সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬.
Home Blog Page 160

ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করলেই জনগণের মাঝে আস্থা ফিরে আসবে বলে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সমর্থন আমাদের পক্ষে রাখতে হবে। কিছু মানুষ ভাবছে যে, আমরা এরই মধ্যে ক্ষমতায় চলে গেছি। কিন্তু আমরা জানি না ক্ষমতায় যাবো কি না। জনগণের সমর্থন পেলে তবেই আমরা ক্ষমতায় যেতে পারবো। আর এজন্য জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে সবার আগে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের কেউ যদি ভুল করে, তাদের সতর্ক করতে হবে। সচেতন করতে হবে এবং সঠিক পথে নিয়ে আসতে হবে। জনগণের আস্থা ধরে রাখা কঠিন। কিন্তু এটি আমাদের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। জনগণের সঙ্গে থাকতে হবে, জনগণকে সঙ্গে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় দেশের উন্নতি এবং জনগণের কল্যাণ চিন্তা করে কাজ করে। এজন্য দুই বছর আগে থেকেই বিএনপি সংস্কারের কথা বলে আসছে। এটা এমন বিষয় নয় যে গত কিছুদিন আগে থেকে আমরা বলছি। বিএনপি অনেক আগে থেকেই বলে আসছে রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফার কথা। বিএনপি জনগণের দল, যে কারণে ৩১ দফার বিষয়ে আলোচনা করে আসছে, যা এখন তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, আমরা দেশে জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছি। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো জবাবদিহিতা। জবাবদিহিতা থাকতে হবে একদম ইউনিয়নের একজন ইউপি সদস্য থেকে মন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত। সবাইকে জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসতে হবে। প্রত্যেক জায়গায় জবাবদিহিতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন – দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন ২০১৪ সাল, ২০১৮ সাল ও ২০২৪ সালের তথাকথিত নির্বাচন। আপনার দেখেছেন কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।

আরও পড়ুন – বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, আরেক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল হক শাহজাদা মিয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাসকুর রহমান মাসুক প্রমুখ।

দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

‘হিন্দু নিপীড়নের’ অভিযোগ তুলে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস)। তারা ১০ ডিসেম্বর হাইকমিশন ঘেরাও করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন’-এর বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির মিশ্রি ঢাকা আসছেন ৯ ডিসেম্বর। এর এক দিন পরই ১০ ডিসেম্বর ‘সিভিল সোসাইটি অব দিল্লি’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাও করবে বলে জানানো হয়েছে।

আরএসএসের দিল্লি শাখার গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনার সহপ্রধান রজনীশ জিন্দাল গতকাল শুক্রবার দিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নাগরিক সমাজের এই কর্মসূচি ১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়।

জিন্দাল বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুসহ সব সংখ্যালঘুর ওপর অত্যাচারের ঘটনায় সারা ভারত ক্ষুব্ধ। ওই কর্মসূচিতে দেশের ২০০টির বেশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনে তারা এক স্মারকলিপি পেশ করবেন। স্মারকলিপি দেবেন জাতিসংঘ, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কাছেও। প্রত্যেককে বলা হবে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধে তারা ব্যবস্থা নিক।

আরও পড়ুন – বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

কর্মসূচি ঘোষণা নিশ্চিতভাবেই ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সফরের ওপর ছায়া ফেলবে। সূত্রের বরাতে গণমাধ্যম বলছে, বিক্রম মিশ্রির ঢাকা সফর ‘স্ট্রাকচার্ড’ হলেও ওই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য সম্পর্ক স্বাভাবিক করে তোলার পাশাপাশি সংখ্যালঘু স্বার্থ ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কাজেই ভারত চাইবে না এমন কিছু হোক, যা পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তোলে এবং নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়।

আরও পড়ুন – রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

সূত্র স্বীকার করেছে, আগরতলায় বাংলাদেশ মিশনে যা ঘটেছে, তা ভারত সরকারকে বিড়ম্বনায় ফেলেছে। সরকারিভাবে তাই সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচি বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

বাংলাদেশি রোগী খড়া কলকাতার হাসপাতালগুলোতে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে ভারতে বিক্ষোভ ও সে দেশটির গণমাধ্যমে ধারাবাহিক অপপ্রচারের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যে। বিশেষ করে, বাংলাদেশি পর্যটক শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় বিপাকে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের হোটেল, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে হাসপাতালগুলোও।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু বেসরকারি হাসপাতাল বাংলাদেশিদের চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে ভারতের চিকিৎসকদের সংগঠন অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ শাখা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ঘোষণা দিয়েছে, যেসব বাংলাদেশি কলকাতায় চিকিৎসা করাতে আসবেন, তাদের ১০ শতাংশ অর্থছাড় দেওয়া হবে।

