মঙ্গলবার, মার্চ ২৪, ২০২৬.
Home Blog Page 83

মানবপাচার ও প্রতারণার অভিযোগ ৭ বিয়ে করা রবিজুল গ্রেপ্তার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ভালো বেতনে আরামের চাকরির প্রলোভন দিয়ে আর্থিক প্রতারণা ও মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৭ বিয়ে করা কুষ্টিয়ার সেই রবিজুল ইসলামকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার সকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে মানবপাচার ও আর্থিক প্রতারণার বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান।

রবিজুল ইসলাম কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের পাটিকাবাড়ি গ্রামের মিয়াপাড়ার আয়নাল মন্ডলের ছেলে। ৭জন নারীকে বিয়ে করা ও একসাথে ঘর-সংসার করায় রবিজুল ব্যাপক আলোচিত-সমালোচিত মুখ৷
তিনি ১৫ বছর লিবিয়াতে ছিলেন।

পুলিশ জানায়, রবিজুল মানবপাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য। কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষকে লিবিয়ায় ভালো বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় পাঠিয়ে তাদেরকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার শিকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রবিজুলের এমন প্রলোভনে পড়ে লিবিয়ায় যান কুষ্টিয়ার তানজির শেখ (২২)। এরপর লিবিয়ার মানবপাচার চক্রের কাছে তাকে বিক্রি করে দেন রবিজুল। লিবিয়ায় মানবপাচার চক্রের টর্চার সেলে দীর্ঘ নয় মাস বন্দী করে রাখা হয় তাকে। নয় মাস সেখানে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। ঠিক মতো খেতে দেওয়া হতো না। বেঁধে রাখতো, তিনবেলা লোহার রড ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হতো। বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিটের ভিডিও পরিবারকে পাঠিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হতো। অবশেষে মুক্তিপণ নিয়ে তানজিরকে ছেড়ে দিয়েছে মানবপাচারকারী চক্র। ৯ জুলাই দেশে ফিরেছেন তানজির শেখ।

তানজির কুষ্টিয়া পৌরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের জগতী স্টেশন বাজার এলাকার সিরাজ শেখের ছেলে। আড়াই বছর আগে কুষ্টিয়ার রবিজুল দালালের মাধ্যমে ট্যুরিস্ট ভিসায় লিবিয়ায় গিয়েছিলেন তিনি। ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে থেকে দফায় দফায় ৩৪ লাখ টাকা নিয়েছে রবিজুল। সেসব টাকা ফেরত ও রবিজুলের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

রবিজুলের খপ্পরে পড়ে নির্যাতনের শিকার ভুক্তভোগী যুবক তানজিরের ওপর চালানো নির্মম নৃশংস নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর তাকে আইনের আওতায় আনতে মাঠে নামে পুলিশ। অবশেষে গ্রেপ্তার হন রবিজুল।

এই চক্র সম্পর্কে তানজির আরও বলেন, লিবিয়ার ওই মাফিয়া চক্রে ১৫-২০ জন সদস্য রয়েছে। তাদের মধ্যে ৫-৭ জন লিবিয়ার নাগরিক। প্রধান মাফিয়া লিবিয়ার আলী। উনি ওসামার ভাগ্নে বলে পরিচিত। মাফিয়া চক্রের সাথে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন যুক্ত আছে। তাদের বাসা মাদারীপুর, সিলেট ও শরীয়তপুর। তাদের মধ্যে একজনের নাম পিচ্চি সোহেল, তার বাড়ি মাদারীপুর আর কুষ্টিয়ার রবিজুল।

