রবিবার, মার্চ ২২, ২০২৬.
Home Blog Page 77

ঝিনাইদহে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে র‌্যালি

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিজয় র‌্যালি করেছে।

বুধবার দুপুরে শহরের উজির আলী হাইস্কুল মাঠ থেকে বিজয় র‌্যালি শুরু হয়। র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপুর্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড এলাকার স্বাধীন চত্বরে এসে শেষ হয়। র‌্যালির নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ। বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিজয় র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। র‌্যালিতে সনাতন ধর্মালম্বিরর অংশগ্রহন ছিল চোখে পড়ার মতো।

র‌্যালি শেষে স্বাধীন চত্বরে সংক্ষিপ্ত সাবেশে অন্যান্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এ্যাড এস এম মশিয়ূর রহমান, মুন্সি কামাল আজাদ পাননু, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, আলমগীর হোসেন আলম, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, কৃষকদল নেতা মীর ফজলে ইলাহী শিমুল, যুবদল নেতা আহসান হাবিব রণক, আশরাফুল ইসলাম পিন্টু, ছাত্রদল নেতা সোমেনুজ্জামান সোমেন ও মুশফিকুর রহমান মানিক বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন – অজ্ঞাত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড এম এ মজিদ তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পৃথিবীর অন্যতম স্বৈরশাসক হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আকাশে উদিত হয় নতুন সূর্য। দুই হাজার মানুষের আত্মদানে রচিত হয় ইতিহাসের মহাসোপান।

আরও পড়ুন – জেলা পরিষদের টাওয়ারের দোকান ও ফ্লোর বরাদ্দের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

 

অজ্ঞাত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাত দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার সকালে কুষ্টিয়া মডেল থানা সংলগ্ন কোর্টপাড়া বারো শরীফ দরবারের পাশের একটি স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, সকালে দরবারের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, সকালে খবর পেয়ে আমরা দ্রæত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করি। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমাদের প্রথম এবং প্রধান কাজ হলো নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা। পুলিশ আরও জানায়, পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় বার্তা পাঠানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে শহরের একটি পরিচিত এলাকার দরবারের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

অপরদিকে জেলার মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অজ্ঞাত এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশ নাম পরিচয় জানতে কাজ করছে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোমিনুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন – জেলা পরিষদের টাওয়ারের দোকান ও ফ্লোর বরাদ্দের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। এ ঘটনায় উভয় থানায় দুইটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

আরও পড়ুন – দেশে ১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে – উপদেষ্টা মাহফুজ

জেলা পরিষদের টাওয়ারের দোকান ও ফ্লোর বরাদ্দের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে দোকান বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিষিদ্ধ আ.লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও তার অনুসারী আওয়ামী লীগের নেতারা বিলাসবহুল বহুতল বিশিষ্ট এই বাণিজ্যিক ভবনের শতাধিক দোকান নামে বেনামে বাগিয়ে নিয়েছেন।

এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে দুদকের নজরে আসে। এসব অভিযোগে তদন্তে নেমেছে দুদক। বুধবার (৬ আগস্ট) বেলা ১২টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের থানা পাড়ায় এনএস রোডে জেলা পরিষদের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দুদক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সমন্বিত কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়। তিনিই অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

অভিযোগ রয়েছে, বাণিজ্যিক ভবনে দোকান বরাদ্দে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। অনিয়মকে নিয়ম বানিয়ে বরাদ্দের এসব দোকান লুটে নেয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জেলা পরিষদ নির্মিত কুষ্টিয়ার একটি ৯ তলা ভবনের দোকান বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ৪১ কাঠার ওপর নির্মিত ভবনের প্রায় অর্ধেক দোকানই দেওয়া হয়েছে কার্যত নিষিদ্ধ আ.লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ অনুসারীদের। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই বাণিজ্যিক ভবনটি তখন আওয়ামী লীগ নেতা ও তাদের স্ত্রী-সন্তান এবং স্বজনরা লুটে নিয়েছেন।

দুদকের সমন্বিত কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের বিজন কুমার রায় বলেন, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে দোকান বরাদ্দে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আজকে আমরা জেলা পরিষদে অভিযান পরিচালনা করেছি। জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। আরও বেশকিছু নথিপত্রের ফটোকপি দেয়ার জন্য তাদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগ রয়েছে, জেলা পরিষদের দোকান বরাদ্দের জন্য কোনো রকম বিজ্ঞপ্তি জারি না করে, নিজেদের মন মতো অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে আ.লীগ নেতা ও তাদের পছন্দের লোকদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভবনটির প্রতি ফ্লোরে জায়গা রয়েছে ১৮ হাজার বর্গফুট। গত বছর কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ক্ষোভের মুখে পড়ে বাণিজ্যিক ওই ভবনটি। আন্দোলনের শেষদিকে ৪ আগস্ট ভবনের সামনের অংশে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় ছাত্র-জনতা। পরে ভবনটি সংস্কার করে অতি গোপনে পলাতক আ.লীগ নেতাদের নামে বরাদ্দ চূড়ান্ত করে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ। আ.লীগ আমলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ধরনা দিয়েও একটি দোকানও পায়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেন, দোকান বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি করা হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের কোনো আবেদনপত্র জমা নেওয়া হয়নি। ইচ্ছামতো হরিলুট করা হয়েছে দোকানঘর। কেউ টুঁ শব্দ করার সাহস পায়নি। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত অভিজাত এই মার্কেটে দোকান পাওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার। প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় একশ বর্গফুটের একটি দোকান ৫ কিস্তিতে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। অথচ এসব দোকানের বাজারমূল্য ৫০ থেকে ৮০ লাখ টাকা। আবার নেতা ও তাদের আত্মীয়স্বজনের সুবিধার জন্য ৫ কিস্তিতে জমা নেওয়া হয় টাকা। সেই হিসাবে মাত্র সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে দোকান পেয়ে যান তারা। বাকি টাকা তিন বছর ধরে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হয়। কয়েকদিনের মধ্যে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিনিধি ও তাদের আত্মীয়দের কাছে চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেন ওই কর্মকর্তা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের অনেকের কিস্তির টাকা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। তারপর এক বছর অতিবাহিত হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। উল্টো আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেক নেতার কাছ থেকে গোপনে কিস্তির টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সরকার পরিবর্তনের পর জেলার ব্যবসায়ীরা ভেবেছিলেন অনিয়ম উৎপাট হবে এবং তারা দোকান বরাদ্দ পাবেন। কিন্তু তা হয়নি। পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের নামে এসব দোকানের চূড়ান্ত বরাদ্দ দেয়ার সিদ্ধান্তু নিয়েছে জেলা পরিষদ। ইতোমধ্যে সেই প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। চূড়ান্ত করা হয়েছে তালিকা, জমা নেওয়া হয়েছে তিনশত টাকার স্ট্যাম্প। এসব কাজ চলছে অতি গোপনে।

নথিপত্র থেকে জানা গেছে, দোকান হরিলুটের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও তৎকালীন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলাম। তিনি একাই নিয়েছেন দশটি দোকান। তার তিন মেয়ে জাকিয়া মাসুদ, রুমানা সুলতানা, রেবেকা সুলতানা, ছেলে রকিবুল ইসলাম ও বিয়াই রঞ্জু আহমেদের নামে নিচতলায় দোকান নিয়েছেন। এছাড়া আরও ৫ জন নিকটাত্মীয়ের নামে রয়েছে পাঁচটি দোকান।

তালিকার পরের স্থানেই রয়েছেন আওয়ামী লীগের উপকমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুয়াডাঙ্গা সদর আসনের এমপি প্রার্থী দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। তিনি নিজের নামে চতুর্থ তলায় একাই নিয়েছেন ছয়টি দোকান।

শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি তাইজাল আলী খান নিয়েছেন চারটি দোকান। তার ছেলে ১০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান ওয়াহিদ রনির নামে দুইটি ও আত্মীয় তৌহিদ একটি এবং আরেক আত্মীয়ের নামে নেওয়া হয় আরও একটি দোকান। কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান আত্মীয়স্বজনের নামে নিয়েছেন চারটি দোকান।

এছাড়াও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, কুষ্টিয়া-২ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য ও মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন, জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপন, ভেড়ামারা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক তরিকুল ইসলাম মানিক, শহর যুবলীগের সদস্য কিশোর কুমার ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুল হক পুলক, কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সদস্য গৌরব চাকী ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মানব চাকী, দৌলতপুর আওয়ামী লীগের সদস্য আসাদুজ্জামান চৌধুরী লোটন, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ আলী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফজলে করিম খোকা এবং পৌর ১০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুস সালাম নিয়েছেন একটি দোকান।

নেতাদের পরিবারের মহিলা সদস্যদের নামেও রয়েছে অর্ধশত দোকান। হানিফ নিজেও ওই ভবনের সপ্তম ও অষ্টমতলা তৎকালীন লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান হিসাবে স্ত্রী ফৌজিয়া আলমের নামে ভাড়া নিয়েছেন। হরিলুটে যুক্ত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মকর্তারাও।

জেলা পরিষদের সদ্য বিদায়ি সহকারী প্রকৌশলী রুহুল আজম স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামে নিয়েছেন ৫টি দোকান, সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান নিয়েছেন দুইটি দোকান, সাবেক এক প্রধান নির্বাহী নিয়েছেন একটি দোকান।

জেলা পরিষদ টাওয়ার শপিংমল দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ইয়াসিন আলী বলেন, আওয়ামী লীগ নেতারা ছাড়াও তাদের স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নামেও দোকান দেওয়া হয়। বিশেষ করে মহিলাদের নামের দোকানগুলি অধিকাংশই আওয়ামী লীগ নেতাদের আত্মীয়।

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র বলেন, দোকান বরাদ্দের বিষয়টি চলমান প্রক্রিয়া। সব দোকান বরাদ্দপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মালিকদের কাছে চূড়ান্তপত্র দেওয়া হবে।

যারা সমুদয় টাকা পরিশোধ করেছেন, তাদের দোকানের চূড়ান্ত বরাদ্দ দিতে হবে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। পলাতক নেতাদের নামে কীভাবে বরাদ্দ দেবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো অভিযোগ পড়লে সেটি আমরা দেখব।

দুদকের অভিযান চলাকালে মুকুল আরও বলেন, দুদকের একটি টিম অভিযান চালিয়েছে। আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করেছি। তারা নথিপত্র সংগ্রহ করেছেন। দোকান বরাদ্দে অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি আমার জানা নেই। যে বা যারা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে প্রমানিত হবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি হাজি রবিউল ইসলাম। তার সময়ে জেলা পরিষদে শুরু হয় হরিলুটের মহোৎসব। ৫ বছরে উন্নয়ন প্রকল্প থেকে হাতিয়ে নেন শত শত কোটি টাকা। জেলা পরিষদের জায়গা নিয়েও তার বিরুদ্ধে রয়েছে ভয়ংকর সব অভিযোগ। তার কপাল খুলে দেয় জেলা পরিষদের নির্মিত বহুতল বাণিজ্যিক ভবন।

২০২২ সালে ক্ষমতা ছাড়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত চলেছে দোকান ও স্পেস বরাদ্দের নামে হরিলুট। ৫ম তলা পর্যন্ত ২৫২টি দোকানের মধ্যে শতাধিক দোকান ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মী ও তাদের স্ত্রী-সন্তানসহ আত্মীয়স্বজনের নামে বরাদ্দ দেন। প্রতি বর্গফুট ১৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও জায়গায় ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন হাজি রবিউল ইসলাম। কয়েক বছরে শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। তিনি ছিলেন মাহাবুবউল আলম হানিফের সবচেয়ে আস্থাভাজন।

আরও পড়ুন – দেশে ১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে – উপদেষ্টা মাহফুজ

কুষ্টিয়া শহরের জনবহুল ১২৮নং নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কের নিজস্ব জায়গায় ২০১৮ সালে নয়তলাবিশিষ্ট বাণিজ্যিক ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ। প্রায় ৪১ কাঠা জমির ওপর নির্মিত ভবনের প্রতি ফ্লোরে জায়গা হয়েছে ১৮ হাজার বর্গফুট। সুসজ্জিত বাণিজ্যিক ভবনটির নাম দেওয়া হয় ‘কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ টাওয়ার’। ভবনের প্রথম তলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত রয়েছে শপিংমল। পঞ্চম তলায় জেলা পরিষদের নিজস্ব কার্যালয়। ষষ্ঠতলা বরাদ্দ নিয়েছে বিআরবি গ্রæপ। সপ্তম ও অষ্টমতলা ভাড়া নিয়েছেন লালন বিজ্ঞান ও কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন চেয়ারম্যান হানিফের স্ত্রী ফৌজিয়া আলম।

আরও পড়ুন – হার্টের রিংয়ের দাম কমছে

দেশে ১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে – উপদেষ্টা মাহফুজ

0
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ছবি সংগৃহীত

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

বর্তমান সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ফেবুক পোস্টে মন্তব্য করেছেন “দেশে আবারও ১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে”।

সোমবার সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

তবে এর ২৩ মিনিট পর তিনি তার পোস্ট আপডেট করেন। আপডেট করে মাহফুজ আলম লেখেন, ‘১/১১ এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে! তবে, জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।’ প্রায় ১ ঘন্টা পর তিনি পোষ্টটি ডিলিট করে দেন।

এদিকে মাহফুজ আলমের এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিভিন্নজন তার পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশে নির্বাচনের জন্য তত্ত¡াবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন- এই ইস্যুতে শুরু হওয়া আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতার জের ধরে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘ওয়ান ইলেভেন’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

ওইদিন আওয়ামী লীগসহ সমমনা দলগুলোর দাবি অনুযায়ী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল সেটি বাতিল করেন।

আরও পড়ুন – হার্টের রিংয়ের দাম কমছে

এর সূত্র ধরেই ক্ষমতায় আসে সেনা সমর্থিত তত্ত¡াবধায়ক সরকার, যার প্রধান হন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ। সেসময় সেনাপ্রধান ছিলেন জেনারেল মঈন উদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন – খোকসায় কৃষকদলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

হার্টের রিংয়ের দাম কমছে

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

হার্টের রিংয়ের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একটি রিংয়ের দাম ৩ হাজার থেকে ৮৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমবে বলে জানা গেছে।

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের সই করা এক আদেশে তিন কোম্পানির ১১ ধরনের স্টেন্টের (রিং) দাম কমিয়ে নতুন করে নির্ধারণ করা হয়। স্টেন্ট আমদানি প্রতিষ্ঠানভেদে খুচরা মূল্য সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে স্টেন্টভেদে দাম কমানো হয়েছে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।

স্টেন্ট বা রিং পরানোই বাংলাদেশে হার্টের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি। কারো হৃদপিন্ডে রক্ত সঞ্চালনে বøক বা বাধার সৃষ্টি হলে ডাক্তার তাকে এক বা একাধিক রিং পরানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

হার্টে রিং পরানোর পদ্ধতিকে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি বলা হয়। এই পদ্ধতিতে, একটি সরু ক্যাথেটার ব্যবহার করে ধমনীতে একটি ছোট, জাল আকৃতির নল (স্টেন্ট) স্থাপন করা হয়। এটি রক্তনালীকে খোলা রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদপিন্ডে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

সাধারণত ইউরোপ-আমেরিকা থেকে এগুলো আমদানি করেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন, নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড থেকে রিং আসে বাংলাদেশে। এছাড়া জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত থেকেও রিং আমদানি করা হয়।

আরও পড়ুন – খোকসায় কৃষকদলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আমদানি করা এসব রিংয়ের মূল্য তালিকা বিভিন্ন হাসপাতালে টানানো থাকে। রোগীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ তালিকা থেকে বেছে নেওয়া রিং রোগীর হার্টে প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকরা।

আরও পড়ুন – ইবি শিক্ষার্থী সাজিদকে শ্বাসরোধে হত্যা

 

খোকসায় কৃষকদলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় কৃষকদলের ব্যানারে “কৃষকের কথা, কৃষকের ব্যাথা” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় খোকসা উপজেলা কৃষক দলের কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোকসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিন খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম মোস্তফা শরীফ।

আরও পড়ুন – ইবি শিক্ষার্থী সাজিদকে শ্বাসরোধে হত্যা

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

আরও পড়ুন – এলপি গ্যাসের দাম কমানো হলো

ইবি শিক্ষার্থী সাজিদকে শ্বাসরোধে হত্যা

0
নিহত ইবি শিক্ষার্থী সাজিদের সংগৃহীত ছবি

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যু শ্বাসরোধে হয়েছে। রবিবার ভিসেরা রিপোর্টে এমনটি জানানো হয়।

রিপোর্টে সই করেন সিআইডির মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রধান নজরুল ইসলাম ও খুলনা বিভাগীয় পরীক্ষক জনি কুমিার ঘোষ।

রিপোর্ট মতে, সাজিদের শরীরে কোনো বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। শ্বাসরোধের (asphyxia) ফলে তার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পোস্টমর্টেমের সময় থেকে আনুমানিক ৩০ ঘণ্টা আগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। শ্বাসনালীর বাধা বা বাতাস চলাচলে প্রতিবন্ধকতার ফলে অক্সিজেনের অভাবে তার মৃত্যু ঘটে। এটি দুর্ঘটনা বা আত্মহত্যা নয়।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ভিসেরা রিপোর্টে যেটা এসেছে সেটা থেকে বোঝা যাচ্ছে এটা হত্যাকান্ড।

আরও পড়ুন – এলপি গ্যাসের দাম কমানো হলো

এর আগে ১৭ জুলাই বিকালে শাহ আজিজুর রহমান হলের পুকুর থেকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন – পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৬ জনকে জরিমানা

এলপি গ্যাসের দাম কমানো হলো

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমিয়ে নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯১ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রবিবার নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা আজ রবিবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন – পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৬ জনকে জরিমানা

এর আগে, গত ২ জুলাই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ১ টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন – দৌলতপুরে বজ্রপাতে কৃষকের ১১ টি মহিষের মৃত্যু

পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৬ জনকে জরিমানা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পদ্মা নদীর কয়া, শিলাইদহ, মাজগ্রাম, কল্যাণপুর ও আশাপাশের এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের দায়ে ৬ জনকে জরিমানা করেছে ভ্যাম্যমান আদালত।

জানা গেছে, উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের কল্যাণপুর ও মাজগ্রাম এলাকায় পদ্মা নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তুলে বলগেট ভরাট করছেন কয়েক জন শ্রমিক। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় প্রশাসন। অভিযানে ৬জনকে আটক করা হয়। পরে বাংলাদেশ পরিবেশ ও সংরক্ষণে আইনে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার।

এসময় শ্রমিক মো. হানিফ বলেন, আমরা দৈনিক ৭০০ – ৮০০ টাকা হাজিরা হিসেবে কাজ করি। আমাদের নিয়ে এসেছে বালু ব্যবসায়ী সম্রাট।

গাইবান্ধা থেকে আসা শ্রমিক আসাদুল ইসলাম বলেন, স¤্রাটসহ কয়েকজন মিলে বালু তুলছে। আমরা শ্রমিক। একটি বলগেটে ৬ হাজার ফিট বালু থাকে। কত টাকায় বিক্রি হয় তা জানিনা। তার ভাষ্য, আজই প্রথম বালু তোলা হচ্ছে। একটু আগে অন্য একটি বলগেট ভরা বালু চলে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতি ফিট বালু মান ও আকার ভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করা হয়। গেল তিন-চার মাস ধরে একটি চক্র অবৈধভাবে পদ্মার তলদেশ থেকে বালু তুলছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মো.সম্রাট হোসেন কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সম্পাদক। তিনি স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আঁতাত করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার বালু তুলছেন।

আরো জানা গেছে, শিলাইদহ ইউনিয়নের কসবা গ্রামের ধুলাট মহাল পহেলা বৈশাখ থেকে একবছরের জন্য ইজারা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রায় ৮৯ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন রাফসান এন্টার প্রাইজের প্রোপাইটর ও সাবেক যুবদল নেতা সালমান এফ রহমান ওরফে বকুল। বকুল ও সম্রাট মিলেমিশে তুলছেন বালু।
এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী সম্রাট হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বকুল নামের এক যুবদল নেতা পদ্মা ইজারা নিয়েছেন। আমি তার কাছ থেকে বালু কিনে অন্যত্র বিক্রি করছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সম্রাটের এক সহযোগী বলেন, বকুল নৌকা চলাচলের জন্য প্রতি ফিট বালুর জন্য দেড় টাকা এবং বালু তোলার জন্য প্রতি ফিটে ৪ টাকা করে নেন। তার ভাষ্য, তিন-চার মাস ধরে চলছে বালু উত্তোলনের কাজ।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইজারাদার সালমান এফ রহমান ওরফে বকুল বলেন, আমি শুধু বৈধ দেড়টাকা নিচ্ছি। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সম্রাট অবৈধভাবে প্রভাব খাটিয়ে বালু তুলছেন নিয়মিত।

আরও পড়ুন – দৌলতপুরে বজ্রপাতে কৃষকের ১১ টি মহিষের মৃত্যু

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার বলেন, পদ্মায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ ও সংরক্ষণ আইনে ৬ জনকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন –  স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ

দৌলতপুরে বজ্রপাতে কৃষকের ১১ টি মহিষের মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর চরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের ১১টি মহিষ মারা গেছে। এতে প্রায় ২০ থেকে ২৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছেন তারা।

রবিবার ভোররাতে উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার পদ্মার চরে এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া মহিষগুলো স্থানীয় একটি বাথানে পালন করা হচ্ছিল।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাবাজার এলাকার নওয়াজুদ্দিনের ছেলে নবির আলীর ১০টি মহিষ এবং একই এলাকার এলাহি ঢালির একটি মহিষ বজ্রপাতে মারা যায়। এসময় মহিষগুলো নদীর পাড়ের উঁচু স্থানে আশ্রয়ে ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয়রা।

ঘটনার বিষয়ে চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, “আমার ইউনিয়নের দুই কৃষকের মোট ১১টি মহিষ বজ্রপাতে মারা গেছে। নবির আলীর সবগুলো মহিষ মারা গেছে।”

মহিষ মালিক এলাহি ঢালি জানান, “নবির আলী আমার ফুপাতো ভাই। তার ১০টি মহিষ ও আমার একটি মহিষ মারা গেছে। আমাদের বাথানে প্রায় ৩০০ মহিষ আছে, যেগুলোর মালিক ২২ জন। আমাদের দুইজনের ১১টি মহিষের মৃত্যুতে প্রায় ২৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এতগুলো মহিষ পুতে রাখা সম্ভব না হওয়ায় আমরা নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছি। সরকার যদি একটু সহায়তার ব্যবস্থা করত, আমরা উপকৃত হতাম।”

এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহামুদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি আমরা জেনেছি। দুই কৃষকের ১১টি মহিষ বজ্রপাতে মারা গেছে। এগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২০ থেকে ২৪ লাখ টাকা।”

আরও পড়ুন – স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, মহিষ নিহতের ঘটনাটি শুনেছি। সরকারিভাবে কোনো সহায়তা বরাদ্দ এলে তা দ্রæত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে পৌঁছে দেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন –জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত, প্রকাশ মঙ্গলবার

সর্বশেষ সংবাদ

অনিয়মের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা...

কুমারখালীতে ঈদের নামাজের স্থান নির্ধারণ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি সকালে বৃষ্টি থাকায় ঈদের নামাজ কোথায় হবে। মসজিদে না ঈদগাহ মাঠে ? এ নিয়ে স্থানীয় দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ...

কুমারখালীতে ওসির গাড়ি ভাঙার অভিযোগ এমপির স্বজনর বিরুদ্ধে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে (পিকআপ) হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) রাত...

এসিল্যান্ড পরিচয়ে মুঠোফোনে ঈদের চাঁদা দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচয়ে মুঠোফোনে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে...

রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত বাচিক শিল্পী রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খোকসার কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ ময়দানে মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিকের জানাযার নামাজ...