শনিবার, মার্চ ২১, ২০২৬.
Home Blog Page 83

হৈ-হট্টগোলের কারণে বন্ধ হয়ে গেল ওএমএস ডিলার নির্বাচনের লটারি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় খোলাবাজারে বিক্রয় (ওএমএস) ডিলারশীপ নির্বাচন নিয়ে ডিসি অফিসে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়েরর সম্মেলন কক্ষে ডিলার নির্বাচনে উন্মুক্ত লটারি চলাকালীন অবস্থায় এ ঘটনা ঘটেছে। হৈ-হট্টগোল শুরু হলে জেলা প্রশাসক উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে সভাস্থল ত্যাগ করেন।

জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, ডিলারশিপের আবেদনকারীরা, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ২১ টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ২১৮ জন আবেদন করেন। জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একাধিক সংস্থার সমন্বয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পরে ১০১ জনের আবেদন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে একটি ওয়ার্ডে (১৫ নং) সঠিকভাবে আবেদন না পড়ায় সেটি বাতিল হয়। বাকি ২০ টি ওয়ার্ডের জন্য মোট ১১৬ জন লটারির জন্য মনোনীত হন। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রতিটি মনোনীত ব্যক্তিকে আগের দিন ফোন কল এবং এসএমএসের মাধ্যমে লটারির সময় এবং স্থান জানিয়ে দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময় লটারি কার্যক্রম শুরু হয়। ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে প্রথমে ১নং ওয়ার্ডের লটারি সম্পন্ন হয়। ২নং ওয়ার্ডের লটারির জন্য বাছাইকৃত ৬ জনের লাম উল্লেখ করা হলে কুষ্টিয়া জেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আব্দুল হাকিম মাসুদ অভিযোগ তুলে বলেন ২ নং ওয়ার্ডের ৬ জনের মধ্যে ৪ জনই আওয়ামী লীগের। এই লটারিতে আওয়ামী লীগের কেউ অংশ গ্রহণ করলে আমরা এই লটারি মানিনা।

এসময় শহর ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ বলেন, আমরা জামায়াত শিবিরের পক্ষ থেকে এই খাদ্য বান্ধব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারীদেরই ফোন বা এসএমএস লটারির বিষয়ে কোন কিছু জানানো হয়নি। যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আরো সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। এখানে স্বচ্ছ ভাবে কারচুপি করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।

এরপরই জেলা প্রশাসকের কনফারেন্স রুমে উপস্থিত বিএনপি এবং জামায়াতের সমর্থকরা হট্টগোল শুরু করেন এবং বিভিন্ন ¯েøাগান দিতে দিতে বের হয়ে সম্মেলন কক্ষের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে সেখানে বিভিন্ন ¯েøাগান দেয়া শুরু করলে জেলা প্রশাসক মো: তৌফিকুর রহমান মাইক্রোফোন নিয়ে তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু হট্টগোলকারীরা এতে কর্ণপাত না করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকলে তিনি কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে তার অফিস কক্ষের দিকে চলে যান।

উপস্থিত বিএনপি এবং জামায়াতের কয়েকজন আবেদনকারী অভিযোগ করে বলেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলারশিপ নির্বাচনে অনিয়মের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দোসরদের নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। অনেক আওয়ামী লীগের দোসর আবেদন করেছে। এজন্য আমরা প্রতিবাদ করেছি। আমরা পুনরায় তদন্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দোসরদের বাদ দিয়ে ওপেন লটারির দাবি জানাচ্ছি।

তবে আবেদনকারীদের মধ্যে কারা আওয়ামী লীগের নেতা? তাদের নাম পরিচয় কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, এই মুহূর্তে নাম পদবী বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অনেকই আবেদন করেছে। আওয়ামী লীগের দোসরদের বাদ দিয়ে পুনরায় লটারি করার দাবি জানান তারা।

এদিকে সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ওএমএস ডিলারশীপ আবেদনকারীদের মধ্যে কয়েকজন বলেন, যেভাবে জেলা প্রশাসক এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সবার সামনে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিল, এটা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং গ্রহণযোগ্য একটা কর্মসূচি,প্রশাসনের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে যাচাই-বাছাই করেই নাম গুলো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তারপরেও রাজনৈতিক নেতারা তাদের ফায়দা নিতে এবং অস্বচ্ছ ভাবে ডিলারশিপ পেতেই এই স্বচ্ছ কার্যক্রম সুপরিকল্পিতভাবে অভিযোগ তুলে পন্ড করে দিল। তারা আরও বলেন, যদি আওয়ামী লীগের কেউ থেকে থাকলে সেই নামগুলো উল্লেখ করা উচিত ছিল। কিন্তু এভাবে স্বচ্ছ কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত হয়নি তাদের।

লটারি কার্যক্রমে উপস্থিত শহর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোকসেদুল হক কল্লোল বলেন, আমার বাড়ি ৩ নং ওয়ার্ডে। ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড পাশাপাশি। এখানে আওয়ামী লীগের কেউ যদি থেকে থাকতো তাহলে অবশ্যই আমি তাদের চিনতাম।আর তাদের অভিযোগ যদি থেকে থাকে সে নামগুলো উল্লেখ করা উচিত ছিল জেলা প্রশাসক মহদয়ের কাছে।
কিন্তু তারা তা না করে একটা স্বচ্ছ কাজে উদ্দেশ্যপ্রণীতভাবে বাধা প্রদান করলো। আমরা পুনরায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ডিলার নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবদল

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো.তৌফিকুর রহমান বলেন, স্বচ্ছতার সাথে নিয়মানুযায়ী উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ওএমএস ডিলার নির্বাচন করা হচ্ছিলো। আবেদনকারীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী আছে কিনা এ বিষয়টি আমাদের নোটিশে নেই। নিরপেক্ষ তদন্ত করে সেসব বিষয় দেখা হয়েছিল। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগও করেনি। তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। ওএমএস ডিলার নির্বাচনের লটারির সময় এ ধরনের হট্টগোল অনাকাঙ্খিত এবং কোনভাবেই কাম্য নয়। বিষয়টি মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

ঝিনাইদহে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুবদল

0

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সারাদেশে আইনশৃঙ্খলার অবণতি ও গুপ্ত সংগঠনের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের উজির স্কুলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পায়রা চত্বরে সংক্ষিপ্ত এক সমাবেশে করে।

জেলা যুবদলের সভাপতি আহসান হাবীব রনকের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ। জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু সঞ্চালনা করেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সহ সভাপতি এনামুল হক মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক এম শাহজাহান আলী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সমিনুজ্জামান সমিন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক প্রমুখ।

সমাবেশ বক্তারা বলেন, গণতন্ত্র ও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধ্বংস করতে গুপ্ত সংগঠনের নৈরাজ্য সৃষ্টির পায়তারা করছে। জিয়া পরিবার ও তারেক রহমানকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছে ৭১ এর পরাজিত শক্তি।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

এ সময় বক্তারা গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানান।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

খোকসায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবার অভিনব প্রতিবাদ

0

স্টাফ রিপোর্টার

বাবার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে পাঁচ দলিলে প্রায় ২১ বিঘা জমি লিখে নেয় একমাত্র ছেলে। তার পর বাবাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এবার চিকিৎসা ও খোর পোষের জন্য অবশিষ্ট জমি থেকে মাত্র ১৭ শতক জমি বিক্রি করেন বৃদ্ধ। এই জমি রেজিস্ট্রেরি বাধা দেন বৃদ্ধের ছেলে। হাতিয়ার হিসেবে ব্যহার করা হচ্ছে কাথিত সাংবাদিকদের। এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃদ্ধসহ পরিবারের সদস্যরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে দলিল বুকে জরিয়ে অভিনব প্রতিবাদে সামিল হন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার দিকে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের সামনে প্রতিবাদে সামিল জমি বিক্রেতা বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস (৭৫) তার স্বামী পরিতক্তা ও সন্তানহীন দুই বৃদ্ধ বোন নাছিমা ও নাজমা। সাথে ছিলেন বৃদ্ধর তিন মেয়ে জামাতা ও প্রতিবেশীরা।

উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নের সাতপাখিয়া গ্রামের বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তিনি প্রায় ৩০ বিঘা জমির মালিক ছিলেন। নিজের একমাত্র ছেলে ফিরোজ আলী বৃদ্ধ বাবার সমস্ত সম্পতি নিজের নামে দলিল করে নিতে নানা ভাবে চাপ সৃষ্টি করে। বৃদ্ধ লিয়াকত আলী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সইতে না পেরে থানা পুলিশের কাছে ধর্ণা দেন। তাতে লাভ হয়নি। অবশেষে গত দুই বছরের পৃথক ৫ টি দলিলের মাধ্যমে প্রায় ১৬ বিঘা জমি নিজের নামে দলিল করে দিতে বাধ্য করেন ছেলে ফিরোজ আলী। এ ছাড়া পৃথক দুটি দলিলে আরও ৫ বিঘা জমি বিক্রি করে মোট টাকা আত্মসাত করে বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধ ও তার পরিবারের সদস্যরা। কয়েক মাস আগে বৃদ্ধের একটি হাত ভেঙ্গে দেয়। এ বারও তিনি থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। কিন্তু প্রতিকার পাননি বলেও জানান।

সম্প্রতি নিজে অসুস্থ্য হয়ে পরলে বৃদ্ধ লিয়াকত আলী বিশ্বাস ও তার দুই বোন নাছিমা ও নাজমা নিজ নামীয় অবশিষ্ট জমি থেকে মাত্র ১৭ শতক জমি বিক্রির করেন। বিক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রিরি করতে গেলে বাধা দেয় বৃদ্ধের ছেলে ও কথিত একদল সাংবাদিক। বৃহস্পতিবার সরকারী তহবিলে অর্ধলাখ টাকা জমা দিয়ে রেজিস্ট্রির জন্য লেখা দলিল সাব-রেজিস্ট্রারের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়। এ সময় বৃদ্ধের ছেলে ও একদল কথিত সাংবাদিক দলিল লেখক আমজাদ হোসেন বাবলু’র উপর চাপ দেয়। দ্বিতীয় দিনেও বন্ধ হয়ে যায় দলিল টি রেজিস্ট্রেরি। এ ঘটনার প্রতিবাদে দলিলের দাতারা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সামনে প্রতিবাদ জানাতে অবস্থান নেন। সন্ধা পর্যন্ত অবস্থান করে অবশেষে তারা ফিরে যায়।

দলিল লেখক আমজাদ হোসেন বাবালুর সাথে কথা বলা চেষ্টা করা হয়। তিনি ফোন রিসিভ করেনি। তবে তার সহকারী ও ছেলে রাজিব বলেন, সাংবাদিকরা হুমকী দেওয়ায় তারা ভয়ে পেয়ে জমা দেওয়া দলিলটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

বৃদ্ধার জামাতা এম বারি অভিযোগ করেন, তার শ্বশুর বৃদ্ধ মানুষ। তার শ্যালক ফিরোজ আলী বৃদ্ধের উপর শারীরিক নির্যাতন করে ৫ দলিলে প্রায় ১৬ বিঘা জমি লিখে নিয়েছে। অসুস্থ্য বৃদ্ধ চিকিৎসার জন্য সামান্য জমি বিক্রি করেছেন। সেই জমি রেজিস্ট্রিরি করতে বাধা দিচ্ছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার তারা সাব-রেজিস্ট্রারের দপ্তরে দলিল জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু কথিত সাংবাদিকদের হুমকীর মুখে দলিল লেখক বাবলু মেম্বর দলিল প্রত্যাহার করে নেন। ফলে তাদের জমি আর রেজিস্ট্রি হয়নি।

তিনি আরও জানান, জমিবিক্রি করতে না পেরে বৃদ্ধের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যারা দলিল রেজিস্ট্রেরিতে বাধা দিচ্ছেন তাদের বিচারের দাবিও করেন।

বৃদ্ধের ছেলে ফিরোজ আলীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সাংবাদিকের উপস্থিতির খবর শুনে সে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন – গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত: বিবিসি বাংলা

সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ রাসেল মল্লিকের সাথে কথা বলার জন্য তার অফিসিয়াল ও ব্যক্তিগত মোবাইল কল করা হয় তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

গোপালগঞ্জে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত: বিবিসি বাংলা

0

দ্রোহ অনলাইন ডেস্ক

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

গোপালগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক ডা. জীবিতেশ বিশ্বাস সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বিবিসি বাংলাকে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ সদর হাসপাতালে এসেছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের উদয়ন রোডের বাসিন্দা সন্তোষ সাহার ছেলে দীপ্ত সাহা (২৫), কোটালীপাড়ার রমজান কাজী (১৮), টুঙ্গীপাড়ার সোহেল রানা (৩০) ও গোপালগঞ্জ সদরের ইমন (২৪)। এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত অনেকে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে গেলও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, হামলা ও সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত থেকে ২২ ঘণ্টার কারফিউ জারি করেছে অন্তর্র্বতীকালীন সরকার।

সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ জানিয়েছেন, বুধবার (১৬ জুলাই) রাত ৮টা থেকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ কারফিউ জারি থাকবে। এর আগে বিকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোপালগঞ্জ সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

এদিন বিকালে গোপালগঞ্জে সভা শেষে ফেরার পথে এনসিপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এসময় গোপালগঞ্জ শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এরপর এনসিপির শীর্ষ নেতারা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গিয়ে অবস্থান নেন। পরে সেনাবাহিনীর ট্যাঙ্কে করে নিরাপদে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন – দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

এদিকে, হামলার ঘটনায় সারাদেশে বøকেড কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। হামলায় উদ্বেগ জানিয়ে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াত আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছে।

আরও পড়ুন – সড়কে ইজারার টাকা তোলা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ

দৌলতপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে বিদেশি আগ্নেয়সহ আটক দুই

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে দুটি আগ্নেয় অস্ত্র ও গুলিসহ দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উদ্ধার করা আগ্নেয় অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি শর্টগান, একটি ম্যাগাজিন এবং তিন রাউন্ড গুলি।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার দিবাগতরাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে দৌলতপুর উপজেলার ঠোটারপাড়া বিওপির আওতাধীন পাকুড়িয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে প্রথম অভিযান চালানো হয়। এসময় মৃত রহমত সর্দারের ছেলে মঞ্জিল সর্দার (৪৩) কে আটক করা হয়। তার বাড়ির উঠানে গোয়ালঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি শর্টগান ও একটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

পরে মঞ্জিল সর্দারের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফা অভিযান চালানো হয় জয়পুর বিওপির আওতাধীন এলাকায়। অভিযানে মঞ্জিলের ভাতিজা শফিকুল সর্দারের ছেলে টুটুল সর্দার (২৫)-এর বাড়ি তল্লাশি করে একটি চালের ড্রামের ভেতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে মঞ্জিল সর্দার স্বীকার করেন, দুই দিন আগে তারা ভারতীয় সীমান্ত এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে এসব অস্ত্র সংগ্রহ করেছেন। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গুলির আনুমানিক বাজারমূল্য এক লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।

আরও পড়ুন – সড়কে ইজারার টাকা তোলা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ

এ বিষয়ে ৪৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহাবুব মুর্শেদ জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তাদের দৌলতপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া সীমান্তে অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান রোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন – অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রবিন খান আটক

সড়কে ইজারার টাকা তোলা নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভা কর্তৃক ইজারাকৃত সড়কের ইজারার টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার বিকাল ৪ টার দিকে পৌরসভার কাজীপাড়া মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

অপরদিকে এ নিয়ে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইন – শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহতরা হলেন – কুমারখালী পৌরসভা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক ও ইজারাদার রাকিব হোসেন (৪০)। তিনি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরজনের নাম সাইফুল ইসলাম শোভন (৩০)। তিনি পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের যুব জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আফজাল হোসাইনের ছেলে। বর্তমানে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, এক বছরের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পৌর এলাকায় যানবাহন চলাচল ও পার্কিংয়ের জন্য প্রায় ২১ লাখ ৬৪ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন জিয়া মঞ্চের আহবায়ক রাকিব হোসেন। বুধবার বিকালে যুব জামায়াত নেতা শোভনের এক অটোচালক বন্ধু কাজীপাড়া এলাকায় আসলে ইজারাদার রাকিবের সহকর্মীরা রশিদের মাধ্যমে ২০ টাকা ইজারা দাবি করেন। এ সময় অটোচালক টাকা না দিয়ে শোভনকে ফোন দেন। শোভন তার লোকজন নিয়ে কাজীপাড়া আসলে ইজারাদার রাকিবের সমর্থকদের সঙ্গে বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ সময় আহত রাকিবের সহপাঠী বাপ্পী বলেন, প্রথমে জামায়াত নেতা আফজাল হোসাইনের ছেলে শোভন এসে রাকিবের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে। এরপর শোভন ফোন করে তার ৫ -৭ জন লোক ডেকে আনেন। তাদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। ওরা এসে রাকিবকে কুপিয়ে দ্রæত চলে গেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে যুব জামায়াত নেতা সাইফুল ইসলাম শোভন বলেন, আমার বন্ধুর কাছ থেকে চাঁদা নিতে নিষেধ করায় রাকিবের লোকজন আমাদের মারধর করেছে। আমার হাত কেটে গেছে। ওদের কারা মারে তা জানিনা।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান সবুজ বলেন, রাকিব বিএনপির লোক। পৌর জিয়া মঞ্চের আহবায়ক। রাকিবের মাথায় একাধিক কোপের চিহৃ রয়েছে। তাকে ওটিতে নেওয়া হচ্ছে। পরে কথা বলা যাবে।

উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আফজাল হোসাইন বলেন, আমার ছেলে তো মারামারি করা লোক নয়। কি ঘটেছিল তা বিস্তারিত জেনে পরা জানানো হবে।

আরও পড়ুন – অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রবিন খান আটক

কুমারখালী থানার ওসি মো. সোলায়মান শেখ বলেন, ইজারার টাকা তোলা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছেন। একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন – জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রবিন খান আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজা রবিন খানকে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে।

মঙ্গলবার দিনগত রাতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানান অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে শোমসপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিন খানকে আটক করে থানা পুলিশ। সে খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুর রহিম খানের ছেলে। এবং কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খানের ভাতিজা। তার বাড়ি শোসপুর ইউনিয়নের শোমসপুর গ্রামে।

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম এ প্রতিনিধির সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে রবিন খানকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরও জানান, আটক রবিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

আরও পড়ুন – জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

রবিন খানকে আটকের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন – জলমগ্ন স্কুল ভবন

জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গা এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় কয়েক হাজার বাসিন্দা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন আল্লারদর্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একই চত্বরে অবস্থিত বেসরকারি ট্রেসল ইংলিশ ভার্সন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। আবার ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে আসা জনগণও দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

আল্লারদর্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ এবং নিচতলার সব শ্রেণিকক্ষ পানিতে তলিয়ে গেছে। শ্রেণিকক্ষ ও বারান্দায় জমে থাকা পানিতে পচা আবর্জনা ভাসছে। তীব্র দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে বসা দুঃসহ হয়ে উঠেছে, ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চারপাশের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কারণে একাধিক শিক্ষার্থী চর্মরোগসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।

এ বিষয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী পিয়াস বলেন, “পানির মধ্যে হেঁটে স্কুলে আসতে হয়, আবার সেভাবেই বাড়ি ফিরতে হয়। এতে হাতে-পায়ে চর্মরোগ হয়েছে। অনেকেই স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে।”

একই ীভযোগ তুলে ধওেরন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রশোন আহমেদ তানিম।

আল্লারদর্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান বলেন, “প্রতি বছরই বর্ষায় কিছুটা জলাবদ্ধতা হয়। তবে এবার পরিস্থিতি ভয়াবহ। যদি দ্রæত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে বেশ কয়েকদিন শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হতে পারে।

হোগলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম চৌধুরী বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিকবার উপজেলা সমন্বয় সভায় বলেছি। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমার ইউনিয়ন পরিষদসহ দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে।

শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানে জলাবদ্ধতা নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ফোনে পাওয়া না গেলেও অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার কামাল হোসেন বলেন, “মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইতোমধ্যে বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন করেছেন। দ্রæত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন – জলমগ্ন স্কুল ভবন

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, “এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন – ঢলের জল ও ………….

জলমগ্ন স্কুল ভবন

0

বৃষ্টির পানিতে স্কুলের মাঠ ও ভবনে প্রবেশের রাস্তা পানিতে নিমর্জিত হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও কোমর পানি। স্কুল ছুটির পর কোমলমতি শিশুরা কেউ স্কুলের দেয়াল ধরে, আবার কেউ পানি মারিয়ে বাড়ি ফিরছে। পা ফসকালেই ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। সকালে অনেক শিশুকেই কোলে করে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন। কুষ্টিয়ার খোকসার পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আল-হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ছবিটি তোলা। খোকসা পৌর এলাকার ২, ৪, ৫, ৬ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে জলমগ্নতার সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন – ঢলের জল ও ………….

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহের মরিচ গাছে মড়ক দেখা দিয়েছে

ঢলের জল ও ………….

0

আষাঢ়ের ঢলে স্কুল, মাঠ, ঘাট পানিতে ডুবে গেছে। বিদ্যালয়ের মাঠে জমে থাকা ঢলের পানিতে শিশুরা খেলায় মেতেছে। কুষ্টিয়ার খোকসা জানিপুর সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় ছবি গুলো তোলা।

আরও পড়ুন – ঝিনাইদহের মরিচ গাছে মড়ক দেখা দিয়েছে

আরও পড়ুন – ভেড়ামারায় মেয়ে হত্যার অভিযোগ বাবার আটক

সর্বশেষ সংবাদ

কুমারখালীতে ওসির গাড়ি ভাঙার অভিযোগ এমপির স্বজনর বিরুদ্ধে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে (পিকআপ) হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) রাত...

এসিল্যান্ড পরিচয়ে মুঠোফোনে ঈদের চাঁদা দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচয়ে মুঠোফোনে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে...

রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত বাচিক শিল্পী রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খোকসার কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ ময়দানে মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিকের জানাযার নামাজ...

ঈদে মিথিলার নতুন জামা হবে তো ?

মিথিলা। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ক্ষেত থেকে রসুন তুলে বিক্রি করে তবেই তাদের ঈদে নতুন জামা কেনা হবে। তাই বাবার সাথে জমি থেকে রসুন তুলে...

খোকসায় কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনি পুড়ে গেছে

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারের তালাবন্দ মুদির দোকানে মশা তাড়ানোর কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনিসহ বেশ কিছু মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও বাজারের নৈশ প্রহরীরা...