শনিবার, মার্চ ১৪, ২০২৬.
Home Blog Page 41

খোকসা থানা পাক হানাদার মুক্তদিবস পালিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা থানা পাক হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৪ঠা ডিসেম্বর সকালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে আনুষ্ঠানিক পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে খোকসা থানা পাক হানাদার মুক্ত দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরের শহীদ মিনারে শহীদ স্মরণে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এখানেই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চারণ মুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহমাদুল হাসান পাক হানাদার মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক যুদ্ধকালীন কমান্ডার আলাউদ্দিন খান। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল্লাহ আল মামুন, কুষ্টিয়া জেলা কমান্ডের যুগ্ন আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম টুকু, খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীব মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আমজাদ আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম খোকসা থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়। ৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধাদের একটি দল খোকসা থানায় আক্রমন চালায়। আক্রমনে দিশেহারা হয়ে পাকিস্থানী পুলিশ, শতাধিক রাজাকার সদস্য ভোরে আলো ফোটার আগেই মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এ দিন সকালে খোকসা কম্পাসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এই অভিযানে মুক্তিযোদ্ধারা প্রচুর আস্ত্রো ও গুলাবারুদ উদ্ধার করেন। আত্মসমর্পণ করা পুলিশ ও রাজাকার সদস্যদের প্রথমে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের সবাইকেই মুক্ত করে দেওয়া হয়।

আলোর ঝলক

0

সূর্য পাঠে বসেছে। সন্ধ্যা নামবে। গড়াই নদীতে খাবারের সন্ধ্যানে নামা হাঁসের দল জল ভেঙ্গে এগিয়ে চলেছে। সেই জলের ধারায় সোনালী রোদের আভা ঝলক দিচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় খোকসার কালীবাড়ী ঘাট থেকে ছকিগুলো তুলেছে মৃন্ময় মুনসী নবাব।

মেডিকেল টকনোলজিস্ট-ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার বিভিন্ন স্বাস্থ্য ইউনিটে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা বেতন বৈষম্য নিরসন ও দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন। জেলার প্রতিটি উপজেলায় এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে ব্যাহত হয় বহির্বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সেবা। খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারীরাও অনুরুপ কর্মসূচি পালন করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামোয় বেষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে কর্মবিরতিতে অংশ নেন সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। মানববন্ধনে তারা বলেন, অন্যান্য ডিপ্লোমাধারী কর্মকর্তাদের ন্যায় দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদা নিশ্চিত করা হলেও তাদের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়ে গেছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে দশম গ্রেড বাস্তবায়ন না হলে বৃহস্পতিবার থেকে সারাদিন কর্মবিরতি ও ‘শাটডাউন’ কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট মো. রফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করেও কোনো ফল পাইনি। আমাদের দাবি ন্যায্য সকল ডিপ্লোমাধারী যখন দ্বিতীয় গ্রেড পাচ্ছেন, আমরা কেন বঞ্চিত থাকব? দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেব।

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. শেখ তারেক বলেন, দশম গ্রেড আমাদের অধিকার। কালক্ষেপণ না করে দ্রæত প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আগামীকাল থেকে আমরা সারাদিন কর্মবিরতিতে থাকবো।

কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি বাড়ে। হাসপাতালের বহির্বিভাগে ওষুধের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রোগী বাবলু বলেন, চিকিৎসক ওষুধ লিখে দিলেও ফার্মেসিতে নিতে এসে দেখি কর্মবিরতি চলছে। তারা আন্দোলন করতেই পারে, কিন্তু আমাদের জন্য কেন বিকল্প ব্যবস্থা করা হলো না?

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. আব্দুল মান্নান বলেন, আন্দোলনের বিষয়ে গত ২৬ নভেম্বরই আমাদের অবহিত করা হয়েছে। সারা দেশেই তারা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। ফার্মেসির সব কাজ ফার্মাসিস্টদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় রোগীদের কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে। তাদের দাবি যৌক্তিক হওয়ায় সারাদেশব্যাপী এই আন্দোলন চলছে।

ঝিনাইদহে প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে ৩৪তম আন্তর্জাতিক ও ২৭তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়েছে।

বুধবার দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এর নেতৃত্বে একটি
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের যৌথ আয়োজনে শাভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুবীর কুমার দাস, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল কাদের, নিবন্ধন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

পৌরসভার গাড়িচালক হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে মানবন্ধন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার গাড়িচালক শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় কুমারখালী পৌরসভার সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধনের আয়োজন করে এলাকাবাসী। এতে নানা বয়সি নারী – পুরুষ অংশ নেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারজানা আখতারের নিকট স্মারকলিপি জমা দেন তারা। এতে স্বাক্ষর করেন অন্তত ৪৮৪ জন মানুষ।

জানা গেছে, কুমারখালী পৌরসভায় বর্তমানে ৫৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত। তাদের ৪২ মাসের বকেয়া মজুরি- মোট ১০ কোটি টাকা এখনও পরিশোধ হয়নি। ১৯ নভেম্বর সকালেই বকেয়া বেতন দাবিতে শহিদুল পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কক্ষের দরজা বন্ধ করতে থাকেন। সার্ভেয়ার ফিরোজুল ইসলামের কক্ষটি বন্ধ করতে গেলে দুজনের মধ্যে তর্কের এক পর্যায়ে কিল-ঘুসি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার পর কর্মচারীরা ফিরোজুলকে ১১৫ এবং শহিদুলকে ১১৬ নম্বর কক্ষে আটকে রাখেন। কিছুক্ষণ পর সহকর্মীরা শহিদুলকে কক্ষের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওইদিনই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্বজনরা অভিযুক্ত ফিরোজুলের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। রাতে শহিদুলের মেয়ে সুবর্ণা খাতুন বাদী হয়ে ফিরোজুলের নামে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও দুই থেকে তিনজনকে।

এবিষয়ে মামলার বাদী সুবর্ণা খাতুন অভিযোগ করেন, বেতন চাইতে গেলে সার্ভেয়ার ফিরোজুল ইসলাম বাবা কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে কক্ষে আটকে রাখে। নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে। থানায় হত্যা মামলা করেছি। কিন্তু ১৪ দিনেও পুলিশ আসামি ধরতে পারেনি।

নিহত শহিদুলের ছেলে মারুফ হোসেন বলেন, মামলার তদন্তের কোনো অগ্রগতি নেই। তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৫ দিনের ছুটিতে আছেন। আমরা আসামিদের দ্রæত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানবন্ধন শেষে ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার বলেন, শহিদুল হত্যার বিচার চেয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। বিষয়টি বিধিমতে উর্ধ্বধন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

অভিযোগ অস্বীকার করে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক রয়েছেন। তার ফোন নাম্বারটিও বন্ধ রয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছুটিতে থাকলে আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

উৎকণ্ঠার পরীক্ষা

0

তখন বেলা ১২ পার হয়ে গেছে। শিশু ও অভিভাবকরা বিদ্যালয় চত্বরে বিচ্ছিন্ন ভাবে জটনা করে আছেন। পরীক্ষা নিয়ে তাদের সবার মধ্যে উৎকণ্ঠা। ‘শিক্ষক ছাড়া শিশুরা পরীক্ষা দিলে কী হবে’ এমন শঙ্কার কথা অনেক অভিভাবকদের বলতে শোনা য়ায়। বিদ্যালয়ের একটি দোতলা ভবনের দুটি কক্ষে তখন ৫ শ্রেণির শিশুদের পরীক্ষা চলছিলো। কক্ষ পরিদশকের দায়িত্বে ছিলে শিশু পরীক্ষার্থীর মা বাবারা। মঙ্গলবার খোকসা জানিপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ছিলো এমনই।

কুমারখালীতে মাদক বিক্রেতাদের হামলায় স্কুল ছাত্র জখম

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মাদক বিক্রেতারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে স্কুল ছাত্রকে জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমারখালী ফাজিল মাদ্রাসার ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।

আহত শিক্ষার্থীর নাম মো. ইব্রাহিম (১৮)। তিনি কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকার আমজাদ আলীর ছেলে ও কুমারখালী এম এন পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। আহত ছাত্র কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিকালে আহত ইব্রাহিমের বড় ভাই মেহেদী হাসান রানিম বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ইব্রাহিম সকালে এম এন স্কুলে পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিল। সেসময় মাদক ব্যবসায়ী আরিফের লোকজন পথ থেকে ধাওয়া করে মাদ্রাসার ভিতরে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে। এতে তার পিঠে, ঘাড়ে ও মাথায় একাধিক ক্ষত হওয়ায় গুরুতর আহত হয়েছে।’

তার ভাষ্য, গত রবিবার কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দি পশুহাট এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী আরিফের সাথে ইব্রাহিমের বিরোধ হয়। এ বিরোধের জের ধরে ইব্রাহিমকে কুপিয়েছে আরিফের লোকজন। বিচারের আশায় থানায় মামলা করা হবে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটের দিকে ইব্রাহিমকে ৮ থেকে ১০ জন ধাওয়া করে। তাদের হাতে ধারালো দেশীয় অস্ত্র ছিল। ধাওয়া খেয়ে ইব্রাহিম দৌড়ে কুমারখালী ফাজিল মাদ্রাসার ভিতরে ঢুকে পরে। দুর্বৃত্তরাও মাদ্রাসার ভিতরে ঢুকে ইব্রাহিমকে কুপিয়ে আহত করে দ্রæত পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

এদিকে ঘটনার পর থেকেই আরিফ গা – ঢাকা দিয়েছে। তার মুঠোফোনটিও বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আরিফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে জানতে কুমারখালী ফাজিল মাদ্রাসার সুপার রেজাউল হককে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হোসেন ইমাম মুঠোফোনে বলেন, ইব্রাহিমের শরীরে একাধিক আঘাতের ক্ষত রয়েছে। তবে বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত।

কুমারখালী থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এক ছাত্রকে কোপানোর ঘটনা ঘটেছে। তবে প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিশুদের পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শক ছিলেন অভিভাবকরা

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আন্দোলনরত সহকারী শিক্ষকরা শিশু শিক্ষার্থীদের তৃতীয় প্রান্তি মূল্যালয়ন (পরীক্ষা) বর্জন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। তবে একটি বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের তত্বাবধায়নে কিছু শিশুর শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। উত্তরপত্র (খাতা) মূল্যয়ন নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুদের তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরুর পূর্ব ঘোষনা ছিলো। সকালে অধিকাংশ অভিভাবক শিক্ষার্থী সহ নিজ নিজ বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। কিন্তু আন্দোলনরত সহকারি শিক্ষকরা তৃতীয় প্রান্তি মূল্যালয়ন পরীক্ষা বর্জন করায় জটিলতার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নেতৃত্বে কয়েক ঘন্টা বিলম্বে সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকটি শ্রেণির শিশুদের পরীক্ষা নেওয়া হয়। শিশুদের অভিভাকরা কেন্দ্রে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া কিছু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিশুদের পরীক্ষা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। পরীক্ষা নেওয়া হলেও শিক্ষকরা উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করার ঘোষনা দেওয়ায় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১২টার পর খোকসা জানিপুর সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, তখন শিশু ও অভিভাবকরা বিদ্যালয় চত্বরে বিচ্ছিন্ন ভাবে জটনা করে আছেন। পরীক্ষা নিয়ে তাদের সবার মধ্যে উৎকণ্ঠা। ‘শিক্ষক ছাড়া শিশুরা পরীক্ষা দিলে কী হবে’ এমন শঙ্কার কথা অনেক অভিভাবকদের বলতে শোনা য়ায়। বিদ্যালয়ের একটি দোতলা ভবনের দুটি কক্ষে তখন ৫ শ্রেণির শিশুদের পরীক্ষা চলছিলো। কক্ষ পরিদশকের দায়িত্বে ছিলে এক শিশু পরীক্ষার্থীর মা অমি আক্তার লিটা। পাশের কক্ষে শিশুদের পরীক্ষা নিচ্ছেলেন দুই ছাত্রের অভিভাবক সনিয়া খাতুন ও শ্যামল বিশ্বাস। এ সময় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের কক্ষে দেখে মেলে উপজেলা ও সহকারী শিক্ষা অফিসারদের। পাশেই শিক্ষক উপবেশন কক্ষে নিজ চেয়ার টেবিলে বসে সময় পার করছিলে সহকারি শিক্ষকরা।

এই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, তারা সরকার ঘোষিত ১১তম গ্রেড ও তিন দফা বাস্তবায়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়ন হলে তারা আবার ক্লাসে ফিরবে। তারা আপাতত এই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করবে না।

ছাত্র অভিভাবক ও কক্ষ পরিদর্শক অমি আক্তার লিটার জানান, কিন্ডার গার্টেন স্কুলে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা আছে। তবে এভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় না। শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করায় শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের অনুরোধে অনেকটা বাধ্য হয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন। তিনি শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরাতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

তার পাশের কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা সনিয়া খাতুন ও শ্যামল বিশ্বাসের শিশুদের পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে কোন ধারনা নেই। তারা শুধু দাড়িয়ে আছেন শিশুরা যাতে বিশৃঙ্খলা না করতে পারে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আজহারুল বলেন, স্কুল গুলোতে শিশুদের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আগামী পরীক্ষা গুলোও নেওয়া হবে।

বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষকদের

0
সংগৃহীত ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আগামীকাল মঙ্গলবারের বার্ষিক পরীক্ষাও বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘোষণা দেয় ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।

পরিষদের অন্যতম দুই আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দিন মাসুদ ও মু. মাহবুবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তারা জানান, দাবি পূরণে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আগামীকালও পরীক্ষা বর্জন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে সব বিদ্যালয়ে আজ স্বতস্ফূর্তভাবে কর্মবিরতি পালিত হয়েছে। দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

তিন দফা দাবি আদায়ে গত ২৭ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করছেন সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া বার্ষিক বা তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষাও বর্জনের ডাক দিয়েছেন তারা।

প্রাথমিক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের এ ডাকে সারাদেশে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা না হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কোথাও কোথাও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলেও জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সারাদেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই সহকারী শিক্ষক। প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা বর্তমানে দশম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন। সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তারা এ নিয়ে অসন্তুষ্ট। গ্রেড উন্নীতকরণের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।

গত ৮ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষকরা। এ কর্মসূচি চলাকালে শহীদ মিনারে পুলিশের হামলায় দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হন। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশ্বাসে শিক্ষকরা ক্লাসে ফেরেন। তবে সেই প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না থাকায় ফের কর্মবিরতি শুরু করেছেন তারা।

সহকারী শিক্ষকদের দাবি হলো- দশম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ, ১০ বছর ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান ও শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি। তবে সরকার দশম গ্রেড দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়ে আপাতত ১১তম গ্রেডের সুপারিশ করেছে। শিক্ষকরাও আপাতত সেই প্রতিশ্রæতির (১১তম গ্রেড দেওয়ার) বাস্তবায়ন দাবি করেন।

দৌলতপুরে কৃষকের বাড়িতে ডাকাতি

0
ডাকাতির হামলা শিকার পরিবার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর সদর ইউনিয়নের দৌলতখালী পোস্ট অফিস পাড়ায় কৃষক আক্কাচ আলীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৩০ নভেম্বর) দিনগত রাত অনুমানিক একটার দিকে ডাকাতির এ ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ঘন্টা ব্যাপী ওই কৃষকের বাড়ির প্রধানগেট ও ঘরের দরজা ভেঙে ডাকাতি করা হয়। আক্কাচ আলী (৫০) দৌলতখালী গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে।

এ বিষয়ে আক্কাচ আলী বলেন, রবিবার রাত অনুমানিক একটার দিকে ডাকাত দল তার বাড়িতে হানাদেয়। ডেকে ঘরের দরজা খুলতে বলে। ঘরের দরজা না খুলে দিলে ডাকাত দল তাদের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে বাড়ির সদস্যদের মারধর করে দুইটা গরু, স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা এবং মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় আমাদের ডাক চিৎকার শুনেও কোন গ্রামবাসী এগিয়ে আসেনি। ডাকাতরা যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেছে পুলিশকে জানালে তাদেরকে হত্যা করা হবে।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলাইমান শেখ বলেন এ বিষয়ে কেউ লিখিত ভাবে কোন অভিযোগ করেনি। আমরা পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি।

ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা ডাকাতির খবর পেয়েছি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ সংবাদ

আজ রাতেই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা হবে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতেই ইরানে সর্বোচ্চ হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুমকি দেন...

ভিজিএফের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ভিজিএফের কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন গুরুতর আহত হন। বৃহস্পতিবার দিনগত...

দুই দফা সোনার দাম কমল

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক টানা দুই দিন সোনার দাম কমল। তবে রুপার দামে প্রভাব পরেনি। শুক্রবার সকালে কমেছে ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা। গত বৃহস্পতিবার...

সরিষার বাম্পার ফলন

তেল জাতীয় ফসল সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলের ভেতরে প্রতিটি দানা সমান। প্রতিকেজি সরিষায় সাড়ে ৪শ গ্রাম তেল হয়। ১০ শতক জমিতে সরিষা আবাদ...

ছাত্রদলে নেতাকর্মীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ, গুলিবিদ্ধ ৩

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভেড়ামারা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা...