বৃহস্পতিবার, মে ৭, ২০২৬.
Home Blog Page 566

ফাইজারের টিকার অনুমোদন দিল জাতিসংঘ স্বাস্থ্য সংস্থা

0
COV-19-DROHO-1JUN-P8

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

উন্নয়নশীল বিশ্বে কোভিড-১৯ টিকা প্রয়োগ ত্বরান্বিত করার লক্ষে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ফাইজার এবং বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সাথে যুক্ত থাকা নিয়ন্ত্রক বিশেষজ্ঞরা এবং জাতিসংঘ সংস্থার নিজস্ব দল ফাইজার/ বায়োএনটেক ভ্যাকসিনের তথ্য পর্যালোচনা করে বৃহস্পতিবার জানতে পেরেছে যে এটি সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার জন্য ডব্লিউএইচও-এর প্রয়োজনীয় মানদ- পূরণ করেছে।

ডব্লিউএইচওর সহকারী পরিচালক ডা. মেরিঞ্জেলা সিমাসো বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাপী কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এটি একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ।’

‘তবে আমি সবার চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য আরও বৃহত্তর বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিতে চান।

এর আগে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি প্রয়োজনে বায়োএনটেক এবং ফাইজার উদ্ভাবিত কোভিড-১৯ টিকা ব্যবহারের অনুমোদনের কয়েক সপ্তাহ পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় শর্ত সাপেক্ষে এ টিকা ব্যবহারের অনুমোদনের সুপারিশ করেছে ইউরোপীয় মেডিসিন এজেন্সি।

গত ২১ ডিসেম্বর বিশেষজ্ঞদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর ইইউ’র ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, ব্যতিক্রম বাদে ১৬ বছরের বেশি বয়সী মানুষের শরীরের এ টিকা দেয়ার অনুমোদন দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ফার্মাসিউটিকেল সংস্থাগুলোকে আগামী বছর তাদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের জন্য ফলো-আপ ডেটা জমা দিতে হবে।

ইইউ’র ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান ইমার কুক বলেন, ‘এটি সত্যই এক ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক অর্জন। মহামারির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এক টুইটে জানিয়েছেন, ‘ইউরোপীয়দের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন সরবরাহে আমাদের প্রয়াসের অনুমোদন দেয়ার সময়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইএমএ।’

বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা উগুর সাহিন বলেন, ‘আজ বায়োএনটেকের ব্যক্তিগত ও আবেগের দিন। ইইউ’র কেন্দ্রস্থলে থেকে আমরা এ বিধ্বংসী মহামারি মোকাবিলার সহায়তায় ইউরোপে সম্ভাব্য প্রথম ভ্যাকসিন সরবরাহে এক ধাপ এগিয়ে যেতে পেরে আনন্দিত।’

নতুন বছরে ইতিবাচক রাজনীতি প্রত্যাশা কাদেরের

0
KADER-DROHO-14-P7

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক ধারার পরিবর্তে ইতিবাচক ধারা ফিরে আসার প্রত্যাশা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সংসদ ভবন এলাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

করোনা মহামারিতে থমকে যাওয়া বিশ্ব নতুন বছরে করোনা মুক্তির মাধ্যমে নতুন জীবনের রূপ পাবে বলেও তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

দেশবাসীকে খ্রিস্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা ফিরে এসে নতুন বছরের নতুন আশার মালা গেঁথে এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নববর্তা আর সম্ভাবনার রং ছড়িয়ে উদিত হলো নতুন বছরের নতুন সূর্য। করোনা মহামারিতে থমকে যাওয়া বিশ্ব নতুন বছরে করোনা মুক্তির মাধ্যমে পাবে জীবনের রূপ, রস, ঘ্রাণ। নানান খাতে করোনাজনিত সংকট কাটিয়ে প্রিয় বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সম্ভাবনার নব দিগন্তে। জীবনের পরতে পরতে আবার গুঞ্জরিত হবে আশার ঝর্ণাধারা।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রস্ফুটিত হবে সম্ভাবনার নতুন কলি। নতুন বছরে করোনার কারণে সংকটে পড়া নানা খাত সমস্যা কাটিয়ে উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাবে সম্ভাবনার নব দিগন্তে।

কিশোরগঞ্জে রাষ্ট্রপতির জন্মদিন পালিত

0
PRESINDENT-DROHO-1JUN-P8

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কিশোরগঞ্জে পালিত হলো রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৭৮তম জন্মদিন।

শুক্রবার বিকালে কিশোরগঞ্জ শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ সংলগ্ন নরসুন্দা মুক্তমঞ্চে ৭৮ পাউন্ড ওজনের কেক কেটে হাওরের কৃতি সন্তান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের জন্মদিন পালন করা হয়।

রাষ্ট্রপতির জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা ছাড়াও আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকালে নরসুন্দা নদীর ওপর নৌকার আদলে নির্মিত মঞ্চে অতিথিদের নিয়ে কেক কাটা হয়।

পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারমান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. পারভেজ মিয়া, রাষ্ট্রপতির ছোট ছেলে রাসেল আহমেদ তুহিন, চিত্রনায়ক সায়মন সাদিকসহ শহরের বিশিষ্ট নাগরিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জন্মদিন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক।

১৯৪৪ সালের পহেলা জানুয়ারি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জন্মগ্রহণ করেন।

ঝিনাইদহে সর্দ্দারসহ ৬ ডাকাত গ্রেফতার

0
গ্রেফতার পাকাত দলের সদস্যরা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের প্রধানসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে স্বর্ণালংকারসহ ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা হয়।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডাকাতদলের প্রধান কোরবান আলীসহ ৬ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়। আটক ডাকাতরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

গত ৪ ডিসেম্বর রাতে সদর উপজেলার মধুহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ রামনগর গ্রামে প্রবাসী সাঈদ হোসেনের বাড়িতে ডাকাতি হয়। বাড়ির লোকদের অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে ৭ টি মোবাইল ফোন, স্বর্ণের অলংকারসহ নগদ কিছু টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায় তারা। পরদিন গৃহকত্রী শাম্মী আক্তার বাদি হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেন।

এই মামলার সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ডাকাতদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এর পরেই প্রথমে ডাকাত দলের প্রধান কোরবান আলীকে পুলিশ আটক করে। তারস্বীকারোক্তি মোতাবেক পর্যায়ক্রমে ৬ ডাকাতকে আটক করতে সক্ষম হয় তারা। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লুন্ঠিত হওয়া সব মালামাল উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত ডাকাত দলের সদস্যরা হলেন কোটচাদপুর উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ফেলু মন্ডলের জামাতা সজিব (৩০), হরিনাকুন্ডু উপজেলার পদ্মনগর গ্রামের আরিফুল ইসলামের ছেলে বাবুল হোসেন (২৩), সদর উপজেলার দক্ষিণ রামনগর গ্রামের আতিয়ার বিশ্বাসের ছেলে লিটন (৩৮), একই উপজেলার বেড়াশুলা গ্রামের সায়েম মন্ডলের ছেলে তরিকুল ইসলাম (৩০), চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি গ্রামের মৃত রমজান মালিথার ছেলে তোরাপ (৫২) এবং সদর উপজেলার মহামায়া গ্রামের আজিবার রহমানের ছেলে ডাকাত সর্দ্দার কোরবান আলী (৪০)।

ওসি আরও জানান, আটক ডাকাতদের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ডাকাত সর্দ্দার কোরবান আলী ৮ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় বেশ কিছু ওয়ারেন্ট রয়েছে। এছাড়াও ডাকাতদল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় রাজমিস্ত্রীর ছদ্মবেশে মানুষের বাড়িতে কাজ করতে গিয়ে খোজখবর নিয়ে রাতে ডাকাতি করে আসছিল।

শিক্ষার্থীরা পেলো ঝকঝকে নতুন বই

0
BOOK-DROHHHHHO-1-JUN-P-5
নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফিরছে শিশুরা, ছবিটি খোকসা থেকে তোলা।

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সব সংশয় কাটিয়ে করোনা মহামরির মধ্যেও নতুন বছরের প্রথম দিনে উপহার হিসেবে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই পেয়েছে সারাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী।

সরকারের ঘোষনা মত শুক্রবার সকালে দেশের প্রতিটি স্কুল-মাদ্রাসায় শিশু শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়।

মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুলে গিয়ে প্রাথমিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অভিভাবকেরা আর মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা নিজে ঝকঝকে নতুন বই সংগ্রহ করে।

সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুষ্টিয়ার খোকসার ৮৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩৬ টি মাধ্যমিক-নিন্মমাধ্যমিক ও মাদ্রাসার শিক্ষর্থী ও অভিভাবকের হাতে নতুন ঝকঝকে বই তুলে দেয়া।

অভিভাবকের হাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই তুলে দিচ্ছেন আল হেলাল সরকারী প্রাথমিক বিধ্রালয়ের প্রধান শিক্ষক বলাই চন্দ্র মোদক

শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রাথমিক স্তরের প্রায় ২৪,৩০০ সেট বই নতুন বছরের প্রথম দিনে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ কার্যক্রমের পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাবিবুর রহমান, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী সদর উদ্দিন খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেজবাহ্ উদ্দীন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সৈয়দা নাজনীন আলম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার হুসাইন মহম্মদ বেলাল, শিপ্রা বিশ্বাস প্রমুখ।

মাধ্যমিকের প্রতিটি শ্রেণির বই বিতরণের জন্য তিন দিন করে সময় দেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে নবম- এ চারটি শ্রেণিতে সপ্তাহে তিন দিন করে মোট ১২ দিনে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করতে হবে। প্রথম তিন দিন বিতরণ করা হবে নবম শ্রেণির বই। এর পর ধাপে ধাপে অষ্টম শ্রেণি, সপ্তম শ্রেণি ও ষষ্ঠ শ্রেণির বই দেওয়া হবে। আর প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধির কথা চিন্তা করে অভিভাবকদের হাতে বই তুলে দেওয়া হবে। তবে শিশুরা এলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হবে না।

২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত চার কোটি ১৬ লাখ ৫৫ হাজার ২২৬ শিক্ষার্থীকে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬২ হাজার ৪১২টি বিনামূল্যের বই দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে দুই কোটি ৩০ লাখ ৭৯ হাজার ৭৭৩ জনকে ১০ কোটি ২৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৫৫টি এবং ইবতেদায়ি, দাখিল, কারিগরি ও মাধ্যমিক স্তরে এক কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৩ শিক্ষার্থীকে ২৪ কোটি ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৭টি বই দেওয়া হচ্ছে।

এশিয়ায় নতুন শীর্ষ ধনী ঝোং শানশান

0
jhong-dro-1jun-p-

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

টিকা আর পানি ব্যবসার বদৌলতে ভারতের মুকেশ আম্বানি এবং স্বদেশী জ্যাক মা’কে টপকে এশিয়ার শীর্ষ ধনীর আসনে উঠে এসেছেন চীনের ঝোং শানশান।

বিবিসি জানায়, এ বছর শানশানের সম্পদ বেড়েছে ৭শ’ কোটি মার্কিন ডলার; সেখানে বাকি দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আম্বানি এবং জ্যাক মা’র সম্পদের পরিমাণ সেভাবে বাড়েনি।

ব্লুমবার্গ কোটিপতির সূচক অনুযায়ী, ৭,৭৮০ কোটি ডলারের সম্পদ নিয়ে এশিয়ার শীর্ষ এবং বিশ্বের ১১তম শীর্ষ ধনী হয়েছেন শানশান।

‘লোন উলফ’ নামে পরিচিত ঝোং শানশান সাংবাদিকতা, মাশরুম, চাষাবাদ, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে তার ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েছেন।

গত এপ্রিলে শানশান টিকা-প্রস্তুতকারক সংস্থা বেইজিং ওয়ানতাই বায়োলজিক্যাল কোম্পানির ভার নেন এবং তা চীনের শেয়ারবাজারেও নথিভুক্ত হয়। এর তিন মাস পর শানশানের বোতলজাত পানি তৈরি কোম্পানি নংফু স্প্রিং হংকংয়ের বাজারে নথিভুক্ত হয়।

নংফু স্প্রিং এর সাফল্যে গত সেপ্টেম্বরেই ই-কমার্স কোম্পানি আলিবাবার কর্ণধার জ্যাক মা’কে ছাড়িয়ে চীনের শীর্ষ ধনীর তকমা পেয়েছিলেন ব্যবসায়ী চোং শানশান।

তখন থেকেই নংফু স্প্রিংয়ের শেয়ার আরও লাফিয়ে বেড়েছে। আর সেইসঙ্গে যোগ হয়েছে বেইজিং ওয়ানতাই বায়োলোজিক্যাল কোম্পানির বাড়তি শেয়ার। কোভিড-১৯ টিকার তৈরি কোম্পানিগুলোর মধ্যে আছে এ কোম্পানিও।

দু’য়ে মিলেই মূলত ঝোং শানশানের সম্পদ অভাবনীয়রকম বেড়ে তিনি উঠে এসেছেন এশিয়ার শীর্ষ ধনীর স্থানে।

চীনে সাধারণত প্রযুক্তিশিল্পে জড়িতরাই নতুন শীর্ষ ধনীর তকমা পান। গত ছয় বছর ধরে এই তকমা পেয়ে এসেছন জ্যাক মা।

কিন্তু হুয়াওয়ে, টিকটক এবং উইচ্যাট নিয়ে সম্প্রতি চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীনের প্রযুক্তি শেয়ারের মূল্য পড়ে যাওয়ায় জ্যাক মা’র অবনমন ঘটেছে।
অন্যদিকে, করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে ভারতের ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ার পড়ে যাওয়ায় এশিয়ার শীর্ষ ধনীর আসন থেকে ছিটকে গেছেন তিনিও।

মোবাইলটি আসল না নকল বুঝবেন যেভাবে

0
প্রতিকী ছবি

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাজারে অবৈধ মোবাইল যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে। তাই এ নিয়ে নতুন মোবাইল ক্রেতারা চিন্তিত। তবে অবৈধ পথে দেশে আসা, ক্লোন বা চুরি করা হ্যান্ডসেটের দিন শেষ হতে যাচ্ছে।

চালু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)। ফলে অবৈধ হ্যান্ডসেট দিয়ে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে আর যোগাযোগ করা যাবে না।

এনইআইআর চালুর পরে এসব মোবাইল একেবারেই কোনো মোবাইল ফোন অপারেটরের সিম চালু করা যাবে না।

ফোন অবৈধ বা নকল কি না তা দেখেতে বিটিআরসি সঠিক আইএমইআই যাচাই পদ্ধতি রয়েছে।

যে কেউ ম্যাসেজে KYD টাইপ করে স্পেস দিয়ে হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর দিয়ে সেটি ১৬০০২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে আইএমইআই নম্বরটি বিটিআরসির ডাটাবেজে সংরক্ষিত রয়েছে কি না তা জানতে পারবেন।

বিটিআরসির ডাটাবেজে আইএমইআই নম্বর থাকলে বুঝতে হবে হ্যান্ডসেটটি বৈধ। আইএমইআই নম্বর নতুন হ্যান্ডসেটের মোড়কেই দেখা যাবে।

সে ক্ষেত্রে * # /, . ইত্যাদি বিশেষ চিহ্ন বাদে শুধু ১৫টি নম্বর নিতে হবে বিটিআরসিতে এসএমএসের জন্য।

ব্যবহার করা হ্যান্ডসেটে * # ০ ৬ # ডায়াল করেই জেনে নেয়া যায় মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর।

তাই অবৈধ ফোন বিক্রির কাজটি আর করা যাবে না। গ্রাহকরা পাবেন আসল ফোন।

চুপিসারে বিয়ে করে ফেললেন সুস্মিতা!

0
Susmita-droho-1jun-p1

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

ক্রিসমাস উপলক্ষে সম্প্রতি দুবাই উড়ে গিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরীর সঙ্গে তার বিশেষ বন্ধু রোহমান। সুস্মিতা যখন রোহমানকে নিয়ে দুবাই যান, সে সময় সেই মরুশহরে ছিলেন অভিনেত্রীর ভাই রাজীব সেন এবং তার স্ত্রী চারু আসোপাও।

সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে ক্রিসমাস পার্টিতে তাদের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে অভিনেত্রীর বিশেষ বন্ধুকে জিজু বলে সম্মোধন করেন চারু। সুস্মিতার ভাইয়ের স্ত্রী চারু যখন রোহমানকে জিজু বলে সম্মোধন করেন, সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা ছড়িয়ে পড়ে অন্তর্জালে। হু হু করে ভাইরাল হয়ে যায় সেটি। ভক্তদের মনে উঁকি দিতে শুরু করে একটি প্রশ্ন। সুস্মিতা কি তাহলে রোহমান শলের সঙ্গে চুপিসারে সেরে ফেললেন বিয়ে? যদিও নেটিজেনদের এই প্রশ্নের সদুত্তর মেলেনি সুস্মিতা সেনের কাছ থেকে।

উল্লেখ্য, বেশ কয়েক বছর ধরে রোহমান শলের সঙ্গে লিভ ইন করছেন সুস্মিতা সেন। বলিউডের এই তরুণ মডেলের সঙ্গে সুস্মিতা কবে গাঁটছড়া বাঁধছেন, তা নিয়ে বহুবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অভিনেত্রীকে। যদিও কখনো সেই প্রশ্নের উত্তর দেননি সুস্মিতা কিংবা রোহমান। এছাড়া রোহমান শলের সঙ্গে সুস্মিতার বয়সের যে ফারাক, তা নিয়েও সব সময় অদ্ভুত প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় এই তারকা জুটিকে।

স্বাগতম ২০২১ সাল

0
happy-new-droho-31-p-7

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আরো একটি বছর মহাকালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেলো। গতবছরের দুঃখ-বেদনা ভুলে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন আশা নিয়ে ২০২১ সালকে বরণ উৎসব চলছে।

নববর্ষ মানেই সবার মাঝে জাগায় প্রাণের নতুন স্পন্দন, নতুন আশা, নতুন সম্ভাবনা। বিগত বছরের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা পেছনে ফেলে নতুন বছরে অমিত সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়া। স্বভাবতই নতুন বছর নিয়ে এবার মানুষের প্রত্যাশা একটিই করোনা মুক্ত বিশ্ব। তবে, করোনার টিকা ছাড়াও অর্থনীতি ও সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনাসহ মানবসম্পদ তৈরির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হচ্ছে আগামী বছরের মোটা দাগের চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশর মানুষ আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, এটাই নতুন ইংরেজি বছরে সবার প্রত্যাশা।

২০২০ সাল বিষাদের বছর হিসেবে ইতিহাসে থেকে যাবে। অভিশপ্ত এ বছরটিকে বিদায় দেওয়ার জন্য সবাই যেন উন্মুখ হয়েই ছিল। অনেকেই মনে করেন, জীবন ও জীবিকার ওপর আঘাতের যে চিত্র বছরজুড়ে মানুষ দেখেছে, গত ১০০ বছরেও তা দেখা যায়নি। কোভিড-১৯-এর আগের বিশ্ব আর পরের বিশ্বেও মধ্যে মিল কোন দিনই হবে না।

অনেকে এ বছরটিকে একটি বিধ্বংসী বছর বলে উল্লেখ করেছেন। কোভিড-১৯ মহামারিতে লাখ লাখ মানুষ এরই মধ্যে মারা গেছেন। সেই সঙ্গে কয়েক কোটির বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং অর্থনৈতিক খাতে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। কোটি কোটি মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। ১০০ কোটির বেশি শিশু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্কুলে যেতে পারেনি। বাংলাদেশে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ১২ হাজার ৪৯৬ জন এবং মৃত্যু বরন করেছেন ৭ হাজার ৫৩১ জন।

চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। ক্রমেই মহামারি আকারে সংক্রমণ বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানায় সরকার। পরে করোনা মোকাবেলায় মার্চের ২৬ তারিখ থেকে মে এর ৩০ তারিখ পর্যন্ত দেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

তবে, বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত অনেক দেশের তুলনায় ভালো। করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে অত্যন্ত সফলতার সাথে মোকাবিলা করছেন ব্লুমবার্গ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তা প্রকাশ পেয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয় উপমহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান সবার ওপরে এবং সমগ্র বিশ্বে করোনা মোকাবিলার দক্ষতায় বাংলাদেশ ২০তম স্থানে রয়েছে।

আসলে ২০২০ সালে মহামারি নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বেশ কয়েকজন বিশিষ্টজনকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। করোনা ছাড়াও অন্যান্য অসুস্থতায় এবছর জাতি হারিয়েছে তার প্রবীণ ও বিদগ্ধ গুণীজনদের। মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনীতিকদের পাশাপাশি খ্যাতিমান মানুষদের হারিয়েছে দেশ। চলে গেছেন প্রথিতযশা শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী , সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা। নিভে গেছে অনেক আইনজীবীর জীবন।

জাতীয় বই উৎসব কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

0
pmr-droho-31-p-5
জাতীয় বই উৎসব কার্যক্রমের উদ্বোধনী

শিক্ষার্থীরা পাবে বিনামূল্যের ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬২ হাজার বই

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, নতুন বছরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ৩৪ কোটি ৩৬ লাখ ৬২ হাজার ৪১২টি বই বিতরণ করা হচ্ছে।

বছরের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বই উৎসব কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। তার পক্ষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বিভিন্ন পর্যায়ের ২৩ শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি। একটা নতুন বই পেলে একটু ভালোও লাগে। বইটা হাতে পাবে, মলাটটা লাগাবে, নামটা লিখবে, সুন্দরভাবে দেখবে, পড়বে সেটা একটা আলাদা আনন্দ। সেই আনন্দটা যাতে আমাদের ছেলেমেয়েরা পায়, সে জন্যই আমরা ব্যবস্থা নিই প্রতি বছর।

করোনা পরিস্থিতিতেও বিপুলসংখ্যক নতুন বই ছাপানোয় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান সরকারপ্রধান।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে বই বিতরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বই বিতরণের সময় একসঙ্গে যেন বেশি সমাবেশ না হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভাগে ভাগে শিশুদের হাতে বই তুলে দিতে হবে।

শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার প্রতি দৃষ্টি দিতে অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে খেলাধুলা করতে পারে। নিয়মিত কিছুটা রোদে বা খোলা হাওয়ায় যেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি বাইরে গেলে সবাইকে মাস্ক পরতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

‘আমাদের আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই তো একদিন এই দেশে কেউ ডাক্তার হবে, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হবে, কেউ বিজ্ঞানী হবে, কেউ মন্ত্রী হবে, কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে। কাজেই সেভাবে শিক্ষাগ্রহণ করবে।’

সর্বশেষ সংবাদ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা-ইংরেজি রিডিং না পারলে শিক্ষকদের বেতন বন্ধ

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি সাবলীলভাবে পড়তে পারার দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। একই...

কুষ্টিয়ায় জানালার গ্রিল কেটে চ্যানেল ২৪ অফিসে চুরি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার চ্যানেল টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন অফিসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোর চক্র অফিসের পেছনের জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে ঢুকে প্রতিটি কক্ষ তছনছ করেছে। বুধবার সকালে অফিসটি...

কুষ্টিয়াবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে এমপি আমির হামজার পোষ্ট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দঁড়ানোর জন্য কুষ্টিয়াবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন মুফতি আমির হামজা। একই সাথে তিনি কু্ষ্িটয়াবাসীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানিয়েছেন। সোমবার (৪ এপ্রিল) রাতে...

ঘুড়ি

ঘুড়ি। আগের মত আর রঙিন কাগজের ঘুড়ির দেখা মেলে না। এখন প্রচলন হয়েছে পলিনি পেপারের তৈরী ঘুড়ি। শিশুটি বোরো ধানের আইল দিয়ে ঘুড়ি হাতে...

খোকসায় রাস্তার গর্তে ভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় রাস্তা বর্ধিত করণের গর্তে ভ্যান উল্টে গিয়ে ঝন্টু দাস (৫০) নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ভ্যান একশিশু ও...