বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬.
Home Blog Page 608

মাস্ক নেই তো সেবা নেই

0
DROHO-25-P-12
মাস্ক বাধ্যতাশূলক

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাস ভয়াবহতা থেকে নিজেকে রক্ষায় সরকারি অফিসের পাশাপাশি বেসরকারি অফিসগুলোতেও মাস্ক ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

মাস্ক ছাড়া কেউ কোনো সেবার জন্য গেলে তাকে সেই সেবা দেওয়া হবে না বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

রবিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে সচিব খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, শীতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে পারে ধরে নিয়ে চারিদিকে ‘ম্যাসিভ ইন্সট্রাকশন’ দেওয়া হয়েছে।

“আমাদের যতগুলো ইন্সটিটিউশন আছে, সোশ্যাল, অর্গানাইজেশনাল বা ফরমাল প্রতিষ্ঠানে আমরা নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। এক নম্বর হলো- নো মাস্ক নো সার্ভিস। তারপর হল সব জায়গায়, সব প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, শপিংমল বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক ও ধর্মীয় সম্মিলনে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা এটা কম্পালসরি করে দিয়েছি।”

সরকারি-বেসরকারি অফিসের বাইরে ‘মাস্ক ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না’ এরকম বড় একটা পোস্টার টানাতে বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কীভাবে মাস্ক পরা নিশ্চিত করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইন্সপেকশন করা হবে।”

তাহলে তো মাস্ক ছাড়া কেউ সরকারি-বেসরকারি অফিসে এলে সেবা পাবেন না উল্লেখ করে এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন একজন সাংবাদিক।

জবাবে সচিব বলেন, “ঢুকতেই দেওয়া হবে না, আমরা বলে দিয়েছি। শুধু সরকারি নয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও। বিভিন্ন প্রডিউসার তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি তারাও তাদের ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে সেটা চালু করছেন ইনশাআল্লাহ।”

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত জুলাই মাসের শেষদিকে বাসার বাইরে সব জায়গায় সবার মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে সরকার। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে প্রতিদিনই মানুষ মারা গেলেও নানা অজুহাতে এখনও অনেকে মাস্ক ব্যবহার করছেন না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়, সেখানে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেওয়া কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে প্রচার করার জন্য বলা হয়েছে যে- দিনে দুইবার নামাজের পর প্রচার করার জন্য যে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। আলেম-ওলামাদের সঙ্গেও কথা বলেছি, উনারাও এটা শুরু করেছেন।

“করোনার সময় অন্যান্য রোগীদের সেবা পেতে সমস্যা হয়েছে, আবার দ্বিতীয় ঢেউ আসছে- এখন আল্লাহর রহমতে ওই প্রবলেমটা হবে না। এখন একটা ট্রিটমেন্ট প্রোটোকল চলে আসছে। ওই প্যানিকটা চলে গেছে। ইনিশিয়ালি তো বোঝা যাচ্ছিল না জিনিটা কী। ডাক্তার-স্টাফরাও এখন আর অত ভয় পাচ্ছে না। আমি দু’একটি হাসপাতালে গিয়ে দেখেছি।”

এক প্রশ্নে আনোয়ারুল বলেন, “হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া আছে কোভিড ও নন-কোভিড দুটোকে আলাদা করে চিকিৎসা করা। ঢাকা মেডিকেলেই দেখেন কোভিড আলাদা হয়ে গেছে, কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।”

গণপরিবহনে সবাই যাতে মাস্ক পরে তা নিশ্চিত করতে সড়ক সচিব, নৌ সচিব এবং রেল সচিবের সঙ্গে দুয়েকদিনের মধ্যে বসবেন জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বসে একটা ওয়ার্ক আউট করা যাবে।”

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভাকে জানায় বাংলাদেশে এখন ৯৩টি কেন্দ্রে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে, এরমধ্যে ৫০টি বেসরকারি।

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত

0
DROHO-25-P-11
প্রতিকী ছবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।

রবিবার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মধুখালী উপজেলার কামারখালীর আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে করিমপুর থানার এসআই আব্দুর রহিম জানান।

নিহতরা হলেন মোশাররফ হোসেন (৮০) ও আমেনা বেগম (৬৫)। তাদের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায়। আহতদের মধুখালী ও ফরিদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এসআই আব্দুর রহিম বলেন, ভোরে মহাসড়কে একটি স্পিড ব্রেকারের কাছে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মালবাহী ট্রাকটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মাইক্রোবাসের দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন। মাইক্রোবাস ও ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সিরাজগঞ্জে প্রেমিকের বাড়ি গিয়ে লাশ হলেন নারী

0
DROHO-25-P-10
প্রতিকী ছবি

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ‘বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের’ বাড়ি গিয়ে হামলায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রবিবার তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে শাহজাদপুর থানার ওসি সাঈদ মাহমুদ খান নিশ্চিত করেন।

নিহত ফরিদা খাতুন (৩৫) উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের নগরডালা গ্রামের বাবর আলীর মেয়ে।
ওসি সাঈদ জানান, আনুমানিক ১৪ বছর আগে ফরিদার সঙ্গে তার প্রথম স্বামীর বিচ্ছেদ হয়। পরে ফরিদার সঙ্গে পাশের গ্রাম হামলাকোলার আব্দুল মজিদের (২৬) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে মজিদ চলতি বছর অন্য এক নারীকে বিয়ে করেন।

“গত শনিবার বিকালে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক মজিদের বাড়িতে গেলে পরিবারের লোকজন ফরিদাকে মারপিট করে।”

গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ফরিদাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলার আবেদন

0
DROHO-25-P-9
শিক্ষক জিয়া রহমান

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

টেলিভিশনের আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যের মাধ্যমে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুইটি মামলার আবেদন হয়েছে।

রবিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে দুই মামলার আবেদন করা হয়। বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন মামলা গ্রহণের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।

ক্রিমিনোলজি বিভাগের অধ্যাপক জিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করেছেন মাসিক আল বাইয়্যিনাত ও দৈনিক আল ইহসানের সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলম। আর ইমরুল হাসান নামের এক আইনজীবী অপর আবেদনটি করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার জিয়া রহমানকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিগ্যাল নোটিস পাঠিয়েছিলেন মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহম্মদ শেখ ওমর শরীফ।

সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, অধ্যাদেশ এখন আইন হচ্ছে

0
DROHO-25-P-8

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে বিধান রেখে জারি করা অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করতে খসড়া অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

রবিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধিত) আইন, ২০০০’ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম পরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, গত ১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরদিন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০০০’ জারি করেন।

“দেশজুড়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী আন্দোলন এবং ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করার দাবির মধ্যে সরকার এই পদক্ষেপ নেয়। সংসদ অধিবেশন না থাকায় তখন আইন সংশোধনের পর তা অধ্যাদেশ আকারে জারি হয়।”

আগামী ৮ নভেম্বর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশন এজন্য অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হল।

“আজকে আইনের খসড়া হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেজিসলেটিভ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংসদ অধিবেশন না থাকা অবস্থায় যদি কোনো অর্ডিন্যান্স হয়, তাহলে পরবর্তী সংসদ অধিবেশনের প্রথম দিনই সেটি উপস্থাপন করতে হয়। অধ্যাদেশ হিসেবে যেটা আনা হয়েছিল সেটাই আজকেই আইনের খসড়া হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।”

২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) উপধারায় বলা হয়, যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ড হবেন।

সংশোধিত আইনের খসড়ায় ৯(১) উপধারায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড শব্দগুলোর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

আইনের ৯(৪)(ক) উপধারায় ছিল- ‘যদি কোনো ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডীত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডীত হইবেন।
এই উপধারা সংশোধন করে খসড়ায় ‘যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ এর পরিবর্তে ‘মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড’ শব্দগুলো যোগ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ধর্ষণ ছাড়া সাধারণ জখমের ক্ষেত্রে অপরাধ আপসযোগ্য হবে। এছাড়া আগের আইনে ১৯৭৪ সালের শিশু আইনের রেফারেন্স ছিল। এখন সেখানে হবে ‘শিশু আইন, ২০১৩’।

২০০০ সালের আইনের ৩২ ধারায় বলা ছিল এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া মেডিকেল পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে।

অধ্যাদেশে অপরাধের শিকার ব্যক্তির পাশাপাশি ‘অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির’ মেডিকেল পরীক্ষা করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়। এছাড়া ৩২ ধারার সঙ্গে ৩২ ক শিরোনামে নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয় অধ্যাদেশে।

সেখানে বলা হয়, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির ধারা ৩২ এর অধীন মেডিকেল পরীক্ষা ছাড়াও, উক্ত ব্যক্তির সম্মতি থাকুক বা না থাকুক, ২০১৪ সালের ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইনের বিধান অনুযায়ী তার ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।

বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী নেহা কক্কর

0
DROHO-25-P-Neha6
কণ্ঠশিল্পী নেহা কক্কর

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের তারকা কণ্ঠশিল্পী নেহা কক্কর বিয়ে করেছেন। সোমবার পাঞ্জাবে তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানা গেছে।

এর আগে শনিবার দিল্লির গুরুদুয়ারায় বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন নেহা-রোহান। এমন খবর প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। এর আগে গণমাধ্যমটি দাবি করেছিল, ২৪ অক্টোবর দীর্ঘদিনের বন্ধু রোহনপ্রীত সিংয়ের সঙ্গে দিল্লিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন এই গায়িকা। সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো।

নিজের বিয়ের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার ছবি নিজে শেয়ার করছেন নেহা। শুক্রবার শেয়ার করেছেন তার গায়েহলুদের বেশ কিছু ছবি। শনিবার শেয়ার করেছেন মেহেদি অনুষ্ঠানের ছবি।

জানা গেছে, বিয়েতে রোহান পরেছেন শেরওয়ানি আর নেহা পরেছিলেন দুপাট্টা। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুবান্ধব।

শনিবার বিয়ে হলেও সোমবার পাঞ্জাবে তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানা গেছে। তবে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি নেহা। রোহনপ্রীত সিং নেহা কক্করের দীর্ঘদিনের বন্ধু, যিনি ‘মুঝসে শাদি কারোগি’ রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন।

শিগগিরই আসছে ‘গ্যালাক্সি এস২১’, ফিচারের তথ্য ফাঁস

0
DROHO-25-P-4

দ্রোহ ডেস্ক

সাশ্রয়ী দামে নতুন ৪টি মডেলে বাজারে এলো অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন ‘আইফোন ১২’।

ফাইভজি নেটওয়ার্কে কাজ করা অ্যাপলের প্রথম হ্যান্ডসেট এটি। যে কারণে করোনাকালেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ‘আইফোন ১২’।

আর এবার ‘আইফোন ১২’ কে টেক্কা দিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই আসছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান ‘স্যামসাং’ -এর ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের নতুন স্মার্টফোন ‘গ্যালাক্সি এস২১’।

যদিও স্যামসাং কর্তৃপক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

তবে তথ্য ফাঁস হয়েছে, প্রতিবছর সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে গ্যালাক্সি এস সিরিজের নতুন ফোন উদ্বোধন করে স্যামসাং। তবে এবার সেই সময়ের অনেক আগেই বাজারে ‘গ্যালাক্সি এস২১’ ছাড়বে তারা।

প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নতুন এই স্মার্টফোনের বিভিন্ন ফিচারের তথ্য ফাঁস হয়েছে।

ওয়েবসাইট অ্যান্ড্রয়েড সেন্ট্রাল জানিয়েছে, গ্যালাক্সি এস২১ স্মার্টফোনে পাঞ্চ হোল ডিসপ্লে বা ইনফিনিটি ও-ডিসপ্লে থাকবে। এর পেছনে কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ থাকতে পারে। স্মার্টফোনটির নকশায় কিছুটা পরিবর্তন থাকবে। এতে ইউএসবি টাইপ-সি, স্পিকার গ্রিল ও মাইক থাকবে পেছনের দিকে। ডান পাশে পাওয়ার ও ভলিউম বাটন দেখা যাবে। এ ফোনের দুই পাশ সামান্য বাঁকানো হতে পারে। এতে স্যামসাং ফ্ল্যাগশিপ স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট ও বাড়তি র‌্যাম যুক্ত করা হবে। ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লে থাকবে। মোট তিনটি সংস্করণে ফোনটি বাজারে আসবে। এর মধ্যে আলট্রা সংস্করণে থাকবে এস-পেন ব্যবহারের সুবিধা।

স্যামসাং ইতিমধ্যে নতুন ফোনটির উৎপাদন শুরু করে দিয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসেই এর ঘোষণা দিয়ে দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।

গুরুতর আহত ‘মুক্তি’ ছবির নায়িকা রাজ রিপা

0
DROHO-25-P-3
নায়িকা রাজ রিপা

দ্রোহ বিনোদন ডেস্ক

ঢাকাই ছবির নবাগতা নায়িকা রাজ রিপা মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। তার গলার নিচের হাড় ফেটে গেছে। যে কারণে এক মাস পিছিয়ে গেছে ছবির শুটিং।

দেশের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী নতুন ছবি ‘মুক্তি’তে অভিনয় করছেন রাজ রিপা।

করোনায় ছবির শুটিং শুরু হতে দেরি হয়। সম্প্রতি বায়ো বাবল সুরক্ষায় শুরু হয় অ্যাকশন-থ্রিলার ধাঁচের ছবিটির শুটিং। এরইমধ্যে আহত হয়ে ৬ সপ্তাহের বিশ্রামে চলে গেলেন ছবির নায়িকা।

ছবির নায়িকা আহত হওয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী বলেন, ‘রাজ রিপা ট্রেনিং সেশনে ছিলেন। কারণ, ছবিতে তাকে বাইক, সাইকেলসহ অনেক কিছুই চালাতে হবে। তিনি নিজেও অবশ্য বাইক চালাতে পারেন। তবে কিছু স্টান্টের অনুশীলন করতে গিয়ে বাইক নিয়ে পড়ে যান। সে কারণে তার গলার নিচের হাড় ফেটে গেছে। এটা বলা যায়, হেয়ার লাইন ক্র্যাক। হাড়ে চিড় ধরেছে। তাই এক মাস ছবির শুটিং পিছিয়ে দিয়েছি’।

সে হিসাবে রাজ রিপা সেড়ে উঠলে নভেম্বরের শেষ দিকে ‘মুক্তি’ ছবির কাজ শুরু হবে।

নোয়াখালী জেলার একটি পরিচিত জনপদের এক দরিদ্র ও অতি সাধারণ পরিবারের মেয়ে কীভাবে সময়ের প্রয়োজনে অনন্য অসাধারণ হয়ে ওঠেন, তারই ঘটনাপ্রবাহ ফুটে উঠবে এই ছবিতে। বহুল আলোচিত সিনেমা ‘দহন’ ছবিতে অভিনয় করেছেন নায়িকা রাজ রিপা।

কালুখালীতে আগ্নেয় অস্ত্র উদ্ধার

0
DROHO-25-P-2
উদ্ধার করা অস্ত্র

রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর কালুখালীতে পরিত্যক্ত অবস্থা থেকে দেশী তৈরী একটি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার দুপুরের উপজেলার মোহনপুর বাজার সড়কের ঠাকুর রাস্তার মোড় থেকে দেশী তৈরী আগ্নেয় অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।

কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, চলমান অভিযানে মোহনপুর বাজারগামী ঠাকুর রাস্তার মোড় এলাকায় থেকে অস্ত্রটি উধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি।

কঠোর আইনে কি ধর্ষন রক্ষা হবে ? ধর্মে কি বলে ?

0
DROHO-25-P-1
লেখক

-এস, এম, আফতাব উদ্দিন

সু প্রাচীন যুগ থেকেই নারী-শিশু নির্যাতন, ব্যাভিচার , ধর্ষনের ধারাবাহিকতা চলে আসছে। আজ অবধি চলমান। আমরা আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগ থেকেই শুরু করি। সে যুগে জীবন্ত কন্যা শিশুকে কবর দেওয়া হতো। কতটা নির্মম, কতটা অসভ্যতা। শুধু আত্মসম্মান বোধের কারণে নিজের ওরসজাত কন্যা সন্তানের ভাগ্যেই শুধু জুটতো এই নির্মম বরবরতা। জাহিলিয়ার সমস্ত কুসংস্কার, অত্যাচার, ব্যাভিচার, নির্যাতন সমুলে উৎপাটিত করার নির্মিত্তে আর্বিভাব হয়েছিলো মানবতার অগ্রদূত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। তিনি তাঁর বাষট্টি বৎসর জীবনে অনেক অত্যাচার, নিপীরন, সীমাহীন যন্ত্রনাসহ্য করে যুদ্ধজয়ের মাধ্যমে ইসলামকে ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করেন।

আমাদের অবিভক্ত ভারতের সনাতন ধর্মে প্রচলিত একটি কলঙ্ক জনক প্রথা হলো সতীদাহ। মহাভারত এর একজন অনুবাদকের মত অনুযায়ী মাদ্রী স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পড়েই দুঃখে প্রাণ ত্যাগ করেন এবং দুজনের দেহই একসাথে দাহ করা হয়। অর্থাৎ মাদ্রীকে দাহ করার আগেই তিনি মারা গিয়েছিলেন। রাজ পুতানায় “জহর ব্রত” প্রচলিত যাতে কোন শহর দখল হবার পূর্বেই নারীরা আত্মসম্মান রক্ষার্থে আগুনে ঝাঁপ (জহর বা বিষ) দিয়ে স্বেছায় মৃত্যুবরণ করতেন, যা সতীদাহের অনুরূপ। কিন্তু কালক্রমে ৯০০ বছরের এই পুরানো ভয়ঙ্কর প্রথা সতীদাহ যা ইংরেজ আমলেও চালু ছিল। বিভিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে হিন্দু স্ত্রীকে সহমরণএ বাধ্য করা হত। বিশেষ করে কোন ধনী মৃত লোকের সম্পত্তি অধিকার করার লোভে তার আত্মীয়রা তার সদ্য বিধবা স্ত্রীকে ধরে বেঁধে, ঢাক-ঢোলের শব্দ দ্বারা তার কান্নার আওয়াজকে চাপা দিয়ে তার স্বামীর সাথে চিতায় শুইয়ে পুড়িয়ে মারতো। এই তো সেদিন ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর রাজা রাম মোহন এর আরজির প্রেক্ষিতে লর্ড বেন্টিং একটি আইনের মাধ্যমে এ প্রথা রোধ করেন ।

অথচ হিন্দু ধর্ম গ্রন্থ বেদেরে অথর্ববেদ ১৮.৩.২ মন্ত্রটিতে যা বলা হয়েছে (ঋগবেদ ১০.১৮.৮ এ ও . আছে) তার অর্থ ঃ “হে নারী ! মৃত পতির শোকে অচল হয়ে লাভ কি ? বাস্তব জীবনে ফিরে এসো। পুনরায় তোমার পাণি গ্রহণকারী পতির সাথে তোমার আবার পতœীত্ব তৈরী হবে।” বলুন তাহলে কি কারণে পুরোহিত গণ এরকম জঘন্য তম রীতি চালু রেখেছিলো।

বিষ্ণু কর্তৃক প্রদত্ত তালিকায় ব্যাভিচারী ও পশুকামিতার জন্য যে শাস্তির বিধান দিয়েছেন তা হলো- শাল্মলী— ব্যাভিচারী স্ত্রী-পুরুষকে পাঠানো হয় এখানে। জ্বলন্ত থামকে আলিঙ্গন করতে বলা হয়। না করলে যমদূতরা জ্বলন্ত কাঠ দিয়ে পেটায়। বজ্রকন্টকশালী— পশুকামিতার শাস্তি বিধান হয় নরকে। তীক্ষ্ণ হীরক-খচিত লৌহমানবকে আলিঙ্গন করতে বলা হয়।

ইয়াহুদি ও খ্রীষ্টান ধর্মের বাইবেলে ও ব্যাভিচারীর শাস্তি মৃত্যুদ-ের কথা বলা হয়েছে ।

বর্তমানে তারা একটি বিষয়ই জোরেশোরে প্রচার করছেন, ‘ঈশ্বর-পুত্র যীশু গোটা মানবজাতির পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য জীবন দিয়েছেন। যে কেউ যীশুতে বিশ্বাস স্থাপন করলে সে যত বড়ো পাপীই হোক সহজেই নিস্তার পেয়ে প্যারাডাইজ-এ পৌছে যাবে। তবে আমরা বাইবেল থেকে জানতে পারি ‘সন্তানের জন্য পিতার, কিংবা পিতার জন্য সন্তানের প্রাণদন্ড করা যাইবে না। প্রতিজন আপন আপন পাপপ্রযুক্তই প্রাণদন্ড ভোগ করিবে’ (বাইবেলের পুরাতন নিয়ম, দ্বিতীয় বিবরণ, ২৪:১৬)।

আল-কোরআন কি বলে? আল্লাহতাআলা বলেন, “তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হইও না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ৩২),

এছাড়া ব্যভিচারের শাস্তির বিধান কি হবে- আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী উভয়কে একশ’ ঘা করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকরী করবে এদের প্রতি দয়া যেন তোমাদের অভিভূত না করে। যদি তোমরা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী হয়ে থাক। ঈমানদারদের একটি দল যেন এদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।’ (সুরা নুর : আয়াত ২)

চলমান আইন আর ধর্মীয় আইন কি বিপরীত মুখি? আমি বলব মোটেই না, তবে শাস্তির ধরন, পদ্ধতি ও সময়ের ব্যবধানের ভিন্নতা রয়েছে। ঘুরে ফিরে অধিকাংশ আইনের জন্য ধর্মেরই আশ্রয় নিতে হয়। অর্থাৎ ধর্মই হলো মূল আইনের উৎস। আপনি একটু খোঁজ করলে জানতে পারবেন এসব বিষয়ে কোন সাইকোলোজিষ্ট বা ডক্টর এর মতামত জানতে চাইলে সভাবতই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার কথা বলেন। ধর্ষণ অপরাধ প্রচলিত আইনের ভাষায় একটি ফৌজদারী অপরাধ। ধর্মীয় আইনেও তাই। আশে পাশের কিছু দেশের এ অপরাধের কি শাস্তির বিধান আছে? আশা করি হয়ত এর মাধ্যমে বিষয়টির অনেকটায় পরিষ্কার হয়ে যাবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন দেশে কি শাস্তির বিধান রয়েছে;

ফ্রান্সে ধর্ষণের শাস্তি ১৫ বছরের কারাদ-। তবে ঘটনায় ক্ষতি ও নৃশংসতার বিচারে তা ৩০ বছর পর্যন্ত বা যাবজ্জীবন কারাদ- ও হতে পারে। চীনে ধর্ষণ প্রমাণ হলেই আর কোনও সাজা নয়, বিশেষ অঙ্গ কর্তন এবং সরাসরি মৃত্যুদ-। অন্য কোন শাস্তি নেই। ইরানে ধর্ষককে ফাঁসি, না হয় সোজাসুজি গুলি করা হয়। এভাবেই ধর্ষককে এ দেশে শাস্তি দেওয়া হয়। আফগানিস্তানে ধর্ষণ করে ধরা পড়লে চার দিনের মধ্যে ধর্ষকের মাথায় সোজা গুলি করে মারা হয়। উত্তর কোরিয়ায় অভিযোগ, গ্রেফতার আর তারপর অভিযোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয়। সৌদি আরবে জুম্মার নামাযের পর ধর্ষককে প্রকাশ্যেই শিরচ্ছেদ করা হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত সাত দিনের মধ্যে মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়। মিশরে ধর্ষককে জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়া হয়। ইসরায়েলে দোষ প্রমাণ হলে ১৬ বছরের কারাদ-। সে দেশে ধর্ষণের সংজ্ঞা কিছুটা বর্ধিত। অন্য যৌন নির্যাতনও এর অন্তর্ভুক্ত। যুক্তরাষ্ট্রে স্টেট ও ফেডারেল আইন অনুযায়ী ধর্ষণের বিচার ভিন্ন। ফেডারেল আইন অনুযায়ী দোষীর সাজা কয়েক বছরের কারাদ- থেকে যাবজ্জীবনও হতে পারে। রাশিয়ায় ধর্ষকের তিন থেকে ছয় বছরের কারাদ-। তবে পরিস্থিতির বিচারে তা ১০ বছর পর্যন্ত হতে পারে। যদি ধর্ষকের আচরণ অত্যন্ত নৃশংস হয়ে থাকে, তবে ২০ বছর পর্য- কারাদ- হতে পারে। পাঠক একটি বিষয় লক্ষনীয় এখানে উল্লেখিত দেশ গুলোতে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খীষ্টান ও ইয়াহুদী সহ নাম না জানা অনেক জাতি গোষ্টির লোক বসবাস করে থাকে। ধর্ষণের মত ফৌজদার অপরাধের শাস্তি অনেক ক্ষেত্রেই মৃত্যু বা দির্ঘ মেয়াদি কারাদ-।

পরিশেষে বলতে হয় এখনো আমাদের দেশে যে আইন বিদ্যমান নতুন কোন আইনের প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয়নি। বিদ্যমান আইনেই সাজা দেয়া সম্ভব। তাহলে সমস্যা কোথায় ? এটাই আসল কথা। উত্তর যে আমাদের অজানা তা কিন্তু নয় । মুর্দা কথা হলো আইনের প্রয়োগ ও শাস্তি নিশ্চিত না করা। এ অবক্ষয় থেকে রেহায় পেতে আমাদের করণীয় সর্বস্তরে নৈতিক শিক্ষ গ্রহন , ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। সর্বপরি দেশের সরকারের দায়িত্ব বিচার কার্য সুসিশ্চিত করে শাস্তির বিধান করা। তবেই হয়ত এ অপকর্ম থেকে রেহায় মিলবে ।

সর্বশেষ সংবাদ

দলিল লেখক কল্যাণ ফান্ডের নামে চাঁদাবাজী অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক কল্যাণ ফান্ডের নামে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ৩৬ জন সাধারণ দলিল লেখক এ...

অস্ত্র ঠেকিয়ে এজেন্ট ব্যাংকের টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পান্টি বাজারের ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের স্বত্ত¡াধিকারীকে অস্ত্র ঠেকিয়ে চার লাখ ৪১ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার...

কুমারখালীতে রাতে ছাত্রলীগের মিছিল, সকালে গ্রেপ্তার ৩

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে কুমারখালী পৌরসভার শেরকান্দি এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে...

বাঁশের শিল্পকর্ম

বাঁশ দিয়ে তৈরী কুলা, চালুন, টুরিসহ ঘর গৃহস্থলির কাজে ব্যবহারের বাহারী পন্যের পসরা সাজিয়ে বেড়িয়েছে ফেরিওয়ালা নিতাই দাস। কুষ্টিয়া রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের খোকসা থেকে...

কুষ্টিয়ায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ‘সরকারি খরচে বিরোধ শেষ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে...