বিদ্যুতের আগুনে বিথির সব স্বপ্ন পুড়ে গেলো

0
16
পুড়ে যাওয়া স্বপ্রে গোয়াল ঘরৈর সামনে কৃষাণী বিথি

স্টাফ রিপোর্টার

পল্লী বিদ্যুতের সার্ভিস লাইনের থেকে সৃষ্টি হওয়া আগুনে কৃষাণ দম্পতির স্বপ্নের গোয়াল ঘরটি পুড়ে গেলো। পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্র ফোনে সারা দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

কুষ্টিয়ার খোকসার মালিগ্রাম মধ্যপাড়ায় মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পল্লী বিদ্যুত সমিতির সার্ভিস লাইনের তার থেকে আগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। মুহুত্যের মধ্যে কৃষক দম্পতি রঞ্জু শেখ ও বিথি খাতুনের সদ্য তোলা ২৮ বন্দের (দৈঘ-প্রস্তের একক) সেমিপাকা টিনের গোয়াল ঘরটি পুড়ে যায়। আগুনের সূত্রপাতের সময় থেকে তারা শুধু চেয়ে চেয়ে দেখেছেন আর পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন দিয়েছেন। পরে গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেতায়। ততক্ষনে কৃষক দম্পতির নতুন ঘরসহ গরু খাবারের ৩ হাজার বিছালী ও ২ হাজার পাটকাঠি পুড়ে যায়।

কৃষাণী বিথি খাতুন (২০)। নিজের বাড়িতে ছোট একটি গরুর খামার করবে বলে প্রশিক্ষন নিয়েছেন। সমিতি থেকে ঋণ করে ঘর তুলেছেন। গরুর খারের জন্য বিছালী কিনেছেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনটি গরু কিনবেন। তার সব স্বপ্নই পুড়ে গেলো বিদ্যুতের আগুনে।

এ প্রতিবেদকের কাছে বিথি খাতুন বলেন, তখন সকাল ৯টা বাজে। এমন সময় বিথি দেখেন তার নতুন তৈরী করা গোয়াল ঘরে উপর দিয়ে তার নিজের বাড়ির মিটারের বিদ্যুতের সার্ভিস তারে আগুন হচ্ছে। সে তখন নিজে পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে ফোন করেন। ব্যস্ত পান। এর মধ্যে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে যান। ১০টার দিকে ঘরের চালের উপর তারে আবার আগুন জ্বলে ওঠে। তিনি আবার ফোন দেন। একই ভাবে ফোনটি ব্যস্ত পান। এরমধ্যে আগুনের তীব্রতা বেড়ে যায়। পরে মাঠের কৃষকরা এসে কয়েক দফায় চেষ্টার পর ফোনে সারা মেলে। বিদ্যুতের লাইন বন্ধ করা হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষানীর প্রতিবেশী হাফিজা খান জানান, আগুনের শুরু থেকে তিনিও পল্লী বিদ্যুতে ফোন দিয়ে ছিলেন। সারা পাওয়া যায়নি।

সন্ধ্যায় এ রিপোট লেখা সময় পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগ করা হলে কর্তব্যরত লাইনম্যান রুহুল আমিন এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি।

কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুত সমিতির খোকসা সাব জোনাল অফিসের এজিএম আব্দুল কাদির জেলানীর সাথে ফোনে কথা বলার জন্য কল করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেনি।