বুধবার, মে ৬, ২০২৬.
Home Blog Page 48

অল্পের জন্য বাঁচলেন যুবদল নেতা, দুমড়ে মুচড়ে গেল দুটি মোটরসাইকেল

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী রেলপথের কুমারখালী রেলস্টেশনের পূর্বপ্রান্তে ফুলতলা রেল ক্রসিং। পাশেই কুমারখালী সরকারি কলেজ। কলেজ গেট নামেও পরিচিত স্থানটি। এটি কুমারখালী শহর, উপজেলা পরিষদ চত্বর, থানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সপ্তাহিক হাটে যাতায়াতের বিকল্প সড়কের সংযোগ স্থল। এই মোড় দিয়ে প্রতিদিনই হাজার হাজার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ এই রেল ক্রসিংএ নেই রেলগেট, গেটম্যান কিংবা সাইনবোর্ড বা পাহাড়াদার। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের সুন্দরবন এক্সপ্রেস ৬২৬ নম্বর ট্রেনের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক যুবদল নেতা আহত হয়ে হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়াও পাশে থাকা আরও একটি মোটরসাইকেলসহ দুইটি মোটরসাইকেল দুমড়ে মুচড়ে গেছে। সুস্থ ও নিরাপদে চলাচলের জন্য দ্রæত রেলগেট স্থাপনের দাবি জানান স্থানীয়রা।

আহত যুবদল নেতার নাম মো. শহিদুল ইসলাম (৪০)। তিনি উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং হাসিমপুর গ্রামের মৃত সামছুদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি হর্ণ বাজিয়ে দ্রæতগতিতে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। গেট না থাকায় পালসার মোটরসাইকেলে ঝুঁকি নিয়ে ফুলতলা রেল ক্রসিং পার হওয়ার চেষ্টা করেন শহিদুল। তখন হঠাৎ ট্রেনটি কাছে চলে আসলে মোটরসাইকেল ফেলে লাফ দিয়ে প্রাণে বেঁচে যান শহিদুল। আর ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তার মোটরসাইকেলটি ছিটকে এসে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি মোটরসাইকেলের ওপর এসে পড়ে। এতে দুইটি মোটরসাইকেল দুমড়ে মুচড়ে যায়। আর শহিদুল হাত ও পা কেটে আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

কুমারখালী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত মিষ্টি ব্যবসায়ী ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কাজল হোসেন বলেন, এখানে রেলগেট নেই। ট্রেনের হর্ণ শুনে রেললাইনের পাশেই মোটরসাইকেল থামিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেসময় শহিদুল পালসার মোটরসাইকেল নিয়ে পার হতে গেলে ট্রেনটি খুব কাছে চলে আসে। তখন তিনি মোটরসাইকেল ফেলে লাফ দেন আর ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেলটি ছুটে এসে আমার মোটরসাইকেলের ওপর পড়ে। এতে দুইটি মোটরসাইকেলেরই ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শহিদুল আহত হয়েছেন।

আহত যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলাম। পথিমধ্যে রেললাইনের মাঝামাঝি পৌছালে ট্রেনটি খুব কাছাকাছি চলে আসে। তখন মোটরসাইকেলটি পিছানোর চেষ্টা করি। কিন্তু পিছনে আরেকটি মোটরসাইকেল থাকায় পিছানো আর সম্ভব হয়নি। সেসময় দিকবিদিক হারিয়ে লাফ মারি। আর ট্রেন এসে গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়। এতে আমার হাত কেটে গেছে, পায়ে আঘাত লেগেছে। আর গাড়িটি ভেঙেচুরে শেষ হয়ে গেছে।

কুমারখালীর স্টেশনের মাস্টার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রবিবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে সুন্দরবন এক্সপ্রেসের সঙ্গে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে তেমন হতাহতি না হলেও মোটরসাইকেলটি ভেঙে গেছে। প্রকৃতপক্ষে ফুলতলা এলাকাটি রেল ক্রসিং অনুমোদিত। সেজন্য গেট স্থাপন হয়নি। তবে স্থানীয়রা লিখিতভাবে অভিযোগ করলে তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্ররণ করা হবে।

ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে আগ্রাসন বিরোধী কর্মসূচি

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় ইনকিলাব মঞ্চের উদ্যোগে আগ্রাসন বিরোধী কবিতা পাঠ ও গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকালে খোকসা বাসস্ট্যান্ড চত্বরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও কবিতা পাঠ করেন ইনকিলাব মঞ্চের সভাপতি ওয়াজেদ বাঙালি। এছাগাও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক কবি জিল্লুর রহমান লালন, কোষাধ্যক্ষ কবি মিজানুর রহমান, সদস্য সচিব ফাহিম আব্দুল্লাহ, সাহিত্য সম্পাদক ছিফাতুল্লাহ এবং ধর্মীয় সম্পাদক মুফতি হাফেজ আবু কাউসার।

শীতের কাপড়

0

শীত জেঁকে বসেছে পশ্চীম জনপদে। গ্রামে হাট বাজারের শীতের নতুন-পুরাতন পোশাকের দোকানে ভীড় করছে ক্রেতারা। দাম একটু চড়া হলেও পছন্দ হলে কিনছেও। রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার খোকসা বাজার থেকে ছবিটি তোলা।

জাতীয় কবি নজরুলের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত ওসমান হাদি

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিসৌধের পাশেই তাকে শায়িত করা হয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ডাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাসহ হাদিরর পরিবার-পরিজন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকাল ৩টায় হাদির মরদেহ সমাধিসৌধে আনা হয়। দাফন শেষে হাদির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

কবরস্থানের আশপাশে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সোয়াটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এবং শাহবাগ মোড় থেকে সমাধিসৌধে প্রবেশের সড়ক জনসাধারণের প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।

এদিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শরিফ ওসমান হাদির জানাজা সম্পন্ন হয়। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা পড়ান হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক।

জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া মো. গোলাম পরওয়ার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। জানাজাপূর্ব বক্তব্য রাখেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব জাবের ও ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

জানায় অংশ নিয়ে প্রধান উদেষ্টা বলেন, প্রিয় ওসমান হাদি তোমার কাছে ওয়াদা করতে আসছি, তুমি যা বলে গেছো, সেটা যেন পূরণ করতে পারি। শুধু আমরা নয়, বংশানুক্রমে দেশের সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার মানবপ্রেম, ভঙ্গি মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সবাই গ্রহণ করেছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, লাখো লাখো মানুষ আজ এখানে উপস্থিত হয়েছে। পথে ঢেউয়ের মতো মানুষের স্রোত নেমেছে। বাংলাদেশজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এ মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছে। বিদেশিরাও হাদির কথা জানতে চায়।

জানাজার আগে শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ও জানাজার ইমাম ড. মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক ভাই হত্যার বিচার চান।

মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ৭-৮ দিন হয়ে গেলো, খুনি দিবালোকের মধ্যে গুলি করে যদি পার পেয়ে যায় এর চেয়ে লজ্জার কিছু নেই। যদি বর্ডার ক্রস হয়ে যায়, ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে তারা কেমন করে গেলো? এই প্রশ্ন জাতির কাছে রেখে গেলাম। আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার ভাই শহীদ হয়েছে, তার শহীদি তামান্না ছিল। হয়তো আল্লাহ তার শহীদি মৃত্যু নসিব করেছেন।

‘কিন্তু আপনাদের কাছে আমি এই ঋণ কখনো ছাড়বো না, আমার ভাই শরিফ ওসমান হাদির বিচার যেন প্রকাশ্যে এই বাংলার জমিনে দেখতে পারি। ৭-৮ দিন হয়ে গেলো, এখন পর্যন্ত আমরা কিচ্ছু করতে পারলাম না। এই দুঃখে কলিজা ছিড়ে যাচ্ছে।’ যোগ করেন মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিক।

ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, তারা ওসমান হাদিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল; আর তিনি হয়ে উঠলেন আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সবচেয়ে বড় প্রতীকে।

তিনি বলেন, দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে শাহাদতের মর্যাদা দান করেন এবং তার জীবনের ত্রুটি-বিচ্যুতি আল্লাহ তায়ালা মার্জনা করেন। আল্লাহ তার কবরকে জান্নাতুল ফেরদৌসের টুকরা বানিয়ে দেন। তিনি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন আধিপত্যবিরোধী একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন তার সেই স্বপ্ন পূর্ণতা দেওয়ার জন্য দেশবাসীকে তৌফিক দান করুন।

গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।

মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১২শ পিস ইয়াবা উদ্ধার

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে উপজেলার যুগিহুদা গ্রামে এক ঝটিকা অভিযানে তাদের আটক করা হয়। এ সময় মাদক পাচারে ব্যবহৃত ৩টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদ আসে যে মহেশপুর উপজেলার যুগিহুদা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুত করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সকালে থানা পুলিশ ওই বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও হাতেনাতে আটক হন তার পরিবারের সদস্যসহ ৩ জন। আটককৃতরা হলেন লাইলি বেগম স্বামী দেলোয়ার হোসেন, তার ছেলে লিমন হাসান ও মেহেদি হাসান জিসান।

পুলিশ দেলোয়ারের বাড়ি থেকে মোট ১২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। এছাড়া মাদক বিক্রির বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও যানবাহন জব্দ করা হয়।

মহেশপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুুতি চলছে। জব্দকৃত নগদ টাকা ও মালামাল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (ট্রেজারি) জমা দেওয়া হবে। পলাতক আসামি দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইজিবাইক চোর চক্রের মূলহোতাসহ ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আন্ত:জেলা ইজিবাইক চোর চক্রের মূলহোতা রুবেল হোসেনসহ তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার গভীর রাতে এবং শনিবার ভোরে রাজবাড়ী, কুমারখালী, কুষ্টিয়া শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। পরে বিকাল ৩ টা ১৫ মিনিটের দিকে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক ( এস আই) বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন – কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়নের মহেন্দ্রপুর গ্রামের রুবেল হোসেন (২৮) ও দয়রামপুর গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে আমিরুল ব্যাপারী (৫০) এবং যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের সুরুজ শেখের ছেলে বকুল হোসেন (২২)। অপর দুইজন হলেন – কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত মোতালেব হোসেনের ছেলে মো.হেলাল (৩৭) ও চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানার জয়রামপুর এলাকার মৃত তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন (৪৫)।

পুলিশ জানায়, চোর চক্রের মূলহোতা রুবেল হোসেন কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার চাঁদাগাড়া এলাকার সের আলীর ইজিবাইক চালক ছেলে জুবায়ের আহমেদ হেলালের বাড়িতে প্রায় ৩৫ দিন বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। ১৭ ডিসেম্বর বিকালে হেলালের ইজিবাইক ভাড়া নিয়ে রুবেল ও তার সহযোগীরা কুমারখালীর ছেঁউরিয়ায় অবস্থিত বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের মাজারে আসেন। সে সময় রুবেল এক বোতল জুস কিনে অর্ধেক পান করেন এবং অবশিষ্ট জুস ইজিবাইক চালক হেলালকে দেন। তিনি জুস পান করে অজ্ঞান হয়ে গেলে চক্রটি ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় হেলাল শুক্রবার রাত ১২টার পরে রুবেলকে আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি চুরির মামলা করেন। ওই রাতেই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূলহোতা রুবেলকে তার শ্বশুর বাড়ি রাজবাড়ীর পাংশার নওয়াপাড়া রেলস্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তার দেওয়া তথ্যমতে কুষ্টিয়া শহরের একটি ভাড়া মেস থেকে আমিরুল, ফরিদ ও হেলাল এবং যদুবয়রার উত্তর চাঁদপুর থেকে বকুলকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়াও তাদের কাছ থেকে একটি ইজিবাইক জব্দ করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মামলার বাদী জুবায়ের আহমেদ হেলাল। তিনি শুধু বলেন, ‘ আমার অটোগাড়ি চুরি হয়েছিল। থানায় মামলা করেছি। গাড়িটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে কথা বললে ভাল হবে।’

কুমারখালী থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, চক্রটির মূলহোতা রুবেল প্রথমে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখানে ৩৫ দিন ছিল। মাঝখানে হুট করে অন্যত্রে চলে যায়। এরপর আবার ১৬ ডিসেম্বর ভাড়া বাড়িতে ফিরে আসে এবং ১৭ ডিসেম্বর বিকালে বাদীর ইজিবাইকে লালন মাজারে ঘুরতে যান। সেখানে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে চালক ফেলে ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায় চক্রটি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা নথিভুক্তের পর অভিযান চালিয়ে রুবেলসহ আন্ত:জেলা চোর চক্রের ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়। চক্রটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না? এসব নিয়ে কাজ করছে পুলিশ।

খুলনা বিভাগে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে – বিভাগীয় কমিশনার

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলায় সবচেয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ।

তিনি বলেছেন, নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে নানা রকম অপতৎপরতা থাকতে পারে। প্রশাসন শান্তি শৃঙ্খলা পরিপন্থী সকল অপতৎপরতা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ঝিনাইদহ সার্কিট হাউস সংলগ্ন পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ, জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায়, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ কাজল, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, নবনির্বাচিত সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এমএ কবির, জেলা সহকারী কমিশনার এসএম শাদমান উল আলম, সহকারী কমিশনার মো. তানভীর ইসলাম সাগর, জেলা তথ্য অফিসার মো. আব্দুর রউফ, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী, উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন প্রমুখ।

পরিবেশবান্ধব ফলের বাগান উদ্বোধনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ বলেন, ঝিনাইদহের নবগঙ্গা নদীসহ সকল নদীর নাব্য সংকট দূরীকরণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জেলা প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় নির্বাচন অফিসে আগুন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে অফিস ভবনের পেছন পাশের জানালা দিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে জানিয়েছেন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা।

খবর পেয়ে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে নির্বাচন অফিসে আসেন জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন। এ ঘটনায় সকাল ১০টার দিকে সেখানে দায়িত্বরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়ে তিনি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন।

নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তারক্ষী রাজ্জাক বলেন, সকাল সাড়ের আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আমি তখন দুইতলায় ছিলাম। ধোঁয়া ও আগুনের গন্ধে নিচে নেমে আগুন দেখতে পাই।

জেলা নির্বাচন অফিসের হিসাবরক্ষক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, যে কক্ষে আগুন দেওয়া হয়েছে, সেটা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের স্টোর রুম। এখানে ভোটারদের সমস্ত তথ্য জমা রাখা হয়। আগুন লাগায় কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলাম। জেলা প্রশাসকও দেখেছেন। এখানে স্টোর রুমে একটা আগুনের ঘটনা ঘটছে। কীভাবে আগুন লেগেছে কিংবা কারা দিয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিএনপির হামলার ভয়ে মাঠে যায়না ৩০ পরিবার

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার গ্রামে রাজনৈতিক উপদলীয় কন্দোল ও গোষ্ঠিগত বিরোধের জের ধরে গত কয়েকদিনে কমপক্ষে তিনটি হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। মাঠে জমি চাষ করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় এক কৃষক আহত হওয়ার পর ভয়ে ওই কৃষকের গোষ্ঠির প্রায় ৩০টি কৃষক পরিবারের লোকেরা মাঠে জমি আবাদ করতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের চাদট গ্রামের মোল্লা ও খা দের গোষ্টি গত বিরোধ বংশ পরম্পরায়। দুটি গ্রæপই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মতাদর্শের হলেও এখানে উপদলীয় কন্দোল দীর্ঘ দিনের। এর সূত্র ধরে গত বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল মোল্লার লোকজন প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ৫বিঘা খাস (সরকারী) জমি দখল নেওয়ার ঘোষনা দেয়। প্রতিরোধ গড়ে তোলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবুল আখতারের অনুসারী বর্তমান বিএনপির একাংশের আশ্রয়ে থাকা লাহেরী খা। দুই পক্ষে ভাগ হয়ে শক্তি ও সাহস যোগায় বিএনপির স্থানীয় নেতারা। ঘোষনা দিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে “ক্যাজে” করতে মাঠে নামে। সংঘর্ষ চলাকালে পাশের বনগ্রাম এলাকার আমজাদ আলী নামের এক বিএনপির কর্মী ফলাবৃদ্ধ আহত হয়। এ সময় প্রতিপক্ষ হামলা চালিয়ে সিয়াম উদ্দিনের ছেলে দিনমুজুর ইসলামের বসতবাড়ি ভাংচুর করে। এর পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল মোল্লার পক্ষের ৩০ পরিবারের লোকেরা মাঠে জমি চাষ করতে যেতে পারছেন না। শুক্রবার সকালে প্রতিপক্ষের অনুমতি নিয়ে মাঠে পেয়জের চারা লাগাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন মহন মোল্লা (৪৫)। তাকে মাঠের অন্য শ্রমিকরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। প্রথম দিনের ঘটনায় ফলাবিদ্ধ আহত বিএনপি কর্মীর পক্ষে লাহেরী খা বাদি হয়ে খোকসা থানায় মামলা করেছেন। এ মামলায় বনগ্রাম ও চাদট গ্রামের ১৫ জনকে আসামী করা হয়েছে। পুনঃহামলা ভয়ে চাদট গ্রামের অনেকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। যারা বাড়ি আছেন তারও মাঠ ঘাটে যেতে পারছে না।

শনিবার সকালে চাদট গ্রামটি ছিলো অনেকটাই নিরব। গৃহস্থ্য বাড়ির বসার জায়গা গুলো ছিলো জন শুন্য। সবাই আতঙ্কে। কেউ কথা বলতে চাচ্ছেন না। গ্রামের শেষ মাথায় বিলের ধারে দিনমুজুর ইসলাম মোল্লার বাড়ি। বাড়ির চারপাশে ঢেউ টিনের বেড়া ছিলো। ঘরেও ছিলো ঢেউটির বেড়া। হামলাকারীরা টিন গুলো কটে টুকরো টুকরো করে রেখে গেছে। প্র¯্রাব পায়খানও হামলা থেকে রেহায় পায়নি। হামলায় ক্ষত বিক্ষত ঘরেই রাত কাটাচ্ছেন দিনমুজুরের পরিবারটি। মোল্লাদের একজন সমর্থককেও মাঠে চাষের জমিতে পাওয়াযায়নি। এমনকী তাদের পুরুষ সমর্থকরাও বাড়ি ফেলে আত্মগোপন করেছে।

প্রতিপক্ষের হামলায় গৃহহীন দিনমুজুর ইসলামের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, বুধবার সকালে গ্রামে গন্ডগোল হবে। এই খবর জানার পর তার স্বামী বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ছোট ছোট তিন সন্তান দিয়ে সে শুধু বাড়িতে ছিলো। তার বাড়ির দক্ষিন থেকে মোল্লা’রা আর পশ্চিম থেকে খা’রা কয়েকশ লোক নিয়ে ডাক ভেঙ্গে ঘরে পাশের জমিতে ঝাপিয়ে পরে। এ সময় এক পক্ষের একজন লোক তার বাড়ির মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়। এর পর প্রতিপক্ষ তার ঘরে ঢুকে সবকিছু কুপিয়ে টুকরো টুকরো করে রেখে যায়। হামলার আগেই সে সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে যায়।

ইসলামের মা বৃদ্ধা জহুরা বলেন, হামলার পর পুলিশ এসেছিলো। তারা দেখে গেছে। ছেলেই সংসারের একমাত্র আয়ের মানুষ। জোন-পাট দিয়ে খাই। মামলা করলে আবার যদি হামলা হয় সেই ভয়ে আর থানায় যায়নি। এই বৃদ্ধা হামলাকারীদের সবাইকে চেনেন।

অনেক চেষ্টার পর দিনমুজুর ইসলামকে পাওয়া গেলো। তিনি জানান, মারামারির কথা শুনে সকালে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। কারা তার বাড়ি ভেঙ্গেছেন তা তিনি দেখেন নি। এখন কার বিরুদ্ধে মামলা করবেন। আল্লাহর উপর বিচারের ভাড় ছেড়ে দিয়েছেন। মামলা করলে ছেলে মেয়ে নিয়ে গ্রামে থাকতে পারবে না। তাই মামলা পথে হাটছেন না।

প্রতিপক্ষের হামলায় আহত চিকিৎসাধীন মহন মোল্লা জানান, জমি অন্য লোকের। বিরোধ তাদের। তিনি এ বিবাদের মধ্যে ছিলেন না। তার পরেও এখন বিএনপির নেতাদের কাছে থাকা লাহেরী খা’র কাছ থেকে মাঠে যাওয়ার অনুমতি নিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে মাঠে যাওয়ার সাথে সাথে ৪/৫ জন বিএনপির ক্যাডার পেছন থেকে তার উপর হামলা করে। শুধু দু’পায়ে লাঠি দিয়ে প্রায় ১০০ টি আঘাত করেছে। হামলায় আহত তিনি এখন আর পায়ে ভর করে দাঁড়াতে পারছেন না।

তিনি আরও জানান, বিএনপির ক্যাডাররা দিন রাত গ্রামের মধ্যে মহড়া দিচ্ছে। রেজাউলের লোকদের পেলেই মারবে। এই ভয়ে তাদের অনুসারি প্রায় ৩০/৩৫টি পরিবার মাঠে জমি চাষ করতে যেতে পারছেন না। তিনি এ হামলার ঘটনায় মামলা করবেন না।

বিএনপির কর্মী ফলাবৃদ্ধের ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদি লাহেরী খা’র সাথে চাদট বাজারের দেখা করা হয়। তিনি কথা না বলে দ্রæত ঘটনা স্থল ত্যাগ করেন।

লাহেরী খা’র ভাই টুটুল খান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল মোল্লা গত ১৭ বছর ধরে এলাকার মানুষদের উপর অত্যাচার করেছে। এখন আবার অবৈধভাবে লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে জমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে। গ্রামবাসী এ ঘটনার প্রতিবাদে রুখে দাড়িয়েছে।

রাজনৈতিক মামলায় জেল হাজতে থাকায় রেজাউল মোল্লার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। এমনকী তার পরিবার অথবা প্রতিনিধিকেও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন খান বলেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল একটি খাস জমি দখলের চেষ্টা করছে। সেখানে স্থানীয় বিএনপির নেতারা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে গেছে। হামলা এখন আর হচ্ছে না। তবে গ্রামের একটি পক্ষের কিছু লোক জমি চাষ করতে যেতে পারছেন না। শনিবারও তাদর সাথে বিএনপি কিছু কর্মীরাও মাঠে জমি চাষ করতে যেতে পারেনি বলে স্বীকার করেন এই নেতা। তিনি বিরোধ নিস্পত্তির জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। আগামী কাল রবিবার কৃষকরা যাতে মাঠে যেতে পারে সে বিষয়ে আজ রাতে ব্যবস্থা নেবেন।

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোতালেব হোসেন বলেন, চাদটে বিএনপি দুই গ্রæপের বিরোধ। একটা বড় দল। তারা নিজেরাই সমাধান করে নিতে পারে। তাদের বিরোধে সাধারণ মানুষ ‘সাপারার’ হচ্ছে। জমি-জমার বিরোধ, তারা ইউএনও’র কাছে অথবা আমার কাছে আসতে পারে। তারা তা করছে না। মাঠের কৃষক মহনের উপর হামলা সম্পকে কেউ অভিযোগ করেনি। কেউ হামলার শিকার হলে তার (ওসির) কাছে পাঠাতে বলেন।

খোকসায় ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত

0

ষ্টাফ রিপোর্টার

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কমানায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুষ্টিয়ার খোকসায় শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় স্থানীয় সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে প্রয়াত জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অবদান নিয়ে আলোচনা করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ আমজাদ আলী, ইসলামী আন্দোলনের নেতা আনোয়ার খান, পৌর বিএনপির রিপন হোসেন, আয়োজক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

গায়েবানা জানাজা শেষে শহীদ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের আটক ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের খোকসা বাস স্ট্যান্ডে অবরোধ সৃষ্টি করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে অবরোধ চলাকালে বাস স্ট্যান্ডের দুই প্রান্তে বাস ট্রাক সহ প্রায় শতাধিক জানবাহন আটকা পরে। ভোগান্তির শিকার হয় যাত্রীরা। পরে বিক্ষোকারীরা কর্মসূচি স্থগীত করে।

সর্বশেষ সংবাদ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা-ইংরেজি রিডিং না পারলে শিক্ষকদের বেতন বন্ধ

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যেই দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি সাবলীলভাবে পড়তে পারার দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে। একই...

কুষ্টিয়ায় জানালার গ্রিল কেটে চ্যানেল ২৪ অফিসে চুরি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার চ্যানেল টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন অফিসে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোর চক্র অফিসের পেছনের জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে ঢুকে প্রতিটি কক্ষ তছনছ করেছে। বুধবার সকালে অফিসটি...

কুষ্টিয়াবাসীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে এমপি আমির হামজার পোষ্ট

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি অপকর্মকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দঁড়ানোর জন্য কুষ্টিয়াবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন মুফতি আমির হামজা। একই সাথে তিনি কু্ষ্িটয়াবাসীদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহবান জানিয়েছেন। সোমবার (৪ এপ্রিল) রাতে...

ঘুড়ি

ঘুড়ি। আগের মত আর রঙিন কাগজের ঘুড়ির দেখা মেলে না। এখন প্রচলন হয়েছে পলিনি পেপারের তৈরী ঘুড়ি। শিশুটি বোরো ধানের আইল দিয়ে ঘুড়ি হাতে...

খোকসায় রাস্তার গর্তে ভ্যান উল্টে চালকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় রাস্তা বর্ধিত করণের গর্তে ভ্যান উল্টে গিয়ে ঝন্টু দাস (৫০) নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ভ্যান একশিশু ও...