বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২৬.
Home Blog Page 153

ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক কমিটি বাতিল ও কথিত পকেট কমিটির জেলা আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাসকে কৃষকদলের সব পদ থেকে অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা, উপজেলা ও পৌর কৃষকদলের পদত্যাগকারী নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক হাফিজুর রশিদ স্বপন। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক লাবলুর রহমান বাবলু, কামাল হোসেন, আব্দুর রউফ, জেলা কৃষকদলের সদস্য আবু জাফর ও পৌর কৃষকদলের যুগ্ম-আহবায়ক শহীদুল ইসলাম উপস্থিতি ছলেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়. কৃষকদল সদর উপজেলা ও পৌর শাখার আহবায়ক কমিটিতে ত্যাগি নেতা কর্মীদের বাদ দিয়ে দীর্ঘদিন যারা রাজনীতির সাথে নেই এমন ব্যক্তিদেরকে কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আনা হয়েছে। যেটা দলের জন্য ক্ষতির কারণ। জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাস একক সিদ্ধান্তে নিজস্ব আত্মীয়-স্বজন এবং তার ব্যক্তিগত কর্মচারীদের এই কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ার সাবেক এসপি তানভীর হত্যা মামলায় কারাগারে

অভিযোগে আরও বলেন, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঝিনাইদহ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক মোঃ ওসমান আলী বিশ্বাস অর্থের বিনিময়ে এসব পদ বেচাকেনা করেছে। বিতর্কিত পকেট কমিটি বাতিল ও জেলা আহবায়ক ওসমান আলী বিশ্বাসের অব্যাহতি দাবী করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবসময় বলে আসছেন বলেন, এক নেতার এক পদ কিন্তু ওসমান আলী বিশ্বাস একাই ৫টি পদ দখল করে আছেন। সংবাদ সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও পৌর কৃষকদলের ৯০ জন নেতাকর্মী পদত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন – খোকসায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর দেশের ৬৩টি জেলায় কৃষকদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হলেও ঝিনাইদহে পালিত হয়নি। এমনকি ১৪ ডিসেম্বব বুদ্ধিজীবি দিবস ও মহান বিজয় দিবস পালন করেনি কৃষকদলের ব্যানারে।

কুষ্টিয়ার সাবেক এসপি তানভীর হত্যা মামলায় কারাগারে

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

বিএনপির কর্মী সুজন মালিথাকে গুলি করে হত্যার মামলার প্রধান আসামি কুষ্টিয়ার সাবেক পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পর বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় কুষ্টিয়া সদর আমলী আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা সুলতানার আদালতে হাজির করা হয়। বিজ্ঞ আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন। উপ পুলিশ কমিশনার তানভীর আরাফাত সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার খালিশপুর উপজেলায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাবুর রহমান শিহাব বলেন, সাবেক এসপি তানভীর আরাফাত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা রয়েছে। কিভাবে কোথায় থেকে কখন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেন নি পুলিশের এই কর্মকর্তা।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিহত সুজনের রাজনৈতিক বড় ভাই সুজন হোসেন (৪২) বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মোট ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ১০-১২ জনকে।

নিহত সুজন মালিথা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার টাকিমারা গ্রামের ইসমাইল মালিথার ছেলে। মামলার বাদী সুজন হোসেন কুষ্টিয়া শহরের মিললাইন এলাকার লালন শাহ সড়কের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

মামলার বাদী সুজন হোসেন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আমার দলীয় ছোট ভাই বিএনপির সহযোদ্ধা সুজন মালিথা নিয়মিত বিএনপির বিভিন্ন প্রোগ্রামে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের উৎসাহ প্রদান করতো। যার কারণে আসামিদের কাছে সুজন মালিথা শত্রু হিসেবে পরিণত হয়। আসামিরা আমার দলীয় ছোট ভাইকে হত্যার ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তারই জের ধরে আমার দলীয় ছোট ভাই সুজন মালিথা বিএনপির প্রোগ্রাম শেষ করে রাতে নিজ বাড়িতে প্রবেশ করলে ২০১৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে আসামিরা সকলে মিলে আমার দলীয় ছোট ভাইয়ের বাসায় প্রবেশ করে এবং তাকে জোরপূর্বক তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে চলে যায়। পরবর্তীতে আমিসহ সুজন মালিথার পরিবারের লোকজন তাকে দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে এলকাবাসীর মাধ্যমে জানতে পারি যে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উল্লেখিত আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে আমার দলীয় ছোট ভাই সুজন মালিথাকে বাসা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ১টা ৩০ মিনিটে কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন মোল্লাতেঘরিয়া পূর্ব ক্যানালের পাড়ে গুলি করে হত্যা করে। অত:পর আমিসহ সুজন মালিথার পরিবারের লোকজন আসামিদের কাছে উপস্থিত হয়ে সুজন মালিথাকে হত্যার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা কোনো সদুত্তর না দিয়ে আমাদের তাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে একাধিকবার উক্ত ঘটনার বিষয়ে মামলা করার চেষ্টা করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায়। ঘটনার বিষয়ে এলাকার অনেকেই অবগত আছেন। এমতাবস্থায় ঘটনার বিষয়ে সুজন মালিথার পরিবারসহ দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে থানায় এজাহার দায়ের করতে বিলম্ব হয়।

মামলার আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়ার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এসএম তানভীর আরাফাত, কুষ্টিয়া মডেল থানার সাবেক ওসি নাসির উদ্দিন, একই থানার সাবেক ওসি এ কে এম মিজানুর রহমান, ওই থানার সাবেক এসআই সাহেব আলী, এসআই মোস্তাফিজুর রহমান, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, দৌলতপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান টোকন চৌধুরী, কুষ্টিয়া নাগরিক পরিষদের সভাপতি এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) চেয়ারম্যান সাইফুদ্দৌলা তরুন (৪৮), কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব (৪৫), কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মহিদুল ইসলাম, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ আরিফুর হোসেন সজীব, কুষ্টিয়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কৌশিক আহমেদ ওরফে বিচ্ছু, জেলা শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি সোহাগ আলী।

আরও পড়ুন – খোকসায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, বিএনপি কর্মী সুজন হত্যা মামলায় তানভীর আরাফাতকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়া আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় নারী পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে এসএম তানভীর আরাফাত কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। ২০২০ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন করার সময়ে সরকারি চাকরি করেও বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন দায়িত্বশীল নেতার মত প্রকাশ্যে বক্তৃতা দিতেন। এছাড়াও বিএনপি-জামাতসহ সরকার বিরোধী নেতাকর্মীরদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার নির্যাতন সহ নানা হয়রানি করতেন। এসপি থাকাকালীন কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপি-জামাত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, এদেশে থাকতে গেলে বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোন কথা বলা যাবে না। চুপ করে থাকতে হবে। এদেশ যদি ভালো না লাগে তাহলে সোজা পেয়ারে পাকিস্তানে চলে যেতে হবে। সে সময় তার এই বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়।

খোকসায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় শীতার্ত দুস্থ নারী ও বিএনপির কর্মীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকালে খোকসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চত্বরে শীতবস্ত্র বিতরণের আনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ সাদি।

আরও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় নারী পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন বীব মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান, চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, আব্দুল মঈদ বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি এ জেড জি রশিদ রেজা বাজু প্রমুখ।

আরও পড়ুন – কুমারখালী বিএনপি নেতারা বিভেদ ভুলে এক মঞ্চে

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধক শেখ সাদি দুস্থদের হাতে শীতের কম্বল তুলে দেন।

কুষ্টিয়ায় নারী পুলিশের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের কমলাপুর এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে এক নারী পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্যের নাম রুবিনা খাতুন (২৮)। তিনি কুষ্টিয়া আদালতে জিআরও অফিসে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ তার মরদেহটি উদ্ধার করে।

নিহত রুবিনা খাতুন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার রামনগর গ্রামের আব্দুল শেখের মেয়ে। একই থানার রতনপুর গ্রামের ফজলু শেখের ছেলে আলাল শেখ (৩০) তার স্বামী বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন – কুমারখালী বিএনপি নেতারা বিভেদ ভুলে এক মঞ্চে

পুলিশ জানায়, শহরের কমলাপুর এলাকার একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলায় স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন পুলিশ সদস্য রুবিনা। ছেলে-মেয়েরা নানা বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় বুধবার ছুটির দিনে স্বামী-স্ত্রী দুইজনেই বাড়িতে ছিলেন । সারাদিন সহকর্মীরা রুবিনাকে মুঠােফোনে কল দিয়ে না পেয়ে পাশের ফ্লাটের পরিচিত এক প্রতিবেশীকে ব্যাপারটি জানায়। এরপর ওই প্রতিবেশীর স্ত্রী এসে রুবিনার স্বামীকে জানায় সহকর্মীদের কল ধরছে না রুবিনা। তখন রুবিনার স্বামী আলাল জানায় শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকায় সকাল থেকে সে রাগ করে ঘরের দরজা বন্ধ করে আছে। সন্ধ্যায় এ ঘটনা জানার পর সহকর্মীরা এসে ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে রুবিনাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আরও পড়ুন – কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের জমি দখলের অভিযোগ

ঘটনাস্থলে থাকা কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাবুর রহমান শিহাব বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। বাকিটা ময়নাতদন্ত রির্পোট আসার পর নিশ্চিত হয়ে বলা যাবে। তারপরও সবকিছু মাথায় রেখে তদন্ত চলছে।

কুমারখালী বিএনপি নেতারা বিভেদ ভুলে এক মঞ্চে

0

কুমারখালী প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি তিন বছর পর বিলুপ্ত হলো। আর বিভেদ ভুলে একই মঞ্চে পাশাপাশি বসলেন বিএনপি নেতারা।

বুধবার বিকাল ৫ টা ১৭ মিনিটে স্থানীয় আবুল হোসেন তরুন অডিটোরিয়ামে এক বিশেষ কর্মী সমাবেশ ও আলোচনা সভা শেষে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির সরকার।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ি দলকে সুসংঠিত এবং পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এই সভার মাধ্যমে আহবায়ক কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে খুব দ্রæতই ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রথমে ওয়ার্ড কমিটি, তারপরে ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিটি গঠন করা হবে।

এ সময় বিভেদ ভুলে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কুষ্টিয়া ৪ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী ও নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক, জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহম্মদ, উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক আহবায়ক লুৎফর রহমান ও সদ্য সাবেক সদস্য সচিব এস এম শাতিল মাহমুদ প্রমুখ। এর আগে ২০২১ সালে ৬ মাস মেয়াদি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল জেলা কমিটি।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার বিএনপির নেতাকর্মীরা। ১৬ বছর রাজপথে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারিনি। তবে ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজপথে দেখা মেলে এই দলের নেতাকর্মীদের। কিন্তু আসন্ন সংসদ নির্বাচন, আধিপত্য বিস্তার ও দলের পদ প্রাপ্তিকে কেন্দ্র করে তাদের কর্মকান্ড ছিল কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।

আরও পড়ুন – কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের জমি দখলের অভিযোগ

আয়োজক সুত্রে জানা যায়, বুধবার আবুল হোসেন তরুন অডিটোরিয়ামে বিশেষ কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে উপজেলা ও পৌর বিএনপি। বিকালে সমাবেশে উদ্ধোধনী বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ।

সদ্য সাবেক আহবায়ক লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কুষ্টিয়া ৪ আসনের সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী রুমী।

আরও পড়ুন – কবিতা উৎসব উপলক্ষে কবিদের মিলন মেলা

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাকির সরকার, যুগ্ম আহবায়ক শেখ সাদী ও নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক, জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহম্মদ। তারা বলেন, মনে ও মতের পার্থক্য থাকলেও দলকে সুসংগঠিত করতে ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন সবাই।

কৃষক দল নেতার বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের জমি দখলের অভিযোগ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় কৃষক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ভূমিহীনদের উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ঘন্টাব্যাপী কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন ভুক্তভোগীরা। এ সময় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ হয়েছে।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১ টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলির ত্রিমোহনী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সুমন সরকার নামের কৃষক দলের এক নেতার নেতৃত্বে জমি দখলের জন্য বারখাদা হঠাৎ পাড়ায় বসবাসরত ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা চলছে। সুমন সরকার কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহবায়ক।

জানা গেছে, কুষ্টিয়া পৌরসভার বারখাদা মৌজায় ৭.৩৬ একর সম্পত্তি রয়েছে। প্রায় ২২ বিঘা জমির ২১ বিঘাতে ভূমিহীনরা ৫০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। বাকি ১ বিঘা জমিতে একটি মসজিদসহ ফাঁকা জায়গা রয়েছে। বুধবার সকালে জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সুমন সরকারের নেতৃত্বে ৩০-৪০টি মোটরসাইকেল যোগে এসে মসজিদসহ ফাঁকা জায়গা ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। একই সাথে পৌরসভার সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে পিলার পুঁতে সীমানা নির্ধারণ করে দেয় তারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে ত্রিমোহনী মোড়ে ভূমিহীনরা জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এ সময় নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ ও শিশুরাও অংশ নেই। তারা বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত ব্যানার হাতে শ্লোগান দিতে থাকে। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেই।

ভূমিহীন ফাতেমা খাতুন বলেন, বিন্দুমাত্র জায়গায় নেই আমার। মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসাবে কপালে জুটেছে সরকারি এই জায়গাটুকু। সেটিও দখল করতে এসেছে কৃষক দল নেতা সুমনের লোকজন। কেন আমাদের উচ্ছেদ করবে।

হঠাৎ পাড়ায় বসবাসরত শিমুল হোসেন বলেন, কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহবায়ক সুমন সরকার, সুজন সরকার, ছানোয়ার ডাক্তার, তাজ ও মাহাবুলের নেতৃত্বে একাধিক বার চেষ্টা করেছে এই জায়গা জবরদখল করার। সকালে প্রায় ৩০টি মোটরসাইকেলে এসে জোর করে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে যায়।

উজ্জল হোসেন বলেন, বারখাদা ত্রিমহোনী হঠাৎ পাড়াতে ৪০ বছর ধরে আমরা বসবাস সরকারি জায়গায় বসবাস করে আসছি। আমার মত আরও ২’শ ঘর এখানে রয়েছে। এ ঘরগুলো উচ্ছেদ করে দখলের চেষ্টা চলছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি বলেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এমপি হানিফ ও তার ভাই আতা মিলে পৌর সভার এই জায়গা একাধিকবার দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। তখনও প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এখানে বসবাসরত পরিবার। সরকার পরিবর্তনের পর আবার এখন যারা ক্ষমতায় আছে তারা দখলে নেওয়ার চেষ্টা চলাচছে। মূলত মসজিদসহ ফাঁকা জায়গাটুকু দখল নিতে পারলে এখানে বসবাসরত ভূমিহীনদের উচ্ছেদে দখলদারদের সুবিধে হবে। তারা আরো বলেন, পরিবারগুলো নিজেরাই বালি ফেলে মসজিদটি নির্মাণ করেছে।

আর ও পড়ুন – কবিতা উৎসব উপলক্ষে কবিদের মিলন মেলা

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহবায়ক সুমন সরকার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমি বা আমার দলের কোন লোক সেখানে ভূমিহীনদের জায়গা দখল করতে যায়নি। তার বিরুদ্ধে ভূমিহীনদের জায়গা দখলের অভিযোগটি সম্পন্ন ভিত্তিহীন।

আরও পড়ুন – খোকসায় বিএনপির কর্মী সমাবেশে ঐক্যের ডাক

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাবুর রহমান শিহাব বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে সড়ক অবরোধের বিষয়টি জানতে পারি। পরে ঘটনাস্থলে এসে জানি এখানে ২২ বিঘা মতো পৌরসভার জমি রয়েছে। সেখানে ভূমিহীনরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। সেই জমি কে বা কারা দখলের চেষ্টা করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে ভূমিহীনরা অবরোধ তুলে নেই।

কবিতা উৎসব উপলক্ষে কবিদের মিলন মেলা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

” শিরদাড়াটা খেয়ে গেছে ঘুনপোকা, মগজে ধরেছে পচন,” খুব কাছাকাছি এক ধরাতে এক জমিনে বাস ” ” স্বাধীনতা তুমি পাকহানাদার বাঙালির খেলা “সাত সকাল বেলা তুমি আগুন দিলে “এই গড়াই পাড়ে ডুবে যাওয়া সূর্য “- এমন অর্ধশতাধিক স্বরচিত কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কবিতা উৎসব।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুমারখালী পৌর শিশুপার্কে এ উৎসবের আয়োজন করে একটি স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ইয়থ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম। কবিদের সামাজিকভাবে মর্যাদা বৃদ্ধি, সম্মানিত করা এবং উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক জনপদে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে কুমারখালী ও খোকসা উপজেলা থেকে অন্তত ৬০ জন কবি অংশ নেন।

জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠের মধ্যদিয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য প্রফেসর ড. আব্দুর রহমান।

খোকসা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগীয় প্রধান কবি ওয়াজেদ বাঙালির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত।

ইয়থ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সভাপতি আশিকুল ইসলামের চপলের পরিচালনায় উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জিল্লুর রহমান, কবি, সাংবাদিক ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী পি এম সিরাজ প্রামাণিক, কবি ও সাহিত্যক সোহেল আমিন বাবু ও লিটন আব্বাস প্রমুখ।
এদিন কুমারখালীর কবি এম হাসিম আলীর রচিত ” বর্ণমালায় কাব্যগ্রন্থ ” বইটির মোড় উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি আমিরুল আরাফাত।

আরও্ পড়ুন – খোকসায় বিএনপির কর্মী সমাবেশে ঐক্যের ডাক

আয়োজক ইয়থ ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সভাপতি আশিকুল ইসলাম চপল বলেন, কবিদের সামাজিকভাবে মর্যাদা বৃদ্ধি, সম্মানিত করা এবং লেখালেখিতে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক জনপদে কবিতা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়লো কুমির

কবি ও নাট্যকর লিটন আব্বাস বলেন, কবিদের পেটে ক্ষুধা থাকলেও মুখে থাকে সুধা। সুষ্ঠু সমাজ ও জাতি গঠনে কবিদের ভূমিকা রয়েছে। নতুন প্রজন্ম যেন পথভ্রষ্ট না হয়। সেজন্য বেশি বেশি এমন আয়োজন করতে হবে।

খোকসায় বিএনপির কর্মী সমাবেশে ঐক্যের ডাক

0

স্টাফ রিপোর্টার

উত্তেজনার মধ্যদিয়ে ১৩ বছর পর খোকসা থানা বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐক্যের ঢাকের মধ্যে দ্বিধাবিভক্ত নেতারা একমঞ্চে বসে থানা ও পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করলেন।

বুধবার সকালেই উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে মিছিল নিয়ে বিএনপির কর্মীরা খোকসা জানিপুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে তৈরী সভামঞ্চের সামনের বিশাল প্যান্ডেলে অবস্থান নিতে থাকেন। সভা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগেই নেতাকর্মীতে কানায় কানায় ভরে যায় সভাস্থল। তবে মিছিল নিয়ে আসা কর্মীদের প্রত্যেকের হাতেই ধানে শীষ বাঁধা কাঠের বাটাম আর বাঁশের লাঠি দেখা যায়। জেলা নেতারা সমাবেশে আসার আগেই নেতাকর্মীদের লাঠিসোটা ফেলে আসন গ্রহনের জন্য মাইকে অনুরোধ করা হয়। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে কর্মীরা লাঠিসোটা রেখে সভায় যোগ দেন। তবে শেষ পর্যন্ত উল্লেখ বিশৃঙ্খল ঘটনা ছড়াই দ্বিধাবিভক্ত নেতারা একমঞ্চে বসে সভা শেষ করেন।

বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা ও ঐক্যের আহবানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ কর্মী সমাবেশটির উদ্বোধন করেন।

প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ সাদী।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান, থানা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান কাজল, সৈয়দা ফাইমা রুমি, পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নাফিজ আহমেদ খান রাজু প্রমুখ।

আরও পড়ুন- পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়লো কুমির

পৌর বিএনপির সভাপতি এ জেড জি রেজা বাজু কর্মী সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন। সভাপতিত্ব করেন খোকসা থানা বিএনপি’র আহবায়ক সৈয়দ আমজাদ আলী।

আরও পড়ুন – খোকসায় ভ্রামমান আদালতের অভিযান

আলোচনা সভা শেষে জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ খোকসা থানা ও পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করেন।

পদ্মায় জেলের জালে ধরা পড়লো কুমির

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া বালুর ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে একটি বিশালাকৃতির কুমির ধরা পড়েছে। কুমিরটির ওজন আনুমানিক সাড়ে ৩ মণ এবং লম্বায় প্রায় ১০ ফুট।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে তালবাড়িয়া ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে শরিফুল ইসলাম নামের এক জেলের মাছ ধরার জালে কুমিরটি ধরা পড়ে। এ সময় জালে কুমির আটকে থাকতে দেখে জেলেসহ আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। হাজার হাজার উৎসুক জনতা কুমিরটিকে এক নজর দেখার জন্য সেখানে ভিড় জমায়। খবর পেয়ে বন বিভাগ কুষ্টিয়ার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় পরিবেশ কর্মীদের সহায়তায় কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

জেলে শরিফুল ইসলাম বলেন, আমিসহ আমরা ৭-৮ জন জেলে প্রতি দিনের মত নদীতে মাছ ধরতে যায়। দুপুর ১টার দিকে নদীতে জাল ফেলি। জাল টানার পর প্রথমে মনে করেছিলাম বড় কোনো মাছ ধরা পড়েছে। কিন্তু জাল তোলার পরে দেখি বিশাল আকৃতির একটি কুমির। আমরা জাল কেটে কুমিরটিকে বের করে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখি। পরে বন বিভাগের লোক এসে কুমিরটিকে নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী রাশিদুর রহমান লালন জানান, দুপুরের দিকে খবর আসে তালবাড়িয়া ঘাটে জেলেদের জালে একটি বিশাল আকৃতির কুমির ধরা পড়েছে। আমরা ছুটে গিয়ে সেখানে কুমিরটিকে দেখতে পায়। পরে কুমিরটিকে উপরে তুলে নিয়ে জাল কেটে বের করে স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন – খোকসায় ভ্রামমান আদালতের অভিযান

বাংলাদেশ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) এর সহ সভাপতি প্রকৃতিপ্রেমী শাহাবউদ্দিন মিলন বলেন, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই স্থানীয়রা পদ্মা এবং গড়াই নদীতে কয়েকটি কুমির দেখতে পাচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা মুরগি হাঁস এবং ছাগল দিয়ে রাখি নদীতে। কয়েকবার দেখা গেলেও হাজারো মানুষের ভিড়ের কারণে শেষ পর্যন্ত আর কুমিরের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে জানতে পারি, তালবাড়িয়া ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে একটি কুমির ধরা পড়েছে। খবর পেয়ে আমরা বিবিসিএফ টিম এবং বন বিভাগ কুষ্টিয়ার কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। সেখানে জেলেদের জাল কেটে কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তীতে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে বসে সিদ্ধান্ত কুমিরটিকে নিরাপদ কোন স্থানে অবমুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন – খোকসায় ১৩ বছর পর বিএনপির কর্মী সমাবেশ

সামজিক বনায়ন কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জগতি) মো: আতিয়ার রহমান জানান, এটি মিঠা পানির একটি কুমির। এটি লম্বায় প্রায় ১০ ফুট হতে পারে। কুমিরটি তালবাড়িয়া ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কুমিরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। পরবর্তীতে উপযুক্ত স্থানে আমরা এটিকে অবমুক্ত করব।

খোকসায় ভ্রামমান আদালতের অভিযান

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা পৌর এলাকার ফুটপাত অবৈধ দখল মুক্ত রাখতে আবার ১ জন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে খোকসা বাজারে প্রধান সড়ক দখল মুক্ত রাখতে অব্যাহত এ অভিযান পরিচালনা করেন পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন।

ভ্রাম্যমান আদালতে সহযোগীতাকারী উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার লোকমান আলী বরাতদিয়ে আমাদের প্রতিবেদক জানান, এর আগেও প্রধান বাজারের ফুটপাত দখল মুক্ত করতে ব্যবসায়ীদের অবগত করা হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সে আদেশ যথাযথ পালন না করায় দ্বিতীয় দফায় ভ্যাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন – খোকসায় ১৩ বছর পর বিএনপির কর্মী সমাবেশ

মঙ্গলবার পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত বর্ষণ ইলেকট্রনিক্সর মালিককে এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ সময় রাস্তা রাখা ব্যবসায়ীদের মালামাল পৌর সভার বজ্র ফেলা ভ্রানে তুলে নেন। পরে ব্যবসায়ীদের সব মালামাল ফেরতও দেয় আদালত।

সর্বশেষ সংবাদ

দেশের বাজারের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক দেশের বাজারে এপ্রিলে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত থাকবে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানী তেলের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার...

সাঁতারু নয়ন আলী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন

কুমারখালী প্রতিনিধি ভারতের মুর্শিদাবাদে অনুষ্ঠিত ৭৯তম বিশ্ব দূরপাল্লার সাঁতার প্রতিযোগিতায় সফলতা সহ জাতীয় পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি-স্বরূপ কুমারখালী নয়ন আলী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার অর্জন করেছেন। ইতোমধ্যে যুব...

কৃষককে হত্যার ঘটনায় চারজনের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুরে কৃষক সাহাবুল ইসলাম মন্ডলকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে চারজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদন্ডের...

প্লাটফর্ম না থাকায় ট্রেনে উঠতে হয় যুদ্ধ করে

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা রেল ষ্টেশনের ২ নম্বর লাইনে প্লাটফর্ম নাই। সমতল থেকে ট্রেনের কামরার দূরত্ব খাড়া ৫ ফুট উচুতে। ফলে যাত্রীরদের ট্রেনে উঠা-নামা করতে...

অলৌকিক ভাবে প্রাণে বেঁচে গেলো বাসের ৪০ যাত্রী

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া রাজবাড়ী সড়কের খোকসায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখমুখি সংঘর্ষে গাড়ি দুটি দুমড়ে মুচরে গেলেও অলৌকিকভাবে ৪০ যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলো। সোমবার বিকাল চারটার...