শুক্রবার, মার্চ ১৩, ২০২৬.
Home Blog Page 23

ছত্রাক দমনের প্রস্তুতি

0

বীজ আলু চাষের জমিতে পানি দেওয়া হবে। তাই পচন বা ছত্রাক রোধে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে কীট নাশক স্প্রে করছেন চাষী। আলুর বীজ তৈরী করার জন্য দুই বিঘা জমিতে আলুর আবাদ করেছেন কৃষক ইসলাম আলী মল্লিক। মঙ্গলবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার নিশ্চিন্তবাড়ি গ্রাম থেকে ছবিটি তোলা।

কুমারখালীতে কৃষকের ফসল ও গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এক কৃষকের ২০০টি বেগুনগাছ ও ১০ শতাংশ জমির রসুনের গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়াও প্রায় ১৮ হাজার টাকা মূল্যের পানির সাব – মার্সিবলটি নিয়ে গেছে একই দুর্বৃত্তদল।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের চর এতমামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের নাম আব্দুল লতিফ লাইফা বিশ্বাস ( ৬১) তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও চর এতনামপুর গ্রামের মৃত সাদেক আলীর ছেলে।

শুক্রবার বিকেলে সরেজমিন চর এতমামপুর গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, গড়াই নদীর কূলঘেঁষে গ্রামটির মাঠ। মাঠে কলা, বেগুন, পেঁয়াজ, রসুনসহ হরেক ফসলের চাষবাদ। সেখানে কৃষক লাইফার জমির কয়েকশো বেগুনের গাছ কাটা। পড়ে আছে ছেড়া বেগুন। ওই জমিতে সেচের জন্য বসানো সাবমার্সিবলটি নেই। কাটা রয়েছে বিদ্যুতের তাড়। পাশের আরেকটা জমির রসুনের চারা গাছ গুলো কাটা রয়েছে।

এ সময় কৃষক লাইফা জানান, তিনি সকালে মাঠে এসে দেখেন ২০০টির মতো বাগান গাছ ও ১০ শতাংশ জমির রসুনের গাছ কাটা। তার ও পাইপ আছে, সাবমার্সিবলটি নেই। শত্রæতা করে কে বা কারা ক্ষতি করেছে তা তিনি জানেন না। সবমিলে তার প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, কে বা কাহারা রাতের আধারে এমন অটকর্ম করেছেন তা জানিনা। এ ঘটনায় অন্যান্য কৃষকরাও আতঙ্কিত। এলাকার শান্তি নষ্ট করতে হয়তো বাইরের লোক এসে এভাবে ক্ষতি করছে।

যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান বলেন, এক কৃষকের ক্ষেত নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখ জনক। তাকে পুলিশের সহযোগীতা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কুমারখালী থানার পু্লশি পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুকুর দখল কেন্দ্র করে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবোর) পুকুর দখল নিয়ে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার ঘটেছে। এ সময় একপক্ষের একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে।

শুক্রবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ভাড়রা ও যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামের একাংশের সঙ্গে এ ঘটনা ঘটে।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সান্দিয়ারা-লাহিনীপাড়া সড়কের ভাড়রা বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির পুকুর রয়েছে পাউবোর। যা স্থানীয় নামমাত্র খাজনা দিয়ে ‘সুফলভোগী ‘ সংগঠনের নামে ভোগ করার কথা। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় এমপি ডিও লেটারের মাধ্যমে চাপড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম রাশেদ টোটো তার সমর্থিতদের মাধ্যমে ভোগ করতেন। তিনি প্রতিবছরে সরকারে ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করতেন। আগামী ২০২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে তার চুক্তি রয়েছে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পালানোর পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তা দখল করে নেওয়ার পায়তারা করেন। একপর্যায়ে গেল বছর আওয়ামী লীগ নেতা টোটো ৭ লাখ টাকায় যদুবয়রা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ও বিএনপি নেত্রী সাজেদা খাতুনের কাছে পুকুরটি হস্তান্তর করেন।

এ নিয়ে ভাড়রা ও উত্তর চাঁদপুর এই দুই গ্রামবাসী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে বিরোধ ও উত্তেজনা চলছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার দুপুরে যদুবয়রা ইউএনপির সার্চ কমিটির সাবেক সদস্য ফারুক হোসেন, বিএনপির কর্মী আসাদ, মতিয়ারসহ কয়েকজন মোটরসাইকেল করে ওই পুকুর এলাকায় পৌছান। এ সময় ভাড়রা গ্রামবাসী ও বিএনপির নেতাকর্মী মসজিদের মাইকে ‘ সন্ত্রাসীরা পুকুরে মাছ মেরে নিচ্ছে, সবাই আসুন ‘ এমন ঘোষণা দেন। তখন কয়েক শত মানুষ দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোঁটা, দা, বটি, হাঁসুয়া নিয়ে ধাওয়া করে। উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

দুপুরে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়ক ঘেঁষে বড় পুকুর। পাড়ে পড়ে আছে একটি মোটরসাইকেল। তাতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র হাতে কয়েক শত মানুষ ছোটাছুটি করছেন। এ সময় ভাড়রার লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের ঘটনার চিত্র ধারণে বাধা প্রদান করেন এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করেন।

এ সময় নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক মানুষ জানান, সরকারি পুকুর নিয়ে অনেকদিন ধরে ঝামেলা চলছে। উত্তর চাঁদপুরের কিছু লোক এসেছিল। তখন ভাড়রার লোকজন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেন। তখন চাঁদপুরের পালিয়ে গেলে একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

এ সময় চাপড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী পুকুর ভোগ করবে ভাড়রা বাসী। ৩৩ জনের কমিটি করে বছর খানেক আগে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু উত্তর চাঁদপুর গ্রামের ফারুক, আসাদ, মতিয়ারসহ সন্ত্রাসী বাহিনী জোড় করে মাছ ধরতে নেমেছিল। আমরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী ছুটে আসেন। আর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’ কিন্তু ভাঙচুরে বিষয়ে কোনো কথা বলেননি তিনি।

তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদপুর গ্রামবাসী ও অভিযুক্ত বিএনপি নেতারা।

ফোনে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম রাসেদ টোটো জানান, ২৭ সাল পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তার। প্রতিবছরই প্রায় ৪০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন তিনি। পুকুরে তার প্রায় ১৫ লাখ টাকার মাছ ছিল। কিন্তু সরকার পতনের পর নানান ঝামেলা হচ্ছিল। সেজন্য সাজেদা মেম্বারের কাছে তিনি ৭ লাখ টাকায় হস্তান্তর করেছিলেন। কিন্তু মেম্বার তাকে কোনো টাকা দেননি।

কুমারখালী থানার তদন্ত ওসি মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, পুকুর নিয়ে দুইপক্ষের দ্ব›েদ্ব একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। তবে তার মালিক পাওয়া যায়নি এখনও। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হুমকীর মুখে হনুমান সাবকটি

0

চরম খাদ্য সংকটে আছে দল ছুট সাবকসহ কালোমুখি হনুমানটি। খাদ্যের সন্ধ্যানে বসতবাড়ি থেকে হাট বাজার দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা। কয়েক মাস বয়সের সাবকটি মানুষের কাছে দৌড়ে যাচ্ছে। কখনো সখনো জীবনের ঝুকি দিয়ে যানবাহনের দিকে তেড়ে যাচ্ছে। মা হনুমানটি পথচারীর কাছ থেকে খাবার নিতে ব্যস্ত। বৃহস্পতিার দুপুরের আমাদের প্রতিনিধির চলন্ত মোটর সাইকেল উপর ঝাপিয়ে পরে হনুমান সাবকটি। মুহুত্যের মধ্যে পালিয়েও যায়।

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল

0

বাসস

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হবে। ২১ এপ্রিল বাংলা ১ম পত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা শুরু হয়ে তত্ত¡ীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, মাদ্রাসা (দাখিল) ও কারিগরির এসএসসি (ভোকেশনাল) একই সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাফিক বোর্ডের উদ্যোগে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে দুই কোটি ৮০ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

দুটি জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের মধ্যে মোট ৭০টি চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেলায় ৪৮টি চেকের বিপরীতে মোট ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এতে আহতদের জন্য ১৩টি চেকে ২৩ লাখ টাকা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ৩৫টি চেকে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে মেহেরপুর জেলায় মোট ২২টি চেকের মাধ্যমে ৮২ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে আহতদের জন্য ৮টি চেকে ১২ লাখ টাকা এবং নিহতদের পরিবারের জন্য ১৪টি চেকে ৭০ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলার দুর্ঘটনাকবলিতদের মধ্যে মোট ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.ইকবাল হোসেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বিআরটিএ’র পরিচালক ও যুগ্ম সচিব
রুবায়েত আশিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুষ্টিয়া প্রণব কুমার সরকার, বিআরটিএ খুলনার পরিচালক মোঃ জিয়াউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলায় সংঘটিত বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ, কুষ্টিয়া।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

অনুষ্ঠানে বিআরটিএ চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, দরিদ্র থেকে শুরু করে ধনী সবার হক আছে এই টাকায়। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে চললেও প্রচারের আলোয় আসেনি। আমি সবাইকে এটার বেশি বেশি প্রচারের আহবান জানায়।

বীজতলায় পচন রোধে

0

শৈত প্রবাহ আর ঘনো কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলায় পচন রোগ দেখা দিয়েছে। ছত্রাক নাশক ও বলাই নাশক দিয়ে চারার পচ রোধ করাতে পারছেনা কৃষক। তাই বিকাল হলেই পলিথিং দিয়ে বীজতলা ঢেকে দিচ্ছে। মঙ্গলবার বিকালে কুষ্টিয়ার খোকসার কাদিরপুর থেকে ছবিটি তোলা।

বন্ধ হলো ৮৮ লাখের বেশি সিম

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গ্রাহকপ্রতি ১০টির বেশি সিমকার্ড বাতিল করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এতে দেশে ৮৮ লাখেরও বেশি সিমকার্ড বন্ধ হয়েছে। এছাড়া এক লাখ সিম মামলাসংক্রান্ত কারণে স্থগিত রয়েছে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে গ্রাহকপ্রতি থাকা সিমের সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় নভেম্বর থেকে গ্রাহকের বিপরীতে ১০টির বেশি সিম বন্ধ করা হয়েছে।

বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে, প্রতিটি গ্রাহকের সিম সংখ্যা পাঁচটিতে নামিয়ে আনা হবে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের অসন্তোষ ও আন্দোলনের কারণে এটি এখনই কার্যকর করা হয়নি। নির্বাচন শেষ হলে এটি বাস্তবায়িত হবে।

বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, “প্রায় ৮৯ লাখ অতিরিক্ত সিম পাওয়া গিয়েছিল, যার মধ্যে ৮৮ লাখের বেশি বন্ধ করা হয়েছে। বাকি এক লাখ সিম মামলার কারণে স্থগিত আছে, তবে দ্রæত তা বন্ধ হবে।”

সিমের সংখ্যা কমানোর প্রভাব পড়েছে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারে। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালু ও অতিরিক্ত সিম বন্ধের কারণে গত ছয় মাসে প্রায় ১৮ লাখ মোবাইল গ্রাহক এবং ৬২.৬ লাখ মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক কমেছে।

বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ২০২৫-এ দেশে চারটি সিম অপারেটরের বিপরীতে মোবাইল ব্যবহারকারী ছিলেন ১৯ কোটি ৪২ লাখ। এক বছর পরে জুলাইয়ে সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৭ লাখ এবং বর্তমানে (নভেম্বর ২০২৫) দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৭০ লাখে। মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমলেও ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১ কোটি ৪৬ লাখ।

এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ১০০৮ শিশু নিহত

0

দ্রোহ অনরাইন ডেস্ক

দেশে গত ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট ১ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। সড়ক ও সড়ক পরিবহন খাতে অব্যবস্থাপনা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে অসচেতনতার কারণেই শিশুরা উদ্বেগজনক হারে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান। প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে এ পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী, চালক বা হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে ৫৩৭ শিশু। আর পথচারী হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনের চাপা বা ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৪৭১ শিশু।

সড়কের ধরন অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে ২৮১ শিশু, আঞ্চলিক সড়কে ৩৬৪ শিশু, গ্রামীণ সড়কে ২৯১ শিশু এবং শহরের সড়কে ৭২ শিশু নিহত হয়েছে।

বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী নিহত শিশুর সংখ্যা ১৭৯ জন, ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী ৩৮২ জন এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪৪৭ জন।

শিশু মৃত্যুর হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে— দেশের সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা শিশুদের জন্য নিরাপদ না হওয়া, সড়ক ব্যবহারে শিশুদের সচেতনতার অভাব, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সড়ক ব্যবহার বিষয়ে পর্যাপ্ত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ না থাকা, অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের দ্বারা যানবাহন চালানো, দুর্ঘটনায় আহত শিশুদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকট এবং চিকিৎসা ব্যয়ে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা।

সুপারিশে বলা হয়েছে, সড়ক ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা শিশুদের জন্য নিরাপদ করতে হবে। পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ সড়ক ব্যবহারে শিশুদের সচেতন করতে হবে। অদক্ষ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার সুযোগ ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে। একইসঙ্গে আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ সরকারি তহবিল গঠন এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের আহŸান জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার সময় এবং বসতবাড়ির আশপাশের সড়কে খেলাধুলার সময় শিশু নিহতের ঘটনা বেশি ঘটছে। পথচারী হিসেবে শিশুরা গ্রামীণ সড়কে সবচেয়ে বেশি হতাহত হচ্ছে। কারণ গ্রামীণ সড়কগুলো বসতবাড়ি ঘেঁষা। অনেক ক্ষেত্রে ঘরের দরজা খুললেই সড়ক– এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এসব সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি থাকে না। ফলে যানবাহন বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। অন্যদিকে শিশুরাও সড়ক ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে অবগত নয়। এ অব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়েই শিশুরা নিহত ও পঙ্গু হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। কারণ প্রতিটি শিশুই অমিত সম্ভাবনাময় এবং আজকের শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ।

সরকারি চাকরিজীবীরা মহার্ঘ ভাতা পাবেন

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীরা চলমান বিধি অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেয়ে যাচ্ছেন। অন্তর্বর্তী সরকার স্পষ্ট করেছে, নতুন পে স্কেল কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান নিয়ম বহাল থাকবে। এই ভাতা বর্তমানে মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি ভরসার মতো কাজ করছে।

আর্থিক সংকট ও ফেব্রæয়ারিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার পরিকল্পনা স্থগিত হয়েছে। তবে পে কমিশনের কাজ বন্ধ করা হয়নি, বরং তাদের সম্পূর্ণ প্রতিবেদন তৈরি করে তা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিবেদন পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে, যা ভবিষ্যতে বেতন কাঠামো নির্ধারণে প্রধান ভিত্তি হবে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন-পূর্ব কোনো নতুন পে স্কেল ঘোষণার সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরও বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে নতুন পে স্কেল ঘোষণা করা সম্ভব নয় এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, পে কমিশনকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও মূল্যস্ফীতি গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হয়। তিনি জানান, সময় পাওয়া গেলে নির্বাচন পরবর্তী সরকারের জন্য একটি সময়োপযোগী বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।

পে কমিশনের প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, পরিবারে সদস্য সংখ্যা, আবাসন ও শিক্ষার খরচকে গুরুত্ব দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বেতন কাঠামো প্রস্তাব করা হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্রæত এই সুপারিশের ভিত্তিতে নবম পে স্কেল কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।

জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত হয়েছিল এবং চলতি বছরের ফেব্রæয়ারির মধ্যে এর মেয়াদ শেষ হবে, যা জাতীয় নির্বাচনের আগে।

সর্বশেষ সংবাদ

ছাত্রদলে নেতাকর্মীদেরকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ, গুলিবিদ্ধ ৩

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ভেড়ামারা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য চঞ্চলসহ (২৯) তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় ভেড়ামারা...

খোকসায় দুই মাথা ওয়ালা গরুর বাছুর

স্টাফ রিপোর্টার দুই মাথা বিশিষ্ট বিশ্ময়কর মৃত বছুর প্রসব করেছে এক প্রান্তিক কৃষকের গাভী। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টার পর কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের বসোয়া গ্রামের...

অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

কুমারখালী প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা-কেশবপুর এলাকায় অবৈধ ড্রাম চিমনি ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে দুইটি অবৈধ ইটভাটার স্কেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া...

খোকসার প্রত্যাহার হওয়া ওসির বিচারের দাবিতে মানবন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় লাখ টাকা দামের ল্যাপটপ চাঁদা দাবি করে প্রত্যাহার হওয়া ওসি মোতালেব হোসেনের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ীরা। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবর...

ঝিনাইদহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতা আটক

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ‎ঝিনাইদহে তেল পাম্পে ভাঙচুর ও বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাত নেতাকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার রাত থেকে সোমবার সকাল...