশেষ করে আধুনিক জুয়া খেলার অর্থাৎ ক্যাসিনোর আয়োজনের মধ্য দিয়ে যে অকল্পনীয় পরিমাণের অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে তা কাগজে এসেছে। র‌্যাব ও পুলিশ এগিয়ে গেছে। তারাও যে সম্রাটের হুমকির মুখে পড়েনি এমন নয়, পড়েছিল। বয়সে সত্তরোর্ধ যুবলীগের সভাপতিও যুৎসই একটা ধমক দিয়েছিলেন, কিন্তু আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী তাতে দমেনি। কারণ নিশ্চয়ই এই যে ঊর্ধতন মহলের সবুজ সংকেত পাওয়া গেয়েছিল। সে সংকেত পেলে নিতান্ত অচল গাড়িও সচল হয়।

ওই বড় কাজটি থেকে মূল রাজনৈতিক দলের লোকরাও যে বিরত থাকেন তা নিশ্চয়ই নয়। আবারো স্মরণ করতে হয় যে রাজনীতির মূল কথাটাই ক্ষমতা। ক্ষমতা থাকলে টাকা আসে, টাকা থাকলে ক্ষমতা বাড়ে। পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ছোট্ট গলিতে ছোট্ট এক টিনশেড বাড়িতে থাকত তারা দুই ভাই, এনু ও রুপন; যন্ত্রপাতি মেরামতের একটা দোকান ছিল তাদের। কিন্তু ওই যে কথা মেধা। সেটা ছিল দুই ভাইয়ের এবং আগষ্ট ছিল তারা নিজেদের ভাগ্য নিয়ে। তারা বড়লোক হতে চেয়েছে এবং পাপিয়ার মতোই নিজস্ব মেধার গুণে বুঝে ফেলেছে যে দ্রুত ও অনেক বড় হতে হলে দলবাজির পথটাই ধরতে হবে। দুই ভাই প্রথমে যুবলীগে গেছে। সেখান থেকে আওয়ামী লীগে। না, বড় কোনো পদ পায়নি। এক ভাই পেয়েছে গে-ারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির পদ, অন্যজন যুগ্ম সম্পাদকের পদ। সামান্য? হতে পারে সামান্য, কিন্তু পদ তো! পদ হচ্ছে পায়ের মতো। থাকলে মনে হয় সামান্য, না থাকলে বোঝা যায় মজা। থানা (জেলা নয়) আওয়ামী লীগের ছোট পদকে মেধা খাটিয়ে তারা দুই ভাই কাজে লাগিয়েছে ওপরে ওঠার জন্য, নইলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে বড়জোর নিজেদের ওই মেরামতের দোকানটাকে এক দরজার জায়গাতে দুই দরজার করতে পারত এবং জীবন চলত চার পায়ে, হামাগুড়ি দিয়ে। পদকে ব্যবহার করে দুই ভাই টাকা করেছে।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

তা টাকা জিনিসটা ভারি চঞ্চল। সর্বদাই উড়ু উড়ু করে। উড়বে, উড়ে হয়তো যেখানে-সেখানে গিয়ে পড়বে, অপচয় ঘটাবে; নয়তো উড়ে চলে যাবে বিদেশে। এনু-রুপন টাকার এই চঞ্চল স্বভাবের ব্যাপারে অজ্ঞ ছিল না। টাকাকে তারা কিছুটা বশ করেছে দালানকোঠা কিনে। কিন্তু কিনবার মতো কত আর দালানকোঠা পাওয়া যায় পুরান ওই ঢাকা শহরে? টাকা নিয়ে এখন তারা কি করে? ভরেছে সিন্দুকে, ট্রাংকে, ছালাতে, পুঁতেছে মাটির তলে। নিশ্চয়ই সুযোগ খুঁজছিল বিদেশে পাচার করবার। নসিব খারাপ, হঠাৎ করেই ধরা খেয়ে গেল। ঠিক যেভাবে পাপিয়া পিউ ধরা পড়েছে।

পত্রিকা লিখেছে যে এসব খবর নিয়ে আওয়ামী লীগ মোটেই গা করছে না। আমাদেরও কিন্তু ওসব গা-সওয়া হয়ে যাচ্ছে। বিরোধী দলের দু’একজন দেখলাম ভয়ে ভয়ে বলতে চেষ্টা করেছেন যে এসব ঢাকনা-তোলা সরকারি দলেরই কারসাজি; দেশে যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট চলছে তার থেকে লোকের দৃষ্টি সরিয়ে রাখার ফন্দি। তবে যে যাই বলুন, খবরগুলো বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং তাতে যে শাসক দলের সম্মান বৃদ্ধি পেয়েছে এমনটা মোটেই নয়।

ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মাথা ফেটে গেছে নায়িকা পূজা চেরীর

0
মাথা ফেটে-গেছে-নায়িকা-পূজা-চেরী
চিত্র নায়িকা পূজা চেরী

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

এ সময়ের আলোচিত নায়িকা পূজা চেরী দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। পা পিছলে পড়ে গিয়ে মাথা ও কপাল ফেটে গেছে তার।

নায়িকার মা ঝরনা রায় এ তথ্য নিশ্চিত করে ফেসবুকে জানান, মঙ্গলবার রাতে পূজা পা পিছলে পড়ে যায়। ও বেশ আঘাত পেয়েছে। ওর মাথা ও কপালে কেটে গেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা রক্তপাত হয়েছে। তবে খারাপ কিছু হয়নি। রক্ত পড়া বন্ধ হওয়ায় কোনো বিপদ নেই। তবে তিনি তার মেয়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন সকলের।

করোনা পরিস্থিতি ও রাত বেশি হওয়ায় হাসপাতালে নেয়া হয়নি পূজাকে। আপাতত বাসায় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চিকিৎসক ব্যথানাশক ও ঘুমের ওষুধ দিয়েছেন বলে জানান ঝরনা রায়।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

দুই বাংলার প্রযোজনায় ‘নূরজাহান’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় পূজা চেরীর। তবে নায়ক সিয়ামের বিপরীতে ‘পোড়ামন ২’ ছবি দিয়ে তিনি রাতারাতি নায়িকা খ্যাতি পান।

আমরা অপরাজেয়-নেইমার

0
আমরা-অপরাজেয়-নেইমার

দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক

ছিটকে পড়ার দুয়ার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে অসাধারণ এক জয়ের পর যেন আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে আতালান্তার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে জিতে পিএসজি তারকার বিশ্বাস, ইউরোপ সেরার মঞ্চ থেকে তাদের বিদায় করা অসম্ভব।

বুধবার রাতে পর্তুগালের লিসবনে শেষ আটের এক লড়াইয়ে ২৬তম মিনিটে মারিও পালাসিচের গোলে পিছিয়ে পড়া পিএসজি ৮৯তম মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। এরপর হঠাৎ করেই যেন সবকিছু পাল্টে যায়।

একের পর এক আক্রমণ করতে থাকা দলটি ১৪৯ সেকেন্ডের মধ্যে করে দুই গোল। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মিনিটে মার্কিনিয়োসের লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরা দলটি জয়ের বন্দরে পৌঁছায় এরিক মাক্সিম চুপো-মেটিংয়ের যোগ করা সময়ের গোল। বাদ পড়ার শঙ্কা দূরে ঠেলে সেমি-ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে ওঠে ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা।

পুরো ম্যাচে নেইমারের পারফরম্যান্স ছিল একদিকে নজরকাড়া, আরেক দিকে ব্যর্থতায় ভরা। ৬০তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে নামার আগে আতালান্তার রক্ষণে ভীতি ছড়ানোর কাজটা একাই করে গেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগও পান তিনি; কিন্তু প্রতিটি আক্রমণের শেষে তার অবিশ্বাস্য ভুলগুলো শুধু হতাশাই বাড়িয়েছে।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

তবে হাল না ছাড়ার মানসিকতার জন্য নেইমারের পারফরম্যান্স প্রশংসিতও হচ্ছে । ম্যাচে গোলের উদ্দেশে পিএসজি মোট শট নিয়েছে ১৭টি, এর সাতটি তার। লক্ষ্যে থাকা দলের ছয় শটের মধ্যে দুটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি এই ফুটবলারের। নাটকীয়তায় ভরা ম্যাচটিতে মোট ১৬টি সফল ড্রিবল করেন নেইমার; চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে ২০০৮ সালের এপ্রিলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে বার্সেলোনার লিওনেল মেসির পর এক ম্যাচে যা সর্বোচ্চ।

তাই দৃষ্টিকটু বেশ কিছু ব্যর্থতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আতালান্তার রক্ষণকে ব্যস্ত রাখায় নেইমার দারুণ প্রশংসিত হচ্ছেন। দলের দুটি গোলেও জড়িয়ে আছে তার নাম এবং ম্যাচ সেরাও নির্বাচিত হন তিনি। সব মিলে, ভয়ডরহীন আতালান্তার বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের পর টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত যাওয়ার ব্যাপারে দারুণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার।
“আমার কখনোই মনে হয়নি যে আমরা সামনের দিনে বাড়ি ফিরে যাব। প্রতিটি মুহূর্তে, আমরা শুধু এক চেষ্টাই করে গেছি-তা হলো শেষ চারে ওঠা। আমি ফাইনালে যেতে চাই, আর আমার ভাবনা থেকে কেউ এটা দূর করতে পারবে না। আমরা কি পারি, সেটা নিশ্চিত করতে হবে এবং আরেকটি দারুণ ম্যাচ খেলতে হবে। আমরা খুব খুশি এবং অসাধারণ সময় উপভোগ করছি। আমরা ভীষণ শক্তিশালী এক দল, একটা পরিবার। আর এই মানসিকতা থাকলে আমাদের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দেওয়া অসম্ভব।

যুবকের বাড়িতে ৫ দিন ধরে কলেজছাত্রীর অবস্থান

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

জামালপুরে বিয়ের দাবিতে ৫ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক কলেজ শিক্ষার্থী। তবে প্রেমিক কার্তিক সূত্রধরের বাড়ি ভাংচুর করেছে ওই ছাত্রীর স্বজনরা। এতে বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধ-শিশুসহ ৭ জনকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে।

ছাত্রী জানান, তিনি ময়মনসিংহ সরকারি আনন্দ মোহন কলেজের দর্শন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। ২০১৭ সালে কার্তিকের সঙ্গে তার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের কথা বললে টালবাহানা শুরু করে। কয়েক দিন ধরে অন্যত্র কার্তিকের বিয়ের আলোচনা হওয়ায় রবিবার থেকে কার্তিকের বাসায় বিয়ের দাবিতে অবস্থান করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ওই ছাত্রী কার্তিকের ঘরে অবস্থান করছেন। বাড়িতে কার্তিকের বাবা, ভাই-বোন কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়িতে থাকা কার্তিকের ঠাকুমা রেনু সূত্রধর বলেন, বাড়িতে কার্তিকের বাবা, ভাই-বোন কেউ নেই।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

কার্তিকের দিদা বৃদ্ধা কমলা জানান, প্রতিবেশী প্রভাবশালী লোকজন বাড়িতে জোরপূর্বক ঢুকে রড, লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ড্রেসিং টেবিল, ট্রাংক, শোকেসসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। ভাংচুরের সময় ওই ছাত্রী ঘরেই ছিলেন। এ সময় তিনি ছাড়াও রিতা, শুভ্র, আনন্দ, বাঁধন, পূর্ণিমা, সুব্রত, কনক, রিনুসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে ওই ছাত্রী বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

একটি হত্যা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেলেন ওসি প্রদীপ

0
ওসি প্রদীপ-ফাইল ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বছর তিনেক আগে কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে একটি মৃত্যুর ঘটনায় টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

মহেশখালী আমলী আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দিন বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটায় এই আদেশ প্রদান করেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী হামিদুল হক জানিয়েছেন।

বছর তিনেক আগে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের পূর্ব মাঝের পাড়ার আব্দুস সাত্তারকে হত্যা করা হয় বলে তার স্ত্রী হামিদা আক্তার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

আইনজীবী হামিদুল বলেন, আদালত অভিযোগটি খারিজ দিলেও এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অজ্ঞাত আসামিদের নামে পুলিশের দায়ের মামলাটি সিআইডির এএসপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্তের আদেশ দিয়েছে।

হামিদা তার অভিযোগে বলেন, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে হোয়ানক ইউনিয়নের লম্বাশিয়া পাহাড়ি এলাকায় দুই জলদস্যুর মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আব্দুস সাত্তারকে হত্যা হয়। এ হত্যাকা-ে পুলিশকে সহায়তা করে ফেরদৌস বাহিনী নামের একটি ‘জলদস্যূ বাহিনী। এ ঘটনায় ওই সময় থানায় পুলিশ মামলা নেয়নি।

তবে এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী হামিদুল হক বলেন, সে সময় থানায় মামলা না নেওয়ার কারণে ওই বছরের জুলাই মাসে স্বজনরা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেন। এ নিয়ে পিটিশনটি ‘ট্রিট ফর অ্যাফায়ার’ হিসেবে গণ্য করতে আদেশ দেয় আদালত।

সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের স্বজনরা ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই হত্যা মামলা হিসেবে নথিভূক্ত করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত দরখাস্ত করে। কিন্তু পুলিশ আবেদনটি আমলে নেয়নি।

তিনি আরও বলেন, পরে উচ্চ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপিল করে এবং তা খারিজ হয়ে যায়। এতে বাদীপক্ষকে নতুন আরেকটি রিট পিটিশন দেওয়ার জন্যও আদালত নির্দেশনা দেয়।
এছাড়া বুধবার মহেশখালীর একই আদালতে নিহত আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার একই ঘটনায় নতুন করে আরেকটি অভিযোগ দায়ের করলে বিচারক বৃহস্পতিবার আদেশের দিন ঠিক করেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী হামিদুল হক।

তিনি বলেন, যেহেতু ঘটনাটি নিয়ে উচ্চ আদালতে বাদীর দায়ের রিট পিটিশনটি এখনও বিচারধীন রয়েছে, সেহেতু বিচারক নতুন করে দায়ের অভিযোগটি খারিজ করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে ঘটনাটি নিয়ে বাদীকে উচ্চ আদালতে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষে নিহত ৩

0
যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র

যশোর প্রতিনিধি

যশোর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে সংঘর্ষে তিন কিশোর নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছে- বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার তালিবপুর পূর্ব পাড়ার নান্নু প্রামাণিকের ছেলে নাঈম হোসেন (১৭), খুলনার দৌলতপুরের রোজা মিয়ার ছেলে পারভেজ হাসান রাব্বি (১৮) ও রাসেল হোসেন (১৮)।

এ দিন সন্ধ্যায় নিহতদের মরদেহ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নাঈম হোসেন ধর্ষণ এবং পারভেজ হত্যা মামলায় শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ছিল।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

যশোর পুলিশের ডিএসবির পরিদর্শক এম মশিউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন নিহত হয়েছে। শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা সন্ধ্যায় মরদেহ হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছেন। কী কারণে এবং কখন এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রশিক্ষক মুশফিক জানান, বেশ কয়েকদিন আগে কেন্দ্রে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। একই ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু আগে আবার সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নাইম, রাব্বি ও রাসেল হোসেন গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নষ্ট মেমোরি কার্ড বা পেনড্রাইভ ঠিক করুন

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

একটি মেমোরি কার্ড ঠিক করার জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম আপনার কম্পিউটারের স্টার্ট বাটনে ক্লিক করে তারপরে ওখান থেকে রান ওপেন করে রানের ভেতর সি এম ডি লিখে এন্টার প্রেস করবেন।

এবার যে পেজটি ওপেন হবে ওখানে লিখবেন disk part যখনই এখানে disk part লিখবেন তারপরে এন্টার প্রেস করুন, তারপর দেখবেন নিচে আরো কিছু অপশন আসবে। সেখানে লিখবেন list disk এটি লিখে আবার এন্টার দিন যেভাবে ডিস্ক সিলেক্ট করবেন ওখানে লিখতে হবে select disk ১ বা ২ বা ৩। তারপরে এন্টার প্রেস করুন। এখানে লিখুন clean তারপরে এন্টার দিন।

সুশান্তকে বেল্টের ফাঁসে হত্যা করে বন্ধু সিদ্ধার্থ

0
সুশান্ত সিং রাজপুতের ফাইল ছবি

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে এসেছে নতুন মোড়। গলায় বেল্ট দিয়ে শ্বাসরোধ করে সুশান্তকে খুন করেছে বন্ধু সিদ্ধার্থ, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন অভিনেতার বাবার আইনজীবী। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক যুক্তিও দিয়েছেন তিনি।

আইনজীবী জানান, ঘটনার দিন সুশান্তের ঘর খোলার জন্য চাবিওয়ালা এসেছিলেন। তিনি লক খোলার পর ওই ব্যক্তিকে গেট পর্যন্ত ছেড়ে আসেন সিদ্ধার্থ। অতএব দরজা খোলার তাড়াহুড়ো তাঁর ছিল না। তবে কেন সুশান্তের বোনের জন্য অপেক্ষা করেই দরজা খুললেন সিদ্ধার্থ? কেনই বা দরজা খোলার পর ওই দৃশ্য দেখে পরিবারের সদস্য বা পুলিশের জন্য অপেক্ষা না করেই বন্ধুর ঝুলন্ত দেহ নিজেই নামালেন? সুশান্তের গলায় যে দাগ ছিল তা বেল্টের।

কিন্তু দেখা গিয়েছে তাঁর গলায় ফাঁস ছিল একটি কাপড়ের। যা থেকে ওই ধরণের দাগ হতে পারে না। এই তথ্যের ভিত্তিতেই সুশান্ত হত্যার রহস্যভেদ হবে বলেই দাবি ওই আইনজীবীর।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

সুশান্ত মৃত্যুর তদন্ত নিয়ে বিহার পুলিশ এবং মুম্বাই পুলিশের মধ্যে একাধিকবার তরজা বেঁধেছে। মহারাষ্ট্র ও বিহার-এই দুই রাজ্য সরকারের মধ্যেও বিরোধ কম হয়নি! অতঃপর সুশান্ত এবং রিয়া এই দুইপক্ষের আইনজীবী, মহারাষ্ট্র-বিহার সরকারের কাউন্সেল যথাক্রমে অভিষেক মানু সিংভি ও মনিন্দর সিং এবং সলিসিটর জেনারেলের মন্তব্য-যুক্তি সব দিক খতিয়ে দেখে সুপ্রিম কোর্ট আপাতত সুশান্ত মামলার রায়দান স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

নতুন অতিথি আসছে সাইফ-কারিনার ঘরে 

0
সাইফ-কারিনা ঘরে আসছে নতুন অতিথি

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

আবারে বাবা-মা হচ্ছেন সাইফ-কারিনা। পতৌদি পরিবারের নতুন সদস্য আসার খবরে সামাজিক মাধ্যমে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা। সাইফ, করিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন সবাই।

ভক্তদের পাশাপাশি বি টাউনের তারকারাও শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেন নবাব-বেগমকে। সোহা আলি খান যখন দাদাকে ‘কোয়োডফাদার’ বলে সম্বোধন করেন, সেই সময় সইফের প্রথম পক্ষের ছেলে ইব্রাহিমও বাবাকে শুভেচ্ছা জানান। সোহার স্ট্যাটাস দেখে সেখানে বাবার জন্য ইমোজি শেয়ার করেন ইব্রাহিম।

আরও পড়ুন-খোকসা বাস স্টান্ড এখন মরণ ফাঁদ

সাইফের ওই ইমোজি প্রকাশ্যে আসার পরই তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়ে যায়। অন্যদিকে সারা আলি খানের জন্মদিনের দিনই খুশি খবর প্রকাশ করা হয়। কারিনা দ্বিতীয়বার মা হচ্ছেন বলে জানানো হয় সাইফের পিআর টিমের তরফে। সাইফের পিআর টিমের ওই ঘোষণার পর কারিনা নিজে দ্বিতীয়বার মা হচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ্য আনেন।

সর্বশেষ সংবাদ

বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহের শৈলকূপায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুই কৃষক। শনিবার দুপুরে উপজেলার খড়িবাড়িয়া মাঠের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী সূত্রে...

বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদক ও মালামাল উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এক...

আগুনে পুড়ে ছাই হলো দুই ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 'বিশ বছর আগে ২০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। কষ্টেমষ্টে তিলেতিলে প্রায় ১৫ লাখ টাকার সম্পদ হয়ছিল। আর আমার কিছুই অবশিষ্ট নেই।...

বন্ধুত্ব রক্ষা

পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার পর ৩০০ শ টাকার পেট্রোল পেয়েছেন। কিন্তু অন্য বন্ধুর মোটরসাইকেলে তেল নাই। গত দুইদিন ঘরে পরে আছে। তাই নিজের...

গভর্নমেন্ট আমাদের, আগের ডিসি গাদ্দারী করেছেন আমরা তাকে বদলি করে দিয়েছি – পরাজিত এমপি...

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি নির্বাচনে হেরে যাওয়ায় তৎকালীন জেলা প্রশাসকের ওপর দোষ চাপালেন কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির পরাজিত এমপি প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। সে সঙ্গে শাস্তিস্বরূপ তাকে...