নির্মাণ শুরুর চার বছর পর সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মাহমুদ দিদার পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবি ‘বিউটি সার্কাস’-এর শুটিং শেষ করা হয়েছে। সম্প্রতি সাভারের একটি শুটিং স্পটে ছবির শেষ ধাপের শুটিং হয়।
এ ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, ফেরদৌস, গাজী রাকায়েত, এসএম মহসীন, শতাব্দী ওয়াদুদ, এবিএম সুমন প্রমুখ।
শুটিং শেষ হওয়ার পর এখন ছবির কারিগরি অংশের কাজ চলছে। এগুলো শেষ হলে আগামী মাসে সেন্সরে জমা দেয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে মধ্য ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা মাহমুদ দিদার।
তিনি বলেন, ‘সামান্য কয়েকটি দৃশ্যের জন্য অনেকদিন ধরেই অপেক্ষায় ছিলাম। সেটি সম্পন্ন হওয়ার পর এখন আর কোনো বাধা নেই এটি মুক্তি দিতে।
আমরা ডিসেম্বরকেই টার্গেট করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলেও করোনাভাইরাসের বিষয়টিকেও মাথায় রাখতে হচ্ছে। তবে আশা করছি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।’ এর আগে গত বছর ছবিটির এক মিনিটের একটি টিজার প্রকাশ হয়েছিল। তা দেখেই অনুমান করা হয় ছবিটিতে দুর্দান্ত লুকে প্রতিটি চরিত্রকে হাজির করেছেন নির্মাতা। এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে জয়া আহসানকে একজন সার্কাস কর্মীর ভূমিকায় দেখা যাবে।
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে রাসেল হোসেন (২০) নামের ইবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুরে উপজেলার ত্রিবেণী ইউনিয়নের শেখপাড়া গ্রামে। নিহত ছাত্র ওই গ্রামের আমজাদ মোল্লার ছেলে। সে ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট এন্ড স্ট্যাডিজ বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।
পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, রাতের খাবার খেয়ে নিজ রুমে ঘুমিয়ে ছিল শিক্ষার্থী রাসেল। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে তাকে সাপে কামড় দেয়। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ওঝার কাছে ঝাড়ফুঁকের জন্য নিয়ে যায়। পরদিন রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ “কিছু মানুষ” নিয়ে লিখবো। তবে সব মানুষ নিয়ে নয়। সমাজে শত রকম মানুষ বাস করে। প্রত্যেক মানুষ প্রত্যেক মানুষ থেকে আলাদা হবে। কারোর সাথে কারোর মিল থাকবে না। এটাই স্বাভাবিক। এটাই প্রত্যেক মানুষ বা ব্যক্তির ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবোধ। তবে কিছু সাধারণ বিষয়ে প্রত্যেক মানুষের মধ্যে সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি খুঁজে পাওয়া যায়।
যেটা দিয়ে মানুষের সাধারণীকরণ (মবহবৎধষরুধঃরড়হ) বা সরলীকরণ করা যায়। সরলীকরণ হলো, সকল মানুষের ভাবনা ভিন্ন হলেও অনেক বিষয়ে বিশেষ করে সাধারণ কোন বিষয়ে মানুষের সকল ভাবনা বা মনোভাব একরকম হবে। যেমন, উপকারীর উপকার স্বীকার করা, মানুষের বিপদে এগিয়ে আসা, কাউকে ক্ষতি না করা, মানুষ হিসেবে মানবিক হওয়া, ইত্যাদি বিষয়।
অর্থাৎ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম। এসব বিষয় মানুষের জীবন কার্যক্রমে সাধারণ বা স্বাভাবিক বিষয়। এসব সাধারণ বিষয় হলো মানুষের সাধারণীকরণের মানদন্ড বা প্যারামিটার। এখন মানুষের সেই সাধারণীকরণ বা সরলীকরণের বিষয়ের দিকে নজর দেয়া যাক।
শুরুতেই বলেছিলাম, সমাজে শত রকম মানুষের বসবাস। সব মানুষই আপনার বিপদে সাহায্য করবে, আপনার ভাল কাজকে ভাল চোখে দেখবে, আপনাকে সৎ পরামর্শ দিবে মানে সাধারণীকরণ করবে; বিষয়টি অত সহজভাবে সবাই ভাবেনা। কিছু মানুষ আপনার বিপদে সাহায্য করবে না। এমনকি আপনার আত্মীয় স্বজনদের কেউ কেউও আপনার বিপদে এগিয়ে আসবে না। অথচ আপনার সমালোচনা করতে কুন্ঠাবোধ করবে না। আপনার বিপদে পরামর্শ দিলে আপনি হয়তো বিপদ থেকে মুক্ত হতে পারতেন। অথচ তারা আপনাকে সাহায্য করবে না। তারা মানে, ঐ কিছু মানুষ অন্যদের কাছে বলে বেড়াবে, আপনি তাদের সাহায্য নিচ্ছেন না। তাদের সাহায্য চাইতে গেলে তখন কিন্তু আর তারা আপনার আহ্বানে সাড়া দিবে না। তারা তাদের নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। আপনাকে একাই সংগ্রাম করতে হবে। তাই কারোর দিকে তাকিয়ে থেকে কোন লাভ নেই।
এই কিছু মানুষ আপনার সাহায্য পেয়ে সুনাম করবে। তাদের কেউ কেউ আবার উপকারের মধ্যে আপনার দোষ খুঁজে বেড়াবে। আর উপকার করা বন্ধ করে দিলে আপনার বদনাম করা শুরু করে দিবে। তাদের স্বার্থে কাজ করলে আপনি ফেরেশতা। আর তাদের স্বার্থে আঘাত পড়লে আপনি হবেন তখন খুব খারাপ একটা মানুষ।
এই “কিছু মানুষ” সমাজে অতীতেও ছিল। এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তবে এই কিছু মানুষের উপর রাগ করে নিজে কষ্ট পাওয়া বোকামী ছাড়া কিছুই নয়। এসব নিয়ে ভাবলে নিজেরই শারিরীক ও মানসিক ক্ষতি। পারলে এদেরকে উপকার করবেন। এরা আপনাকে ক্ষতি করলেও আপনি তাদেরকে উপকার করতে না পারলেও ক্ষতি করবেন না। কারণ, কিছু মানুষ খারাপ হলেও আপনাকে ভাল হতে হবে। তাদের পছন্দ না করলে এড়ায়ে চলুন। নিজের মত করে থাকুন। জীবনে বেশী ঝামেলা নিয়ে বেঁচে থাকলে আপনারই ক্ষতি। কেননা, এই কিছু মানুষ আপনার মনে কষ্ট বাড়িয়ে দিয়ে তারা কিন্তু ঠিকই আরাম আয়েসে জীবন কাটাবে। তাই যত কম ঝামেলা হয়, সেভাবে চলুন। ঝামেলামুক্ত জীবন গড়ুন।
অধ্যাপক, ড.মুন্সী মুর্তজা আলী, লোক প্রশাসন বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়ার খোকসার গ্রামে সুতা তোলার ববিন মেশিনে বিদ্যুৎ দেওয়ার সময় তড়িতাহত হয়ে এক তাঁতীর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে উপজেলার শিমুলিয়া গ্রামে। নিহত তাঁতীর নাম বাবু (৪৫), সে এই গ্রামের সোবাহান এর ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানাগেছে, সকালে ভেজা হতে নিজের বাড়ির ববিন মেশিনে বিদ্যুতের সংযোগ দিতে যায় বাবু। এ সময় সে তড়িতাহত হয়। পরিবারের লোকেরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তড়িতাহত বাবু কে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তারা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছেন।
ঝিনাইদহের শৈলকুপার ছোট মৌকুড়ি গ্রামের কাতলাগাড়ী রোডের পাশে থেকে এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।
শনিবার সকালে স্থানীয়রা নায়েব আলী বাড়ির পাশে লাশটি দেখে থানা পুলিশকে জানায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃত ব্যক্তির পরনে একটি হালকা নীল রঙ্গের পুঙ্গী ছিল। তার মাথা ন্যাড়া করা।
শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, কে বা কারা অজ্ঞাত ব্যক্তিকে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। তিনি আরও জানান লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নারী প্রতি সহিংশতা বৃদ্ধি রোধের দাবিতে সাংস্কৃতিক ও রানৈতিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত করেছেন।
ঝিনাইদহে মানব বন্ধন
শনিবার সকালে শহড়ের পায়রা চত্বরে মানব বন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার শুধু শিশু ও নারীই নয় সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তারা ধর্ষণ বিচার আইনের সংশোধন দাবি করেন। অন্যথায় সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলেন বক্তারা হুশিয়ারী দেয়।
ঋণের টাকা পরিশোধ করতে বিক্রিকরা একদিনের সন্তান ফেরত পেলেন প্রতিবন্ধি মা হাসিনা। সাথে পেলেন সরকারি ঘর ও ভাতার কার্ড।
গত মঙ্গলবার লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মা হাসিনা বেগম (৩৫) একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান প্রসব করেন। অভাবের মাঝে সন্তানকে প্রতিপালনের চিন্তায় পড়েন মা হাসিনা। এ দিকে ঋনের টাকা পরিশোধ করতে তার স্বামী জোকতার আলীর এক দিনের শিশুকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেদেন।
একদিনের সন্তান বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করলেন মা এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি দেখে ঢাকা মেট্রোপটলিটন পুলিশের গোয়ন্দা শাখার (ডিবি) এডিসি আহসান খানসহ জেলা প্রশাসক আবু জাফরের নির্দেশে শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মনসুর উদ্দিন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম শিশু বিক্রেতার মার বাড়িতে যান। অবশেষে ওই রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রতিবন্ধী হাসিনার কোলে নব জাতককে তুলে দেওয়া হয়।
হাসিনা বেগম আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের টেপারহাট গ্রামের জোকতার আলীর স্ত্রী। তিনি একই এলাকার তালুক হরিদাস নয়াটারী গ্রামের মৃত আজিজার রহমানের মেয়ে।
করোনাকালে মাঠে কাজ না থাকায় বেকার হয়ে হাসিনা বেগম স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে সংসার চালান। দেনা হয়ে যান প্রায় ১০ হাজার টাকা। এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে হাসিনা বেগম একটি ফুটফুটে ছেলে সন্তান প্রসব করেন।
বগুড়ায় মালামাল লুটে ব্যর্থ হয়ে দুর্বৃত্তরা এক প্রতিবন্ধী যুবককে হত্যা করেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের আতাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রতিবন্ধি শিপন গ্রামের দিলবর হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, রাতে তিনজন দুর্বৃত্ত মৃত রশিদ ড্রাইভারের বাড়িতে ঢুকে মালামাল লুটের চেষ্টা করে। এ সময় ওই বাড়িতে উপস্থিত প্রতিবন্ধী শিপন চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
শাজাহানপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেন, দুর্বৃত্তরা একটি মোবাইল ফোন ছাড়া অন্য কোনো মালামাল লুট করতে পারেনি। দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
শাহবাগে ধর্ষণবিরোধী মহাসমাবেশ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ নয় দফা দাবি জানিয়েছে বামধারার ছাত্র সংগঠনগুলো।
‘ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বাংলাদেশ’ ব্যানারে শুক্রবার বিকালে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ শুরু হয়।
সমাবেশ থেকে ধর্ষণ ও নিপীড়ন বন্ধে নয় দফা দাবি উত্থাপন করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স।
তাদের দাবিগুলো মধ্যে রয়েছে, সারা দেশে অব্যাহত ধর্ষণ-নারীর প্রতি সহিংসতার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণ, নিপীড়ন বন্ধ ও বিচারে ‘ব্যর্থ’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।
শাহবাগের ধর্ষন বিরোধী মহা সমাবেশ
পাহাড়-সমতলে আদিবাসী নারীদের ওপর সামরিক-বেসামরিক সব ধরনের যৌন ও সামাজিক নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে।
হাই কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতন বিরোধী সেল কার্যকর করতে হবে। সিডো সনদে স্বাক্ষর ও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক সব আইন ও প্রথা বিলোপ করতে হবে।
ধর্মীয়সহ সব ধরনের সভা-সমাবেশে নারীবিরোধী বক্তব্য শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে। সাহিত্য, নাটক, সিনেমা, বিজ্ঞাপনে নারীকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন বন্ধ করতে হবে। পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে বিটিসিএলের কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।
তদন্তকালীন সময়ে ভিকটিমকে মানসিক নিপীড়ন-হয়রানি বন্ধ করতে হবে। ভিকটিমের আইনগত ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
অপরাধ বিজ্ঞান ও জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়িয়ে অনিষ্পন্ন সব মামলা দ্রুত নিষ্পন্ন করতে হবে।
ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইন ১৮৭২-১৫৫ (৪) ধারা বিলোপ করতে হবে এবং মামলার ডিএনএ আইনকে সাক্ষ্য প্রমাণের ক্ষেত্রে কার্যকর করতে হবে।
পাঠ্যপুস্তকে নারীর প্রতি অবমাননা ও বৈষম্যমূলক যে কোনো প্রবন্ধ, নিবন্ধ, পরিচ্ছেদ, ছবি, নির্দেশনা ও শব্দ চয়ন পরিহার করতে হবে।
গ্রামীণ সালিশের মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
এ সময় প্রিন্স বলেন, “আমরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক জাগরণ তৈরি করব সারা দেশে। ধর্ষণকে উচ্ছেদ করে ছাড়ব এ দেশ থেকে।”
ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মেনে না নেওয়া হলে তারা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ অভিমুখে ধর্ষণবিরোধী লংমার্চ করবেন।
দাবি আদায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করে তিনি বলেন, ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিৎ করার দাবিতে ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে বাম ধারার ছাত্র সংগঠনগুলো প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেবে।
এছাড়া ১১ অক্টোবর ধর্ষণবিরোধী আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ১২ অক্টোবর সাংস্কৃতিক সমাবেশ, ১৩ অক্টোবর চলচ্চিত্র উৎসব, ১৪ অক্টোবর নারী সমাবেশ ও ১৫ অক্টোবর সারা ঢাকায় ধর্ষণবিরোধী সাইকেল র্যালির কর্মসূচি ঘোষণা করেন অনিক।
পূর্বঘোষিত এই মহাসমাবেশের শুরুতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন।
প্রায় আট মাস বন্ধ থাকার পর চিকিৎসাসহ নয় ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ফের ভিসা আবেদন নেওয়া শুরু করেছে ভারতীয় হাই কমিশন।
করোনা মহামারীর মধ্যে শুক্রবার হাই কমিশনের এক বিবৃতিতে অনলাইনে এ আবেদন গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, মেডিকেল, ব্যবসা, চাকরি, এন্ট্রি, সাংবাদিক, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, জাতিসংঘ কর্মকর্তা ও জাতিসংঘ কূটনীতিক ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যাবে।
করোনাভাইরাস মহামারী রূপ নেওয়ার পর গত ১২ মার্চ থেকে ভারত বিদেশিদের ঢোকা বন্ধে প্রায় সব ধরনের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানায়।
আকস্মিক ওই সিদ্ধান্তে বিড়ম্বনা ও দুর্ভোগের মুখে পড়েন ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভিসা গ্রহণকারী বাংলাদেশিরা।
ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এক কোটি ৩৭ লাখ ৩০ হাজার ২৮২ বিদেশি ভারত ভ্রমণ করেছেন।
তাদের মধ্যে প্রথম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ২৮ লাখ ৭৬ হাজার। কেবল ২০১৯ সালে বাংলাদেশিদের জন্য ১৫ লাখ ভিসা দিয়েছিল প্রতিবেশী দেশটি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা, ব্যবসা, বেড়ানোসহ বিভিন্ন কারণে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে প্রবেশ করেন, যাদের ১০ শতাংশের বেশি যান চিকিৎসা নিতে।
ইন্ডিয়ান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একটি হিসাব অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া বিদেশিদের ৪৫ শতাংশই যান বাংলাদেশ থেকে।
ভ্রমণসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে ভিসা আবেদন নেওয়া ‘শিগগির’ শুরু হবে বলে জানিয়েছে হাই কমিশন।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর পরিচিতি পাওয়া আব্দুর রহমান শামীমের (৬৫) আস্তানায় হামলা ও হত্যা মামলায় এক স্কুলছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার ফিলিপনগর...
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের পর তাসনিয়া আফরিন (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার দিনগত রাত আটটার দিকে শহরতলীর মোল্লাতেঘরিয়া...
স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার খোকসায় উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুনার্মেন্টের ছেলে ও মেয়েদের একাদশের ফাইনাল খেলা দু’টি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছেলেদের একাদশে ১-০ গোলে আমবাড়িয়া ও...