শহীদ ওসমান হাদীকে ঘিরে আঁকা গ্রাফিতিটি রঙে রেখায় প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মার্কেটের দেয়াল জুড়ে গ্রাফিতি এঁকেছে বিজর শিক্ষার্থী সংগঠন। সদ্য সমাপ্ত গ্রাফিতিটি’র ছবি শুক্রবার বিকালে তোলা


শহীদ ওসমান হাদীকে ঘিরে আঁকা গ্রাফিতিটি রঙে রেখায় প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মার্কেটের দেয়াল জুড়ে গ্রাফিতি এঁকেছে বিজর শিক্ষার্থী সংগঠন। সদ্য সমাপ্ত গ্রাফিতিটি’র ছবি শুক্রবার বিকালে তোলা


কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজার তহ মার্কেটের একটি কসমেটিক্স এর গোডাউনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার বেলা ১২টায় তহ মার্কেটের নিউ সাদিয়া ট্রেডার্স নামের একটি কসমেটিক্স এর গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছায়। তারা প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গোডাউনটিতে মনোহারি, কসমেটিক্স ও খেলনাসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল মজুত ছিল। অগ্নিকান্ডে আনুমানিক ৪০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সহকারী পরিচালক রফিকুজ্জামান জানান, আগুন লাগার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার খোকসার শোমসপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন বছরের শুরুর দিন পাঠ্য পুস্তক হাতে পেলো।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমে বই বিতরন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুজ্জামান বিল্লু, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাস, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ তহাদি রহমান, মোঃ সামিউল ইসলাম প্রমুখ।
নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।
বছরের প্রথম দিন নতুন বই বিতরেনের উৎসব হয়নি। নতুন বই নিয়ে শিশুদের উচ্ছাসের কমতি ছিলোনা। সদ্য হাতে পাওয়া ঝকঝকে বই নিয়ে কে কার আগে বাড়ি যাবে এ প্রতিযোগীতায় মেতেছে ওরা। ওদের আজ থামায় কে রে। কুষ্টিয়ার খোকসার আল-হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদালয়ের শিশুরা নতুন বই পেয়ে খুশিতে মেতে উঠার ছবিটি বৃহস্পতিবার তোলা।






স্টাফ রিপোর্টার
সুমাইয়া এবার দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠলো। প্রতিদিন প্রকিূলতার সাথে যুদ্ধ করে খেয়া নৌকায় গড়াই নদী পার হয়ে ওরা তিন ভাই বোন একসাথে স্কুলে যায়। ওর এক প্রতিবেশী সাথী ছিলো। সে এবার ওদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে নদীর এপাড়ে ভর্তি হয়েছে। সুমাইয়ার বড় ভাই দশম শ্রেণির ছাত্র। সে অনেকটা শ্রবণ প্রতিবন্ধী। বড় রাস্তা (আঞ্চলিক মহাসড়ক) পাড় হওয়া সমস্যা। তাই তিন ভাই বোন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড় হয়ে স্কুলে যায়।
কুষ্টিয়ার খোকসার খানপুর-মোড়াগাছা ভূমিহীন পল্লীর ফরিদা খাতুন ও কবিরুল দম্পতির তিন সন্তান সিয়াম দশম শ্রেণির ছাত্র, সায়েম ৬ষ্ঠ শ্রেণি আর সুমইয়া এবার উঠলো দ্বিতীয় শ্রেণিতে। সবার ছোট সুমাইয়া গত দুই বছর আগে গড়াই নদী পাড় হয়ে হিজলাবট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলো। মা আর বড় দুই ভাই তাকে কোলে পিঠে করে খেয়া নৌকায় নদী পাড় করে স্কুলে নিয়ে যাওয়া শুরু করে। এবার সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠলো। এখন একটু বড় হয়েছে। এখন সে সাঁতার জানে। তবে গরমের সময় নদীর চরের বালির মধ্যে দিয়ে হাটতে একটু কষ্ট হয়। গলা শুকিয়ে যায়। এবার তার একমাত্র সাথী অরনি নদীর এপারের (উপজেলা সদরের) স্কুলে ভর্তি হওয়ায় তার বয়সী আর কেউ রইল না। বড় ভাই সিয়ামের কারণেই তাকে নদী পাড় হয়ে বালুচর মারিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে স্কুলে যেতে হবে। গত দুই তিন বছর আগেও মোড়াগাছা, হিলালপুর, খানপুর ও হিজলাবট দ্বীপচর থেকে প্রায় ত্রিশজন শিশু শিক্ষার্থী গড়াই নদী পাড় হয়ে হিজলাবট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেবীনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস করতো। কিন্তু সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রনে ধুয়োতুলে ঘাটটি বন্ধ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। কিছু দিন পর ঘাট টি আবার চালু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের বছরের প্রথম দিন নতুন বই নিয়ে খেয়া নৌকায় নদী পাড় হয়ে বাড়ি ফিরছিল সুমাইয়া, সাইম ও তাদের মা ফরিদা। খেয়া ঘাটে দাড়িয়ে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন তিনি। প্রায় ১৫ বছর আগে কৃষিশ্রমিক দম্পতি নদীর উত্তর পাড়ের খানপুর ভূমিহীন পল্লীতে আশ্রয় পান। কিন্তু বড় ছেলে সিয়াম কানে কম শোনা আর বড়রাস্তা পার হতে ভয় পাওয়ায় তাকে নদীর দক্ষিন পাড়ের হিজলাবটে ভর্তি করেন। তখন প্রতিদিন একমাত্র ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। এভাবে পর্যায় ক্রমে তিন সন্তানকে তিনি নদীর পাড় হয়ে হিজলাবটে ভর্তি করেন। আসা যাওয়া করেন ফরিদা। ঘাটের মাঝি আয়ুব আলী তার সন্তানদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেন না। আবার নদী পাড়ের স্কুলেও একটু সুবিধা আছে।
তিনি আরও জানান, কৃষি শ্রমিক স্বামী কবিরুল সকালে কাজে বেড়িয়ে গেলে সেও সন্তানদের নিয়ে স্কুলের উদ্যেশে বের হন। দুইজনে ফেরেন আবার বিকালে। তিনি সন্তান লালন করছেন।