কিন্তু তারপরও ভিসা জটিলতার কারণে কলকাতায় বাংলাদেশি পর্যটকদের আনাগোনা কমেছে। বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়া ভারতের ভিসা পাচ্ছেন না বাংলাদেশিরা। যারা আসছেন, তাদের প্রায় সবাই চিকিৎসার জন্য আসছেন। ফলে কলকাতার বাইপাস লাগোয়া মুকুন্দপুরের প্রায় সব বেসরকারি হাসপাতাল এখন বাংলাদেশি রোগীর অভাবে খাঁ খাঁ করছে।

আরও পড়ুন – রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

এই বিষয়ে চিকিৎসক এস.এন. পোদ্দার জানান, ভিসা কড়াকড়ির কারণে বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে কম লোক চিকিৎসা করাতে আসছেন। তবে আমরা আশাবাদী, এই সমস্যার দ্রæত সমাধান হবে।

আরও পড়ুন – নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

কলকাতার মুকুন্দপুরের একটি হাসপাতালে এসেছেন ঢাকার বাসিন্দা আনারুল রমেন। তিনি বলেন, আমি আমার মায়ের চিকিৎসা করাতে এসেছি। আমাদের কোনো অসুবিধা হয়নি। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকরা কলকাতায় অনেক কম আসছেন। আমি অনেক আগেই ভিসা করিয়ে রেখেছিলাম, তাই সমস্যা হয়নি।

রাজনীতিবিদরাই তো দেশ চালাবেন: উপদেষ্টা সাখাওয়াত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আজ হোক বা কাল রাজনীতিবিদরাই দেশ চালাবেন বলে মন্তব্য করেছেন নৌ-পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আরও বলেন, যদি রাজনীতিবিদদের মধ্যে ঐক্যমত না হয় তাহলে জাতীয় যে পথ নির্ধারণ করার কথা সেটা এলোমেলো হয়ে যায়। সব রাজনৈতিক দল একত্রে বসেছে এটা একটা উদাহরণ। অতীতে এমন দেখা যায়নি।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন – নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

পরিদর্শনে এসে বন্দরের উন্নয়ন কর্মকান্ড, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ঘুরে দেখেন উপদেষ্টা। এরপর বন্দরের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আরও পড়ুন- ফ্যাসিষ্টের দোসর সাংবাদিকদের বিচার হবে – রাশেদ খাঁন

সভায় বন্দরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও উত্তরণে করণীয় দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি

0
ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বোমা মেরে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাও আবার পুলিশের হোয়াটসআ্যাপে। তদন্ত কারীরা মনেকরছেন মাতাল অথবা পাগল কান্ডটি ঘটাতে পারে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) মুম্বই পুলিশের কাছে হোয়াট্সঅ্যাপে এ বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বেশকিছু সংবাদমাধ্যম।

প্রতিবেদন বলাছ হয়েছে, যে নম্বর থেকে হোয়াট্সঅ্যাপে বার্তাটি এসেছে, সেটি রাজস্থানের আজমির এলাকা বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে মুম্বই পুলিশের একটি দল অভিযুক্তকে ধরতে সেখানে রওনা হয়।

ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ওই বার্তায় পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নাম উল্লেখ রয়েছে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মোদীকে মারার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ফ্যাসিষ্টের দোসর সাংবাদিকদের বিচার হবে – রাশেদ খাঁন

তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে মনে করছেন, অভিযুক্তের মানসিক সমস্যা থাকতে পারে। অথবা ‘মাতাল অবস্থায়’ এই মেসেজ করে থাকতে পারেন। তবে এ নিয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হুমকি পাওয়ার পরে মুম্বইয়ের থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – ডিম ছোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে

এর আগে বহু বার বহু জনকে হুমকি দিয়ে ভুয়া বার্তা এসেছে মুম্বই ট্র্যাফিক পুলিশের হেল্পলাইন নম্বরে। কয়েকদিন আগেই সুপারস্টার সালমান খানকে খুনের হুমকি দিয়ে একই হেল্পলাইন নম্বরে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল।

ফ্যাসিষ্টের দোসর সাংবাদিকদের বিচার হবে – রাশেদ খাঁন

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ঝিনাইদহের কৃতি সন্তান রাশেদ খাঁন বলেন, দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের সহায়তা ছাড়া ফ্যাসিষ্ট হাসিনা সরকারকে হটানো সম্ভব ছিল না। তিনি আরও বলেন, জুলাই ছাত্রজনতার বিপ্লবের সময় খুনি হাসিনার দোসর কিছু পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের গণহত্যার বিভৎস্য ছবি সাংবাদিকরাই তুলে মিডিয়ায় প্রচার করেছিলেন।

শনিবার দুপুরে তার নিজ জেলা ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তি সব সময় নিজের আসন ও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে রাখতে পদলেহী সাংবাদিক তৈরী করে। শেখ হাসিনাও এর ব্যাতিক্রম ছিল না। তার দালাল ও চাটুকার সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের পরিবর্তে চাটুকারিতার পথ বেচে নিয়ে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তারা দেশের গণশত্রæ। ওই সব দালাল সাংবাদিকদের বিচার করতে না পারলে বিপ্লবীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে।

আরও পড়ুরন – ডিম ছোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে

রাশেদ খাঁন আগামীর সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষনা জরুরী দাবী করে বলেন, পরিকল্পনাহীন ভাবে কোন সরকার চলতে পারে না। নিশ্চয় সরকার নির্বাচনী রোডম্যাপ দিয়ে তাদের সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন আমরা সরকারকে সহায়তা সহায়তা করছি।

আরও পড়ুন –ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ৯ ডিসেম্বর

প্রেসক্লাব সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি রাকিবুল হাসান, সংগঠনের ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল জাহিদ রাজন, যুবঅধিকার পরিষদের রাকিবুল হাসান রাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিশন আলী, ছাত্র অধিকার পরিসদের সভাপতি আব্দুল্লা আল মামুন ও ঢাকা মহানগর উত্তর গণঅধিকার পরিষদ মোঃ রিহান হাসান রায়হান।

ডিম ছোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর ফের ডিমের দাম নিয়ে ‘কারসাজি’ চলছে। তদারকি সংস্থার নজরদারি না থাকায় বাড়ানো হচ্ছে পণ্যটির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমে ৬ টাকা বেড়ে খুচরা বাজারে ১৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সঙ্গে বাড়ছে পাম তেলের দামও। প্রতি সপ্তাহেই পণ্যটির দাম যেন লাগামহীন। এ ছাড়া রোজাকে কেন্দ্র করে গত মাস থেকেই ছোলার দাম বাড়ানো হচ্ছে। সর্বশেষ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পণ্যটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

আরও পড়ুন – ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ৯ ডিসেম্বর

খুচরা বিক্রেতারা জানায়, বৃহস্পতিবার প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৪-১৫৬ টাকা। যা সাত দিন আগেও ১৩৫-১৫০ টাকা ছিল। আর গত বছর একই সময় এই ডিম ডজনপ্রতি ১১৪-১২৬ টাকায় বিক্রি হয়।

আরও পড়ুন – আমিরাতে ৫০ হাজার বাংলাদেশি পেলো সাধারণ ক্ষমা

মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে নয়াবাজারের একজন ডিম বিক্রেতা বলেন, পাইকারি আড়তের ব্যবসায়ীরা কিছুদিন পর পর ডিম নিয়ে কারসাজি করে। তদারকি সংস্থার নজরদারি না থাকলে দাম বাড়িয়ে দিয়ে অতি মুনাফা করে পাইকাররা। আবার নজরদারি শুরু হলে দাম কমায়। গত এক বছর ধরে তারা একই কাজ করছে। এতে এই পুরোটা সময় ধরে ডিম ক্রেতারা বাড়তি দরে কিনেছে।

ইইউর ২৭ রাষ্ট্রদূতের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক ৯ ডিসেম্বর

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আগামী ৯ ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠক করবেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এদিন জনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক রফিকুল আলম ব্রিফ করেন।

তিনি বলেন, আগামী ৯ ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ এবং আরও একটি দেশের রাষ্ট্রদূতসহ ২৮ জনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে ১৩টি ইউরোপীয় দেশের দূতাবাস রয়েছে।

রফিকুল আলম বলেন, আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তন চ্যালেঞ্জ, রোহিঙ্গা ইস্যু প্রধান্য পাবে। এছাড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হবে।

জনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক রফিকুল আলমজনকূটনীতি বিভাগের মহাপরিচালক রফিকুল আলম

তিনি জানান, ভারতের ভিসা না পাওয়ায় ইউরোপের কয়েকটি দেশ যেমন: ফিনল্যান্ড, রোমানিয়ার মতো দেশে সশরীরে উপস্থিত না হয়ে বিকল্প পথে ভিসা দেয়া যায় কি না, সে জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল, কিন্তু নিজস্ব নীতির কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ভিসা পাওয়ার জন্য সশরীরে নয়াদিল্লি যাওয়ার বিকল্পে রাজি হয়নি। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণ করলে বাংলাদেশে এর কোনো প্রভাব পড়কে কি না- এমন প্রশ্নে রফিকুল আলম বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হলেও দেশটির পররাষ্ট্রনীতি অপরিবর্তিত থাকে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক বৈপরীত্য অনেক কম।

আরও পড়ুন – আমিরাতে ৫০ হাজার বাংলাদেশি পেলো সাধারণ ক্ষমা

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকা সফরে দ্বিপাক্ষিক সব বিষয়েই আলোচনা হবে বলে জানান তিনি। এর মধ্যে বাণিজ্য, পানিবণ্টন ইস্যু থাকবে।

আরও পড়ুন – মতের পার্থক্য থাকলেও আমরা বাংলাদেশী শত্রু নই: ড. ইউনূস

যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগের সমাবেশে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রসঙ্গে গণমাধ্যম থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেনেছে বলে জানান মুখপাত্র।

আমিরাতে ৫০ হাজার বাংলাদেশি পেলো সাধারণ ক্ষমা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবৈধভাবে বসবাসরত ৫০ হাজার বাংলাদেশি সাধারণ ক্ষমার সুবিধা গ্রহণ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যারা এখনও এ সুযোগ নেননি, তাদের এ সুযোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেন, “আমিরাত সরকার ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমার সুযোগ দিয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ হাজার বাংলাদেশি এই সুযোগ গ্রহণ করেছেন।”

তিনি আরও জানান, যারা এখনো এ সুযোগ নেননি, তাদের আবেদন করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন – মতের পার্থক্য থাকলেও আমরা বাংলাদেশী শত্রু নই: ড. ইউনূস

রফিকুল আলম বলেন, আমিরাত বাংলাদেশিদের জন্য তাদের ভিসানীতি সময়-সুযোগে পরিবর্তন করে থাকে। জুলাই মাসের পর, আমিরাতের ভিসানীতি আরও কঠিন হয়েছে বলে মনে হচ্ছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। তিনি জানান, বাংলাদেশিদের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হলেও, এই বিষয়গুলো আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছে উত্থাপন করা হয়েছে এবং তারা তা খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

আরও পড়ুন – ঢাকায় ফেরানো হলো ত্রিপুরা-কলকাতার হাইকমিশনারকে

ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইউরোপীয় দেশগুলোর ভিসা প্রসেসিং নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ হাইকমিশন, নয়া দিল্লি, ইউরোপীয় দেশগুলোর দূতাবাসের সঙ্গে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেছে। তবে বেশিরভাগ দেশ সশরীরে উপস্থিতি ছাড়া বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেছে।

মতের পার্থক্য থাকলেও আমরা বাংলাদেশী শত্রু নই: ড. ইউনূস

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ধর্ম-বর্ণ ও মতের পার্থক্য থাকলেও আমরা বাংলাদেশীরা একই পরিবারের সদস্য বলে মনে করেন অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি আরও বলেন, শত পার্থক্য থাকা সত্তে¡ও আমরা পরস্পরের শত্রু নই।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্মের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমাদের নানামত, নানা ধর্ম থাকবে, নানা রীতিনীতি থাকবে কিন্তু আমরা সবাই একই পরিবারের সদস্য। এটাতে জোর দিয়েছিলাম। শত পার্থক্য থাকা সত্তে¡ও আমরা পরস্পরের শত্রু নই। আমাদের জাতীয়তা, পরিচয়ের প্রশ্নে এক জায়গায় চলে আসি। আমরা বাংলাদেশি, এক পরিবারের সদস্য।

অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শপথ গ্রহণের পরে শুনতে আরম্ভ করলাম সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে। তখন মনটা খারাপ হয়ে গেল। এর পরপরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে গেলাম। সেখানেও বললাম আমরা একই পরিবারের সদস্য।

তিনি বলেন, সব দাবিদাওয়া বাদ দিলেও একটা দাবি পরিষ্কার আমাদের সবার সমান অধিকার, বলার অধিকার, ধর্মের অধিকার, কাজকর্মের অধিকার। সেটা এসেছে সংবিধান থেকে। যেটা নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেটা নিশ্চিত করা।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, শুনলাম এখনো সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। তাই আমি সবাইকে নিয়ে বসলাম এটা থেকে কীভাবে উদ্ধার হওয়া যায়।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, সেটা পুরো জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তখন তৃপ্তি পেলাম একটুতো কাজ করেছি।

ভুল তথ্যের বিষয়ে সবাইকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবার নতুন কথা হামলা হচ্ছে, অত্যাচার শুরু হচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যম বলব না প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। আমি খোঁজ নিচ্ছি, কী হচ্ছে? সবদিকে দেখলাম এটা হচ্ছে না। তথ্যের মধ্যে বিশাল ফারাক আছে। এটা ঠিক না। এটার অবসান হতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আমরা যে তথ্য পাচ্ছি তা ভুল হতে পারে। তথ্যের ওপর বসে থাকার কিছুই নেই, এটার অর্থ অন্ধের মতো বসে থাকা। ভেতরে গিয়ে দেখতে হবে। খোঁজ নিতে হবে তথ্যের গরমিল কেন? তাতে ওরা যা বলছে তা কি মিথ্যা প্রচার? না আমরা যা বলছি তা মিথ্যা প্রচার। সত্যটা কোথায়?

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্যের কোনো ফারাক নেই। সঠিক তথ্য কীভাবে পাব, সেটা আমাদের জানা প্রয়োজন। প্রকৃত তথ্যের ক্ষেত্রে অনেক সময় সরকারি তথ্যের ওপর ভরসা করে লাভ নেই। কারণ কর্তা যা চাই, তারা সেভাবে বলে। আসলটা মন খুলে বলতে চাই না। আমরা আসল খবরটা জানতে চাই। সেই প্রক্রিয়াটা প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এত বড় দেশে যে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু প্রকৃত তথ্য জানতে চাই। তাৎক্ষণিক খবর পেলে যাতে সমাধান করা যায়। যেদিক থেকেই দোষী দোষীই। তাকে বিচারের আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব।

ড. ইউনূস বলেন, প্রথম কথাটা হলো না হওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করা। আর হয়ে গেলে তাৎক্ষণিক প্রতিকারের ব্যবস্থা করা। আমি যা বলছি তা দেশের বেশিরভাগ মানুষ মনে করে। আমরা এক পরিবারের মানুষ হিসেবে সামগ্রিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারি। সেখানে তথ্য ও প্রতিকার হলো বড় বিষয়।

তিনি বলেন, আমি পেলাম তথ্য কিন্তু প্রতিকার পেলাম না। সমস্যা হয়ে গেলে সমাধান করতে হবে। আজকের আলোচনা খোলাখুলি, আমরা সবাই আলোচনা করব। আমাদের লক্ষ্যে কোনো বাধা নেই। তথ্যপ্রবাহ কীভাবে পাব, দোষীকে কীভাবে ধরব। যাতে সবাই সঠিক তথ্যটা পেয়ে যায়।

আরও পড়ুন – ঢাকায় ফেরানো হলো ত্রিপুরা-কলকাতার হাইকমিশনারকে

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এমন বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যার নাম দিয়েছি নতুন বাংলাদেশ। এটা আমাদের করতে হবে। আপনাদের কথা বলে সন্তুষ্ট করে আজকের মতো বিদায় দিলাম, তা নয়। এটা দ্রæত করতে হবে।

আরও পড়ুন – নর্দমায় মিললো থানা লুটের শর্টগান

সংখ্যালঘু সমস্যার বিষয়ে অবাধ, সত্য তথ্য কীভাবে সংগ্রহ করা যায় সে বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের পরামর্শ চান প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, কীভাবে নিরাপদে তথ্য সংগ্রহ করব? যে তথ্য দিচ্ছে সে যেন বিব্রত না করে তাও নিশ্চিত হতে হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ। এ নিয়েছে জনমনে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী ইব্রাহিম ও...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের কোন সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর দলিল, যার বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক...

কুষ্টিয়া সীমান্তে দুইটি বোমাসহ চোরাকারবারী আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইটি বোমাসহ এক চোরাকারবারীকে আটক এবং বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ...

পেট্রোল রিজার্ভ থাকতেও দু’দিন বিক্রি বন্ধ রাখলো পাম্প কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় মক্কা মদিনা নামের একটি পেট্রোল পাম্পোর আন্ডার গ্রাউন্ডে কয়েক হাজার লিটার পেট্রোল থাকলেও গতদুই দিন (শুক্র ও শনিবার) মোরসাইকেল চালকদের ফিরিয়ে...

কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আফরান নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...