সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬.
Home Blog Page 195

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা করেছে পাহাড়ি ছাত্ররা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

খাগড়াছড়িতে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং গোলাগুলির ঘটনার জেরে জেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজেরে ইন্সট্রাক্টর (বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স) ও বিভাগীয় প্রধান নিহত শিক্ষক আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোহেল রানা।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) দুপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান।

জেলা প্রশাসক জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল বাতেন মৃধা গণমাধ্যমকে জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই শিক্ষক সোহেল রানাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিল পাহাড়ি ছাত্রছাত্রীরা। বেশ কয়েক বছর আগে সোহেল রানার বিরুদ্ধে এক পাহাড়ি ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা হয়েছিল। ওই ছাত্রী আদালতে এসে পাহাড়ি একটি সংগঠনের চাপে মামলা করেছে মর্মে সাক্ষ্য দিলে সোহেল রানা খালাস পান এবং চাকরিতে যোগদান করেন।

সোহেল রানা চাকরিতে যোগদানের পর থেকে পাহাড়ি ছাত্ররা তার বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানির নানা অভিযোগ এনে প্রত্যাহার দাবি করে আসছিল। আজও ত্রিপুরার এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন – বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

এদিকে, শিক্ষককে হত্যার প্রতিবাদে পাহাড়ি ও বাঙালি ছাত্রদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভাঙচুর হয়েছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র। আহত হয়েছেন ১৫-২০ জন। নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার দাবি করলেও পুরো শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ভোরে চোর সন্দেহে খাগড়াছড়িতে মামুন (৩০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এরপর অশান্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। যার জেরে পরবর্তীতে পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই জেলায় (খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি) ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুরে বজ্রপাতে সাজীদ (১৭) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ আক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের কামিরহাটে সাজীদ নিহত হয়। সে কামিরহাট গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে। বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সে বজ্রপাতের শিকার হয়।

আরও পড়ুন – অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদন্ড

ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলেন, সাজীদ কামিরহাট বাজার থেকে সাইকেল নিয়ে বাড়ী যাচ্ছিলো। সে সময় বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে সাজীদ মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মুত ঘোষণা করেন।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা হাবিবুল্লাহ বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুইজনকে কারাদন্ড

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর গড়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার অপরাধে দুই কিশোরকে ৫ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়ার সৈয়দ মাসুদ রুমী সেতু এলাকায় এ অভিযান চালিয়ে কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন-উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া সাঁওতা গ্রামের মো. রঞ্জুর ছেলে মো. তুর্য (১৮) ও মো. হাবিলের ছেলে মো. জিন্নাহ শেখ (১৮)।

আরও পড়ুন – চাকরির বয়স সীমার আন্দোলনকারীদের প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস

বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ (খ) ধারায় আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল আরাফাত। আদালত পরিচালনায় সহযোগীতা করেন কুমারখালী থানা পুলিশ।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আমিরুল আরাফাত বলেন, অবৈধভাবে গড়াই নদী থেকে বালু উত্তোলন করার অপরাধে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দুইজনকে ৫ দিন করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চাকরির বয়স সীমার আন্দোলনকারীদের প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

সরকারি চাকরির আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার জন্য আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেছেন অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাতে গেলে এ আশ্বাস দেন তিনি। সাক্ষাৎ শেষে যমুনা থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিদলের সমন্বয়ক রাসেল।

সমন্বয়ক রাসেল বলেন, আমাদের দাবির পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। দাবি বাস্তবায়নে তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস দীর্ঘ জার্নি করে এসেছেন। এজন্য উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টা আলোচনা হয়েছে আমাদের। আলোচনার সময় চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর সুপারিশ কমিটির প্রধান সাবেক সচিব ও সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর সঙ্গে মোবাইলে আমাদের কথা হয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছেন, ‘চাইলেই আজকে প্রজ্ঞাপন নিতে পারেন। কিন্তু এটার একটা প্রসেস আছে, সেই প্রসেসের মধ্যেই হবে।’

আরও পড়ুন – ক্রসফায়ারে নিহতের পরিবার ৫ বছর পর মামলা করলো

আগামীকাল জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে আমাদের টিম আলোচনা করবে। মূলত দাবি বাস্তবায়নের জন্য আলোচনা হবে। এ আলোচনার প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন সমন্বয়ক রাসেল।

এ সমন্বয়ক আরও বলেন, সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। এটি যৌক্তিক। দাবি বাস্তবায়নের জন্য তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এখনই আমাদের আন্দোলন স্থগিত নয়। এখান থেকে আমরা সরে শাহবাগে যাবো, সেখানে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেবো পরবর্তী আন্দোলন কি হবে।

ক্রসফায়ারে নিহতের পরিবার ৫ বছর পর মামলা করলো

0

সাবেক এক এসপিসহ পুলিশের কর্মকর্তারা আসামী হয়েছেন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় দৌলতপুরে ক্রসফায়ারে তিনজন নিহতের ঘটনায় পরিবার থেকে মামলা করা হয়েছে। ক্রসফায়ারের ৫ বছর পর স্থানীয় থানায় এ এজাহার দেয় নিহতের পরিবার।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে দৌলতপুর থানায় পৃথকভাবে তিনটি এজাহার জমা দেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। একটি মামলায় কুষ্টিয়ার সাবেক পুলিশ সুপার তানভীর আরাফাতসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ মে যুবদলকর্মী আলতাব হোসেন পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হন। ২০২০ সালের ২৫ জুলাই ক্রসফায়ারে নিহত হন বিএনপিকর্মী কুদরত আলী। আর ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হন বিএনপিকর্মী মদন আলী। এই তিন পরিবারের পক্ষ থেকে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমানের কাছে পৃথক তিনিটি এজাহার দাখিল করা হয়।

মামলায় কুষ্টিয়ার তৎকালীন পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত, দৌলতপুর থানার সাবেক ওসি শাহ দারা খান, আরিফুর রহমান ও ইন্সপেক্টর নিশিকান্তসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। একইসঙ্গে এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।

ক্রসফায়ারে নিহত মদন আলীর ভাই ও মামলার বাদী কদম আলী সাংবাদিকদের বলেন, আমার ভাই মদন আলী বিএনপি করতো। আওয়ামী লীগের লোকজন তাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে চাপ দিতো। কিন্তু সে তাতে রাজি না হওয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা দিয়ে পুলিশকে দিয়ে ক্রসফায়ারে দিয়েছে।

আরও পড়ুন – নিজ পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, বিগত ১৫ বছর মামলা করার মতো কোনো পরিবেশ ছিল না। বর্তমানে দেশে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হওয়ায় মামলাগুলো করা হয়েছে।

দৌলতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, এজাহারগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিজ পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা

0
নিহত চেয়ারম্যানের ফাইল ছবি।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক ইউপি চেয়ারম্যানকে নিজ পরিষদে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) এই ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। গুলিতে নিহত ওই ইউপি চেয়ারম্যানের নাম নঈম উদ্দিন ওরফে সেন্টু (৫০)। তিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো এ দিনও সকালে ইউনিয়ন পরিষদের কর্যালয়ের নিজ কক্ষে বসে পরিষদের কাজ করছিলেন চেয়ারম্যান নঈম উদ্দিন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার চেয়ারের পেছনে থাকা জানালা দিয়ে দুর্বৃত্তরা তাকে কয়েক রাউন্ড গুলি করে। গুলির শব্দে স্থানীয়রা ছুটে আসলে তাদেরকেও লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর স্থানীয়রা চেয়ারম্যানের কক্ষে তালা মেরে রাখে। এ নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে আসলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশকে ঘটনাস্থলে যেতে বেগ পেতে হয়। সাংবাদিকরা ছবি নিতে গেলে তাদের উপর চড়াও হয় একটি পক্ষ। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত চেয়ারম্যানের লাশ ইউনিয়ন পরিষদের ভেতরেই ছিল।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ কান্তি নাথ বলেন, চেয়ারম্যান নিজ কক্ষের চেয়ারেই বসে ছিলেন। তাকে পেছন থেকে জানালা দিয়ে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় এবং ফ্লোরে লুটিয়ে পড়েন । ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় আগুনে পুড়ে কৃষকের দুই গরুর মৃত্যু

