সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬.
Home Blog Page 782

খোকসায় স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তি রাস্তা সংস্কার

0
reper-dro-6-p12-compressed
স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কার।

স্টাফ রিপোর্টার

খোকসায় সিরাজপুর হাওড় নদীর উৎস্য মুখে বৃষ্টির পানির তোরে ভেঙ্গে যাওয়া রাস্তা মেরামত করলো গ্রামবাসী।

গ্রামবাসীরা জানায়, উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১শ গজ দূরের সিরাজপুর হাওড় নদীর উৎস্য মুখের চরে কয়েকশ পরিবারের ঘর বসতি। হাওড় নদীর তীর ধরে কমলাপুর রুমীপাড়ার মোড়ে ওঠার রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের যাতায়াত। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বৃষ্টিতে মাটির এ রাস্তাটি ভেঙ্গে যায়। কিন্তু কেউই সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হতে থাকে। এক পর্যায়ে এলাকার নারী পুরুষ মিলে রাস্তাটি মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন করে।

reper-dro-6-p13-compressed
স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে রাস্তা সংস্কার।

নিজেদের সিদ্ধান্তমতো তারা নিজেরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে শুক্রবার সকাল থেকে রাস্তাটি মেরামত শুরু করে। পরদিন শনিবার দুপুর পর্যন্ত তারা রাস্তাটি মেরামত সম্পন্ন করে।

মাটির রাস্তাটি মেরামত চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দার সুখজান নেছা বলেন, কয়েকদিন আগে বৃষ্টির পানির তোরে রাস্তাটি ভেঙ্গে হাওড় নদীতে নেমে যায়। এর পর থেকে তারা বাচ্চা-কাচ্চা গরু-বাছুর নিয়ে চরম বিপদের মধ্যে রয়েছেন। তাই নিজেরা রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। গ্রামের ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে বউরাও তাদের সহযোগিতা করছে।

করোনা আক্রান্ত স্বামীকে দেখে স্ত্রী বাড়ি ছাড়ল

0
Chuadanga-Dro-6-p-5--compressed

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনার উপসর্গ নিয়ে স্বামী সাভারের নবীনগর থেকে বাড়ি ফিরছেন। এমন সংবাদ পেয়ে ভয়ে সন্তানকে সাথে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন স্ত্রী।

আলমডাঙ্গার হারদী ইউনিয়নের প্রাগপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে ।

হারদী ইউনিয়নের প্রাগপুর গ্রামের রেজাউল করিম তার স্ত্রী-সন্তানকে বাড়িতে রেখে সাভারের নবীনগরে একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন। তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। শরীরের অবস্থা অবনতি হওয়ায় তিনি বাড়িতে খবর দেন এবং বাড়িতে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন।

রেজাউল শুক্রবার দুপুরে করোনার উপসর্গ নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। তার উপস্থিতিতে আঁতকে ওঠেন বাড়ির লোকজন। স্বামীর বাড়িতে চলে আসা দেখে ভয়ে স্ত্রী তার পুত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি।

স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গ্রামজুড়ে কোভিড-১৯ এর ভয়ে থমকে যায় জনজীবন। গ্রামের মানুষজনের মধ্যেও আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার হাদি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, স্থানীয়রা মুঠোফোনে ঘটনাটি জানিয়েছেন। রেজাউলের নমূনা সংগ্রহ করা হবে। বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।

রবিবার থেকে ঢাকায় লকডাউন

0
LOCK-DRO-6-P-12-compressed

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ দিন দিন লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলছে। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিনই নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। সংক্রমণের ভিত্তিতে ঢাকাসহ সারা দেশকে তিনভাগে ভাগ করা হবে। রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করে নতুন কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার ।

রাবিবার থেকে ঢাকার বেশি করোনা আক্রান্ত এলাকা গুলোকে রেড জোন ঘোষণা করে তা লকডাউন করে দেওয়া হবে।

শনিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয় করোনা সংক্রমণের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করা হবে। বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। গ্রিন জোনকে সর্তকতা মেনে চলতে হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়েলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সে পদক্ষেপও নেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান খান বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন এলাকা রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার জন্য অ্যাপ করা হয়েছে। রবিবার থেকে ঢাকা শহরের একাধিক জায়গায় রেড জোন ঘোষনা করে লকডাউন করা হবে। বুধবার মধ্যে সারাদেশে জোনিং করে কাজ শুরু করা হবে।

তিনি আরো বলেন, নির্দিষ্ট একটি এলাকা চিহ্নিত করে সেখানকার প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে কতজন মানুষ আক্রান্ত রয়েছে, তার উপর ভিত্তি করে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন ঠিক করা হবে। যে এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করা হবে, সে এলাকা সম্পূর্ণ বøক করা হবে। সে এলাকায় কেউ ঢুকবেও না, বেরও হবে না। রেড জোন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় যা দরকার হবে তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে।

সচিবের মতে, গ্রামে মানুষ কম থাকার কারনে জোনিং বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে না। তবে এটি সফল করতে হলে কমিউনিটির সাপোর্ট লাগবে। স্থানীয় প্রশাসনগুলো কমিউনিটির সহায়তা নিয়েই এটা বাস্তবায়ন করবে।

ওরা ক্ষুধার্ত

0
animale-dro-6-p-6

কালোমুখি হনুমান গুলো খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে বেড়িয়ে এসেছে। দলছুট এই হনুমান গুলোর যন্ত্রনায় অতিষ্ট হচ্ছেন পথচারীরা। খাদ্যের জন্য তারা মানুষের কাছাকাছি চলে আসছে। উৎসুক জনতা তাদের খাবার দিচ্ছে। ওদের ক্ষুধার কাছে প্রাণঘাতি করোনা ও হার মেনেছে। খোকসার কালীবাড়ি রোড থেকে শনিবার সকালে ছবিগুলো তোলা।

animale-dro-6-p-5
বড় নিঃসঙ্গ একাকী।
animale-dro-6-p-7
খাবার দিচ্ছে একজন উৎসুক জনতা।
animale-dro-6-p-3
ভাগ করে নিয়েছে পথচারীর দেওয়া খাবার।
animale-dro-6-p-9
জনতাকে ভেঞ্চি করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।
animale-dro-6-p-10
আয়েশি ভঙ্গিতে বসে আছে।

 

ইতালির পর্যটন সমৃদ্ধ একটি প্রদেশ করোনামুক্ত

0
italy-dro-6-p-1-compressed

দ্রোহ অনলইন ডেস্ক

করোনা সংক্রমণমুক্ত ইউরোপের পর্যটন সমৃদ্ধ দেশ ইতালিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসতে শুরু করেছে।

দেশটির প্রতিটি প্রদেশেই করোনার থাবা পড়ে ছিল। এর মধ্যে ইতালির ইসেরনিয়া প্রদেশটি এখন করোনাভাইরাসমুক্ত বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গুলো। সর্ব প্রথম এই প্রদেশই করোনা সংক্রমণমুক্ত হলো। এখানে ৮৩ হাজার লোকের বসবাস। মোট পৌরসভা রয়েছে ৫২টি।

করোনাভাইরাসমুক্ত প্রদেশটির আশপাশের প্রদেশগুলো হলো- লাকুইলা, কাসেরতা এবং ফ্রসিননে। ইসেরনিয়া প্রদেশটি গঠন করা হয় ১০৭০ সালের ৩ মার্চে।

ইতালির একমাত্র এই প্রদেশের বাসিন্দারা মহামারীর প্রথম থেকে দেড় মাসের মধ্যে করোনারভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি কেউ।

বিরল এ ঘটনা ইতালিসহ বিভিন্ন দেশেও বেশ আলোচিত হয়েছে। যদিও তারা লকডাউনের বাইরে ছিল না। এটি রোমের একটি ছোট্ট প্রদেশ।

ইসেরনিয়ার মেয়র জাকোমো বলেন, চলুন আমরা সবাই শান্তিতে থাকি। ৬৯ বছর বয়সী মেয়র একজন হিসাবরক্ষক ছিলেন।

এখানে বয়স্কদের জন্য বাসায় খাবার পৌঁছে দেয়া হয়। ওই এলাকার কিছু শিক্ষার্থী বিভিন্ন শহরে করোনায় আক্রান্তদের সেবায় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছেন।

নিখোঁজের তিনদিন পর মাদ্রাসা ছাত্রকে ফিরে পেলো পরিবার

0
khoksa-dro-6-l11-compressed
উদ্ধার করা শিশু রাকিবুল

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসার গ্রাম থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজের তিন দিন পর মাদ্রাসা ছাত্রকে ফিরে পেয়েছে পরিবার।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে উপজেলার সাতপাখিয়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে রাকিবুল (১২) মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে সে রহস্য জনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে শিশুটির খোঁজাখুজি শুরু করে। গ্রামে গ্রামে মাইকে নিখোঁজ সংবাদ প্রচার করা হয়।

শুক্রবার সকালে শিশুটির পরিবারের লোকেরা এ ব্যাপারে থানায় জিডি করতে বের হন। তারা খোকসা থানা মোড়ে পৌঁছায়। অলৌকিক ভাবে এখানেই শিশুটিকে পেয়ে যায় তারা। পরে তারা জিডি না করে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।

এ সময় ঘটনা স্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের জেরার মুখে শিশু রাকিবুল জানায়, সে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিশ্চিন্তবাড়িয়া মাদ্রাসার যাবার জন্য একটি পাখি ভ্যানে ওঠে। সেখান থেকে এক অপিরচিত লোক তাকে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে সে পালিয়ে এসেছে।

শিশুটির মা রোজিনা জানান, রাকিবুল মাটির একটি ব্যাংক ভাঙ্গা কিছু টাকা নিয়ে মাদ্রাসার হেফজো খানায় যাওয়ার উদ্যেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। তার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। তিন দিন পর নিখোঁজ সন্তান ফিরে পেয়ে তিনি যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে খাবার নিয়ে ছুটছেন জেলা প্রশাসক

0
KUSHTIA-dro-5-p10-compressed
করোনা রোগীর বাড়িতে খাবার পৌছে দিচ্ছেন জেলা প্রশাসক।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে গিয়ে খাবার, ওষুধ, ফলমূলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন। বড় একটা ঝুড়ি। তার ভেতর চাল, ডাল, তেল, মসলাপাতিসহ বিভিন্ন ধরনের ফলমূল রয়েছে।

শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। কর্মক্লান্তিহীন দু’জন কর্মচারী একটি ঝুড়ি নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ির সামনে রাখলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা মুঠোফোনে কল দিয়ে বাড়ির এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে ফটকের সামনে আসতে বলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক ওই ব্যক্তির কাছে ঝুড়িটি বুঝিয়ে দিয়ে জানান, এর ভেতর ১৪ দিনের খাদ্যসামগ্রী রয়েছে। এই বাড়ির যিনি করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, এগুলো তাঁর জন্য। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তা সামগ্রী এটা।

এ দিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কুষ্টিয়া শহরের এন এস রোড, পেয়ারাতলা ও কুষ্টিয়া শহরতলীর জুগিয়া এলাকায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে গিয়ে জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন এভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌছে দেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, এনডিসি মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তা সামগ্রীর অংশ হিসেবে জেলার করোনা রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনডিসি মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম জানান, পর্যায়ক্রমে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে প্রত্যেক আক্রান্ত রোগীর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন বলেন, আক্রান্ত রোগীদের ১৪ দিন ঘরে বন্দী থাকতে হচ্ছে। তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও বাড়ির বাইরে বের হতে পারছেন না। তাই তাঁদের প্রত্যেকের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ১৪ দিনের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। এতে করোনা আক্রান্তরা একটু হলেও মনোবল ফিরে পাবেন।

করোনার গুজব রটিয়ে ছেলের হাতে বাবা লাঞ্ছিত

0
meherpur-Dro--5-p-7-compressed

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

মেহেরপুর জেলায় বাবা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এমন গুজব রটিয়ে বাবাকে লাঞ্ছিত করলো কুলাংগার সন্তানেরা। বৃহস্পতিবার বিকালে এমন ধিক্কার জনক ঘটনা ঘটে গাংনী উপজেলার কুলবাড়ীয়া গ্রাামে।

শুধু গুজব রটিয়ে শান্ত হয়নি সন্তানেরা। বাবাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেছে ছেলে সজল ও সাগর। বাবার মাথা গোঁজার শেষ ঠাঁই ছোট্ট কুঁড়ে ঘরটিও ভেঙ্গে দিযেছে। বিচারের দাবিতে বাবা সাইফুল ইসলাম (৪৮) দ্বারে-দ্বারে ঘুরছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুলবাড়ীয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম ১ম স্ত্রী ও ৩ ছেলে-মেয়েকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবসার কারনে ঢাকাতে অবস্থান করে আসছিলেন। সেখানে তিনি ২য় বিয়ে করেন। তিনি মাঝে মধ্যে গ্রামের বাড়ীতে আসলেও সে ১ম স্ত্রীর কোন খোঁজ খবর তিনি রাখতেন না। এরপরেও সন্তানের কল্যাণে তাকে বিদেশে পাঠানোর সময় সাইফুল ইসলাম ২য় স্ত্রীর নিকট থেকে ১ লাখ টাকা এনে দেয়।

সম্প্রতি প্রবাসী সন্তান সজল আলী (৩০) বাড়ীতে অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে বাবা টাকা ফেরত চাইতে বাড়ীতে আসেন। ছেলে সজল ও সাগর টাকার কথা অস্বীকার করে এবং তাদের বাবা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত গুজব রটিয়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে। বাবা সাইফুল ইসলাম বর্তমানে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।

১ম স্ত্রী রেহেনা খাতুন বলেন, বেশকিছু বছর আগে আমাকে ও আমাদের ছোট্ট ছেলে-মেয়ে রেখে সে বাড়ি থেকে চলে যায়। কোন দিনও সে আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয়নি। তার ২য় বিয়ের খবর জানতে পারি।

তবে আমার ছেলে বিদেশ যাওয়ার সময় ৭০ হাজার টাকা সে দিয়েছিল। আমার ছেলেরা তাকে মারধর বা বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়নি। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে ভেবে তাকে পরিবারের বাইরে থাকার জন্য বলেছিলো।

আহত পিতা বলেন, আমি টাকা ফেরত চাইতে বাড়ীতে আসলে ছেলেরা আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নই। আমার নমুনা পরীক্ষায় রির্পোট নেগিটিভ হয়েছে।

গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোকসায় আরো ২ জনের করোনা শনাক্ত, কুষ্টিয়ায় শনাক্ত ১০৪ জন

0
Kustia-dro-5-p-9-compressed

স্টাফ রিপোর্টার

খোকসায় নতুন করে আরো দুই জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪ জনে।

শুক্রবার একই পরিবারের আরো তিন জনসহ ছয় জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন আক্রান্তের মধ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার একই পরিবারের ৩ জন ছাড়াও ঢাকা ও নারায়নগঞ্জ ফেরৎ আক্রান্ত দুই ব্যক্তির স্ত্রী রয়েছেন। শুক্রবার শনাক্তদের মধ্যে ৪ জনের বয়স ৩০- ৪০ বছর ও ২ জনের বয়স ৪০-৫০ বছরের মধ্যে। আজকে নতুন শনাক্ত ২ জন পুরুষ ও ৪ জন মহিলা।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম জানান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে শুক্রবার মোট ১৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে কুষ্টিয়া জেলার ৪৪ টি নমুনা ছিল। পরীক্ষায় ৬ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন জানান, গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের বোয়ালদহ হাজীপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামের করোনা শনাক্ত হয়। বৃহস্পতিবার ওই পরিবারের আরো চার জনের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবের প্রাপ্ত রিপোর্টে আক্রান্ত রবিউল ইসলামের স্ত্রী নাজমা খাতুন (৪৫), ছেলে আব্দুর রহমান (৩০) ও আব্দুর রহমানের বোন বিনা (৪০) করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে আব্দুর রহমানের মেয়ের করোনা নেগেটিভ এসেছে।

খোকসায় ঢাকা ফেরৎ আক্রান্ত স্বামীর সংষ্পর্শে এসে স্ত্রী আকলিমা খাতুন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। খোকসা পৌর এলাকার থানা পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় আকলিমা খাতুন তাদের দুই ছেলে নিয়ে বসবাস করেন। ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্বামী আজিম উদ্দিন করোনা উপসর্গ নিয়ে ঈদের আগের দিন খোকসার বাসায় আসেন। এসে তিনি সবার সাথে ঈদের নামাজও আদায় করেন। গত ২ জুন কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা শনাক্ত হয়। তার সংস্পর্শে এসে স্ত্রী আকলিমা খাতুন আক্রান্ত হলেন। তবে পরীক্ষায় তাদের দুই ছেলের করোনা নেগেটিভ এসেছে। উপজেলা অপর আক্রান্ত ব্যক্তি গোপগ্রাম ইউনিয়নের আমলাবাড়িয়া গ্রামের গার্মেন্টস শ্রমিক জাকির হোসেন (৩০)। করোনা উপসর্গ নিয়ে ঈদের আগে নারায়নগঞ্জ থেকে তিনি গ্রামে আসেন।

এছাড়াও দৌলতপুর উপজেলার চক দৌলতপুর গ্রামে ঢাকা ফেরৎ স্বপনের স্ত্রী খোদেজার (৩২) করোনা শনাক্ত হয়েছে। স্বপন ঈদে ঢাকা থেকে দৌলতপুরে আসেন। গত সপ্তাহে তার করোনা শনাক্ত হয়।

এ নিয়ে কুষ্টিয়ায় বহিরাগত বাদে অদ্যাবধি ১০৪ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হল। এর মধ্যে দৌলতপুর উপজেলায় ২৪, ভেড়ামারায় ১৫, মিরপুরে ১২, কুষ্টিয়া সদরে ৩১, কুমারখালী ১৬ এবং খোকসা উপজেলাতে ৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৭৮ জন এবং নারী ২৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৯ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৪ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ জন রোগী।

সর্বশেষ সংবাদ

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মাদক উদ্ধার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদক ও চোরচালানী মালামাল উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। উদ্ধারকৃত এসব মাদক ও...

ঝিনাইদহের সাড়ে ৪ হাজার কৃষক কৃষিঋণ থেকে মওকুফ পেয়েছে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ঝিনাইদহ জেলায় ৪ হাজার ৫৫১টি কৃষক পরিবার ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সুযোগ পেয়েছে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতির আওতায় দীর্ঘদিনের ঋণের বোঝা থেকে...

শ্রেনিকক্ষে ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় বিদ্যালয়ের পিয়ন গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের পিয়ন মো.হামিদুল ইসলামকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে...

দৌলতপুরে কথিত পীরকে পিটিয়ে হত্যা

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পবিত্র কোরআন শরীফ নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর (৫২) নামে কথিত এক পীরকে পিটিয়ে হত্যা...

খোকসায় প্রকাশ্য বাজারে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসায় প্রকাশ্য বাজারের দুর্বৃত্তরা এক যুবককে গুলি করে অপর এক রং মিস্ত্রীকে পিটিয়ে আহত করে ফেলে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা...