Home breaking news কুকুরে কামড়ে চার শিশু ও প্রতিবন্ধি বৃদ্ধাসহ সাতজন আহত

কুকুরে কামড়ে চার শিশু ও প্রতিবন্ধি বৃদ্ধাসহ সাতজন আহত

0
7

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় একগ্রামের চার শিশু, এক মানষিক প্রতিবন্ধি বৃদ্ধা ও ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি সহ সাতজনকে পাগলা কুকুরে কামড়েছে। জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন মিলছেনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

বুধবার সকালে ১০টার দিকে উপজেলার কাদিরপুর গ্রামে পাগলা কুকুর হানা দেয়। গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি ও রাস্তায় থেকে চার শিশু, প্রতিবন্ধি বৃদ্ধা ও চাকুরি জীবী সহ কমপক্ষে সাত জনকে পাগলা কুকুরটি কামড়ে দিয়েছে। কুকুরের কামড়ে আহত চার শিশুর মধ্যে আবু জাফরের ছেলে রাহাত (৮) ও আব্দুল মতিনের ছেলে সুয়াদ (১০) ও ওষুধ কম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হৃদয় (৩০) এর নাম পাওয়া গেছে। খোকসা – শোমসপুর পাকারাস্তার ধারে বসবাস কারী মানসিক প্রতিবন্ধি ওই নারীর নাম জানা সম্ভব হয়নি। কুকুরের আক্রমনের শিকার সবাই কাদিরপুর গ্রামে বসবাস করছেন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত বছর উপজেলা পরিষদ থেকে ১৭৭ ভাওয়েল জ্বলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়ে ছিলো। সে গুলো কয়েক দিনে শেষ হয়ে যায়। তার পর থেকে প্রায় ১ বছর ধরে এই ভ্যাকসিন নেই।

এ দিন বেলা ১১ টার দিকে কাদিরপুর দিয়ে যাওয়ার সময় একদল শিশু কিশোরদের রাস্তা দিয়ে দৌড়াতে দেখা যায়। সবার হাতেই বিভিন্ন ধরনের লাঠি। কৌতুহ বসত তাদের দাঁড় করিয়ে জানতে চাইলে তারা বলে, এক সপ্তাহ ধরে তাদের গ্রামে একটা পাগলা কুকুর ঢুকে মানুষ ও পশুদের উপর আক্রমান করছে। তাই পাগলা কুকুর তাড়াতে তারা রাস্তায় নেমেছে।

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র নাসির এদের দলের। সে জানায়, অন্য গ্রাম থেকে আসা পাগলা কুকুরটি আজ (বুধবার) সকালের সাতজনকে কামড়েছে। এদের মধ্যে তার এক চাচাত ভাই রয়েছে। গত এক সপ্তাহে তাদের গ্রামের ১০ জনকে কুকুরে কামড় দিয়েছে। এ ছাড়া ৭/৮ টা ছাগলকে কামড়েছে। তাই তারা সকাল থেকে দল বেঁধে পাগলা কুকুর তাড়াতে চেষ্টা করছে।

কুকুরের কামড়ে আহত শিশুর রাহাতের দাদা রহমত আলী জানান, সকালে আহত নাতিকে উপজেলা হাসপাতালের (স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের) জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু সেখানে কোন চিকিৎসা মেলেনি। কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিন বাইরে থেকে কিনতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আবির হোসেন সোহাগ জানান, উপজেলা পর্যায়ে সরকারি ভাবে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। গত বছর উপজেলা পরিষদ কিছু ভ্যাকসিন দিয়ে ছিলো। তার পর আর ভ্যাকসিন আসেনি।