স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়া রাজবাড়ী সড়কের খোকসায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখমুখি সংঘর্ষে গাড়ি দুটি দুমড়ে মুচরে গেলেও অলৌকিকভাবে ৪০ যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলো।
সোমবার বিকাল চারটার দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কের খোকসার শিমুলিয়া কুঠি পাড়ায় যাত্রীবাহী বাস (ফরিদপুর জ ১১-০০৪৮) ও (ঢাকা মেট্রো চ ৫২-০৯২৮ নম্বর ) মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। কুষ্টিয়া গামী মাইক্রো বাসটি দুমড়ে মুচরে চালক ও যাত্রী আটকে যায়। স্থানীয় উদ্ধার কর্মীরা চালক আশরাফ বিশ্বাস (৪০) ও গাড়ীর অপর আরহী মোঃ হাসান আলী (৪৫)কে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগেয় নিয়ে যায়। মাইক্রোবাসের চালকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাহত দু’জনকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
যাত্রীবাহী বাসটি কুষ্টিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যাচ্ছিলো। বাসটির কয়েকজন নারী ও শিশু যাত্রী আহত হয়েছেন। তবে উদ্ধারকারীরা আহতদের সংখ্যা নিশ্চিত করতে পারেননি। বাসটিতে ৪০ জনের মত যাত্রী ছিলো।
সুমাইয়া খাতুন নামের স্থানীয় এক নারী জানান, দুই গাড়ীর মুখোমুথি সংঘর্ষের পর বাসের চালক পালানোর সময় তাদের ডেকে বলেন রাস্তায় বাস এক্সিসেডেন্ট করেছে। মানুষ মারা যাচ্ছে। তার মুখে খবর পেয়ে তিনি রাস্তায় এসে চিৎকার দেন। এসময় অনেক লোক জুটে যায়। বাসের কয়েকজন মহিলা ও শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে কেটে গেছে।

উদ্ধার কর্মী জহির উদ্দিন জানান, দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের শব্দ শুনে তিনি ঘটনা স্থলে ছুটে আসেন। মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়ে মুচরে যাওয়া মাইক্রো বাসের চালক ও অপর যাত্রী আটকে ছিলেন। প্রথমে লোহার রডের তৈরী সাবল দিয়ে মাইক্রোর চালক ও যাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কয়েক মিনিট চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। অবশেষে অন্য একটি ট্রাকের সাথে মাইক্রো বাসের ডালা বেঁধে দিয়ে আটকেপরাদের উদ্ধার করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত সিনিয়র নাস আব্দুস সালাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই রোগীকে জরুরী বিভাগে আনা হয়। এদের মধ্যে আশরাফ নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আহত মাইক্রো চালকের বোন প্রিয়ার সাথে রাত পৌনে ১০ টায় কথা বলাহলে তিনি হয়। তিনি জানান তারা শুধু একবার খবটা শুনেছেন। এর পরের অবস্থা আর জানা নেই।
খোকসা থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারা ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হয়নি। তবে মাইক্রো চালকের অবস্থা গুরুতর বলে মনে হয়েছে। বাঁকী কাজ করবে কুষ্টিয়া হাইওয়ে থানার পুলিশ। তারা ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলের উদ্যেশে যাত্রা করেছেন।






