স্টাফ রিপোর্টার
২১ শে’র প্রথম প্রহরে বিদ্যালয়ের গেট তালাবন্ধ করে রাখায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে পরলো না শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীরা।
কুষ্টিয়ার খোকসায় শুক্রবার দিনগত রাতে একুশে ফেব্রæয়ারি প্রথম প্রহরে ঈশ্বরদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম জানান, ২১ ফেব্রæয়ারি সকাল ১০টার পর তিনি বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে আসারা অভিযোগ করেন, বিগত সময়ের মত ছাত্র, অভিভাবক ও এলাকার সাধারণ মানুষ ২১ শে’র প্রথম প্রহরে ঈশ্বরদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জমায়েত হন। কিন্তু বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী বিদ্যালয়ের গেটে তালা দিয়ে রাখেন। অনেক চেষ্টা করেও তার সারা পাওয়া যায় না । বিদ্যালয়ের গেটে সমবেতরা ক্ষুদ্ধ হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদেন না করে একে একে ফিরে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, এলাকাবাসীদের উদ্যোগে বিদ্যালয় চত্বরে ৩৫ বছর আগে শহীদ মিনারটি নির্মান করা হয়। এর পর থেকে এখানেই তারা জাতীয় দিবস গুলোতে নিয়মিত শ্রদ্ধা নিবেদন করে আসছেন। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারনে এবারে তারা শ্রদ্ধা জানাতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
ভ্যান চালক সুজয় বিশ্বাস জানান, ঘটনার সময় তিনি নিজে ছিলেন। স্কুলের গেটে তালা বন্ধ থাকায় কেউ স্কুলের ভিত ঢুকতে পারেনি। সবাই রাগ-বাগ করে চলে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, গত বছরেও স্কুলে মাইক এনে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া হয় কিন্তু এবারে হেড মাস্টার না আসায় যত বিপত্তি ঘটেছে। শহীদ মিনারে ফুল না দিয়ে সবাই ফিরে গেছে।
বিদ্যালয়ের নৈশ প্রহরী আব্দুল্লার সাথে কথা বলার জন্য চেষ্টা করা হয় কিন্তু সে সায়ংবাদিকের সাথে দেখা করেনি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার সময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। দায় এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেন। তিনি স্বীকার করেন ২১ ফেব্রæয়ারি বেলা ১০ টার দিকে তিনি বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে উপজেলাতে এসেছেন।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২১ এর প্রথম প্রহর বলতে রাত ১২টা ১ মিনিটকে বুঝায়। এ সময়ে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানোর সময়। বিদ্যালয়ের গেটে তালা দিয়ে রেখে সংশ্লিষ্টরা ঠিক করেননি।