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, বিএনপির রাজনীতি করলেও তিনি অনেক দিন নিস্ক্রিয় ছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে হাত মিলিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছেন এবং তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে তার সখ্যতা ছিল।

দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, চেয়ারম্যান নঈম উদ্দিন সেন্টু এক সময় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন তিনি নিরপেক্ষ ছিলেন। রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না।

খোকসায় আগুনে পুড়ে কৃষকের দুই গরুর মৃত্যু

0
প্রতিকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় গোয়াল ঘরে মশা তাড়ানোর কয়েলের থেকে জ্বলে ওঠা আগুনে এক কৃষকের দু’টি গরু পুড়ে মারা গেছে।

রবিবার দিনগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার একতারপুর ইউনিয়নের চর দশকাহুনিয়া গ্রামে প্রান্ত্রিক কৃষক শ্রীবাস সরকারের গোয়াল ঘরে আগুন লাগে। মুহুত্যের মধ্যে ঘরটিতে আগুন ছড়িয়ে পরে। গ্রাম বাসীরা পানি দিয়ে আগুন নেভাতে ক্ষমহয়। কিন্ত ততক্ষনে কৃষকের গোয়াল ঘরে বেঁধে রাখা একটি গাভী ও একটি বড় ষাড় গরু পুড়ে মারা যায়। যার আনুমানিক মূল্য তিন লাখ টাকা।

আরও পড়ুন- ইবি-কুমারখালী রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চালুর দাবীতে স্মারকলিপি পেশ

প্রত্যক্ষদর্শী কানু বিশ্বাস, রাত ৩টার দিকে কৃষক শ্রীবাস সরকারের বাড়িতে আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় গ্রামবাসী আগুন নেভাতে উদ্যোগ নেয়। প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়নন্ত্রনে আসে। কিন্তু তার আগেই কৃষকের দুটি গরু আগুনে পুরে মারা যায়।

কৃষক শ্রীবাস সরকার জানান, গরু গুলো তার পূজি ছিলো। প্রতিদিনের মত দুর্ঘটনার রাতে তিনি গরুর ঘরে মশা তাড়ানোর কয়েল জ্বেলেদিয়ে এসেছিলে। মশা তাড়ানোর কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। এ ছাড়া তার (কৃষকে) সাথে গ্রামের কারো কোন বিরোধ নেই। সে তার এমন ক্ষতি করতে পারে।

 

ইবি-কুমারখালী রুটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চালুর দাবীতে স্মারকলিপি পেশ

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে কুমারখালী পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সার্ভিস চালুর দাবীতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা কুমারখালী থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পর্যন্ত বাস চালুর দাবি করে। এ স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, জেলার কুমারখালী-খোকসা অঞ্চল থেকে প্রায় ১৫০-২০০ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাতায়াত করে। এদের অধিকাংশই মেয়ে শিক্ষার্থী। প্রতিমাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াত বাবদ তাদের অতিরিক্ত তিন থেকে চার হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। এর সাথে সড়ক দুর্ঘনার ঝুঁকিও রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস সার্ভিসের ফি পরিশোধ করার পরও বাস সার্ভিস থেকে বঞ্চিত রয়েছি। আমাদের পরিবহন সমস্যার কারণে অনেক সময় বিলম্বে পৌঁছাতে হয়। পরীক্ষার সময় এ ধরণের বিলম্বের কারণে আমাদের অনেক বড় বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু আমরা যারা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান, তাদের পক্ষে নিয়মিত অতিরিক্ত গাড়ি ভাড়া দিয়ে ক্যাম্পাসে যাতায়াত করা ব্যয়সাধ্য। প্রতিনিয়ত আমাদেরকে অটো, ভ্যান ইত্যাদি যানবাহনের মাধ্যমে যাতায়াত করতে হয়, যা আমাদের জন্য ব্যয়বহুল। তাই আমাদের এলাকার শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ক্যাম্পাস-পান্টি-কুমারখালী রুটে বাস সার্ভিস চালু করার দাবি জানাই।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনির হোসেন সিএনজিতে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। প্রতিনিয়তই অনেক শিক্ষার্থী ছোট-বড় বিভিন্ন ধরনের সড়ক দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী চায়না খাতুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস শিডিউলে কুমারখালী পর্যন্ত দেওয়ার দাবি জানাই। সেই সঙ্গে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানাই। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর প্রাণ এভাবে ঝরে যাবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে হলেও এটির বাস্তবায়ন দেখতে চাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুলসুম খাতুন বলেন, যদি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিগত ৩০ বছর ধরে কুমারখালী-খোকসা অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের একটি যৌক্তিক দাবিকে উপেক্ষা, অবজ্ঞা এবং অবহেলা না করতো। তাহলে হয়ত ঠুনকোভাবে কোনো শিক্ষার্থীর প্রাণ ঝরবে না।

নিহত শিক্ষার্থী মনিরের বাবা বিল্লাল হোসাইন বলেন, কুমারখালী থেকে বাস চললে হয়তো এমন দুর্ঘটনা নাও ঘটতে পারতো। আর যেন কারো সন্তান না হারায়, সেজন্য তিনি দ্রæত বাস চালুর দাবি জানান।

২০২১ – ২০২২ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রাকিব জোর্য়াদ্দার বলেন, শরীর নিয়ে চলাফেরা সমস্যা। হোস্টেলে বা মেসে থাকাও সমস্যা। বাস চললে খুবই উপকার হতো, খরচও বাঁচতো। তাঁর ভাষ্য, পার্শ্ববর্তী শৈলকুপা উপজেলায় যদি বাস চলাচল করে। তাহলে কুমারখালী থেকে কেন নয় ? এটা আমাদের যৌক্তিক দাবি।

সোহানুর রহমান সোহান নামের আরেকজন শিক্ষার্থী বলেন, তার মা হোটেলে কাজ করে। বিভিন্ন জনের আর্থিক সহযোগীতায় ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়েছি। এখন টিউশনি করে পড়াশোনা চালিয়ে নিচ্ছি। বাড়ি থেকে ইজিবাইক করে প্রতিদিন ক্যাম্পাসে যাওয়া আসি করি। এতে প্রতিদিন ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা খরচ। আবার অনেক সময় ক্লাস মিস হয়ে যায়। অথচ প্রতি পরীক্ষায় ৯০০ টাকা বাস সার্ভিস পরিশোধ করা লাগে। যদি বাস চলতো মাসে প্রায় দুই – তিন হাজার টাকা বেঁচে যেত। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২ – ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র এবং কুমারখালীর যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ কে বার বার ফোন দিলেও তিনি কলটি রিসিভ করেন নাই। আবার ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ইবির নতুন পরবিহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, এ সেক্টরে অনেক অনিয়ম-দুর্নীতি দেখেছি। আমি সকল প্রকার অনিয়ম-দুর্নীতি নির্মূল করতে কাজ করবো। শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।

মহানবীকে নিয়ে কটূতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ভারতে রাসুল পাক সাঃ ও ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তির প্রতিবাদে ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন মুছল্লিরা।

রবিবার উপজেলা ওলামা ও ইমাম পরিষদের আয়োজনে স্থানীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে মহ্রেশপুর সরকারী কলেজ স্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।

আরও পড়ুন – মাইক্রোবাস কেড়ে নিলো দুই সহদরসহ চার শিশুর প্রাণ

এখানে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহেশপুর কওমি মাদ্রাসার সহসভাপতি নাজির আহমেদ, উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মুফতি রফিকুল ইসলাম ও ওলামা পরিষদ মহেশপুর শাখা সেক্রেটারি সরোয়ার হোসেন প্রমুখ।

মাইক্রোবাস কেড়ে নিলো দুই সহদরসহ চার শিশুর প্রাণ

0

স্টাফ রিপোর্টার

কোরআন পড়ে মক্তব থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাইক্রোবাস চাপায় নিহত দুুুই মেয়ে নুসরাত ইসলাম মারিয়া ও তানজিলার শোকে হতবিহল হয়ে পরেছেন বাবা পাালন মিয়া ও নাজমা খাতুন দম্পতি। একই দুঘটনায় নিহত চার স্কুল ছাত্রীর বাড়ি ও গ্রাম জুড়ে শোকের মাতম চলছে। গ্রামে কবর স্থানে পাশা-পাশি কবরে দাফন করা হলো তিন পরিবারে চার কন্যা শিশুকে।

মধ্যবিত্ত এই কৃষক পিতার স্বপ্ন ছিল মেয়েরা লেখা পড়া শিখে বড় কিছু হবে। তাই জেনারেল শিক্ষার পাশা-পাশি ধর্মীয় শিক্ষার জন্য বাড়ির পাাশের মসজিদের মক্তবে দিয়ে ছিলেন। কিন্তু সব স্বúœই সড়কে পিষে গেছে। এখন আর কোন প্রত্যাশা নেই দুই মেয়ে হারা পালন মিয়ার। ছোট মেয়ে তানজিলা আগেই কোরআন ধরেছিল। আজ (রবিবার) বড় মেয়ে মারিয়া কোরআন ধরেছে। এ জন্য তিনি দুই কেজি বাতাসা (মিষ্টি) দিয়ে সকালে মক্তবে পাঠিয়ে ছিলেন তাদের। কিন্তু মেয়েরা বাড়ি ফিরলো লাশ হয়ে।

রবিবার সকাল তখন সাাড়ে ৬ টা। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের খোকসার শিমুলিয়া কুঠিপাড়া গ্রামের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া গামী ঘাতক মাইক্রোবাসের নিচে চাপা পরে ৫ মেয়ে শিক্ষার্থী। চালক পালিয়ে যায়। আটকা পরা মাইক্রো বাসের যাত্রী ও শিশুদের উদ্ধার করে স্থানীয়রা। শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের সময় গাড়িটি সড়কের পাশের একটি পুকুরে পরে যায়।

পাালন মিয়া ও নাজমা খাতুন দম্পতিার তিন সন্তানের মধ্যে মারিয়া ও তানজিলা ছিল বড়। ছোট ও একমাত্র ছেলে আশরাফ। সেও বোনদের মারা যাওয়ায় ভেঙ্গে পরেছে। তাকে ঘিরেই পরিবারের লোকরা মাতম করছেন।

মিম নামের ৫ম শ্রেণি ছাত্রীকে ঘটনা স্থল থেকে মৃত অবস্থা উদ্ধার করা হয়। সপ্তম শ্রেনির ছাত্রী তানজিলা খতুন ও নুসরাত ইসলাম মারিয়া মারা যায খোকসা ও কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নেবার পথে। তারা আপন দুই বোন। শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যায়ে সপ্তম শ্রেনির ছাত্র ছিল। এ ঘটনায় নিহত মিম তাদের আপন চাচাত বোন। সে পড়ত গ্রামের পূর্বাসা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেনিতে। অপর নিহত জুুথি একই স্কুলের একই শ্রেনির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় অপর আহত ফাতেমাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেও একই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। তাদের সবার বাড়ি শিমুলিয়া কুঠিপাড়ায়। বাড়িও পাশা-পাশি।

আরও পড়ুন –শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন করতে আসা ছাত্রলীগ পালালো

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা সড়কে বাঁশ দিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে দুর্ঘটনা রোধে ¯েøাগান দিতে থাকে। এ সময় সড়কের দুই কিলোমিটার জুড়ে যাত্রবাহী বাস ও ট্রাক দাঁড়িয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হয়। চার ঘন্টা পর বেলা ১১ টার দিকে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের মধ্যস্তায় অবরোধ তুলে নেয় গ্রামবাসী।

নিহত শিশুদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরলে শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পূর্বাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একদিনের ছুটি ঘোষনা করা হয়। নিহতদের পরিবারের পাশে সমবেদনা জানাতে হাজার নারী পুরষের ঢল নামে। একসাথে এতো লাশ দেখেনি গ্রামের মানুষ।

দুপুর পৌনে ১টায় তিন ছাত্রী লাশ বাহী আ্যাম্বুলেন্স বাড়ির সামনের সড়কে আসার পর স্বজনহারাদের আহজারি নতুন মাত্রা পায়। নিহতের স্কুলে শিক্ষক সহপাঠি, প্রতিবেশী আত্মীয়দের আত্মনাদে পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। পরে বিকালে শিমুলিয়া কুঠিপাড়া ঈদগাহ মাঠে চার কোরআন শিক্ষার্থীর নামাজে যানাজার করা হয়। এরপরে স্থানীয় কবর স্থানে পাশাপাশি তাদের দাফন করা হয়।

কুঠিপাড়াা মসজিদের ইমাম ও মক্তবের একমাত্র শিক্ষক আব্দুল হক জানান, সকাল সাড়ে ৬ টায় মক্তবের প্রায় ১৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে ছুটি দেওয়া হয়। তিনি মসজিদের ছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দ পেয়ে তিনি বেড়িয়ে আসেন। এসেই নিজের ছাত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

স্থানীয়রা জানান, মক্তবের শিশুরা সড়কের ডান পাশ দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় ঢাকা থেকে আসা কুষ্টিয়া গামী মাইক্রোবাসটির চালক উল্টো দিকে ঢুকে শিশুদের চাপা দেয়। পাঁচ শিশুই মাইক্রো বাসের নিচে চাপা পরে। ঘটনা স্থলেই একশিশু মারা যায়। পরবর্তিতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় আরও তিনজন।

একসাথে দুই কন্যা হারা নাজমা খতুনকে ঘিরে আছেন কয়েক’শ প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজন। তিনি শুধু মেয়েদের কথা বলে বিলাপ করছেন। পাশেই নিহতের দাদি বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন। তাকে সুস্থ্য করতে চেষ্টা করছেন প্রতিবেশীরা। একটু দূরেই নিহতদের বাবা পালন বসে শুুধু ঘামছেন। তিনিও শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছেন।

কয়েকে দফা চেষ্টার পর ছোট করে বললেন, কার কাছে আর অভিযোগ দেব। আমার যা হবার হয়ে গেছে। আমার আর কি করার আছে। আশা ছিল মেয়েদের লেখা পড়া শিখিয়ে মানুষের মত মানুষ করার। মেয়েরা নিজের ইচ্ছাতেই কোরআন পড়তে যেত। আজ বড় মেয়ে কোনআন ধরবে বলে আগের রাতেই তিনি মিষ্টি কিনে এনে রেখেছিলেন। সকালে তিনি নিজেই মেয়েদের ডেকে আগের রাতে আনা মিষ্টি দিয়ে মক্তবে পাঠিয়ে ছিলেন। সব নিভে গেলো।

শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যায়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান জানান, ছাত্রী হিসাবে নিহত দুই বোন বেশ ভালো ছিল। পড়ার প্রতি আগ্রহ ছিল। বাবা গরিব মানুষ হলেও মেয়েদের লেখা পড়ার ব্যাপারে তার চেষ্টা ছিল।

সপ্তম শ্রেণির ছাত্র খাদিজা সহপাঠিদের মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছে না। সে ঘাতক ড্রাইারের বিচার দাবি করে।

নিহতদের প্রতিবেশী তোরাব আলী। ১০ বছর ধরে কবর কাটছেন। কিন্তু একসাথে এতো কবর কাটেননি। তিনি এতো শিশুর মৃত্যু এক সাথে দেখেন নি।

কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ ওসি আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, এঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পরিবার যদি মামলা করে তিনি নেবেন। আর তা না হলে পুলিশ বাদি মামলা হবে। ঘাতক চালককে আটকে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদক উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। উদ্ধারকৃত এসব মাদক ও...

ঝিনাইদহের সাড়ে ৪ হাজার কৃষক কৃষিঋণ থেকে মওকুফ পেয়েছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঝিনাইদহ জেলায় ৪ হাজার ৫৫১টি কৃষক পরিবার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সুযোগ পেয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতির আওতায় দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা থেকে...

শ্রেনিকক্ষে ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় বিদ্যালয়ের পিয়ন গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের পিয়ন মো.হামিদুল ইসলামকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে...

দৌলতপুরে কথিত পীরকে পিটিয়ে হত্যা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পবিত্র কোরআন শরীফ নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর (৫২) নামে কথিত এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা...

খোকসায় প্রকাশ্য বাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় প্রকাশ্য বাজারের দুর্বৃত্তরা এক যুবককে গুলি করে অপর এক রং মিস্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করে ফেলে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা...