ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি উদ্বোধন হলেও আড়াই বছরে সেবা কার্যক্রম চালু হয়নি।
জেলা সদর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরের সীমান্তবর্তী ভৈরবা সাকোর খাল এলাকায় গত সরকারের আমলে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল টি নির্মান করা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হাসপাতালটি ২০২৩ সালে উদ্বোধন করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ আড়াই বছরেও মন্ত্রনালয় থেকে লোকবল অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ফলে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের লাখো মানুষ জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালের কার্যক্রম চালু না হওয়ায় ভবনটি নষ্ট হচ্ছে। সদ্য নির্মিত ভবনের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাহারাদার না থাকায় হাসপাতালের মালামাল চুরি হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে এটি মাদক সেবিদের আখড়ায় পরিনত হয়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলফাজ উদ্দীন বলেন, “ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে যেতে হবে না। কিন্তু এখনো অসুস্থ হলে উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুই নষ্ট হচ্ছে।
শাহজাহান বলেন, মুন্ত্রী এসে হাসপাতাল চালুও করলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন ডাক্তারের দেখা পেলাম না।
ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রæত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।