এখানেই কথা হয় শিশু সুমাইয়ার সাথে। নদী পাড় হওয়া তার জন্য খুব সমস্যা না। দশম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া দুই ভাই ছাড়া তার আর কোন সাথী নাই। এ ছাড়া গরমের সময় নদীর চর পাড়ি দেওয়া কষ্ট হয়। তৃষ্টায় গলা শুকিয়ে যায়। এখন সে সাঁতার জানে নদী পাড় হতে ভয় লাগে না। তয় (তবে) পানি যেখুন (যখন) বেশী হয় তখন একটু ভয় হয়। তখন বড় ভাই সাথে থাকালে সাহস হয়। তার বড় ভাই সিয়াম কানে শোনে না। তা ছাড়া বড় রাস্তা পাড় হতে ভয় পান। তাই তাকে নদী পাড় হয়ে স্কুলে যেতে হয়। বড় ভাই কানে শুলে তারা ওপাড়ের স্কুলে যেতোনা।
খেয়া ঘাটের মাঝি আয়ুব আলী জানান, একজন দিন মুজুরের তিনটে বাচ্চা পড়া লেখা করাচ্ছে তাই তিনি তাদের কাছ থেকে ঘাট খাজনা নেন না। আগে যখন ২৫/৩০ ছাত্র প্রতিদিন পাড় হতো তাদের কাছ থেকেও পাড়াপাড়ের জন্য খাজনা নিতেন না।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্বশুর বাড়ির উঠান থেকে রানা আহমেদ (৩৫) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়ারদার পাড়ায় একটি বাড়ির উঠান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রানা আহমেদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রানা আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে মালিহাদ জোয়ারদার পাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। বাড়ির উঠানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
মিরপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল আজিজ জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। মরদেহের বাঁ চোখে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
জীবন অঙ্কের হিসেবের খাতায় শেষ হয় বছর। অস্তাচলে যায় সূর্য। নতুন বছরে নতুন সূর্য নিয়ে আসে নতুন হিসাবের সম্ভাবনা। কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদী তীর থেকে বুধবার ছবিটি তোলা।


বছরের শেষ স্নিগ্ধ গোধূলীর আলোয় মা কুকুরটি তার ক্ষুধাতুর ছানাদের দুধ পান করিয়ে ক্ষুধা নিবারনে ব্যস্ত। কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদীর তীর থেকে বুধবার ছবিটি তোলা।
দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার বিকালে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।
খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন।
এদিন বিকাল সোয়া ৪টায় জিয়া উদ্যানে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে শায়িত করার কাজ শুরু হয়। এসময় তারেক রহমানকে কবরে নেমে যেতে দেখা যায়। মাকে কবরে শায়িত করে বিকাল সাড়ে ৪টার কিছুক্ষণ পর তিনি উঠে আসেন।

পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তিন বাহিনীর প্রধান কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
এর আগে বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে সংসদ ভবন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় জাতীয় পতাকায় মোড়া লাশবাহী গাড়িতে করে মরদেহ জিয়া উদ্যানে নেওয়া হয়। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে।
সমাধির কাছাকাছি নেওয়ার পর খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী কফিন কাঁধে নিয়ে যান সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। রাষ্ট্রীয় মর্যাদার পর জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।
খালেদা জিয়ার জানাজা নামাজে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মো. আব্দুল মালেক। এর আগে, খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে উপস্থিত হয়ে সবার কাছে মায়ের জন্য দোয়া চান তার ছেলে তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘দোয়া করবেন। আল্লাহতায়ালা যাতে উনাকে বেহেশত দান করেন।’
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া দেশের রাজনীতিতে গুররুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার দাফনের মধ্য দিয়ে এক বর্ণাঢ্য ও ঘটনাবহুল রাজনৈতিক অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলো।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সিয়াম হোসেন (১৭) নামের এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় সে নিখোঁজ হয়।
মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি বাঁশবাগান থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
নিহত সিয়াম দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের মধুগাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি গোয়ালগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় মসজিদের ইমাম সিপুল হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে মধুগাড়ি এলাকার শেহালা উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের একটি বাঁশবাগানে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবার জানায়, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি সিয়াম। পরে আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী মিলে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকালে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের দাবি, সিয়ামের সঙ্গে এলাকার কারো কোনো বিরোধ বা শক্রুতা ছিল না।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, সকালে এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারের পরে অনেক ভক্তই বিশ্বাস করতে পারেন নি। তাদের ছুটে আসতে দেখা গেছে স্থানীয় বিএনপির অফিসে। খবর নিশ্চিত হয়ে কেউ কেঁদেছেন, কেউ শোক পালনে ব্যস্ত হয়ে উঠেন। মুহুত্যেই শোক ছড়িয়ে পরে সবপ্রাণে। শোকের কালো পতাকা বাঁধা নিয়ে ব্যস্ত শোকাহত দল পাগল কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়ার খোকসার পৌর বিএনপির অফিস থেকে ছবিটি তোলা।



