বিশেষ প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের ধুলায় নাকাল সাধারণ মানুষ। এটি এখন আর সাময়িক ভোগান্তি নয় এটি এখন পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রূপ নিয়েছে। অথচ প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।
জানা গেছে, কুষ্টিয়া – রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের কুমারখালী বাসস্ট্যান্ড মোড়সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইট বিছিয়ে তথাকথিত সংস্কার করেছে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
বাস্তবে ইট-বিছানো এই সড়কই এখন ধুলোর কারখানায় পরিণত হয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল করলে পুরো এলাকা ধুলার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে।
বাসস্ট্যান্ড এলাকার একজন চায়ের দোকানদার বলেন, দিনভর ধুলা উড়ছে। দোকানে বসে ব্যবসা করা অসম্ভব। খাবার-দাবার সব ধুলায় ঢেকে যাচ্ছে। আমরা স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে জীবিকা চালাচ্ছি।
সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালা ও অ্যালার্জির সমস্যা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা।
একজন যাত্রী বলেন, এ অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন যাবৎ। তবুও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চোখে পড়ছে না।
একজন ফল বিক্রেতা আরও কঠোর ভাষায় বলেন, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চলাচল করেন। তাঁরা কি ধুলা দেখেন না? নাকি সাধারণ মানুষের কষ্টের কোনো মূল্য নেই?
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসস্ট্যান্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ন্যূনতম পরিবেশ সুরক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। এটি দায়িত্বহীনতা নয় এটি চরম অবহেলা।
এ অবস্থায় অবিলম্বে সড়কটি স্থায়ী পাকাকরণ, ইট তুলে স্থায়ী নির্মাণ, নিয়মিত পানি ছিটানো ও ধুলা নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।






