সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬.
Home Blog Page 698

ঘরে বসে বাড়িয়ে নিন ইন্টারনেটের স্পিড

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ওয়ার্ক ফ্রম হোমে বাধ সাধছে ব্রডব্যান্ডের স্পিড। কারণ এই লকডাউনের কালে বহু মানুষ ব্যবহার করছেন ব্রডব্যান্ড কানেকশন। কেউ ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্মে সিনেমা দেখছেন, কেউ আবার দূর-দূরান্তে নিকটজনের সঙ্গে ভিডিয়ো কলে মগ্ন। তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে চলছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম। কাজেই প্রত্যেক মানুষেরই ইন্টারনেটের ঠিকঠাক স্পিড পেতে অসুবিধা হচ্ছে।

যাঁদের কাছে ফাইবার ব্রডব্যান্ড কানেকশন রয়েছে, তাঁরা অনেকটাই সুবিধা ভোগ করছেন। কারণ, সাধারণ ৪এ নেটওয়ার্কের তুলনায় অনেক বেশি স্পিড দেয়, ফাইবার ব্রডব্যান্ড কানেকশন। কিন্তু সেখানেও যে গতিতে ইন্টারনেট চলার কথা, তার থেকে অনেকটাই কম হচ্ছে। অভিযোগও উঠছে বিস্তর। এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা রয়েছে, যার দ্বারা খুব সহজেই বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে ব্রডব্যান্ড কানেকশনের গতি। সেই পদ্ধতিগুলোতেই নজর রাখা যাক।

প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট বন্ধ রাখুন রাউটার
বেশ কিছু সময়ে রাউটারের স্পিড কমে যায় আমাদের অজান্তেই। রাউটারের স্পিডের কারণেই অনেক সময়ে ইন্টারনেটের সঠিক স্পিড পেতে গোত্তা খেতে হয়। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলেই আপনার রাউটারের স্পিডের কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, তা ট্রাবলশুটিং উইজার্ড চালিয়ে দেখে নিতে পারেন। সেই সমস্যার সমাধানে নতুন করে রাউটারের সেটিংস আবার চালু করলে, আপনার রাউটারটি আবার পুরনো ছন্দে অনেক ভালো স্পিডেই কাজ শুরু করবে। এ ছাড়াও প্রতিদিন নিয়ম করে কাজে বসার আগে বা পরে অন্তত ১০ মিনিটের জন্য বন্ধ রাখুন রাউটার।

রাউটারের স্থান পরিবর্তন করুন
ধরা যাক আপনার রাউটারটি রেখেছেন টিভির সামনে বা যাতে কাজ করছেন অর্থাৎ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপের সামনে তাহলে ইন্টারনেটের সঠিক স্পিডের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ রাউটারের ইন্টারনেটের গতি অনেকখানিই কমিয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে আপনার উচিত ঠিকঠাক এবং নিরাপদ স্থানে রাউটারটি রাখা। টিভি, ল্যাপটপ-ডেস্কটপ বা যেখানে বসে আপনি মোবাইল থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, সেখান থেকে বেশ কিছুটা দূরত্বে রাখুন আপনার রাউটার।

আরও দেখুনঃ খোকসার কিশোরী তান্ত্রিকের তেলেসমাতি

নিরাপদ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন
অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, অজান্তেই পাড়া-পড়শি ব্যবহার করছে আপনার ইন্টারনেট। আপনি কেন স্পিড পাচ্ছেন না ভেবে কূলকিনারা করছেন, এদিকে আপনার গোটা পাড়া ব্যবহার করছে আপনার ইন্টারনেট। সে ক্ষেত্রে নিজের রাউটারের জন্য নিরাপদ একটি পাসওয়ার্ড বাছুন। আর নিশ্চিত করুন সেই পাসওয়ার্ড যাতে কানাঘুষো ছড়িয়ে না পরে। নিরাপদ পাসওয়ার্ড সে দিক থেকে আপনার ইন্টারনেট স্পিড বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করবে।

ভিপিএন খবরদার ব্যবহার করবেন না
কোনও সময়ে অফিসের কাজের জন্য ভিপিএন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। এই ভিপিএন ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেটের স্পিড অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তাই কাজের ক্ষেত্রে যদি ভিপিএন ব্যবহার বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তা ব্যবহার করতেই হবে। কিন্তু কাজের ক্ষেত্রেই কোনও ভিডিয়ো কল বা কনফারেন্সের জরুরি দরকার হলে ভিপিএন বন্ধ রেখেই তা করতে পারেন। তাতে কনফারেন্সে কোনও সমস্যা হবে না। বাড়বে ইন্টারনেটের গতি।

LAN কেবল ইন্টারনেটের স্পিড ঠিকঠাক দেয়
রাউটারের চাইতে অনেক বেশি স্পিড দেয় LAN কেবল। কারণ, রাউটার থেকে মোবাইল, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ এসবের জন্য ইন্টারনেটের স্পিড ভাগাভাগি হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দ্রুত ইন্টারনেট স্পিড পাওয়ার সবথেকে ভালো উপায় হচ্ছে খঅঘ কেবল ব্যবহার করা। তবে চেষ্টা কবেন নতুন খঅঘ কেবল ব্যবহার করার। কারণ অতি পুরনো খঅঘ কেবল হলে আর এক বিপদ। তাতেও ইন্টারনেটের স্পিড খুব কম থাকে। তাই পুরনো খঅঘ কেবল ব্যবহার করলে তা বদলে ফেলুন। চেষ্টা করুন, Cat-6 এবং Cat-6a LAN কেবল ব্যবহার করার, তাতে ইন্টারনেটের স্পিড পাবেন খুবই বেশি।

বুঝেশুনে ব্যবহার করুন ইন্টারনেট
আপনার রাউটারের সঙ্গে অনেক মানুষ একসঙ্গে কানেক্টেড থাকলে চাপ হওয়ার প্রভূত সমস্যা। সে ক্ষেত্রে বুঝশুনে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন। ধরা যাক, আপনার পরিবারে ৬ জন সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করতে হচ্ছে কেবলই আপনাকে। বাকিরা মোবাইল থেকে সিনেমা দেখছেন, বা ভিডিয়ো কল করছেন— এমনই কতশত কাজ। সে ক্ষেত্রে আপনাকে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, আপনি ব্যতিরেকে বাকিরা যাতে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাতে মঙ্গল আপনারই। কারণ, ওয়ার্ক ফ্রম হোমই এই করোনার কালবেলায় একমাত্র ভরসা। আর অফিসের কাজের গুরুত্বও অনেক বেশি। তার সঙ্গে কোনও আপোষ করা চলে না।

রাজবাড়ীতে গরুর দাম কম, তবু নেই ক্রেতা

0
cow-rajbari-Dro-30-7-p-19
রাজবাড়ীর পশু হাট

রাজবাড়ী প্রতিনিধিঃ

ঈদুল আজাহাকে ঘিরে রাজবাড়ীতে বসেছে পশুর হাট। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কোরবানির পশু জেলা শহরে এলেও বাজারে গরুর দাম কম , নেই ক্রেতা।

বৃহস্পতিবার রাজবাড়ীর পশুর হাট ঘুরে দেখা যায় কোরবানির পশু প্রচুর আমদানী থাকলেও ক্রেতাদের সংখ্যা ছিলো খুবই কম।

গরু বিক্রেতা জয়নাল ব্যাপারী বলেন , ৯ টা গরু কিনে হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছি। গরুর দাম হাটে খুবই কম। ক্রেতাও হাটে আগের বছরের মত নেই। ৮০ হাজার টাকা দিয়ে যে গরু কিনে এনেছি সেটা এই হাটে ৫০ হাজার টাকা দাম বলে। তাতে দেখা যাচ্ছে ৬ লক্ষ টাকার গুরু কিনে এবার আমার ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হবে।

ছাগল বিক্রেতা রহিম মোল্লা বলেন , ১টা ছাগল বিক্রির জন্য নিয়ে এসেছি কিন্তু ছাগল এর দাম তুলনামূলক বাজারে কম। যদি ভালো বাজার থাকতো তাহলে আমার ছাগল ১৭ হাজার টাকা মত বিক্রি হতো। কিন্তু হাটে ১০ -১২ হাজার টাকা দাম বলছে ক্রেতারা।

আরও দেখুনঃ খোকসার কিশোরী তান্ত্রিকের তেলেসমাতি

ক্রেতারা জানান , এবার হাটে বিভিন্ন জয়গা থেকে প্রচুর কোরবানির পশু এসেছে। । তবে গত বছরের তুলনায় এবার হাটে গরু- ছাগলের দাম অনেক কম রয়েছে । হাট থেকে কম টাকায় গরু ছাগল কিনতে পারবে ক্রেতারা।

রাজবাড়ীর কোরবানির পশুর হাটের ইজারাদার শাকিল আহম্মেদ সবুজ বলেন , হাটে প্রচুর পশু এসেছে। দামও আগের বছরের তুলনায় অনেক কম। কিন্তু ক্রেতা নেই। করোনা ভাইরাস ও বন্যার কারণে কোরবানির পশু বেচাকেনা কম বলে তিনি জানান।

ধর্মে ধর্মে কোরবানি..

0
এস, এম, আফতাব উদ্দিন

এস. এম.আফতাব উদ্দিন

মুসলিম উম্মার ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে ঈদ-উল আযহা অন্যতম। এই উৎসবের মধ্যে দুটি বিধান রয়েছে, একটি হলো হজ্ব অপরটি কোরবানি। আমরা এখানে কোরবানি বিয়ষটির আলোকপাত করতে চাই।

তবে ধর্ম বিষয়টি শিরোনামে থাকায় এ বিষয়ে দু-চার টি কথা আলোপাত না করলেই নই। মুসলিম জাতির জন্য ইসলাম কে ধর্ম হিসেবে মহান আল্লাহ রাব্বূল আলামিনই মনোনিত করেছেন। যার বিবরণ পবিত্র আল-কোরআনে এরশাদ হয়েছে “নিসন্দেহে (মানুষের) জীবন বিধান হিসেবে আল্লাহ তায়ালার নিকট ইসলামই একমাত্র গ্রহনযোগ ব্যবস্থা “ (সুরা আল-ইমরানঃ আয়াত ১৯)

কোরবানি আরবি শব্দ, কুরবান অথবা আদ্বহা বা আযহা বা কুরবানী শব্দটির হিব্রু ভাষায় কারবান, আর সিরিয় ভাষার কুরবানা যার আরবি অনুবাদ “কারো নিকটবর্তী হওয়া” সাধারণ ভাষায় উৎসর্গ বলা হয়।

ইসলামি বিধান মতে কোরবানি হলো নির্দিষ্ট দিনে তথা ঈদ-উল আযহার দিনে এবং এর পরবর্তী তিন দিন তথা ১৩ই জিলহাজ্জ পযর্ন্ত নির্দিষ্ট ব্যক্তি বর্গের পক্ষ থেকে আল্লাহর সন্তোষ্টি ও পুরস্কার লাভের আশায় নির্দিষ্ট পশু জবেহ করা। ইসলামের অন্যতম ইবাদত কোরবানি। মহান আল্লাহ আগের নবীদের জন্যও এই বিধান রেখেছিলেন। ইরশাদ হচ্ছে, ‘আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কোরবানির নিয়ম করে দিয়েছি, যাতে আমি তাদের জীবনোপকরণস্বরূপ যেসব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছি, সেগুলোর ওপর তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।’ (সুরা-হজ, আয়াত ঃ ৩৪)।

“অতএব আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করুন এবং কোরবানি করুন” (সুরা-কাউসার, আয়াত ঃ ২)

কোরবানির ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায়, মানব ইতিহাসের সর্বপ্রথম কোরবানি হলো আদম (আঃ)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের কোরবানি। এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘আদমের পুত্রদ্বয়ের (হাবিল-কাবিলের) বৃত্তান্ত তুমি তাদের যথাযথভাবে শোনাও। যখন তারা উভয়ে কোরবানি করেছিল, তখন একজনের (হাবিলের) কোরবানি কবুল হলো ও অন্যজনের কবুল হলো না। তাদের একজন বলল, আমি তোমাকে হত্যা করবই। অন্যজন বলল, আল্লাহ খোদাভীরুদের কোরবানি কবুল করেন।’ (সুরা-মায়েদা, আয়াত ঃ ২৭)।

কোরবানির ইতিহাসে নজিরবিহীন দৃষ্টান্তু স্থাপন করেছেন ইবরাহিম (আঃ) ও তাঁর পুত্র ইসমাঈল (আঃ)। মহান আল্লাহর হুকুম পালনে ইবরাহিম (আঃ)-এর অতুলনীয় ত্যাগ ও ইসমাঈল (আঃ)-এর ধৈর্য আল্লাহর এতই পছন্দ হয়েছে যে তিনি তাঁদের ইতিহাস স্মরণীয় রাখার জন্য সব সচ্ছল মানুষের জন্য কোরবানির বিধান দিয়েছেন।

ইবরাহিম (আঃ) ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমানদের কাছে শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তাই আসমানি এই তিন ধর্মে কোরবানির বিধান রয়েছে। সনাতন ধর্মেও পশু উৎসর্গের বিধান দেখা যায়। ফলে দেখা যায়, সব ধর্মেই নিজ নিজ বিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য ‘কোরবানি’র বিধান আছে। তবে দেশ ও ধর্মভেদে এর পৃথক নাম রয়েছে। সবাই এটাকে কোরবানি বলে না। বলা হয় ‘বলি’, ‘ঈশ্বরের জন্য রক্তোৎসর্গ’ ইত্যাদি। আরবিতে ‘উদহিয়্যাহ’ শব্দের অর্থ ‘রক্তোৎসর্গ’। তবে উর্দু ও ফারসি ভাষায় আরেকটি আরবি শব্দ ‘কোরবান’ থেকে ‘কোরবানি’ কথাটা প্রচলন হয়েছে।

সনাতন ধর্মের পশু উৎসর্গের বিধান ঃ হিন্দু ধর্মে জীব বলির কথা সর্বজন বিদিত। এখানে দেবীর উদ্দেশে জীববলি দেওয়া হয়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ঈশ্বরের পদতলে পশুত্বকে বিসর্জন দেওয়া হয়। অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিশ্বাস করেন যে মা স্বয়ং এই বলি গ্রহণ করেন।

এই উৎসবের সূত্রপাত নিয়ে হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন বক্তব্য পাওয়া যায়। ধর্মাচার্য অধ্যাপক ডঃ বেদপ্রকাশ উপাধ্যায় লিখিত ‘হিন্দু ধর্মগ্রন্থ বেদ ও পুরাণে আল্লাহ ও হযরত মোহম্মদ’ বইয়ে লিখেছেন, ‘‘আদিকালে ব্রহ্মার দুই পুত্র ছিল অথর্ব ও অঙ্গিরা। তিনি ঐশী প্রত্যাদেশ প্রাপ্ত হইয়া জ্যেষ্ঠ পুত্র অথর্বকে বলি দিতে উদ্যত হন। শাস্ত্রে উহা ‘পুরুষ মেধযজ্ঞ’ নামে খ্যাত। অদ্যাবধি নরবলির স্থলে পশুবলি দ্বারা উহা পালিত হইতেছে এবং বলি দেওয়ার সময় উক্ত পুরুষ মেধযজ্ঞের সূত্রগুলি পঠনের বিধান আছে।’’ (অথর্ববেদ দশম কান্ড, প্রথম অনুবাক দ্বিতীয় সুক্ত ২৬-৩৩ মন্ত্র)

ইহুদি ধর্মে পশু উৎসর্গ ঃ হুবহু মুসলমানদের মতো না হলেও ইহুদি ধর্মেও কয়েক ধরনের কোরবানি রয়েছে। যার মধ্যে পাঁচটি মৌলিক (পোড়ানো কোরবানি, শস্য কোরবানি, গুনাহের কোরবানি, যোগাযোগ কোরবানি, দোষের কোরবানি)। এ ছাড়া রয়েছে শাখা কোরবানি। সেগুলোর বিবরণ হলো “ঢালন কোরবানি মানে কোরবানি হিসেবে কোনো তরল পদার্থ কোরবানগাহের ওপর অথবা মাটিতে ঢেলে দিয়ে দেখানো হতো যে এটা আল্লাহর কাছে দেওয়া হলো”। ( লেবীয় ২৩ঃ১৩)।

দোরণ কোরবানি অন্য কোরবানির মতোই। তবে পার্থক্য হলো, ধর্মগুরু সাহেব কোরবানির জিনিস থেকে কিছু অংশ তুলে নিয়ে দুলিয়ে রাখতেন। (লেবীয় ৭ঃ৩১)। দোষ কোরবানি হলো কোরবানির জিনিস আনার আগে গুনাহের ক্ষতিপূরণ মূলক কোরবানি। (লেবীয় ৫ঃ১৬)। ধূপ কোরবানি হলো, আল্লাহর কাছে দেওয়া কতগুলো কোরবানির সঙ্গে ধূপ, যা কোরবানি করা হতো। (লেবীয় ১৬ঃ১২) গুনাহ কোরবানি হলো, গুনাহ থেকে পাকসাফ হওয়ার জন্য আল্লাহর উদ্দেশে নানা রকম পশু ও খাবার কোরবানি দেওয়া। এই কোরবানি একজন লোকের পক্ষে অথবা সমগ্র জাতির পক্ষে দেওয়া যেত। পোড়ানো কোরবানি হলো, কোরবানির বস্তুুর সম্পূর্ণটাই কোরবানগাহের ওপর পোড়ানো হতো। এ ছাড়া রয়েছে প্রথমে তোলা শস্যের কোরবানি, ফসল তোলার বা কাটার সময় প্রথম তোলা বা কাটা ফসল আল্লাহকে দেওয়া হতো। (লেবীয় ২ঃ১২-১৬)।

যোগাযোগ কোরবানি শুকরিয়া আদায় কিংবা মানত পূরণের জন্য দেওয়া হতো। আবার নিজের ইচ্ছায় করা কোরবানি হিসেবেও এটা করা যেত। শস্য কোরবানি হলো, শুকরিয়া জানানোর জন্য এবং আল্লাহর রহমত পাওয়ার জন্য লবণ দেওয়া খামিহীন পিঠা অথবা শস্য দিয়ে কোরবানি।

সকালবেলার কোরবানি ও সন্ধ্যাবেলার কোরবানি হলো একরকম পোড়ানো কোরবানি, যা প্রতিদিন দেওয়া হতো। (সূত্র ঃ কিতাবুল মোকাদ্দস, পৃষ্ঠা ৩৯০)।

খ্রিস্টধর্মে কোরবানি ঃ কিতাবুল মোকাদ্দাসে উল্লেখ রয়েছে যে, ইউসুফ ও মরিয়ম ঈসা মসিহের জন্মের সময় দুটি কবুতর কোরবানি করেছেন। সেই থেকে গ্রিসে পশু উৎসর্গ একটি কমন প্রথা। সেখানে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে একেশ্বরবাদী অর্থোডক্স চার্চে বকরি ও মুরগি দেওয়া একটি সুপ্রাচীন রীতি।

তবে কিছু জাতি-গোষ্টি আছেন যারা পশু কোরবানি কে জীব হত্যার সাথে তুলনা করে থাকেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বৌদ্ধ ও ভেজিটারিয়ান সমাজের জনগোষ্টি।“প্রাণী হত্যা মহাপাপ, প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকুন” (প্রাণী-ত্রিপিটকের বাণী) ।

উপরোক্ত বক্তব্য ও তথ্য পর্যালোচনা করলে আমরা বলতে পারি কোরবানি ধর্মীয় বিধান দ্বারায় প্রতিয়মান। যাহা সুপ্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন ধর্মীয় জাতি-গোষ্টির মাধ্যমে প্রতিপালিত হয়ে আসছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম জন সংখ্যা-অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ যার ৮৮.২ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করেন। বাঁকী জনগোষ্টি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খিষ্ট্রান (আদম শুমারী-২০১৬)। সংগত কারণে বাংলাদেশে কোরবানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। মুলত মুসলিম জনগোষ্টি একমাত্র সৃষ্টিকতার (আল্লাহ) সন্তোষ্টি লাভের আশায়ই কোরবানি করে থাকেন।

বিষয়টি যেহেতু অতিগুরুত্বপূর্ণ সেহেতু আমাদের ইসলামি বিধি-বিধান জেনে বুঝে পশু ক্রয়, যবেহ, বন্টন ও বিতরণ ব্যবস্থাপনা করতে হবে। প্রয়োজনে বিধি-বিধান সম্পর্কে যাদের ভালো ধারনা আছে তাদের সহযোগিতা অবশ্যই প্রহন করতে হবে। বিশেষ করে করোনা মহামারী কালিন সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। যেন আমরা করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত না হয় এবং অন্যকে আক্রান্ত না করি এ বিষয়ে আবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

সর্বপরি আমরা কোরবানি বা আত্মত্যাগের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তার (আল্লাহর) সন্তোষ্টি অর্জনের মধ্যে দিয়ে জাতিতে-জাতিতে, সমাজে-সমাজে, দেশে-দেশে হানা-হানী বন্ধ হয়ে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে উঠবে এটাই আশাবাদ ব্যক্ত করি এবং আমাদের সমস্ত এবাদত আল্লাহর সমীপে অর্পিত হোক যেমনটি সৃষ্টিকর্তায় (আল্লাহ) পবিত্র আল-কোরআনে এরশাদ হয়েছে “নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ সকল কিছুই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য” (সুরা আল আনাআম-১৬২)।

খুলনায় বন্দুকযুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যান নিহত

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

খুলনার রূপসার নৈহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল (৫৫) ওরফে মিনা কামাল ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে বাগেরহাট জেলার রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাছে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী ভেকুটিমারি স্থানে এ বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

র‌্যাবের দাবি, জেলা পুলিশের শীর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীর তালিকায় নিহত মিনা কামালের নাম ছিল। এছাড়া রূপসায় আলোচিত সারজিল ইসলাম সংগ্রাম(২৮) হত্যা মামলাসহ তার বিরুদ্ধে ২৫টি মামলা রয়েছে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রওশনুল ফিরোজের ভাষ্য, রামপালের ভেকুটিমারী এলাকায় ভোর রাত ৪টা ৫০মিনিটের দিকে অভিযান চালায় র‌্যাব। এসময় মিনা কামালের লোকজন র‌্যাবকে উদ্দেশ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষায় র‌্যাবও পাল্টাগুলি চালায়। এতে মিনা কামাল গুলিবিদ্ধ হয়।

আরও দেখুন-অনলাইন ক্লাস- একাই একটি দুর্গ (২)

রামপাল থানার ডিউটি অফিসার আসছার উদ্দীন খান জানান, বন্ধুকযুদ্ধের পর র‌্যাব সদস্যরা তাকে ভোর ৬টার দিকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পরে সাড়ে ৬টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়ায় করোনা রোগীর সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়ালো

0
Corona-Dro-24-p-6
সংগৃহিত ছবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে। ১০০ দিনে এত রোগী শনাক্ত হওয়ায় জেলাবাসী আতঙ্ক রয়েছে।

বুধবার কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবের তথ্য মতে এ দিন ১৭৯ টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৪৮ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সিভিল সার্জনের তথ্য মতে , নতুন আক্রান্তদের মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় ৩২ জন, দৌলতপুরে ৪ জন, ভেড়ামারায় ৩ জন, মিরপুরে ৬ জন ও কুমারখালীতে ৩ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ৩৭ জন ও নারী ১১ জন। কুষ্টিয়া জেলায় বুধবার রাত অবধি রোগী শনাক্ত হয় ১ হাজার ৫২৮ জন ।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরও জানায়,এ জেলায় সর্ব প্রথম ২২ এপ্রিল দুজনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত মাত্র ৩৪ জনের শরীরে এ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তবে ঈদের পর থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তবে চলতি জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যুও হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

আরও দেখুন-অনলাইন ক্লাস- একাই একটি দুর্গ (২)

এ পর্যন্ত এ জেলায় ৯ হাজার ৯২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৫২৮ জন করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। মারা গেছেন ৩৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ২২ জন। সবচেয়ে বেশি ৮৯১ জন রোগী পাওয়া গেছে সদর উপজেলায়।

খোকসার যুবজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহত

0
খোকসা থানা যুবজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোল্লা বদরুজ্জামান দূর্জয়

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা থানা যুবজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোল্লা বদরুজ্জামান দূর্জয় (৩০) সড়ক দূঘর্টনায় আহত হয়েছেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের খলিশাকুন্ডি এলাকায় তিনি দূর্ঘটনার কবলে পড়েন।

জানা গেছে , মেহেরপুর যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ট্রাকের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় আহত খোকসা যুবজোটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে কিন্তু রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানন্তর করা হবে।

আরও দেখুুন-অনলাইন ক্লাস- একাই একটি দুর্গ (১)

আরও দেখুন-লেখেন গান, বাজান পাতার বাঁশি

স্থানীয়রা ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে পুলিশে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ ট্রাকটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।

জঙ্গিরা পল্লবী থানায় হামলা করেনি দাবী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

0
আসাদুজ্জামান খান কামাল

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সাত সকালে কেঁপে উঠেছিল পল্লবী থানা। জনসাধারনের মনে প্রশ্ন উঠেছিল তবে কি শুরু হলো পূর্বঘোষিত জঙ্গি হামলা। কিন্তু এ ঘটনার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল দাবী করেন, এ হামলার ঘটনা জঙ্গি হামলা নয়। পল্লবী থানায় যে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এর সঙ্গে জঙ্গিদের সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি।

বুধবার সকালে পল্লবী থানার বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমি মনে করি না যে, এই ঘটনার সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা আছে। যাদের আটক করা হয়েছে তারা ডাকাত দলের সদস্য। তাদের কাছে থাকা কিছু একটার বিস্ফোরণ হয়েছে। তারপরও তদন্ত হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় দুপুরে ব্রিফিংয়ে বলেন, কালশী কবরস্থানের কাছে ‘একদল সন্ত্রাসী’ অবস্থান করছে এমন খবরে রাত ২টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশ অভিযান চালায়।

এ অভিযানে তিনজনকে আটক করা গেলেও বেশ কয়েকজন পালিয়ে যায়। আটকৃতদের কাছ থেকে দুটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি এবং একটি ডিভাইস পাওয়া যায়, যেটি দেখতে ওজন মাপার মেশিনের মত।

আরও দেখুুন-অনলাইন ক্লাস- একাই একটি দুর্গ (১)

আরও দেখুন-লেখেন গান, বাজান পাতার বাঁশি

থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আটককৃত তিনজন পুলিশকে জানায়, ওই ওজন মাপার যন্ত্রে বোমা রয়েছে। এরপর বোমা নিস্ক্রিয়কারী দলকে খবর দেয়া হলে তারা এসে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ওই ওজন মাপার মেশিন পরীক্ষা করেন। পরে আরেকটি বিশেষজ্ঞ দলকে ডাকা হয়, তারা পৌঁছানোর আগেই বিস্ফোরণ ঘটে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজধানীর পল্লবী থানার ভেতরে বোমা বিস্ফোরণে চার পুলিশসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

অবশেষে ট্রেনে করে গরু এলো ঢাকায়

0
ট্রেনে চেপে কোরবানির গরু এলো ঢাকায়

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে কোরবানি ঈদের গরু এলো ট্রেনে করে।

বুধবার সকালে পূর্ব রেলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জানান, জামালপুর, ইসলামপুর থেকে গরুবাহী ট্রেনটি কমলাপুর রেল স্টেশনে এসে পৌঁছায়েছে।

তিনি বলেন, ২৫টি ওয়াগনে মোট ২৭০টি গরু এসেছে। গরু প্রতি মাত্র ৫০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়েছে।

জুলাইয়ের প্রথম দিকে কোরবানি উপলক্ষে দেশের উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ট্রেনে করে কোরবানির পশু পরিবহনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীদের আগ্রহ না থাকায় ট্রেন পরিচালনা করতে পারছিল না রেলওয়ে।

রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ ভুঁঞা বলেন, “বুকিং না থাকায় এ অঞ্চল থেকে কোনো পশুবাহী ট্রেন চালু করা সম্ভব হয়নি।”

সর্বশেষ সংবাদ

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ। এ নিয়েছে জনমনে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী ইব্রাহিম ও...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের কোন সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর দলিল, যার বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক...

কুষ্টিয়া সীমান্তে দুইটি বোমাসহ চোরাকারবারী আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইটি বোমাসহ এক চোরাকারবারীকে আটক এবং বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ...

পেট্রোল রিজার্ভ থাকতেও দু’দিন বিক্রি বন্ধ রাখলো পাম্প কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় মক্কা মদিনা নামের একটি পেট্রোল পাম্পোর আন্ডার গ্রাউন্ডে কয়েক হাজার লিটার পেট্রোল থাকলেও গতদুই দিন (শুক্র ও শনিবার) মোরসাইকেল চালকদের ফিরিয়ে...

কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আফরান নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...