বৃহস্পতিবার, মার্চ ১৯, ২০২৬.
Home Blog Page 31

গঠনতন্ত্র মতে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়ার মৃত্যু জনিত কারনে বিএনপির চেয়ারপারসনের পদ শূন্য হয়ে গেছে। তবে দলটির গঠনতন্ত্রের ৭(গ) ধারা অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। এনিয়ে দলটির পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতার মাধ্যমে জানা গেছে, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তারেক রহমানই এখন দলের চেয়ারম্যান। তবে কৌশলগত কারণে তা ঘোষণা করা হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পুরো দেশ এখন শোকার্ত। তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক শুক্রবার শেষ হবে। দলীয়ভাবেও সাত দিনের শোক চলছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর খালেদা জিয়া দলটির হাল ধরেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আড়াই বছরের মধ্যে তিনি চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। সেই দায়িত্বের ৪১ বছর পূর্ণ হয় গত মে মাসে। এই দীর্ঘ সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি তিনবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় যায়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রæয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ২ অনুযায়ী চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারার নিয়মে তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রæয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। সেই থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।

এখন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গঠনতন্ত্রের ৭ (গ) ধারায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্বের উপধারা ৩ অনুযায়ী চেয়ারম্যান হয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, যে কোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বাকি মেয়াদের জন্য চেযয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।

গঠনতন্ত্রের এ বিধানের কারণে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের নিযুক্তির জন্য আলাদা কোনো ঘোষণা দেওয়ার দরকার নেই। যদিও দলের বিভিন্ন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এখনও তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মী নয়, পুরো দেশ অভিভাবকহীনতায় হয়ে পরেছে। তাঁর ছেলে তারেক রহমানও শোকে মুহ্যমান। এ রকম পরিস্থিতিতে দলের পদ-পদবি নিয়ে কারও কোনো চিন্তা নেই। তবে অবশ্যই তারেক রহমান এখন দলের চেয়ারম্যান।

দাদি খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করলেন জাইমা রহমান

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন তার নাতনি জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খালেদা জিয়ার সমাধিতে যান তারা।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে শায়িত করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।

এভারকেয়ার হাসপাতালে ৩৭ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। গত ২৩ নভেম্বর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়াকে।

কুষ্টিয়ায় তাজা আর্টিলারি শেল উদ্ধার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের গ্রাম থেকে একটি পুরোনো আর্টিলারি শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের দৌলতখালী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র ওয়ারেন্ট কর্মকর্তা মৃত আসমত উল্লাহর বসতবাড়ি থেকে এটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আর্টিলারি শেলটি উদ্ধারের পর স্থানীয় সেনা ক্যাম্পকে অবহিত করা হয়। পরে সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধানে শেলটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় এলাকাবাসীকে সতর্ক করতে মাইকিং করা হয়।

স্থানীয় সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার করা আর্টিলারি শেলটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর পাঠানো হয়েছে। তারা দ্রæত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে শেলটি নিরাপদভাবে নিষ্ক্রিয় করবে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, উদ্ধার করা আর্টিলারি শেলটি বর্তমানে সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধানে রাখা হয়েছে। পুলিশ এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

রঙ রেখায় প্রতিবাদ

0

শহীদ ওসমান হাদীকে ঘিরে আঁকা গ্রাফিতিটি রঙে রেখায় প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মার্কেটের দেয়াল জুড়ে গ্রাফিতি এঁকেছে বিজর শিক্ষার্থী সংগঠন। সদ্য সমাপ্ত গ্রাফিতিটি’র ছবি শুক্রবার বিকালে তোলা

কুষ্টিয়ায় বড়বাজারে কসমেটিক্সের গোডাউনে অগ্নিকান্ড

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের বড়বাজার তহ মার্কেটের একটি কসমেটিক্স এর গোডাউনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার বেলা ১২টায় তহ মার্কেটের নিউ সাদিয়া ট্রেডার্স নামের একটি কসমেটিক্স এর গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছায়। তারা প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গোডাউনটিতে মনোহারি, কসমেটিক্স ও খেলনাসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল মজুত ছিল। অগ্নিকান্ডে আনুমানিক ৪০লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সহকারী পরিচালক রফিকুজ্জামান জানান, আগুন লাগার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আধা ঘন্টার প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

শোমসপুর বালিকা বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই বিতরণ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার শোমসপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন বছরের শুরুর দিন পাঠ্য পুস্তক হাতে পেলো।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় নতুন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার মাধ্যমে বই বিতরন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরিফুজ্জামান বিল্লু, সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক স্বপন কুমার বিশ্বাস, মোঃ কামাল হোসেন, মোঃ তহাদি রহমান, মোঃ সামিউল ইসলাম প্রমুখ।

নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

ওদের থামায় কে রে

0

বছরের প্রথম দিন নতুন বই বিতরেনের উৎসব হয়নি। নতুন বই নিয়ে শিশুদের উচ্ছাসের কমতি ছিলোনা। সদ্য হাতে পাওয়া ঝকঝকে বই নিয়ে কে কার আগে বাড়ি যাবে এ প্রতিযোগীতায় মেতেছে ওরা। ওদের আজ থামায় কে রে। কুষ্টিয়ার খোকসার আল-হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদালয়ের শিশুরা নতুন বই পেয়ে খুশিতে মেতে উঠার ছবিটি বৃহস্পতিবার তোলা।

নতুন বই নিয়ে নদী পাড় হয়ে স্কুল থেকে ফিরছে শিশু সুমাইয়া

0

স্টাফ রিপোর্টার

সুমাইয়া এবার দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠলো। প্রতিদিন প্রকিূলতার সাথে যুদ্ধ করে খেয়া নৌকায় গড়াই নদী পার হয়ে ওরা তিন ভাই বোন একসাথে স্কুলে যায়। ওর এক প্রতিবেশী সাথী ছিলো। সে এবার ওদের স্কুল থেকে টিসি নিয়ে নদীর এপাড়ে ভর্তি হয়েছে। সুমাইয়ার বড় ভাই দশম শ্রেণির ছাত্র। সে অনেকটা শ্রবণ প্রতিবন্ধী। বড় রাস্তা (আঞ্চলিক মহাসড়ক) পাড় হওয়া সমস্যা। তাই তিন ভাই বোন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পাড় হয়ে স্কুলে যায়।

কুষ্টিয়ার খোকসার খানপুর-মোড়াগাছা ভূমিহীন পল্লীর ফরিদা খাতুন ও কবিরুল দম্পতির তিন সন্তান সিয়াম দশম শ্রেণির ছাত্র, সায়েম ৬ষ্ঠ শ্রেণি আর সুমইয়া এবার উঠলো দ্বিতীয় শ্রেণিতে। সবার ছোট সুমাইয়া গত দুই বছর আগে গড়াই নদী পাড় হয়ে হিজলাবট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলো। মা আর বড় দুই ভাই তাকে কোলে পিঠে করে খেয়া নৌকায় নদী পাড় করে স্কুলে নিয়ে যাওয়া শুরু করে। এবার সে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উঠলো। এখন একটু বড় হয়েছে। এখন সে সাঁতার জানে। তবে গরমের সময় নদীর চরের বালির মধ্যে দিয়ে হাটতে একটু কষ্ট হয়। গলা শুকিয়ে যায়। এবার তার একমাত্র সাথী অরনি নদীর এপারের (উপজেলা সদরের) স্কুলে ভর্তি হওয়ায় তার বয়সী আর কেউ রইল না। বড় ভাই সিয়ামের কারণেই তাকে নদী পাড় হয়ে বালুচর মারিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে স্কুলে যেতে হবে। গত দুই তিন বছর আগেও মোড়াগাছা, হিলালপুর, খানপুর ও হিজলাবট দ্বীপচর থেকে প্রায় ত্রিশজন শিশু শিক্ষার্থী গড়াই নদী পাড় হয়ে হিজলাবট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেবীনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস করতো। কিন্তু সন্ত্রাসী নিয়ন্ত্রনে ধুয়োতুলে ঘাটটি বন্ধ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীরা উপজেলা সদরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। কিছু দিন পর ঘাট টি আবার চালু হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের বছরের প্রথম দিন নতুন বই নিয়ে খেয়া নৌকায় নদী পাড় হয়ে বাড়ি ফিরছিল সুমাইয়া, সাইম ও তাদের মা ফরিদা। খেয়া ঘাটে দাড়িয়ে নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন তিনি। প্রায় ১৫ বছর আগে কৃষিশ্রমিক দম্পতি নদীর উত্তর পাড়ের খানপুর ভূমিহীন পল্লীতে আশ্রয় পান। কিন্তু বড় ছেলে সিয়াম কানে কম শোনা আর বড়রাস্তা পার হতে ভয় পাওয়ায় তাকে নদীর দক্ষিন পাড়ের হিজলাবটে ভর্তি করেন। তখন প্রতিদিন একমাত্র ছেলেকে স্কুলে নিয়ে যেতেন। এভাবে পর্যায় ক্রমে তিন সন্তানকে তিনি নদীর পাড় হয়ে হিজলাবটে ভর্তি করেন। আসা যাওয়া করেন ফরিদা। ঘাটের মাঝি আয়ুব আলী তার সন্তানদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেন না। আবার নদী পাড়ের স্কুলেও একটু সুবিধা আছে।

তিনি আরও জানান, কৃষি শ্রমিক স্বামী কবিরুল সকালে কাজে বেড়িয়ে গেলে সেও সন্তানদের নিয়ে স্কুলের উদ্যেশে বের হন। দুইজনে ফেরেন আবার বিকালে। তিনি সন্তান লালন করছেন।

এখানেই কথা হয় শিশু সুমাইয়ার সাথে। নদী পাড় হওয়া তার জন্য খুব সমস্যা না। দশম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়া দুই ভাই ছাড়া তার আর কোন সাথী নাই। এ ছাড়া গরমের সময় নদীর চর পাড়ি দেওয়া কষ্ট হয়। তৃষ্টায় গলা শুকিয়ে যায়। এখন সে সাঁতার জানে নদী পাড় হতে ভয় লাগে না। তয় (তবে) পানি যেখুন (যখন) বেশী হয় তখন একটু ভয় হয়। তখন বড় ভাই সাথে থাকালে সাহস হয়। তার বড় ভাই সিয়াম কানে শোনে না। তা ছাড়া বড় রাস্তা পাড় হতে ভয় পান। তাই তাকে নদী পাড় হয়ে স্কুলে যেতে হয়। বড় ভাই কানে শুলে তারা ওপাড়ের স্কুলে যেতোনা।

খেয়া ঘাটের মাঝি আয়ুব আলী জানান, একজন দিন মুজুরের তিনটে বাচ্চা পড়া লেখা করাচ্ছে তাই তিনি তাদের কাছ থেকে ঘাট খাজনা নেন না। আগে যখন ২৫/৩০ ছাত্র প্রতিদিন পাড় হতো তাদের কাছ থেকেও পাড়াপাড়ের জন্য খাজনা নিতেন না।

শ্বশুর বাড়ির উঠানে পাওয়া গেলে রাজমিস্ত্রির মরদেহ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্বশুর বাড়ির উঠান থেকে রানা আহমেদ (৩৫) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়ারদার পাড়ায় একটি বাড়ির উঠান থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রানা আহমেদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেশবপুর গ্রামের আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, রানা আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে মালিহাদ জোয়ারদার পাড়ায় তার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। বাড়ির উঠানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।

মিরপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল আজিজ জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। মরদেহের বাঁ চোখে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

অস্তাচলে বছরের শেষ সূর্য

0

জীবন অঙ্কের হিসেবের খাতায় শেষ হয় বছর। অস্তাচলে যায় সূর্য। নতুন বছরে নতুন সূর্য নিয়ে আসে নতুন হিসাবের সম্ভাবনা। কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদী তীর থেকে বুধবার ছবিটি তোলা।

বছরের শেষ স্নিগ্ধ গোধূলীর আলোয় মা কুকুরটি তার ক্ষুধাতুর ছানাদের দুধ পান করিয়ে ক্ষুধা নিবারনে ব্যস্ত। কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদীর তীর থেকে বুধবার ছবিটি তোলা।

সর্বশেষ সংবাদ

এসিল্যান্ড পরিচয়ে মুঠোফোনে ঈদের চাঁদা দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচয়ে মুঠোফোনে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে...

রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত বাচিক শিল্পী রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খোকসার কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ ময়দানে মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিকের জানাযার নামাজ...

ঈদে মিথিলার নতুন জামা হবে তো ?

মিথিলা। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ক্ষেত থেকে রসুন তুলে বিক্রি করে তবেই তাদের ঈদে নতুন জামা কেনা হবে। তাই বাবার সাথে জমি থেকে রসুন তুলে...

খোকসায় কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনি পুড়ে গেছে

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারের তালাবন্দ মুদির দোকানে মশা তাড়ানোর কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনিসহ বেশ কিছু মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও বাজারের নৈশ প্রহরীরা...

কুকুরে কামড়ে চার শিশু ও প্রতিবন্ধি বৃদ্ধাসহ সাতজন আহত

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় একগ্রামের চার শিশু, এক মানষিক প্রতিবন্ধি বৃদ্ধা ও ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি সহ সাতজনকে পাগলা কুকুরে...