খোকসায় আওয়ামী লীগের ভোট করার অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

0
41

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় বিএনপির সাবেক নেতাদের বক্তব্য ও দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে খোকসা উপজেলা সদরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জনাকৃর্ণ সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পৌর বিএনপির সদ্য নির্বাচিত সভাপতি মুন্সী এজেডজি রশিদ রেজা বাজু। তিনি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

এ লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কুষ্টিয়া – ৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী, খোকসা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী ও বর্তমান উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব অধ্যক্ষ আনিস উজ জামান স্বপন সদ্য (২ জুন) অনুষ্ঠিত পৌর বিএনপির সম্মেলন নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যাচার করেছেন। এ ঘটনাটিকে তারা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সামিল মনে করছেন। এ ব্যাপাবে তারা দলীয় ফোরামে বিচার দাবি করেন।

বর্তমান আহবায়ক কমিটির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ ও জাসদ পূনবাস করার অভিযোগ খন্ডাতে গিয়ে পৌর বিএনপির সভাপতি মুন্সী এজেডজি রশিদ রেজা বাজু বলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলীর দুই পাশে যে দুইজন চেয়ারে বসেন তারা খালেদা জিয়ার কুষপুত্তলিকা দাহ করেছিলেন। আওয়ামী লীগের সাথী হয়ে বিএনপির অফিস ভেঙ্গে ছিলেন।

এই নেতা সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী ও সৈয়দ আমজাদ আলী গংরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের হয়ে ভোট করেছে। মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অন্যদিকে দলীয় নেতা কর্মীরা হামলা মামলার শিকার হয়েছেন। তারা ফিরেও দেখেনি।

বিগত আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকান্ডে অংশ নেওয়া বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী ও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব আনিস উজ জামানের ছবি তুলে ধরেন সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতারা।

আরও পড়ুন – খোকসায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১১জন

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক নাফিজ আহমেদ খান রাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা শরিফ প্রমুখ।