তানজিরের বাবা সিরাজ শেখ বলেন, ভালো চাকরি ও ভালো বেতনের প্রলোভন দিয়ে আমার ছেলেকে লিবিয়ায় পাঠায় রবিজুল। তার সাথে ১১ লাখ টাকায় চুক্তি ছিল। প্রথমে ৫ লাখ টাকা দিই, এরপর আমার ছেলেকে লিবিয়াই পাঠিয়ে দেয়। এরপর বাকি ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করি। এরপর ইতালি পাঠানোর কথা বলে আমার ছেলেকে মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়। ছেলে বন্দি থাকা অবস্থায় রবিজুল আরও ২৫ লাখ টাকা দাবি করে। এর কিছুদিন পর রবিজুল বাড়ি থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে যায়। এরপর নলখোলা গ্রামের আলামিন নামে একজন আমাদের সাথে যোগাযোগ করে এবং আমার ছেলেকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করবে বলে প্রলোভন দেয়। সে ১৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা নেয়। এতে কোনো কাজই হয়নি। এরপরে মাফিয়াদের পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে আমি আমার ছেলেকে ছাড়িয়ে এনেছি। রবিজুল ও আলামিনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই। একই সাথে আমি আমার টাকা ফেরত পেতে চাই।

আরও পড়ুন – ন্যায্য মুজরী পায়না শিশু শ্রমিকরা

নির্যাতনের শিকার তানজিরের মা চম্পা খাতুন বলেন, রবিজুল দালাল প্রলোভন দিয়ে আমার ছেলেকে বিদেশে পাঠায়। এরপর তাকে মাফিয়াদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। মাফিয়ারা মুক্তিপণের দাবিতে আমার ছেলেকে বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন করে, মারপিট করেছে। আমার ছেলে মরা মানুষের সাথে শুয়ে ছিল। রবিজুল আমাদের ৩৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় বিয়ের আগের রাতে কনের বাড়িতে ডাকাতি

ন্যায্য মুজরী পায়না শিশু শ্রমিকরা

0

কৃষিতে খন্ডকালীন শিশু শ্রমিকের সংখ্যা আশঙ্খা জনক হারে বেড়েছে। কিন্তু এসব শ্রমিক তার ন্যায্য মুজরী পায় না। সারাদিন জলাশয়ের পানিতে বুক পর্যন্ত ডুবিয়ে বড়দের সাথে সমান তালে তারাও পাট ধোয়ার কাজ করে। একজন পূর্ণ বয়স্ক শ্রমিককে প্রাত্যহিক ৮শ টাকা মুজরি দেওয়া হয়। কিন্তু একজন শিশু শ্রমিকের মুজরী হয় কাজের উপর (পাটের হাতা গুনে)। এক হাতা পাট ধুয়ে দিলে কৃষক তাকে দেয় এক টাকা ৫০ পয়সা। সাড়া দিনে দেড়শো হাতা পাট ধুলে তাকে দেওয়া হয় ৪৫০ টাকা। এক বিলে ১৬ জন শ্রমিকের মধ্যে ১২ জনই ছিলো শিশু শ্রমিক। তারা সবাই ৭ম শ্রেণিতে পড়া লেখা করে। কুষ্টিয়ার খোকসার মালিগ্রাম বিল থেকে রবিবার দুপুরে ছবি গুলো তোলা।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আটক

আরও পড়ুন – খোকসায় বিয়ের আগের রাতে কনের বাড়িতে ডাকাতি

খোকসায় বিয়ের আগের রাতে কনের বাড়িতে ডাকাতি

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার গ্রামে বিয়ের আগের রাতে কণের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। কনেসহ ৫ নারীর আত্মীয়ের সব গহনা ও বিয়ে খরচের টাকা লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতরা।

শরিবার দিনগত গভীর রাতে উপজেলা শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর গ্রামের বিধান রায়ের বড় মেয়ে সাথি রানীর বিয়ের আগের রাতে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১০-১২ জন ডাকাতরা বিয়ে বাড়ির আলোকসজ্জার বৈদতিক বাতি নিভিয়ে দিয়ে ডাকাতি শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টা ধরে ডাকাতরা সর ঘরে তল্লাসী চালায়। ডাকাতরা বিয়ের কনের নাকের নাক ফুল, গলার মালা, হাতের কাকনসহ প্রায় তিন ভড়ি সোনার গহনা নিয়ে যায়। এ ছাড়া বিয়ে উপলক্ষে আসা নারী আত্মীয়দের চার জনের প্রায় ৪ ভড়ি সোনার গহনা ও বিয়ে খরচের নগদ প্রায় ৫০/৬০ হাজার টাকাও নিয়ে যায়। রাতেই থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়েছিল।

ভুক্ত ভোগী বিধান রায় জানান, রাত ২টার পর হঠাৎ বাড়ির আলোকসজ্জার আলো নিভে যায়। তিনি বাড়ির উঠানে নেমে আসেন। এ সময় বিয়ের প্যান্ডেলের কাপড়ের আড়াল থেকে ৫/৬ জন লোক এসে আকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর তার চোখ ও হাত বেঁধে ফেলে। স্ত্রীসহ পরিবারের লোকদের ডাকে তুলতে বাধ্য করে। এর পর অতিথি ও বাড়ির নারীদের মারপিট শুরু করে। ঘরে ঘরে তল্লাসি চালিয়ে মেয়ের বিয়ের গহনাসহ আত্মীয়দের কয়েক ভরি সোনার গহনা খুলেনেয়। প্রায় ১ ঘন্টা পর ডাকাত ঘর তল্লাসী বন্ধ করে। এ সময় তার স্ত্রী ঘর থেকে বেডিয়ে এসে তার হাত মুখ চোখের বাঁধন খুলেদেয়।

তিনি আরও জানান, ডাকাতদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র ও মচিরা ধরা কয়েকটি বন্দুক ছিল। তারা তাকে বারবার “ফুটিয়ে দেব বলে” হুমকী দিয়েছেন। ডাকাতরা মেয়ের গহনা, বিয়ে খরচের টাকা তো নিয়েছে আত্মীয়দের ৫/৬ লাখ টাকার গহনা নিয়ে গেছে। তাকেসহ বাড়ির নারীদের মারপিট করেছে।

বিয়ের পাত্রীর মা লিপি রানী রায় জানান, দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি একটি ঘরে শুয়েছিলেন। স্বামী বিধান রায় ছিলেন ঘরের বারান্দায়। ডাকতরা তার স্বামীকে আটকে মারপিট শুরু করলে তিনি ঘরের দরজা খুলে উঠানে নেমে আসেন। ডাকাতরা বিয়ের আসর খরচের টাকাও নিয়ে গেছে। বিয়ের কন্যার নাক ফুলটিও রেখে যায়নি।

লিপি রানী বলেন, ডাকাতির ঘটনার পর তার পুরো পরিবার আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যেও মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে। পরিবারের বড় মেয়ের বিয়ের আনন্দ বিষাদে ভরে উঠেছে।

প্রতিবেশী শিপ্রা রানী জানান, বিয়ের রাগের রাতে বর যাত্রী ও নিমন্ত্রিতদের জন্য তার বাড়িতে রান্না চলছিল। গভীর রাতে হঠাৎ তার বাড়ির আলোও নিভিয়ে দেয় ডাকতরা। এর কিছু সময় পর গৃহকর্তা বিধান রায়ের চিৎকারে তারা এগিয়ে আসেন। ততক্ষনে ১০/১২ জন ডাকাত দুই দলে বিভক্ত হয়ে গ্রামের পূর্ব দিকে চলে যায়।

ডাকাতির হামলার শিকার বিয়ের কন্যা সাথি রায় উপজেলা সদরের আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মন্টু মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার দিনগত রাতে একই উপজেলার জানিপুর ইউনিয়নের চর দশকাহুনিয়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক সমীর বিশ্বাসের সাথে তার বিয়ে হবে। তার আগেই ডাকাতরা নিয়ে গেলো সব।

আরও পড়ুন – খোকসায় সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আটক

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজে রাতেই ঘটনা স্থলে গিয়েছিলেন। ওনারা মেয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে থানায় আসতে চেয়েছেন। এ ছাড়া নিরাপত্তা রক্ষায় ঘটনা স্থলে পুলিশ রয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানেও পুলিশ থাকবে।

আরও পড়ুন – খোকসায় কৃতি পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

খোকসায় সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রাজ্জাককে আটক করেছে।

খোকসা থানা পুলিশের হোয়াটস আ্যাপ সুত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে খোকসা জানিপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক (৬৩) কে আটক করা হয়। তিনি ৮ নং জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি উপজেলার পূর্ব গোপালপুর গ্রামের মৃত ইয়াছিন প্রামানিকের ছেলে।

আরও পড়ুন – খোকসায় কৃতি পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

তাকে খোকসা থানায় ২৪ মে দায়েরকৃত ১০ নম্বর মামলায় গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন – আগামীর লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে: জামায়াত আমির

খোকসায় কৃতি পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় মমতাজ আজাহার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টায় শোমসপুর আবু তালেব ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দীপন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শোমসপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সর্দার মনিরুজ্জামান কাজল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শোমসপুর বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুজ্জামান বিল্ল, আমবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র প্রমুখ।

আরও পড়ুন – আগামীর লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে: জামায়াত আমির

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা কেন্দ্রীয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যুগ্ম আহ্বায়ক হৃদয় স্বজন ও ইফতেখার মাশরুর গালিব।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যূত্থানের শহিদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ

আগামীর লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে: জামায়াত আমির

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামীর লড়াই হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। জামায়াত আগামীতে সরকার গঠন করলে দলের কোনো এমপি-মন্ত্রী সরকারি উপহার নেবেন না। তারা ট্যাক্সবিহীন গাড়িতে চড়বেন না। নিজ হাতে টাকা চালাচালি করবেন না।

তিনি বলেন, একটি লড়াই হয়েছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, আগামীতে বাংলাদেশে আরেকটা লড়াই হবে। সেটি হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এই দুর্নীতির মূলোৎপাটনের জন্য আমরা যা দরকার করব। এতেও আমরা বিজয়ী হবো।

শনিবার রাজধানী ঢাকায় জামায়াত আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমি গভীর পরিতাপের সঙ্গে জানাচ্ছি, আজকের এই সমাবেশ আয়োজন করতে গিয়ে তিনজন ভাই নিহত হয়েছেন। তারা এই সমাবেশে এসে একজন অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। আল্লাহ তাদের কবুল করুন। আবু সাঈদরা যদি বুক পেতে না দিতো তাহলে আজও অনেকে তাদের জীবন হারাতো।’

তিনি আরও বলেন, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা পাওয়া, তাদের যেন তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করা হয়। শিশু রাজনীতিবিদ বলে যেন অবজ্ঞা না করা হয়। অন্য কোনো দলকে অবজ্ঞা যেন না করা হয়। অরাজনৈতিক ভাষায় যেন কথা না বলা হয়। যারা পারবে না, বুঝবেন তাদের মনে ফ্যাসিবাদ ভর করেছে। জাতীয় ঐক্যের বীজতলা আমরা তৈরি করব।

এই বক্তব্য প্রদানকালে মঞ্চে পড়ে যান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি উঠে কথা বলেন। গরমের কারণে অসুস্থ হন বলে জানান তিনি। এরপর দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করলে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন। জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবক ও চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি বাধা দেন। অসুস্থ অবস্থায় মঞ্চে বসেই মাইক হাতে নিজের সমাপনী বক্তব্য দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

স্টেজের মেঝেতে বসেই জামায়াত আমির বলেন, আল্লাহ যতদিন হায়াত দিয়েছেন জনগণের জন্য লড়াই অব্যাহত থাকবে। আল্লাহ আমাদের যদি সুযোগ দেন তাহলে মালিক হবো না, সেবক হবো। আমরা নির্দেশনা দিচ্ছি, জামায়াত থেকে আগামীতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, তারা কোনো সরকারি উপহার গ্রহণ করবেন না। তারা ট্যাক্সবিহীন গাড়িতে চড়বেন না। নিজ হাতে টাকা চালাচালি করবেন না।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যূত্থানের শহিদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ

জুলাই আন্দোলনে শহীদ হতে না পারাটা তার দুর্ভাগ্য উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আপনাদের দোয়া চাই, ইনসাফের পক্ষে যে লড়াই হবে, আগামীতে যে আন্দোলন হবে আল্লাহ যেন সেখানে আমাকে শহীদ হিসেবে কবুল করেন।

আরও পড়ুন – ইবি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন

কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যূত্থানের শহিদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যূত্থান শহিদদের স্মরণে “এক শহীদ, এক বৃক্ষ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অবস্থিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ¢’ চত্বরে এই ব্যতিক্রমধর্মী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ।

কর্মসূচির শুরুতে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনে শহীদ ১৫ জন সাহসী সন্তানের স্মরণে ১৫টি গাছের চারা রোপণ করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। প্রতিটি গাছে শহীদের নামের ফলক যুক্ত করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রোকনুজ জামান, এনডিসি জাহিদ হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া মাসুমা, কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল আলম, কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ তানভীর হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ কুষ্টিয়া জেলা বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দফতরের কর্মকর্তা,২৪’র জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী যোদ্ধা, আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

গাছের চারা রোপন শেষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ জাতির ইতিহাসে অনন্তকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তাঁদের স্মৃতিকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন – ইবি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন

একটি গাছ যেমন দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে থাকে, ঠিক তেমনি শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় চেতনায় চিরভাসমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও শহীদদের স্মরণ এই দুই মহান উদ্দেশ্যকে একত্রে ধারণ করেই এই কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ সময় তিনি বৃক্ষরোপণের পরিবেশগত গুরুত্ব এবং শহীদদের স্মৃতিকে ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন – গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

ইবি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জিয়াউর রহমান হল প্রশাসন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠনের কাজ চলছে।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মসজিদে সাজিদের জানাজা নামাজে অংশ নিতে এসে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুজ্জামান।

তিনি বলেন, সাজিদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলে থাকতেন। হল প্রশাসন ইতোমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর পক্ষে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কাজ চলমান। সাজিদের পোস্টমর্টেম হয়ে গেছে। সবকিছুর প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আমরা প্রকৃত ঘটনা জানতে পারব।

সাজিদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তার বাবা একটি মাদ্রাসার সুপারেনডেন্ট আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোওয়ার।

সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ এসেছিলেন কুষ্টিয়ায় ছেলের জানাজায়। তিনি বলেন, আমার ছেলের মৃত্যু রহস্যজনক। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে সাজিদের মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। পরে ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী ইবি থানার পুলিশ এসে সাড়ে ছয়টার দিকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করে ক্যাম্পাসের মেডিকেলে নেওয়া হয়।

সাজিদের মৃত্যুকে রহস্যজনক হিসেবে দেখছেন জানাজায় অংশ নেওয়া তার সহপাঠী ও ক্যাম্পাসের বড় ভাইরা। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও সাজিদের ঘনিষ্ঠ বড় ভাই ওয়াহেদ বিন আসাদ বলেন, পানিতে ডুবে মারা গেলে সাধারণত আমরা দেখি তার লাশ উপুড় হয়ে থাকে, কিন্তু সাজিদের মরদেহ ছিল চিত হয়ে। এছাড়া পানিতে ডুবে কেউ মারা গেলে তার পেটসহ শরীর ফুলে যায়। কিন্তু সাজিদের শরীরে আমরা তেমন কোন লক্ষণ দেখিনি। এজন্য এই মৃত্যুকে আমরা রহস্যজনক মনে করছি।

আরও পড়ুন – গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

সুরতহাল প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হোসেন ইমাম বলেন,প্রাথমিকভাবে তার শরীরে অপমৃত্যুর কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে ভিসেরা রিপোর্ট আসার পর আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে পারব।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় ছাত্র-জনতার জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৭ টার সময় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এ ম্যারাথন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। এসময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা (সার্বিক) জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল ওয়াদুদ, কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুফি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকন উজ্জামান, এনডিসি জাহিদ হাসান, জেলা ক্রীড়া অফিসার তানভীর হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সুজা-উদ্দীন জোয়ার্দ্দার, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দফতরের কর্মকর্তা, ২৪’র জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী যোদ্ধা, আহত যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে কুষ্টিয়া শহরতলীর চৌড়হাস পিবিআই মোড় হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। ৫ কিলোমিটারের এই ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। প্রতিযোগিতায় ২৫ জনকে ক্রমান্বয়ে মেডেল ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের এক একটি দিন আমাদের ইতিহাসের এক গৌরবময় এবং বেদনাবিধুর অধ্যায়। যারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁরা ছিলেন দেশের প্রকৃত সাহসী সন্তান। যাদের ত্যাগ আমাদের চেতনাকে জাগ্রত করে, পথ দেখায়।

আরও পড়ুন – মাদকসহ অপরাধ নির্মূলে ৮ দফা দাবি পেশ

গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার পর জারি করা কারফিউয়ের দ্বিতীয় দফাই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ বহাল থাকবে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর জেলা জুড়ে ১৬৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল করা হয়েছিল। বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮ থেকে কারফিউ জারি করা হয়।

কারফিউ শিথিলের সময় গোপালগঞ্জ শহরে বিভিন্ন যানবাহন চলতে দেখা যায়। জরুরি প্রয়োজনে গন্তব্যে যান মানুষ। মূল সড়কের পাশে ও গলির ভেতর বেশ কিছু দোকান খুলেন ব্যবসায়ীরা। তবে মার্কেটগুলো বন্ধ ছিল। বাজারের বেশিরভাগ দোকান খোলেনি।

গত বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোপালগঞ্জ। পুলিশের সঙ্গে চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ, জারি করা হয় কারফিউ। এখনো সেখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৬৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এরমধ্যে সদর থানায় ৪৫ জন, মুকসুদপুর থানায় ৬৬ জন, কাশিয়ানী থানায় ২৪ জন, টুঙ্গিপাড়া থানায় ১৭ জন এবং কোটালীপাড়া থানায় ১২ জন। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, মারপিট ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপিনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বিশ্বাস নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান পিয়ালসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত সাড়ে ৪০০- ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান শুক্রবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওসি জানান, ১৬ জুলাই সকালে এনসিপি’র পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুরে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। এসময় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক পুলিশের ওপর হামলা করে। তারপর তারা পুলিশ সদস্যদের মারপিট ও গাড়ি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পুলিশের পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বিশ্বাসসহ ৫ পুলিশ আহত হন।

শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন করে শুরু হওয়া কারফিউ আগামীকাল শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

ট্রেন থেকে ভারতীয় মাদক এলএসডি’র বড় চালান আটক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক এলএসডি উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ)...

খোকসায় প্রতিপক্ষের হামলায় একজন আহত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসার গ্রামে বিবাদপূর্ন জমি সীমানায় গাছ লাগানো কেন্দ্র করে হামলায় একজন আহত হয়েছেন। উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের ধুশুন্ড গ্রামে রবিবার প্রতিপক্ষের হামলায় বিপুল বিশ্বাস...

কাঠ পুড়ছে ইট ভাটায়

বন উজার করে ইট ভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। হুমকীর মুখে পরছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। ইট ভাটা গুলোতে এক মুঠো কয়লাও নেই। প্রতিদিনই ট্রাক বা ট্রাকটরে...

আলোচনায় হয়নি, মিথ্যা বলছেন ট্রাম্প: ইরান

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি মিথ্যা বলে অভিহিত করল ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তেহরান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের...

ইরানের সঙ্গে ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে ঐকমত্য’ হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

দ্রোহ আন্তর্জাতিক ডেস্ক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বেশ জোরালো আলোচনা হয়েছে এবং দুই পক্ষ ‘প্রধান প্রধান বিষয়ে একমত’ হতে পেরেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড...