শীতকালীন পেঁয়াজ আবাদ মৌসুম শেষে দিকে। সার সংকটে অনেক কৃষকের পেঁয়াজের দানা (চারা) বীজতলায় রয়ে গেছে। হাটে তোলার জন্য বীজ তলা থেকে পেঁয়াজের দানা তুলতে ব্যস্ত কৃষক। খোকসার থেকে ছবিটি তোলা।

আরও পড়ুন -ভারতীয় থেকে অবৈধ পথে আনা চিনি-জিরাসহ ‘সমন্বয়ক’ আটক


শীতকালীন পেঁয়াজ আবাদ মৌসুম শেষে দিকে। সার সংকটে অনেক কৃষকের পেঁয়াজের দানা (চারা) বীজতলায় রয়ে গেছে। হাটে তোলার জন্য বীজ তলা থেকে পেঁয়াজের দানা তুলতে ব্যস্ত কৃষক। খোকসার থেকে ছবিটি তোলা।



দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
ময়মনসিংহের ফুলপুরে অবৈধ ভাবে সীমান্ত পথে আনা ভারতীয় চিনি ও জিরাসহ সমন্বয়কসহ তার সহযোগীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে পৌর শহরের আমুয়াকান্দা বাজার এলাকায় একটি গোডাউন থেকে ভারতীয় মালামালসহ তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন ফুলপুর পৌর শহরের আমুয়াকান্দা এলাকার জিল্লুর রহমান হৃদয় (২৮) ও একই উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের পারতলা
গ্রামের মাসুদ রানা (২৬)। এর মধ্যে জিল্লুর রহমান হৃদয় নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক দাবি করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাদি।
তিনি জানান, অবৈধ ভাবে সীমান্ত পথে ভারত থেকে নিয়ে আসা বিভিন্ন পণ্য জিল্লুর রহমান গুদামঘরে রেখেছেন এমন তথ্য পায় যৌথবাহিনী। পরে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেলে তাকেসহ তার সহযোগী মাসুদ রানাকে আটক করা হয়। এসময় গুদামঘরে রাখা ১২১ বস্তা ভারতীয় চিনি এবং ১৫ বস্তা জিরাসহ একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আটক দুজন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পথে ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য এনে বিক্রি করতেন বলে ধারণা করছি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে তোলা হবে।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহের অন্যতম সমন্বয়ক আশিকুর রহমান বলেন, ‘ময়মনসিংহ জেলা ও উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো কমিটি নেই। যারা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তাদের অনেকে নিজেরাই কমিটি করেছেন। জিল্লুর রহমানকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তবে তিনি আন্দোলন করেছেন বলে জানতে পেরেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে তিনি অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে। প্রশাসনকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
খেজুরের গাছ থেকে ঝড়ে পরা বিন্দু বিন্দু রসে তৃষ্ণা নিবারণের জন্যই পাখিরা ছুটে এসেছে। খোকসার মাঠপাড়া থেকে মঙ্গলবার ছবিটি তোলা।


দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আরও এক দফা বাড়লো সোনার দাম। প্রতি ভরিতে ভালো মানের সোনা (২২ ক্যারেট) দাম বেড়েছে এক হাজার ৯৮৩ টাকা। এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনা বিক্রি হবে এক লাখ ৪১ হাজার ৪২৬ টাকায়। বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে সোনার নতুন এ দর কার্যকর হবে।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার এ মূল্য বৃদ্ধির তথ্য জানায়।
এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী (পিওর গোল্ড) সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সে কারণে সোনার দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস।
নতুন মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে এক লাখ ৩৪ হাজার ৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক লাখ ১৫ হাজার ৭১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৯৫ হাজার ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অপরিবর্তীত রয়েছে রূপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রূপার দাম ভরি দুই হাজার ৫৭৮ টাকা।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
বাবার জানাজা অনুষ্ঠান থেকে কণ্ঠশিল্পী মনির খান ও তার ছেলের মোবাইল খোয়া গেছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার মদনপুরে এ ঘটনা ঘটে।
মনির খান জানান, বাবার জানাজায় অনেক লোকের সমাগম হয়। কোনো এক ফাঁকে আমার ও ছেলের মোবাইল চুরি হয়। আমার গ্রামীণফোনের সিমটা অনেক পুরাতন। এখন পর্যন্ত ফোনটা উদ্ধারের ব্যাপারে কোনো তৎপরতা চালাইনি তবে কিছু জায়গায় আমি ইনফরমেশন দিয়েছি।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে গ্রামের বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন মনির খানের বাবা মাহবুব আলী খান (১০১)।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে দাফনের প্রায় ৩৮ দিন পর কবর থেকে তরিকুল শেখ (৩২) নামের এক ট্রাক চালকের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের উত্তর কয়া বাইত্লু মামুর কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। নিহত ওই ব্যক্তি একই এলাকার ছাবদ্লু শেখের ছেলে।
আদালতের নির্দেশে মরদেহটি উত্তোলনের সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন উদ্দিন, নিহতের স্বজন ও কয়েক শত উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।
স্বজনদেও দাবি, পাওনা টাকার জেরে তরিক্লুকে লোহার ডগ্রসগান দিয়ে হত্যা করে দুর্ঘটনার নাটক সাজিয়েছিলেন তার ট্রাকের হেলপার আল আমিন শেখ। ঘাতক হেলাপার খোকসার সিংঘড়িয়া চরপাড়া এলাকার আক্কাস আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, নিহত তরিকুল শেখ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্রাক চালক ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর তরিকুল ট্রাক চালিয়ে মোংলা বন্দরে থেকে পঞ্চগড় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কুষ্টিয়ার বাইপাস সড়কের জগতি এলাকায় পৌছালে তার কাছে মাদকদ্রব্য চান গাড়ির হেলপার আল আমিন শেখ (২৭)। সেসময় মাদক না দিলে লোহার গ্রিসগান দিয়ে তরিকুলের মাথা, গলা, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যা করে হেলপার আল আমিন। হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আল আমিন সড়ক দুর্ঘটনার নাটক সাজায় এবং সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হিসেবে ওই দিনই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি দাফন করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার দুদিন পর গত ১৬ ডিসেম্বর হেলপার আল আমিনকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ট্রাক চালক তরিকুলকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করে।
এ ঘটনায় ১৬ ডিসেম্বর নিহত তরিকুলের চাচা মো.আব্দুল্লাহ (৫৩) বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় হেলপার আল আমিনকে আসামি করা হয়। ১৭ ডিসেম্বর পুলিশ কবরস্থান থেকে মরদেহ উত্তোলনের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন। আদালত ২২ ডিসেম্বর মরদেহটি উত্তোলনের অনুমতি প্রদান করেন। আর প্রক্রিয়া শেষে বুধবার মরদেহটি উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে মামলার বাদী মো. আব্দুল্লাহ বলেন, তারিকুলের কাছে ৫০ হাজার টাকা চান হেলপার আলামিন। টাকা না পেয়ে তরিকুলকে লোহার গ্রিসগান দিয়ে হত্যা করে দুর্ঘটনার নাটক সাজিয়েছিল। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না? তা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানান তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. খায়রুজ্জামান বলেন, মাদকদ্রব্য (গাঁজা) চেয়ে না পাওয়ার কারণে চালককে হত্যা করেছিল হেলপার আল আমিন। আদালতের জবানবন্দিতে আসামি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। বর্তমানে আসামি কারাগারে রয়েছেন।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.মহসিন উদ্দিন জানান, আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে কবর থেকে মরদেহটি উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোঃ খাঁন বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট রেজিম প্রতিষ্ঠা করেছিল। আওয়ামী লীগ ১৬ বছরে দেশে লুটপাট, চাঁদাবাজি, গণহত্যা, গুম-খুনের ভয়াল রাজত্ব কায়েম করেছিল। শেখ মুজিব ৭১ পরবর্তী দেশে গণহত্যা চালিয়েছিলো। জাসদসহ বিভিন্ন দলের ত্রিশ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ২৪ সালে এসে হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার গণহত্যা চালিয়েছে। ফ্যাসিষ্ট আ’লীগ দুই বার দেশে গনহত্যা চালিয়েছে। তাই তৃতীয়বার আওয়ামী লীগকে গণহত্যার সুযোগ দেব না।
বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের একটি হোটেলে “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া এবং মাদক দুর্নীতি দুঃশাসন চাঁদাবাজ মুক্ত বৈষম্যহীন সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে তারুণ্যের ভাবনা” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি রকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল রাজন, পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ব্যাংকার রাসেল আহমেদ, মিশন আলী, ছাত্র অধিকারের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আল সোয়াইব মেরাজ প্রমুখ।
রাশেদ খাঁন অভিযোগ করে বলেন, ঝিনাইদহে দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজী ও দুর্নীতি হচ্ছে। এভাবে দখলদারিত্ব চলতে থাকলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহিদদের আত্মত্যাগ নসাৎ হবে। তিনি বলেন, দেশে এখন তারুণ্য নির্ভর পরিবর্তনের রাজনীতি শুরু হয়েছে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে শ্রমিকদল ও জাসদ নেতা মিলেমিশে সাবেক এক সরকারি কর্মকর্তার মার্কেটের ২২ দোকান দখল করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দখল হয়ে যাওয়া মার্কেটের দোকান গুলোর দাম প্রায় ৬ কোটি টাকা।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও উপজেলা জাসদের যুগ্ম সম্পাদক কামাল বিশ্বাস ওই মার্কেটটি দখলে নেন। মার্কেটের একটি ঘরে উপজেলা শ্রমিকদলের কার্যালয় করা হয়েছে। টাঙানো বিএনপি কেন্দ্রিয় নেতাদের ছবি।
ভুক্তভোগী সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মোমতাজ আলী শেখ বলেন, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদল নেতা আব্দুল হান্নান আমার দুইটা দোকানঘর দখল করে নেন। পরে মার্কেটের ২২টি দোকানের সবগুলোই তারা দখল করে নেন।
তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, কুমারখালী থানায় বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না। পুলিশের ভাষ্য, বারবার নিষেধ করার পরও তারা কোনো কথাই শুনছেন না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে হানিফ মিয়া নামের একজন তার ৪৩ দশমিক ৫০ শতক জমির মধ্যে ৩৩ শতক জমি এওয়াজ (বিনিময়) দলিলে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মাঝগ্রামের মৃত আফসার আলী শেখের ছেলে মোমতাজ আলী শেখের কাছে হস্তান্তর করেন। এরপর সেখানে মোমতাজ আলী ২২টি সেমিপাকা দোকানঘর নির্মাণ করেন। দোকানগুলো থেকে তিনি প্রতিমাসে নিয়মিত ভাড়া উত্তোলন করতেন। ৫ আগস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ও উপজেলা জাসদের যুগ্ম সম্পাদক কামাল বিশ্বাস জোরপূর্বক তার দুটি দোকান দখল করে নেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দখল করা দুটি দোকানের একটিতে বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতাদের ছবি টাঙিয়ে রাখা হয়েছে। অপরটি ভাড়া দেওয়া। বাকি ২০টি দোকানে মোমতাজের ভাড়াটিয়া থাকলেও জোরপূর্বক ভাড়া উত্তোলন করছেন হান্নান ও কামাল বিশ্বাস।
মাকের্টের ভাড়াটিয়া রুহুল আজম বলেন, ‘২০০৭ সালে দোকানটি মোমতাজের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে তাকেই নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসছিলাম। কয়েকদিন আগে কামাল বিশ্বাস মার্কেটের ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দাবি করেন। প্রথমে ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালেও পরে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। পরে আমরা কামাল বিশ্বাসকে ভাড়া দিয়েছি।’
তবে শ্রমিকদল নেতা হান্নান বিশ্বাসের দাবি, জমিটি ২০০৭ সালে মূল মালিকের কাছ থেকে কিনেছেন কামাল বিশ্বাস। আওয়ামী লীগের সময় প্রশাসন দিয়ে মোমতাজ আলী জমিটি জমি দখল করে নেন। ৫ আগস্টের পর ফেরত নেওয়া হয়েছে। তবে হান্নান এবং কামাল বিশ্বাস এ-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তাদের কাগজপত্র ও দলিল আদালতে জমা রয়েছে বলে জানান।
মোমতাজ শেখ বলেন, ‘আমার জমি কেনার ২৬ বছর পর কামাল বিশ্বাস একটি জাল দলিল তৈরি করে আদালতে মামলা করেন। ওই জাল দলিল আদালত আটকে দিয়েছেন। আমার পক্ষে আদালত আদেশ দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা আমার জমিটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। পরে আমি কামাল বিশ্বাসের নামে দেওয়ানী মামলা করি। ওই মামলায় আদালত ২২টি দোকানঘরের রক্ষণাবেক্ষণ মেরামত ও ভাড়া বিলের মাধ্যমে বা স্বয়ং দখল ভোগ করার অধিকার আমার পক্ষে আদেশ দেন। কুমারখালী থানার ওসিকে সামগ্রিক বিষয়ে তদারকির জন্য নির্দেশ দেন আদালত। তবে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কুমারখালী থানা পুলিশ।
জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা কুমারখালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মারজান বলেন, মোমতাজ শেখের কাগজপত্র সঠিক আছে। আদালতের আদেশও তার পক্ষে। আমি একাধিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দোকানের ভাড়া তুলতে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা কোনো কথাই শুনছেন না।
উপজেলা জাসদের সভাপতি জয়দেব বিশ্বাস বলেন, কামাল বিশ্বাস উপজেলা জাসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে দেখছি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে চলাফেরা করছেন। বর্তমানে তিনি জাসদের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় নন।
এ বিষয়ে উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কিয়াম বিশ্বাস বলেন, শুনেছি জায়গা নিয়ে মামলা রয়েছে। দখলের বিষয়টি জানি না। আমি ওই অফিসে যাই না, বসিও না।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক ও বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১জানুয়ারি) বিকালে কুষ্টিয়া মোহিনী মোহন মিল মাঠে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সার্বিক তত্ত¡াবধানে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসের বাস্তবায়নে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) ফয়সাল মাহমুদ। এ সময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পার্থ প্রতিম শীল, কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ তানভীর হোসেন, কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আল মামুন সাগরসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্টে কুষ্টিয়া পৌরসভাসহ পাঁচটি উপজেলা অংশগ্রহণ করছে। সকালের খেলায় কুষ্টিয়া পৌরসভার বালিকা দল জয়ী হয়। এরপর পৌরসভার বালক দল, সদরের বালিকা, মিরপুরের বালক, খোকসার বালিকা এবং দৌলতপুরের বালক দল জয়ী হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান বলেন, খেলাধুলা শরীর ও মন ভালো রাখে। নেশা ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই। দেশ এবং সমাজ পরিবর্তনের জন্য বেশি বেশি এ ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করার উপরের তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার অংশ গ্রহনের জন্য ব্যাংকে ফিসের টাকা জমা দেওয়ার পর রশিদ দেখিয়ে কলেজ থেকে প্রবেশ পত্র নিতে হচ্ছে। কিন্তু কলেজের অনেক পরিচ্ছন্ন জায়গা থাকলেও শিক্ষার্থীদের লাইনে দাঁড় করা হয়েছে ময়লার ভাগারের পাশে। খোকসা সরকারি ডিগ্রী কলেজ থেকে তোলা ছবি।


