সোমবার, মার্চ ২৩, ২০২৬.
Home Blog Page 83

কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যূত্থানের শহিদদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যূত্থান শহিদদের স্মরণে “এক শহীদ, এক বৃক্ষ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অবস্থিত ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ¢’ চত্বরে এই ব্যতিক্রমধর্মী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ।

কর্মসূচির শুরুতে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনে শহীদ ১৫ জন সাহসী সন্তানের স্মরণে ১৫টি গাছের চারা রোপণ করেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। প্রতিটি গাছে শহীদের নামের ফলক যুক্ত করে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রোকনুজ জামান, এনডিসি জাহিদ হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া মাসুমা, কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল আলম, কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ তানভীর হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ কুষ্টিয়া জেলা বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দফতরের কর্মকর্তা,২৪’র জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী যোদ্ধা, আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

গাছের চারা রোপন শেষে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক বক্তব্যে বলেন, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের ত্যাগ জাতির ইতিহাসে অনন্তকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। তাঁদের স্মৃতিকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দিতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, এটি একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন – ইবি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন

একটি গাছ যেমন দীর্ঘদিন ধরে বেঁচে থাকে, ঠিক তেমনি শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের জাতীয় চেতনায় চিরভাসমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও শহীদদের স্মরণ এই দুই মহান উদ্দেশ্যকে একত্রে ধারণ করেই এই কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ সময় তিনি বৃক্ষরোপণের পরিবেশগত গুরুত্ব এবং শহীদদের স্মৃতিকে ধারণ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করেন।

আরও পড়ুন – গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

ইবি শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে তদন্ত কমিটি গঠন

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জিয়াউর রহমান হল প্রশাসন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠনের কাজ চলছে।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মসজিদে সাজিদের জানাজা নামাজে অংশ নিতে এসে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. শাহিনুজ্জামান।

তিনি বলেন, সাজিদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলে থাকতেন। হল প্রশাসন ইতোমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর পক্ষে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কাজ চলমান। সাজিদের পোস্টমর্টেম হয়ে গেছে। সবকিছুর প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আমরা প্রকৃত ঘটনা জানতে পারব।

সাজিদের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তার বাবা একটি মাদ্রাসার সুপারেনডেন্ট আহসান হাবিবুল্লাহ দেলোওয়ার।

সাজিদের বাবা আহসান হাবিবুল্লাহ এসেছিলেন কুষ্টিয়ায় ছেলের জানাজায়। তিনি বলেন, আমার ছেলের মৃত্যু রহস্যজনক। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বিকাল সোয়া পাঁচটার দিকে সাজিদের মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখেন অন্যান্য শিক্ষার্থীরা। পরে ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী ইবি থানার পুলিশ এসে সাড়ে ছয়টার দিকে সাজিদের মরদেহ উদ্ধার করে ক্যাম্পাসের মেডিকেলে নেওয়া হয়।

সাজিদের মৃত্যুকে রহস্যজনক হিসেবে দেখছেন জানাজায় অংশ নেওয়া তার সহপাঠী ও ক্যাম্পাসের বড় ভাইরা। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও সাজিদের ঘনিষ্ঠ বড় ভাই ওয়াহেদ বিন আসাদ বলেন, পানিতে ডুবে মারা গেলে সাধারণত আমরা দেখি তার লাশ উপুড় হয়ে থাকে, কিন্তু সাজিদের মরদেহ ছিল চিত হয়ে। এছাড়া পানিতে ডুবে কেউ মারা গেলে তার পেটসহ শরীর ফুলে যায়। কিন্তু সাজিদের শরীরে আমরা তেমন কোন লক্ষণ দেখিনি। এজন্য এই মৃত্যুকে আমরা রহস্যজনক মনে করছি।

আরও পড়ুন – গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

সুরতহাল প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক হোসেন ইমাম বলেন,প্রাথমিকভাবে তার শরীরে অপমৃত্যুর কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে ভিসেরা রিপোর্ট আসার পর আমরা এ বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে পারব।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় ছাত্র-জনতার জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন উপলক্ষে প্রতীকি ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ৭ টার সময় কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া এ ম্যারাথন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। এসময় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা (সার্বিক) জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল ওয়াদুদ, কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুফি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকন উজ্জামান, এনডিসি জাহিদ হাসান, জেলা ক্রীড়া অফিসার তানভীর হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সুজা-উদ্দীন জোয়ার্দ্দার, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী দফতরের কর্মকর্তা, ২৪’র জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী যোদ্ধা, আহত যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া অফিসের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে কুষ্টিয়া শহরতলীর চৌড়হাস পিবিআই মোড় হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। ৫ কিলোমিটারের এই ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রায় দুই শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। প্রতিযোগিতায় ২৫ জনকে ক্রমান্বয়ে মেডেল ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের এক একটি দিন আমাদের ইতিহাসের এক গৌরবময় এবং বেদনাবিধুর অধ্যায়। যারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁরা ছিলেন দেশের প্রকৃত সাহসী সন্তান। যাদের ত্যাগ আমাদের চেতনাকে জাগ্রত করে, পথ দেখায়।

আরও পড়ুন – মাদকসহ অপরাধ নির্মূলে ৮ দফা দাবি পেশ

গোপালগঞ্জে কারফিউর সময় বাড়লো শনিবার সকাল পর্যন্ত

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার পর জারি করা কারফিউয়ের দ্বিতীয় দফাই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ বহাল থাকবে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনার পর জেলা জুড়ে ১৬৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টা কারফিউ শিথিল করা হয়েছিল। বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮ থেকে কারফিউ জারি করা হয়।

কারফিউ শিথিলের সময় গোপালগঞ্জ শহরে বিভিন্ন যানবাহন চলতে দেখা যায়। জরুরি প্রয়োজনে গন্তব্যে যান মানুষ। মূল সড়কের পাশে ও গলির ভেতর বেশ কিছু দোকান খুলেন ব্যবসায়ীরা। তবে মার্কেটগুলো বন্ধ ছিল। বাজারের বেশিরভাগ দোকান খোলেনি।

গত বুধবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোপালগঞ্জ। পুলিশের সঙ্গে চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ, জারি করা হয় কারফিউ। এখনো সেখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। চলছে যৌথবাহিনীর অভিযান, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৬৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এরমধ্যে সদর থানায় ৪৫ জন, মুকসুদপুর থানায় ৬৬ জন, কাশিয়ানী থানায় ২৪ জন, টুঙ্গিপাড়া থানায় ১৭ জন এবং কোটালীপাড়া থানায় ১২ জন। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, মারপিট ও গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপিনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বিশ্বাস নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান পিয়ালসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত সাড়ে ৪০০- ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান শুক্রবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ওসি জানান, ১৬ জুলাই সকালে এনসিপি’র পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট আঞ্চলিক সড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুরে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। এসময় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একদল লোক পুলিশের ওপর হামলা করে। তারপর তারা পুলিশ সদস্যদের মারপিট ও গাড়ি ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পুলিশের পরিদর্শক আহম্মেদ আলী বিশ্বাসসহ ৫ পুলিশ আহত হন।

শুক্রবার বিকালে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন করে শুরু হওয়া কারফিউ আগামীকাল শনিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

মাদকসহ অপরাধ নির্মূলে ৮ দফা দাবি পেশ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুমারখালীতে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংসহ অপরাধ নির্মূলে আট দফা লিখিত দাবি ইউএনওর কাছে জমা দিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। এ সময় তারা প্রশাসনকে আগামী তিনদিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আলটিমেটাম দেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারখালী – যদুবয়রা সড়কের শহীদ গোলাম কিবরিয়া সেতু এলাকার গোলচত্বরে এক জনসচেতনতামূলক সমাবেশ এবং প্রতিবাদ শোভাযাত্রা শেষে তারা আট দফা দাবি ও আলটিমেটাম দেন।

সমাবেশের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর সন্ধান। এতে যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আলোর সন্ধান সংগঠনের সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াসের সভাপতিত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতা, সাংবাদিক ও সচেতন ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আলোর সন্ধান সংগঠনের সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস বলেন, শিল্প ও সাংস্কৃতিক নগরী কুমারখালীতে মাদক, চাঁদাবাজি, হামলাসহ নানান অপরাধ বেড়েই চলেছে। কিন্তু প্রশাসন কোন কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা। আবার ক্ষতিগ্রস্থ মান্ষু গুলোও প্রতিবাদ করার সাহস দেখায়না। সেজন্য আমরা আলোর সন্ধান সংগঠনের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, হামলা, ফুটপাত দখল মুক্ত করাসহ আট দফা লিখিত দাবি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নিলে কঠোর অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

আরও পড়ুন – হৈ-হট্টগোলের কারণে বন্ধ হয়ে গেল ওএমএস ডিলার নির্বাচনের লটারি

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, মাদক, চাঁদাবাজসহ আট দফা লিখিত দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। দাবি গুলো যাচাই বাছাই করে যত দ্রæত সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবদল

হৈ-হট্টগোলের কারণে বন্ধ হয়ে গেল ওএমএস ডিলার নির্বাচনের লটারি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) ডিলারশীপ নির্বাচন নিয়ে ডিসি অফিসে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়েরর সম্মেলন কক্ষে ডিলার নির্বাচনে উন্মুক্ত লটারি চলাকালীন অবস্থায় এ ঘটনা ঘটেছে। হৈ-হট্টগোল শুরু হলে জেলা প্রশাসক উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, ডিলারশিপের আবেদনকারীরা, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২১ টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ২১৮ জন আবেদন করেন। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একাধিক সংস্থার সমন্বয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরে ১০১ জনের আবেদন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে একটি ওয়ার্ডে (১৫ নং) সঠিকভাবে আবেদন না পড়ায় সেটি বাতিল হয়। বাকি ২০ টি ওয়ার্ডের জন্য মোট ১১৬ জন লটারির জন্য মনোনীত হন। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রতিটি মনোনীত ব্যক্তিকে আগের দিন ফোন কল এবং এসএমএসের মাধ্যমে লটারির সময় এবং স্থান জানিয়ে দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময় লটারি কার্যক্রম শুরু হয়। ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রথমে ১নং ওয়ার্ডের লটারি সম্পন্ন হয়। ২নং ওয়ার্ডের লটারির জন্য বাছাইকৃত ৬ জনের লাম উল্লেখ করা হলে কুষ্টিয়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল হাকিম মাসুদ অভিযোগ তুলে বলেন ২ নং ওয়ার্ডের ৬ জনের মধ্যে ৪ জনই আওয়ামী লীগের। এই লটারিতে আওয়ামী লীগের কেউ অংশ গ্রহণ করলে আমরা এই লটারি মানিনা।

এসময় শহর ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ বলেন, আমরা জামায়াত শিবিরের পক্ষ থেকে এই খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীদেরই ফোন বা এসএমএস লটারির বিষয়ে কোন কিছু জানানো হয়নি। যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরো সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। এখানে স্বচ্ছ ভাবে কারচুপি করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।

এরপরই জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে উপস্থিত বিএনপি এবং জামায়াতের সমর্থকরা হট্টগোল শুরু করেন এবং বিভিন্ন ¯েøাগান দিতে দিতে বের হয়ে সম্মেলন কক্ষের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে সেখানে বিভিন্ন ¯েøাগান দেয়া শুরু করলে জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান মাইক্রোফোন নিয়ে তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু হট্টগোলকারীরা এতে কর্ণপাত না করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকলে তিনি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তার অফিস কক্ষের দিকে চলে যান।

উপস্থিত বিএনপি এবং জামায়াতের কয়েকজন আবেদনকারী অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলারশিপ নির্বাচনে অনিয়মের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দোসরদের নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক আওয়ামী লীগের দোসর আবেদন করেছে। এজন্য আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমরা পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দোসরদের বাদ দিয়ে ওপেন লটারির দাবি জানাচ্ছি।

তবে আবেদনকারীদের মধ্যে কারা আওয়ামী লীগের নেতা? তাদের নাম পরিচয় কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, এই মুহূর্তে নাম পদবী বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অনেকই আবেদন করেছে। আওয়ামী লীগের দোসরদের বাদ দিয়ে পুনরায় লটারি করার দাবি জানান তারা।

এদিকে সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ওএমএস ডিলারশীপ আবেদনকারীদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, যেভাবে জেলা প্রশাসক এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সবার সামনে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিল, এটা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য একটা কর্মসূচি,প্রশাসনের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে যাচাই-বাছাই করেই নাম গুলো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তারপরেও রাজনৈতিক নেতারা তাদের ফায়দা নিতে এবং অস্বচ্ছ ভাবে ডিলারশিপ পেতেই এই স্বচ্ছ কার্যক্রম সুপরিকল্পিতভাবে অভিযোগ তুলে পন্ড করে দিল। তারা আরও বলেন, যদি আওয়ামী লীগের কেউ থেকে থাকলে সেই নামগুলো উল্লেখ করা উচিত ছিল। কিন্তু এভাবে স্বচ্ছ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত হয়নি তাদের।

লটারি কার্যক্রমে উপস্থিত শহর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোকসেদুল হক কল্লোল বলেন, আমার বাড়ি ৩ নং ওয়ার্ডে। ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড পাশাপাশি। এখানে আওয়ামী লীগের কেউ যদি থেকে থাকতো তাহলে অবশ্যই আমি তাদের চিনতাম।আর তাদের অভিযোগ যদি থেকে থাকে সে নামগুলো উল্লেখ করা উচিত ছিল জেলা প্রশাসক মহদয়ের কাছে।
কিন্তু তারা তা না করে একটা স্বচ্ছ কাজে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে বাধা প্রদান করলো। আমরা পুনরায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ডিলার নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবদল

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো.তৌফিকুর রহমান বলেন, স্বচ্ছতার সাথে নিয়মানুযায়ী উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ওএমএস ডিলার নির্বাচন করা হচ্ছিলো। আবেদনকারীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী আছে কিনা এ বিষয়টি আমাদের নোটিশে নেই। নিরপেক্ষ তদন্ত করে সেসব বিষয় দেখা হয়েছিল। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগও করেনি। তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। ওএমএস ডিলার নির্বাচনের লটারির সময় এ ধরনের হট্টগোল অনাকাঙ্খিত এবং কোনভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবদল

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সারাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবণতি ও গুপ্ত সংগঠনের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের উজির স্কুলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পায়রা চত্বরে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে করে।

জেলা যুবদলের সভাপতি আহসান হাবীব রনকের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ। জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু সঞ্চালনা করেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সহ সভাপতি এনামুল হক মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক এম শাহজাহান আলী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সমিনুজ্জামান সমিন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক প্রমুখ।

সমাবেশ বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধ্বংস করতে গুপ্ত সংগঠনের নৈরাজ্য সৃষ্টির পায়তারা করছে। জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে ৭১ এর পরাজিত শক্তি।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

এ সময় বক্তারা গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

0

স্টাফ রিপোর্টার

বাবার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে পাঁচ দলিলে প্রায় ২১ বিঘা জমি লিখে নেয় একমাত্র ছেলে। তার পর বাবাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এবার চিকিৎসা ও খোর পোষের জন্য অবশিষ্ট জমি থেকে মাত্র ১৭ শতক জমি বিক্রি করেন বৃদ্ধ। এই জমি রেজিস্ট্রেরি বাধা দেন বৃদ্ধের ছেলে। হাতিয়ার হিসেবে ব্যহার করা হচ্ছে কাথিত সাংবাদিকদের। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃদ্ধসহ পরিবারের সদস্যরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে দলিল বুকে জরিয়ে অভিনব প্রতিবাদে সামিল হন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের সামনে প্রতিবাদে সামিল জমি বিক্রেতা বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস (৭৫) তার স্বামী পরিতক্তা ও সন্তানহীন দুই বৃদ্ধ বোন নাছিমা ও নাজমা। সাথে ছিলেন বৃদ্ধর তিন মেয়ে জামাতা ও প্রতিবেশীরা।

উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাতপাখিয়া গ্রামের বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তিনি প্রায় ৩০ বিঘা জমির মালিক ছিলেন। নিজের একমাত্র ছেলে ফিরোজ আলী বৃদ্ধ বাবার সমস্ত সম্পতি নিজের নামে দলিল করে নিতে নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করে। বৃদ্ধ লিয়াকত আলী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। তাতে লাভ হয়নি। অবশেষে গত দুই বছরের পৃথক ৫ টি দলিলের মাধ্যমে প্রায় ১৬ বিঘা জমি নিজের নামে দলিল করে দিতে বাধ্য করেন ছেলে ফিরোজ আলী। এ ছাড়া পৃথক দুটি দলিলে আরও ৫ বিঘা জমি বিক্রি করে মোট টাকা আত্মসাত করে বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধ ও তার পরিবারের সদস্যরা। কয়েক মাস আগে বৃদ্ধের একটি হাত ভেঙ্গে দেয়। এ বারও তিনি থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রতিকার পাননি বলেও জানান।

সম্প্রতি নিজে অসুস্থ্য হয়ে পরলে বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস ও তার দুই বোন নাছিমা ও নাজমা নিজ নামীয় অবশিষ্ট জমি থেকে মাত্র ১৭ শতক জমি বিক্রির করেন। বিক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রিরি করতে গেলে বাধা দেয় বৃদ্ধের ছেলে ও কথিত একদল সাংবাদিক। বৃহস্পতিবার সরকারী তহবিলে অর্ধলাখ টাকা জমা দিয়ে রেজিস্ট্রির জন্য লেখা দলিল সাব-রেজিস্ট্রারের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। এ সময় বৃদ্ধের ছেলে ও একদল কথিত সাংবাদিক দলিল লেখক আমজাদ হোসেন বাবলু’র উপর চাপ দেয়। দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ হয়ে যায় দলিল টি রেজিস্ট্রেরি। এ ঘটনার প্রতিবাদে দলিলের দাতারা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে প্রতিবাদ জানাতে অবস্থান নেন। সন্ধা পর্যন্ত অবস্থান করে অবশেষে তারা ফিরে যায়।

দলিল লেখক আমজাদ হোসেন বাবালুর সাথে কথা বলা চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে তার সহকারী ও ছেলে রাজিব বলেন, সাংবাদিকরা হুমকী দেওয়ায় তারা ভয়ে পেয়ে জমা দেওয়া দলিলটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

বৃদ্ধার জামাতা এম বারি অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ। তার শ্যালক ফিরোজ আলী বৃদ্ধের উপর শারীরিক নির্যাতন করে ৫ দলিলে প্রায় ১৬ বিঘা জমি লিখে নিয়েছে। অসুস্থ্য বৃদ্ধ চিকিৎসার জন্য সামান্য জমি বিক্রি করেছেন। সেই জমি রেজিস্ট্রিরি করতে বাধা দিচ্ছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার তারা সাব-রেজিস্ট্রারের দপ্তরে দলিল জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কথিত সাংবাদিকদের হুমকীর মুখে দলিল লেখক বাবলু মেম্বর দলিল প্রত্যাহার করে নেন। ফলে তাদের জমি আর রেজিস্ট্রি হয়নি।

তিনি আরও জানান, জমিবিক্রি করতে না পেরে বৃদ্ধের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যারা দলিল রেজিস্ট্রেরিতে বাধা দিচ্ছেন তাদের বিচারের দাবিও করেন।

বৃদ্ধের ছেলে ফিরোজ আলীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সাংবাদিকের উপস্থিতির খবর শুনে সে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত: বিবিসি বাংলা

সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ রাসেল মল্লিকের সাথে কথা বলার জন্য তার অফিসিয়াল ও ব্যক্তিগত মোবাইল কল করা হয় তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত: বিবিসি বাংলা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বিবিসি বাংলাকে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ সদর হাসপাতালে এসেছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গীপাড়ার সোহেল রানা (৩০) ও গোপালগঞ্জ সদরের ইমন (২৪)। এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অনেকে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে গেলও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, হামলা ও সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত থেকে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করেছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ জানিয়েছেন, বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ কারফিউ জারি থাকবে। এর আগে বিকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জ সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

এদিন বিকালে গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এসময় গোপালগঞ্জ শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এরপর এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কে করে নিরাপদে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

এদিকে, হামলার ঘটনায় সারাদেশে বøকেড কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। হামলায় উদ্বেগ জানিয়ে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াত আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে।

আরও পড়ুন – সড়কে ইজারার টাকা তোলা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ

দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে দুটি আগ্নেয় অস্ত্র ও গুলিসহ দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উদ্ধার করা আগ্নেয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শর্টগান, একটি ম্যাগাজিন এবং তিন রাউন্ড গুলি।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার দিবাগতরাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে দৌলতপুর উপজেলার ঠোটারপাড়া বিওপির আওতাধীন পাকুড়িয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে প্রথম অভিযান চালানো হয়। এসময় মৃত রহমত সর্দারের ছেলে মঞ্জিল সর্দার (৪৩) কে আটক করা হয়। তার বাড়ির উঠানে গোয়ালঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি শর্টগান ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

পরে মঞ্জিল সর্দারের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফা অভিযান চালানো হয় জয়পুর বিওপির আওতাধীন এলাকায়। অভিযানে মঞ্জিলের ভাতিজা শফিকুল সর্দারের ছেলে টুটুল সর্দার (২৫)-এর বাড়ি তল্লাশি করে একটি চালের ড্রামের ভেতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মঞ্জিল সর্দার স্বীকার করেন, দুই দিন আগে তারা ভারতীয় সীমান্ত এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করেছেন। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির আনুমানিক বাজারমূল্য এক লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।

আরও পড়ুন – সড়কে ইজারার টাকা তোলা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ

এ বিষয়ে ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব মুর্শেদ জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তাদের দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া সীমান্তে অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন – অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রবিন খান আটক

সর্বশেষ সংবাদ

তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭ জন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে কোমল পানীয় বোতলের ক্যাপ ছুড়ে মারাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ সহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে...

বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্কুল ছাত্র নিহত

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে নয়ন শেখ (১৬) নামে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টা দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী...

কুমারখালীতে পেট্রোলের লিটার ২৫০ টাকা, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পাম্প গুলোতে জ্বালানী তেলের কৃত্রিম সংকটের সুযোগে খোলাবাজারে ২০০-২৫০ টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভোক্তাদের এমন মৌখিক অভিযোগে অভিযান...

অনিয়মের অভিযোগে এনসিপির দুই নেতাকে শোকজ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা...

কুমারখালীতে ঈদের নামাজের স্থান নির্ধারণ নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি সকালে বৃষ্টি থাকায় ঈদের নামাজ কোথায় হবে। মসজিদে না ঈদগাহ মাঠে ? এ নিয়ে স্থানীয় দু'পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ...