গৃহবধূর লাশ উদ্ধারঃ হত্যার দায় স্বীকার করলেন স্বামীর

0
70

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া উর্মি খাতুনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তার স্বামী আবু বক্কর সিদ্দিক রানা (৩৫)।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট থেকে রানাকে গ্রেপ্তার করে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা।

রানাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে ক্ষিপ্ত ছিলেন রানা। বৃহস্পতিবার রাতে এই নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উর্মিকে মারধর ও গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করেন রানা। পরে বাইরে থেকে ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যান।

এর আগে শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে হাউজিং এফ বøকের একটি ভাড়া বাসা থেকে উর্মির মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

উর্মি খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মহিম মন্ডলের মেয়ে। ৫ বছর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকার রানা খানের সাথে উর্মির দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তারা স্বামী-স্ত্রী কাপড়ের ও খাবারের দোকান দিয়ে ব্যবসা করতেন। হাউজিং এফ বøকে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

আরও পড়ুন – প্রেসক্লাবের অভিযোগ বক্সঃ এক বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে ৪ অভিযোগ

সে সময় নিহতের ভাই আবু সাইদ অভিযোগ করেন, উর্মি ৫ বছর আগে রানাকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। রানা মাদকাসক্ত। এজন্য বেশ কয়েকবার জেলে গেছেন। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ ছিল। পারিবারিক কলহের জেরে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে উর্মিকে হত্যা করা হয়েছে। উর্মি ও রানা হাউজিং এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। তারা সিটি কলেজের সামনে কাপড় ও খাবারের দোকান দিয়ে ব্যবসা করতেন।

আরও পড়ুন – মানববন্ধন ও সমাবেশে হামলার অভিযোগ দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে