স্টাফ রিপোর্টার
পদ্মা নদী থেকে ধরা ডলফিন (শুশুক) নিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তবে শুশুকটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ।
কুষ্টিয়ার খোকসার আমবাড়িয়া ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামে যুবক সাদ্দাম হোসেন (৩০) পদ্মা নদী থেকে ধরা একটি শুশুক নিয়ে ভিডিও ধারণ করে। মঙ্গলবার সে ভিডিও তার নিজের ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। ভিডিওটি বন বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা বন কর্মকর্তা বাদি হয়ে খোকসা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ওই দিন (বৃহস্পতিবার) রাতে উপজেলা সদরের কলেজ রোড থেকে ভিডিও ভাইরাল করা যুবক সাদ্দামকে পুলিশ আটক করে। পরদিন শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতে সপর্দ করা হয়।
আটক যুবক সাদ্দাম হোসেন উপজেলার আমবাড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আব্দুল আওয়ালের ছেলে।
উপজেলা বন কর্মকর্তা কাজী গোলাম মওলা জানান, গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর ) যুবক সাদ্দাম শুশুক নিয়ে করা ভিডিওটি তার ফেসবুক সহ অনান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে। পর দিন বুধবার রাতে বন বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা যুবকের ভাইরাল ভিডিওটি উপজেলা বন কর্মকর্তাকে পাঠান। শুক্রবার তিনি যুবকের পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অভিযানে নামেন। ওই ভিডিওতে থাকা যুবক সাদ্দামের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তিনি বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।
বন কর্মকর্তা ও মামলার বাদি আরও জানান, শুশুক নিয়ে ভাইরাল ভিডিওর যুবকের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারলেও শিশুকটি উদ্ধার করতে পারেন নি। তিনি অনুমান করছে হয়তো শুশুকটিকে হত্যা করা হয়েছে।
খোকসা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈমুল ইসলাম জানান, শুশুকের সাথে ভিডিওতে থাকা যুবক সাদ্দামকে আটক করে আদালতে সপর্দ করা হয়েছে। শুশুকটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ওই যুবক পুলিশকে জানিয়েছে, তার বাড়ির পাশ দিয়ে একজন ভ্যান চালক শুশুক টিকে নিয়ে যাচ্ছিলো। সে সেখান থেকে শুশুকটি নিয়ে ভিডিও তৈরী করে ভ্যান চালকে ছেড়ে দেয়। তবে সাদ্দাম ওই ভ্যাচলকে চেনে বলেও জানিয়েছে।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও জানান, আটক যুবক সাদ্দামের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। রিমান্ডে পেলে তাকে নিয়ে এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভ্যানচালকে আটক করা হবে। তাকে (ভ্যান চালক) পেলে শুশুকের সন্ধান পাওয়া যাবে।






