রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৬.
Home Blog Page 159

খোকসায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস পালিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন শেষে উপজেলা সভা সেমিনার কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন।

আরও পড়ুন – স্কুলে ভর্তির লটারির নতুন তারিখ ১৭ ডিসেম্বর

আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রুবি আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি ) রেশমা খাতুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সোহেল রানা, ওসি তদন্ত আব্দুল গফুর, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাহুল কর, উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা গ্রোগ্রামার বুলবুলি খাতুন, শোমসপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শরিফুজ্জামান বিল্লু, এসো নিজেরা করি এনজিও ম্যানেজার এস এম এনামুল হক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যরা, সাংবাদিক শেখ সাইদুল ইসলাম প্রবীণ, হুমায়ুন কবির, মোঃ সবুজ আলী প্রমুখ।

আরও পড়ুন – অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা

আলোচনা সভা শেষে ‘জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় উপজেলা পর্যায়ে পাঁচজন জয়িতাকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

স্কুলে ভর্তির লটারির নতুন তারিখ ১৭ ডিসেম্বর

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশ ব্যাপী সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে ভর্তির লটারির তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৭ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এই লটারির অনুষ্ঠিত হবে।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, লটারি আয়োজনের তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। পূর্ব ঘোষিত ভর্তির লটারির তারিখ ছিল ১২ ডিসেম্বর। এর পরিবর্তে লটারি হবে আগামী ১৭ ডিসেম্বর। কারিগরি কিছু জটিলতায় তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা 

এখন লটারির মাধ্যমে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে স্কুলগুলোর জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। আর লটারির পর শুরু হবে ভর্তি প্রক্রিয়ায়।

আরও পড়ুন – সব দলকে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই: তারেক রহমান

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন টাইগার যুবারা

0

দ্রোহ স্পোর্টস ডেস্ক

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়েছে টাইগার যুবারা। টানা দ্বিতীয় জয়ের পর শুকরানা স্বরূপ সিজদায় অবনত হন টাইগার একাদশ।

ভারতীয় শেষ ব্যাটসম্যান চেতন শর্মার উইকেট শিকারের মধ্য দিয়ে শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর মাঠেই সিজদা দেয় আজিজুল হাকিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ যুব দল।

রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ১১তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-ভারত।

এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪৯.১ ওভারে ১৯৮ রান করে বাংলাদেশ। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানেই অলআউট হয় ভারত।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ দল। বাংলাদেশ ২০০ রানের কাছাকাছি যেতে পেরেছে মূলত নবম উইকেটে ফরিদ হাসান ও আল ফাহাদের ৩১ রানের জুটিতে।

১৬৭ রানেই ৮ উইকেট হারানো বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য আশা জাগানিয়া ছিল। প্রথম ওভারে যুধাজিৎ গুহর বলে ছক্কা মেরে বাংলাদেশের রানের খাতা খোলেন জাওয়াদ আবরার। অন্য প্রান্তে কালাম সিদ্দিকী অবশ্য রান বের করতে পারছিলেন না। যুধাজিতের বলে আউট হন ১৬ বলে ১ রান করে। জাওয়াদও আউট হন পাওয়ার প্লে­শেষ হতেই, ২০ রান করে।

দলের সবচেয়ে বড় তারকা আজিজুল হাকিমও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৬ রানে আউট হয়েছেন। আজিজুলের উইকেট বড় ধাক্কা হয়ে আসে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিভাগে। কারণ এই টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে বাংলাদেশকে অনেকটা একাই টানছিলেন তিনি।

৩১.৫ ওভারে ১১৫ রানে ৮ উইকেট হারায় ভারত। অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে ভারতীয় অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তির আবহ নেমে আসে।

শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ৩০০ বলে ১৯৯ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ২৪ রানে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। এরপর দলীয় ৪৪ রানে হারায় তৃতীয় উইকেট।

আরও পড়ুন – সব দলকে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই: তারেক রহমান

তারপর দলের হাল ধরেন কেপি কার্তিক আর অধিনায়ক মোহাম্মদ আমান। এই জুটিতে তারা ২৯ রান যোগ করেন। এরপর শূন্য রানের ব্যবধানে ভারত পরপর দুই উইকেট হারায়। দলীয় ৮১ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায়।

আরও পড়ুন –  ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে বিক্রম মিশ্রির সফরে

এরপর দলকে একাই টেনে নেনে অধিনায়ক আমান। দলীয় ১১৫ রানে অষ্টম উইকেট হিসেবে তার বিদায়ে জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায় ভারতে। শেষ পর্যন্ত ৩৫.১ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয় ভারত।

সব দলকে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই: তারেক রহমান

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

দেশকে গড়তে হলে দল-মত নির্বিশেষে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলেই দেশ পুনর্গঠন সম্ভব। আমরা সকল দলকে নিয়ে সরকার গঠন করতে চাই বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকালে রংপুর বিভাগীয় বিএনপির কর্মশালায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সকল ধর্মের মানুষদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সব জায়গায় বিভেদ তৈরি করেছিল। এতে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়েছে। এ সময় বিএনপির প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হবে বলেও নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন তিনি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গ্রাম পর্যায়ে জনসংখ্যা অনুপাতে দুই থেকে তিন জন করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রশিক্ষিত পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিষয়ে গণসচেতনতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বিএনপি। তার দল ক্ষমতায় গেলে সারা দেশে ৭০ হাজার নারী পল্লী চিকিৎসকসহ মোট এক লক্ষ পল্লী চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন – ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে বিক্রম মিশ্রির সফরে

বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কোনোভাবেই ২০ কোটির কম নয় বলে আমার ধারণা। ক্ষমতায় গেলে স্কুল পর্যায় থেকে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে জনশক্তি তৈরি করবো। যাতে দেশে কোনো বেকারত্ব না থাকে। এ সময় সরকার গঠন করতে পারলে গণঅভ্যুত্থানসহ গত ১৫ বছরে নিহতদের স্মরণে স্থাপনা ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে চাকরি ব্যবস্থা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন – অপপ্রচার রোধে মেটার সহযোগিতা চাইলেন ড. ইউনূস

দিনব্যাপী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ফারজানা সারমিন পিতুল, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সহ রংপুর বিভাগের ৮ জেলার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ।

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে বিক্রম মিশ্রির সফরে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি সোমবার ঢাকা সফরে আসছেন। দু’দেশের মধ্যে চলমান সাম্প্রতিক অস্থিরতায় তার এ সফর বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এই সফর ঘিরে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলমের কথায় এমন ইঙ্গিত মিলছে।

প্রেস সেক্রেটারি বলেন, বিক্রম মিশ্রির সফরের মাধ্যমে চলমান অস্থিরতার নিরসন হবে, এমনটা আশা করছি। আমরা চাইবো ভারতের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও ভালো জায়গায় যাক। যেন দু’দেশের মানুষই এর সুফল ভোগ করে। একই সঙ্গে চাচ্ছি ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা ন্যায্যতা, সমতা ও মর্যাদাপূর্ণ হবে। সেদিকেই আমাদের ফোকাস থাকবে।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা সফরকালে ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে জানান উপ- প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর।

এই সফরে দু’দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন হবে কি না এমন প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, আমরা আশা করছি ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা ভালো হবে। তাদের সঙ্গে আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে বৈঠকে সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেস সচিব বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী। তাদের সঙ্গে আমাদের ভাষাগত, ইতিহাস ও সংস্কৃতিগত যোগাযোগ রয়েছে। অভিন্ন অনেক নদী রয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের যে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্টতার বিষয় রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। প্রতিটি বিষয়ই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের সঙ্গে করা ‘অসম’ চুক্তির বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে আলোচনা হবে কি না এমন প্রশ্নে অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, ভারতের সঙ্গে আগামীতে কী ধরনের সম্পর্ক হবে তা ভবিষ্যত বলতে পারে। তবে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ছাড়া অসম যেসব চুক্তি রয়েছে তা নিয়ে ভবিষ্যতে অবশ্যই আলোচনা হবে। এটি সামনে বোঝা যাবে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোকে ‘মিথ্যাচার’ না করে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, আমরা তাদের বলতে পারি, আপনারা আসেন। এসে মাঠে থেকে রিপোর্ট করে যান। ঘটনাস্থলে না এসে কারও মুখের কথায় কোনো প্রতিবেদনে সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায় না। সেজন্য আমরা তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। কারণ, আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী। বিশ্বাস করি যে, তারা এখানে এলে ভারতের টিভি ও গণমাধ্যমে যে ‘অপতথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে তা অনেকাংশে দূর হবে।

রবিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটার প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। এতে ভারতীয় গণমাধ্যমের ‘অপতথ্য প্রচার’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব অপতথ্যের বিষয়ে মেটার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। যেন এটিকে ট্যাকল (নিয়ন্ত্রণ) করা যায়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠক বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তারা অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে সমর্থন করেছে। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করতে আসছে।

খোলা বাজারে সয়াবিন তেল না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তারা পুরোপুরি জানাবে। কিন্তু আমরা মনে করছি বাজারে সয়াবিন তেলের কোনো সংকট নেই। যথেষ্ট সয়াবিন তেল আছে। রমজানে যেন সরবরাহ সংকট না হয় সেজন্য সরকার এলসি সহজ করেছে, আন্তর্জাতিক বাজারদর মনিটরিং করছি। রমজানে মানুষ যেন সয়াবিন ও পাম অয়েল সাশ্রয়ী দামে পান, তা নিয়ে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা আছে।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে সরকার মৌখিকভাবে এখনো কেন ভারতকে বলছে না এমন প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনে সমর্পণ করতে চায়। তার আমলে গণহত্যা হলো, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যার মূল নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা। তার আমলে গুম হয়েছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকা পাচার হয়েছে। পুরো বিষয়ে জবাবদিহির জন্য শেখ হাসিনাকে আইনের আওতায় আনা সরকারের কমিটমেন্ট। এটা করবো।

ভারতের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, এ চুক্তির কিছু আইনি দিক আছে। সেগুলো পূরণ করে ফেরত চাওয়া যেতে পারে। সে প্রসিডিউরগুলো সরকার পূরণ করছে। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে ফেরত চাইবো।

প্রেস সেক্রেটারি জানান, ফেসবুক দেখছে বাংলাদেশকে ঘিরে কী ধরনের অপতথ্য প্রচার হচ্ছে। মেটার হয়ে এখানে তৃতীয়পক্ষ কাজ করে। যারা ফেক নিউজ, অপতথ্য, ভুল তথ্য ডিটেক্ট করেন, তারা মেটাকে তাদের বিষয়ে অল্যার্ট করবেন। অবশ্যই মেটা তা দেখবে। কারণ, এখানে তাদের ব্যবসা আছে। আমরা চাচ্ছি যেগুলো মিথ্যা, অপতথ্য সেগুলো রিমুভ করা হোক।

আরও পড়ুন – অপপ্রচার রোধে মেটার সহযোগিতা চাইলেন ড. ইউনূস

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পেজে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলোর বিষয়ে সরকার শক্ত অবস্থানে যাবে কি না এমন প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, এখানে মেটার হয়ে তৃতীয়পক্ষ তদন্ত করে। তারা দেখছে কোথা থেকে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। অনেক সময় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের নজরে আনা হলে, তারা রাষ্ট্রকে সংশয়ের চোখে দেখে। আগের সরকার ভালো ইউটিউবার, ফেসবুকে ভালো মন্তব্যকারী, যাদের ফলোয়ার রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও অ্যাকশনে যেত, পেজ রিমুভের চেষ্টা করত। মেটার কাছে ট্রাস্টের বিষয় আছে। তাই আমরা চাইবো ফেক নিউজ তারা রিমুভ করবে।

আরও পড়ুন – ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদারও উপস্থিত ছিলেন।

অপপ্রচার রোধে মেটার সহযোগিতা চাইলেন ড. ইউনূস

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশবিরোধী বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারণা রোধে ফেসবুকের মূল সংস্থা মেটার সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মেটার মানবাধিকার নীতি বিষয়ক পরিচালক মিরান্ডা সিসন্সের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এবং ফেসবুক পেজে তিনি এ কথা জানান।

ড. ইউনূস বলেন, “একটি ব্যাপক বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারণা চলছে, এবং আমরা এর ভুক্তভোগী।” তিনি মেটাকে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান।

জবাবে মেটার পরিচালক মিরান্ডা সিসন্স জানান, তাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়টি রোধে মেটা সবসময় সতর্ক।

বৈঠকে ড. ইউনূস প্রযুক্তিকে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য আরও ব্যবহারকারী-বান্ধব করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি ঘটনা ঘটানোর একটি হাতিয়ার। কিন্তু এটি আমরা কী করতে চাই, তা নির্ধারণ করে না। সুতরাং, এটিকে নিখুঁত করতে পুনরায় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রয়োজন।”

তিনি ফেসবুকের সম্ভাবনা নিয়ে বলেন, “তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে ফেসবুক একটি কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে সরকার ফেসবুকের সঙ্গে সহযোগিতায় যুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন – ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ, প্রধান উপদেষ্টার ব্যক্তিগত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম, মেটার পাবলিক পলিসির প্রধান রুজান সারোয়ার, অ্যাসোসিয়েট জেনারেল কাউন্সেল নয়নতারা নারায়ণ এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মিসইনফরমেশন নীতি বিষয়ক প্রধান অ্যালিস বুদিসাত্রিজো।

আরও পড়ুন –খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

এই বৈঠকে তরুণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের বিরুদ্ধে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

৯ ডিসেম্বর। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামের মধ্যদিয়ে এই উপজেলা (তৎকালীন থানা) পাক হানাদার মুক্ত হয় এবং উত্তোলন করা হয় লাল সবুজের পতাকা।

জানা গেছে, দীর্ঘ ৯ মাসে উপজেলার কুসলীবাসা, বিল বরইচারা, ডাঁসা, ঘাঁসখাল সহ কুমারখালী শহরের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এসব যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ অনেক নারী-পুরুষ শহীদ হন। নিহত হয় পাকিস্তানি সৈন্যরাও।

৭ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করে কুন্ডুপাড়া রাজাকার ক্যাম্পে আক্রমণ করেন। সে সময় রাজাকার ফিরোজ-খুরশিদ, গোলাম রসুল, সাদী ও গালিবদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল যুদ্ধ। এ যুদ্ধের খবর পেয়ে কুষ্টিয়া থেকে পাক-সেনারা কুমারখালী শহরে প্রবেশ করে এবং বিক্ষিপ্তভাবে ব্র্রাশ ফায়ারের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

কিন্তু সে সময় হাতে গোনা কয়েকজন যুক্তিযোদ্ধা ও পর্যাপ্ত অস্ত্র না থাকায় পাক বাহিনীর মুখোমুখি না হয়ে কৌশলে পিছু হটে আসে মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় পাকবাহিনী ও রাজাকাররা কুমারখালী শহর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হত্যাসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও শেল নিক্ষেপ চালায়। ৭ ডিসেম্বরের যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা তোসাদ্দেক হোসেন ননী মিঞা, কুন্ডুপাড়ার ওমর আলী শহীদ হন। এ ছাড়া শহীদ হন সামসুজ্জামান স্বপন, সাইফুদ্দিন বিশ্বাস, আব্দুল আজিজ মোল্লা, শাহাদত আলী, কাঞ্চন কুন্ডু, আবু বক্কর সিদ্দিক, আহমেদ আলী বিশ্বাস, আব্দুল গনি খাঁ, সামসুদ্দিন খাঁ, আব্দুল মজিদ ও আশুতোষ বিশ্বাস মঙ্গল।

এরপর ৮ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন গ্রæপে বিভক্ত হয়ে রাজাকার ও পাকবাহিনীর ক্যাম্পে হামলা করতে পৃথক পৃথক এলাকায় অবস্থান নেন। এতে নেতৃত্ব দেন মুক্তিযোদ্ধা বারিক খান, রনজু, আ. রাজ্জাক, হাবীব, মঞ্জুর আর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গনি, মনজু সাত্তার, সামছুল আলম পিন্টু মাষ্টার, মাহাতাব, কামাল, আতিয়ার রহমান স্বপন (সর্ব কনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা), মকবুল হোসেন, ধীরেন, মিজান বিশ্বাসসহ আরো অনেকেই অংশ নেয়।

৯ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা কুমারখালী শহরের চারপাশ থেকে পাকবাহিনীর ক্যাম্প (বর্তমান কুমারখালী উপজেলা পরিষদ) আক্রমণ করে। দীর্ঘসময় যুদ্ধের পর পাকবাহিনী পিছু হটতে শুরু করে। একপর্যায়ে পাকবাহিনীর সদস্যরা পালিয়ে ট্রেন যোগে কুষ্টিয়ার দিকে রওনা দিলেও পাকবাহিনীর বহনকারী ট্রেনটিতে হামলার পরিকল্পনা করে মুক্তিযোদ্ধারা।

পাকবাহিনীর সদস্যদের বহনকারী ট্রেনটি চাড়াইকোল হাতিসাঁকো এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেনটি লাইন চ্যুত করে দেয়। ফলে ট্রেন লাইন চ্যুত হয়ে পড়ে এবং পাকবাহিনীর সদস্যরা গুলি ছুড়তে ছুড়তে পায়ে হেঁটে কুষ্টিয়া অভিমুখে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পাকবাহিনীর সদস্যরা আরেকটি ট্রেন যোগে কুমারখালীতে আসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়।

এদিনে রাজাকার কমান্ডার খুশি মারা যায়। আর অন্যান্য রাজাকারেরাও শহর ছেড়ে পালিয়ে যায় এবং কুমারখালী উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

এইদিন মুক্তিযোদ্ধারা রাইফেল ও এসএলআরের ফাঁকা গুলি বর্ষণের মধ্যদিয়ে উল্লাস করেন এবং স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। অপরদিকে কুমারখালী হানাদার মুক্ত হওয়ার খবর পেয়ে সর্বস্তরের জনতা রাস্তায় নেমে আনন্দ মিছিল শুরু করেন।

আরও পড়ুরন – কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

মুক্ত দিবস পালনে কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ৯ ডিসেম্বর কুমারখালী মুক্ত দিবস পালন করা হবে বলে জানান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

খোকসায় সাজাপ্রাপ্তসহ পালাতক দুই আসামি গ্রেফতার

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্ট ভুক্ত পৃথক দুই আসামিকে আটক করেছে।

থানা পুলিশের হোয়াটসআ্যাপ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিনগত রাত থেকে রবিারর দুপুর পর্যন্ত এ সব আসামিদের আটক করে আদালতে সপর্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের আজইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি জিআর মামলার দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত পালাতক আসামি মোঃ নাঈম শেখকে আটক করে থানা পুলিশ। সে আজইল গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

রবিবার দুপুরে পুলিশের একই দল শোমসপুর ইউনিয়নের শোমসপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি ফারুক হোসেনকে আটক করে। তার পিতার নাম রাজ্জাক মন্ডল।

কুষ্টিয়ায় চাল সংগ্রহের তালিকায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ মিলের নাম

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুর ও দৌলতপুরসহ কয়েকটি উপজেলায় অস্তিত্বহীন ও বন্ধ হয়ে যাওয়া মিলের নামে দেওয়া হয়েছে বরাদ্দ। অথচ বরাদ্দের বিষয়ে জানেনও না অনেক মিল মালিক।

সাধারণ মিল মালিকদের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজসে দিনের পর দিন চলছে এই অনিয়ম।

জেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম হচ্ছে লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে চালকল সচল এবং চাল সরবারহ করার সক্ষমতা আছে এমন মিলকে দেওয়া হয় চালের বরাদ্দ। প্রতিবছর একটি বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সেইসব চালকলের তালিকা তৈরি করা হয়। বরাদ্দ পাওয়ার পর চালকল মালিকরা খাদ্য অফিসের সঙ্গে চুক্তি করে চাল সরবারহ করে থাকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে প্রায় ৫ বছর আগে বন্ধ হয়েছে গেছে জেলার মিরপুর উপজেলার নিমতলা এলাকার শেখ রাইচ মিল। মিলের স্থাপনা ভেঙে সেখানে এখন চলছে চাষাবাদের প্রস্তুতি। সেই মিলের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১২ মেট্রিক টন চাল। আবার একই এলাকার বাসনা রাইচ মিল বিক্রি হয়ে গেছে চার বছর আগে। এই মিলের নামেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সাড়ে ১২ মেট্রিক টন চাল।

একই অবস্থা মিরপুরের বিআর রাইস মিলের। মালিক বজলুর রহমান জানান, নবায়ন না করায় বাতিল হয়ে গেছে তার মিলের লাইসেন্স। কিন্তু তার মিলের নামেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে প্রায় ১২ মেট্রিক টন চাল। এই বরাদ্দের বিষয়ে কিছুই জানেন না তিনি।

বন্ধ শেখ রাইচ মিলের মালিক মমিনুর রহমান বলেন, আমাদের মিলটা হাস্কিং মিল। এটা ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২০ সাল পর্যন্ত মিলটি চালু থাকলেও এরপর থেকে মিলটি বন্ধ আছে। মিলের জন্মলগ্ন থেকে দুইবার আমরা সরকারের কাছে চাল দিতে পেরেছি। বাদবাকি সময় যে দল ক্ষমতায় থাকে সেই দল সিন্ডিকেট চালায়। আমাদের লাইসেন্স আমরা চোখেও দেখি না। এখনো একই অবস্থা। আমাদের সই স্বাক্ষরও লাগে না। ওরাই সই করে, ওরাই বরাদ্দ নেয়।

বাসনা রাইচ মিলের বর্তমান মালিক রাশেদুজ্জামান বলেন, মিলটি চালাতে লোকসানে পড়তে হচ্ছিল, তাই বন্ধ করে দিই। আর ফুডের লাইসেন্সের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কোনো কাগজও হাতে পাইনি।

মিলটির আগের মালিক আমিনুল ইসলাম জানান, মিলটি চালু থাকা অবস্থায় ২০ বছর আগে তিনি ২০ লাখ টাকা সিসি লোন ওঠান। সেই লোন পরিশোধ করতে না পারায় সুদের টাকা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে তিনি ২ বছর আগে এই মিল বিক্রি করতে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন মিল মালিক বলেন, শুধু শেখ, বাসনা বা বিআর রাইচ মিলই নয়, মিরপুর এবং দৌলতপুর উপজেলায় চাল ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া চালকলের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অস্তিত্বহীন অথবা বন্ধ।

তারা অভিযোগ করে বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা যোগসাজসে দিনের পর দিন এই অনিয়ম করছেন। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রতিবাদের সাহস করে না। তবে এর প্রতিকার চেয়েছেন তারা।

অনিয়মের সত্যতা স্বীকার করে কুষ্টিয়া জেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন বলেন, মিরপুরের বেশিরভাগ চালকলের অস্তিত্ব নেই। দৌলতপুরেও একই অবস্থা। রাজনৈতিক কারণে আমরা কিছু বলতে পারি না।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মিরপুর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জিন্নাত জাহান বলেন, তিনজনের একটা কমিটি করে তালিকা তৈরি করে পাঠিয়েছিলাম। এরকম হওয়ার কোনো সুযোগ নাই। কারণ আমি মিলারদের বলেছি আমার ইন্সপেক্টর যদি কোনো মিলের তথ্য গোপন করে তাহলে আপনারা জেলা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত জানান, ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও প্ড়ুন – খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

কুষ্টিয়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আল ওয়াজিউর রহমান বলেন, প্রত্যেকটা সংগ্রহ মৌসুমের শুরুতেই আমাদের একটা সার্ভে হয়। এই মৌসুমে যে মিলটা ভালো আছে পরের মৌসুমে সেই মিলটা ভালো নাও থাকতে পারে। কেউ বিক্রিও করে দিতে পারে। যেসব মিলের অস্তিত্ব আছে বা চালু আছে আমরা সেই মিলগুলোকে সার্ভেতে রেখেছি। নোটিশ বোর্ডে এবং মিটিংয়ে তালিকা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা আছে সুনির্দিষ্টভাবে যদি কোনো মিল সম্পর্কে অভিযোগ থাকে, সঙ্গে সঙ্গে সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বরাদ্দ বাতিল করা হবে। যেসব মিলগুলোর বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে সেইগুলোর বিষয়ে ইমিডিয়েট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও প্ড়ুন – ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

চলতি আমন মৌসুমে কুষ্টিয়ায় ৪৭ টাকা কেজি দরে ১৯ হাজার মেট্রিকটন চাল ক্রয় করবে খাদ্য বিভাগ। আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি পর্যন্ত চলবে সংগ্রহ কার্যক্রম।

খোকসায় সাবেক কাউন্সিল তরুন গ্রেফতার

0
খোকসা থানার হোয়াটসআ্যাপ থেকে সংগৃহীত সাবেক কাউন্সিল আবুল কাশে তরুনের সংগৃহীত ছবি।

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম তরুনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিনগত রাত ৮টার দিকে খোকসা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিল আবুল কাশেম তরুন খোকসা কালীবাড়ি এলাকায় হাটাহাটি করছিলেন। এ সময় খোকসা থানার একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিক বার কাউন্সিল নির্বাচিত হন। তিনি কালীবাড়ি এলাকার মৃত ইউসুফ প্রামানিকের ছেলে।

আরও পড়ুন – ক্ষমতায় যেতে পারা নিয়ে তারেক রহমানের শঙ্কা

রাতেই পুলিশের হোয়াটসআ্যাপে আটক সাবেক কাউন্সিলর আবুল কাশেম তরুনের ছবি পোষ্ট করা হয়। সেখানে মামলার ধারা সহ জানানো হয়, সাবেক কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের সদস্য। তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা দিলো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন

সর্বশেষ সংবাদ

কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় বেড়েই চলেছে হামের সংক্রমণ। এ নিয়েছে জনমনে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আট মাস বয়সী ইব্রাহিম ও...

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের কোন সম্পর্ক নেই: আইনমন্ত্রী

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জুলাই সনদ একটি স্বতন্ত্র ও কার্যকর দলিল, যার বাস্তবায়নের সঙ্গে গণভোটের কোনো সম্পর্ক...

কুষ্টিয়া সীমান্তে দুইটি বোমাসহ চোরাকারবারী আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইটি বোমাসহ এক চোরাকারবারীকে আটক এবং বিপুল পরিমান ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ...

পেট্রোল রিজার্ভ থাকতেও দু’দিন বিক্রি বন্ধ রাখলো পাম্প কর্তৃপক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় মক্কা মদিনা নামের একটি পেট্রোল পাম্পোর আন্ডার গ্রাউন্ডে কয়েক হাজার লিটার পেট্রোল থাকলেও গতদুই দিন (শুক্র ও শনিবার) মোরসাইকেল চালকদের ফিরিয়ে...

কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আফরান নামে আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে...