শনিবার, মার্চ ২১, ২০২৬.
Home Blog Page 92

যৌথবাহিনীর অভিযানে গুলিসহ সেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে মাহমুদর হাসান পাতা (৪৪) নামে একজন গুলিসহ আটক হয়েছে। তিনি দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) গভীর রাতে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের নতুন আমদহ গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। রাত ৩টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত যৌথবাহিনীর সদস্যরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৯ রাউন্ড তাজা গুলি, ৪টি খালি কার্তুজ এবং ৪টি খালি মদের বোতল উদ্ধার করেন।

আটক মাহমুদর হাসান পাতা একই গ্রামের এমদাদুল ইসলাম দাউদের ছেলে।

ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুপুরের মধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাহমুদর হাসান পাতার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমরা অবগত নন।

আরও পড়ুন – চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বাঃ সালিশে সমাঝোতা হয়নি, মামলা নেয়নি পুলিশ

এদিকে, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আসাদুল হক আসাদ জানান, মাহমুদর হাসান পাতা দলটির উপজেলা ইউনিটের যুগ্ম আহ্বায়ক। তবে তিনি গুলিসহ আটকের বিষয়ে অবগত নন বলে জানান। সংগঠনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বাঃ সালিশে সমাঝোতা হয়নি, মামলা নেয়নি পুলিশ

0
শিশুর কথিত প্রেমিক ও ধর্ষক

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২) মা মারা গেছেন প্রায় চার বছর আগে। বাবা ঢাকায় দুই টাকা মালের ব্যবসা করেন। সৎ মা তেমন খোঁজ খবর রাখেন না। এ সুযোগে প্রতিবেশী এক যুবক ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে ওই যুবক। সম্প্রতি ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত¡া হলে বিষয়টি জানাজানি হয় এবং এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সদকী ইউনিয়নের মহিষাখোলা গ্রামে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত যুবক ওই গ্রামের আকের শেখের ছেলে তুষার শেখ (২০)। সে একটি কলেজে পড়াশোনা করে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে গ্রামে সালিস বসায় সদকী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য (মেম্বর) আব্দুর রাজ্জাক। এ সময় ওই যুবক, ঘটনার শিকার ছাত্রী, দুই পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সালিসে বনিবনা না হলে ওইদিন সন্ধ্যায় থানায় মামলা করতে আসেন ওই ছাত্রীর বাবা। তবে পুলিশ মামলা না নিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে অভিযোগ স্বজনদের।

এলাকাবাসী ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী কলেজ পড়ুয়া যুবক তুষারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে তুষার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। সসর্বশেষ গত ১০ জুন রাতে তুষার ওই ছাত্রীর শয়নকক্ষে ঢুকে শারীরিক সম্পর্ক করে। এ দিনের ঘটনা ছাত্রীর বাবা জানতে পেরে ১১ জুন ফার্মেসি থেকে বেবী চেক কিনে এনে বাড়িতে প্রাথমিক পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ফলাফল পজেটিভ আসলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়।

এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ শুরু হয়। এক পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথা বলে ১৬ জুন ছাত্রীকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে তুষারের স্বজনরা বাচ্চা নষ্ট করে বলে দাবি করেন ওই ছাত্রীর বাবা। এরপর বিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মেম্বর আব্দুর রাজ্জাক সালিস বসায়। তবে মেম্বরের সালিস না মেনে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত তুষার। পরে ছাত্রীর বাবা সন্ধ্যায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। তবে পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

ঘটনার শিকার ছাত্রীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের মা নেই। আমি ঢাকায় থাকি। সেই সুযোগে তুষার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ১৬ জুন তুষারের স্বজনরা মেয়েকে একটি ক্লিনিকে নিয়ে বাচ্চা নষ্ট করে। গত বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্জাক মেম্বর গ্রামে সালিস বসায়। কিন্তু সালিসে তুষার বিয়ে না করে পালিয়ে যায়। সন্ধ্যায় থানায় মামলা করতে গেলে ওসি সাহেব মামলা না নিয়ে আদালতে যেতে বলেন।

তিনি আরও বলেন, গরীব মানুষ বলে কোথাও বিচার পাচ্ছিনা। মা মরা মেয়েকে নিয়ে দ্বারেদ্বারে ঘুরেও বিচার পাচ্ছিনা। মান সম্মান সব শ্যাষ। মরা ছাড়া আর কোনো গতি নেই।

সালিস বসানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন সদকী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আব্দুর রাজ্জাক। তিনি ফোনে বলেন, অন্তঃসত্ত¡া কথা শুনে সবাই মিলে তুষারের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য সালিস বসানো হয়েছিল। কিন্তু তুষার বিয়ে না করায় সালিস ভেঙে দেওয়া হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় সালিস করার নিয়ম আছে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিষয়টি পুলিশ জানে। সামাজিকতা রক্ষার জন্য অনেক সময় অনেক কিছুই করা লাগে বলে ফোনটি কেটে দেন।

আরও পড়ুন – ছাত্রাবাসে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

কুমারখালী থানার ওসি মো. সোলাইমান শেখ বলেন, ঘটনাটি মৌখিক ভাবে শুনেছি। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রাবাসে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া শহরের একটি ছাত্রাবাসে মধ্যরাতে লুবাব হোসেন (২০) নামে এক পলিটেকনিক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে কালিশংকরপুর এলাকার বাঁধন ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।

রুমমেটের ভাষ্য ,ঘুমের মধ্যে অস্বাভাবিক চিৎকারের পর লুবাবকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দায়িত্বরত চিকিৎসক হাসপাতালের স্প্রিপে Cyanosed Body উল্লেখ করেছেন। তবে পুলিশ বলছে শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এমন মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা উঠেছে।

লুবাব কুষ্টিয়ার দর্পণ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলায়। তিনি উপজেলার খন্দকবাড়িয়া গ্রামের শফিউল ইসলামে ছেলে।

পুলিশ ও ছাত্রাবাসের অন্য ছাত্ররা জানায়, লুবাব ও অনিক নামে এক ছাত্র ওই ছাত্রাবাসের একই রুমে থাকত। প্রতিদিনের মতো রাত ১১ টার দিকে দুইজন ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১২ টার দিকে লুবাবের অস্বাভাবিক চিৎকারে অনিকের ঘুম ভেঙ্গে যায়। এ সময় লুবাবকে অস্বাভাবিক অঙ্গভঙ্গি করতে দেখে সে ভয় পেয়ে ছাত্রবাসে থাকা অন্য ছাত্রদের ডাক দেয়। সবাই মিলে লুবাবের মাথায় পানি দেয়।

এরপরেও লুবাবের স্বাভাবিক হওয়ার কোন লক্ষণ না দেখলে কয়েকজন মিলে দ্রæত তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার এই অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রহস্য তৈরি হলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠায়। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বলেন, Cyanosed Body উল্লেখ করা হয়েছে। কোন ধরণের বিষক্রিয়া থেকে মৃত্যু হতে পারে। কোন কিছুর ওভার ডোজ হলেও বিষক্রিয়া হয়। সেটা মাদকও হতে পারে।

আরও পড়ুন – সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের গুলাগুলি

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, মৃতদেহে কোন আঘাতের চিহৃ নেই। তদন্তে অন্য কোন আলামত পাইনি। তবে চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে জেনেছি ওই ছাত্র মাদকাসক্ত ছিলেন কিনা ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত রির্পোট হাতে পাওয়ার পর তার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

সার্চ কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের গুলাগুলি

0

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সার্চ কমিটির বৈঠককে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এসময় হামলা,ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত দশটা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের গো-হাট সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেখানে প্রথমে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে হিমশিম পোহাতে হয়। পরে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি গুলির খোসা ও ৪টি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে।

বুধবার সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি। থানায় কেউ অভিযোগও দেয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির কমিটি গঠনের জন্য মঙ্গলবার বিকাল চারটায় ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সার্চ কমিটির সমন্বয়ে ওয়ার্ড কমিটির ভোটার তালিকা গঠনের প্রস্তুতি চলছিল। রাত রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। বৈঠকে সার্চ কমিটির সদস্য রবিউল ইসলাম সরকার, আসাদুজ্জামান মিঠু ও শামসুল ইসলামসহ অন্য সদস্যরা ছিলেন। সেখানে রবিউল ও আসাদুজ্জামানের সাথে শামসুলসহ তার পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বৈঠক শেষ মূহুর্তে হঠাৎ সেখানে গুলি ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের লোকজন দুইদিকে অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সেনাবাহিনীকে খবর দেয়।

সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এসময় সংঘর্ষে একপক্ষের বিএনপি কর্মী হামিদুল ও আরিফ আহত হন। অপর পক্ষের বিএনপি কর্মী টিপু আহত হন। তাদেরকে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিঠু বলেন ‘বৈঠকের শেষ হয়ে যাবার পর যে যার মতো সভাস্থল ত্যাগ করেন। ঠিক সেই মূহূর্তে সার্চ কমিটির সদস্য শামসুলসহ তার লোকজন হামলা চালায়। তারা গুলি ছোড়ে। এতে তাদের দুই কর্মী আরিফের মাথায় ও হামিদুলের ডান হাতের কনুইতে গুলি লেগে আহত হন।’

ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রবিউল ইসলাম সরকার বলেন,‘শামসুল ইসলাম খুবই বেপরোয়া আচরণ করেন। তিনি তার ছেলেসহ অন্যদের দিয়ে আক্রমণ চালিয়েছেন। আমরা কোনভাবেই এই হামলার সাথে জড়িত না।’

অপরদিকে ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সার্চ কমিটির সদস্য শামসুল বলেন,‘ধরমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি প্রার্থী হওয়ার কারণেই মূলত আজকের এই নাটক শুরু করেছে। সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে আজকের এই ঘটনা ঘটনা হয়েছে। মিটিং শেষে আসাদুজ্জামান মিঠু আমাকে গাড়িতে তুলে দিয়েছে। আমি চলে আসার পরেই মূলত এই ঘটনা ঘটেছে। এখানে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। ওরা মূলত আমাকে আর আমার ছেলে রাজনকে টার্গেট করেছে। আজকের এই ঘটনা আসাদুজ্জামান মিঠু, রবিউল সরকার আর ধরমপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নান্টুন নেতৃত্বে ঘটেছে। তারা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আকাশের বাড়িতেও হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।’

কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আকাশের বোন চাঁদনী খাতুন বলেন,‘লুটপাটকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুরের পাশাপাশি সোনার গহনা ও টাকা লুট করেছে। আমার ভাই সবেমাত্র রাজনীতিতে যোগ দিয়েছে। কেন আমার এত বড় ক্ষতি করল, আমি এর বিচার চাই।’

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, একজন মাথায় ও আরেকজন হাতের কনুইতে আঘাত নিয়ে রাতে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। কনুইয়ের গুলির আঘাত রয়েছে।

ভেড়ামারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাকিবুল ইসলাম বলেন, বিএনপি সার্চ কমিটির বৈঠককে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল। তিনজন আহত হয়েছেন। তবে তারা গুলিতে আহত হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে গুলির ৫টি খোসা ও ৪টি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।

খোকসায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা টাক্সফোর্স কমিটির সদস্য ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে খোকসা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর দিক, আইনগত দিকনির্দেশনা ও এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেশমা খাতুন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবির হোসেন সোহাগ, কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নোমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দোস্তদার হোসেন।

আরও পড়ুন – সালিশে শিশুর ধর্ষককে চর-থাপ্পর দিয়ে মীমাংসা

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খোকসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রদীপ্ত রায় দ্বিপন।

সালিশে শিশুর ধর্ষককে চর-থাপ্পর দিয়ে মীমাংসা

0
প্রতিকী ছবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছরের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের এই অভিযোগ মীমাংসা করতে গ্রামে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে সমাজ প্রধান রহিম মন্ডল ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিউর রহমান লিটন উপস্থিত ছিলেন বরে অভিযোগ উঠেছে। বৈঠকে অভিযুক্ত বৃদ্ধকে চর-থাপ্পড় মেরে মিমাংসা করা হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার দুইদিন পর শিশুটি শারিরীকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গত বুধবার (১১ জুন) সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। তবে গ্রাম্য মাতব্বররা বলছেন এ ঘটনায় বারবার আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও এড়িয়ে গেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের গিয়ে দেখা যায় পাঁচ বছরের শিশু মেয়েটি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে রয়েছে। তার পাশেই বাবা-মা বসে রয়েছেন।

শিশুটির মায়ের সাথে কথা বলা হয়। তিনি বলেন, ঘটনার দিন সকাল ৯টার দিকে আমি আমার মাকে বাড়িতে এগিয়ে দিতে গেছিলাম। এই সুযোগে বিশা নামে সম্পর্কে এক প্রতিবেশী দাদা মেয়েকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরে মেয়ে ওই বাড়ি থেকে খুঁড়াতে খুঁড়াতে আসতে দেখে সন্দেহ হয়। এ সময় কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে বিশা দাদা আমার সাথে খারাপ কাজ করেছে। বিষয়টি গ্রামের মুরুব্বিদের জানালে তারা পরেরদিন (বৃহস্পতিবার) রাতে বাড়ির উপর শালিস বসায়। শালিসে বিশাকে চর-থাপ্পড় দিয়ে মাতব্বররা বলে যে শালিস শেষ। এর পরেরদিন (শুক্রবার) মেয়ে পেট ব্যাথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি।

মামলা করতে কেউ বাঁধা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে শিশুটির মা প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেন, মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে থানায় যায়নি। মেম্বর ও সমাজ প্রধান বলেছে আগে চিকিৎসা নিয়ে আসো তারপর মামলা করতে সব ধরনের সহযোগিতা করবো। আমিও মামলা করবো।

শালিসি বৈঠকে উপস্থিত থাকা স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিউর রহমান লিটন হোসেন বলেন, ঘটনাটি জানার পর ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা করতে বলেছিলাম। তারা যায়নি। তবে শালিসে চর-থাপ্পড় মেরে মিমাংসা করেছিল অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাই-ভাস্তেরা। আমি শুধু উপস্থিত ছিলাম।

এ ঘটনায় সমাজ প্রধান রহিম মন্ডল বলেন, সামাজিকভাবে আমরা এটি মিমাংসা করে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। সেখানে অভিযুক্তকে চর-থাপ্পড় মারা হয়েছিল। ধর্ষণের মতো ঘটনা বিচার শালিস করে সমাধান করতে পারেন কিনা জানতে চাইলে রহিম মন্ডল বলেন, আমি তাদেরকে মামলাও করতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা তা করেননি। আমি সবসময় শিশুটির খবর রাখছি।

জানা গেছে, বিশা (৬০) একই গ্রামের মৃত হরার ছেলে। বেশ কয়েকবছর আগে স্ত্রী মারা যাবার পর সন্তানদের সাথে একই বাড়িতে থাকতেন তিনি।

ঘটনা জানাজানির পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন বিশা। তবে এ বিষয়ে তার পরিবারের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন,শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় ছাত্রলীগ নেতা আটক

পাটিকাবাড়ি ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এস আই) নুরনবী বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে শিশু মেয়েটিকে হাসপাতালে দেখে এসেছি। চিকিৎসা শেষে পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খোকসায় ছাত্রলীগ নেতা আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জায়ীদ আলম শশী (২৫)-কে বিশেষ অভিযানে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৬ জুন) গভীর রাতে উপজেলা সদরের চুনিয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে জায়ীদ আলম শশী (২৫)-কে আটক করা হয়। গত ২৪ মে খোকসা থানায় দায়ের কৃত ১০ নম্বর মামলার তিনি এজাহার ভুক্ত আসামী। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আটক

আটক ছাত্রলীগ নেতা শশী উপজেলা সদরের চুনিয়াপাড়া এলাকার মনোয়ারুল আলমের ছেলে।

খোকসায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আটক

0

স্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন পিল্টুকে আটক করেছে পুলিশ।

পুৃলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দিনগত রাতে খোকসা বাস স্ট্যান্ড এলাকা থেকে থানা পুলিশের একটি দল আলাউদ্দিন পিল্টুকে আটক করে। গত ৪ মে খোকসা থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলাউদ্দিন পিল্টুকে আটক করা হয়। পরদিন সোমবার সকালে তাকে আদলতে প্রেরণ করা হয়েছে। আলাউদ্দিন পিল্টু উপজেলা সদরের চরপাড়া গ্রামের মৃত মইজদ্দি বিশ্বাসের ছেলে।

আরও পড়ুন – খোকসায় সরকারী হালোট দখল কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৮

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত শেখ নাইমুল ইসলাম ওই আওয়মী লীগ নেতাকে আটকের বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

খোকসায় সরকারী হালোট দখল কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৮

0

ষ্টাফ রিপোর্টার

কুষ্টিয়ার খোকসায় সরকারী হালটের (পায়ে চলা পথ) জমির দখল পাল্টা দখল কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়েছেন। এক পক্ষের আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সেনা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা বলে আত্মগোপন করেন। স্থানীয় চেয়ারম্যানের দাবি দুই পক্ষই বিএনপির নেতাকর্মী।

জানা গেছে, রবিরার সকালে উপজেলার জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়নের জয়ন্তী হাজরা গ্রামে বদর শেখ ও আবু মুসা’র লোকেরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন। এ হামলা পাল্টা হামলায় আহত বদর শেখ (৪৫) তার সহদর আজিম উদ্দিন (৩৫) উভয়ের পিতা মৃত দানেজ শেখ, সাইফুল শেখ (৩৫) পিতা আজিম উদ্দিন, সীমা খাতুন (৩৫) ও রবিউল শেখ (৪৫) দম্পতি, এবং শাজাহান খান (৬০) পিতা হাতেম খা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক পক্ষের এক নারীসহ চার জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সেনা ক্যাম্পে যাবার কথা বলে হাসপাতাল ছেড়ে যায় বলে হাসপাতাল সূত্র জানায়।

রবিবার সকালে প্রতিপক্ষের লোকেরা আবু মুসাদের সমাজের মাতুব্বর অনিরদ্দিন প্রামানিকের সাথে বাগবিতান্ডায় জড়িয়ে পরেন। এ নিয়ে সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত প্রায় ৩০ মিনিট ধরে দুই পক্ষের লোকেরা দেশীয় অস্ত্রনিয়ে হামলা পাল্টা হামলা চালায়। এ সময় দুই পক্ষের হামলাকারীরা আহত হন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার জাহিদ জানান, প্রতিপক্ষের হামলায় আহত এক নারীসহ চার জন প্রথমে তাদের কাছে চিকিৎসা নেন। তারা থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের উপর আস্তা হারিয়ে কুষ্টিয়ায় সেনা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা বলে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

বদর শেখের পরিবারের আহত চার সদস্য জেলা সদরে সেনা ক্যাম্পে যাওয়ার কথা বলে কয়েক ঘন্টা নিরুদ্দেশ হয়ে যান। কোন ভাবেই পরিবারটির সাথে যোগায়োগ করা সম্ভব হচ্ছিলো না। এক পর্যায়ে রাতে তাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। মুঠো ফোনে চুমকী নামের এক এসএসসি পরীক্ষাথী জানান, তার বাবা রবিউল শেখ মা সীমা খাতুন ও দাদা বদর শেখের অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় তারা সেনা ক্যাম্পে না গিয়ে রোগী নিয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে চলে আসেন। সেখানেই রোগী ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছেন।

এই শিক্ষার্থী আরও জানান, আহতদের পরিবারের থেকে থানায় মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। বাবা মা ও পরিবারের উপর হামলার ঘটনার সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি করে ওই ছাত্রী।

আহত শাজাহানের শয্যা পাশে বসে স্ত্রী রুবিনা খাতুন জানান, তারা কারো পক্ষের লোক না। মারামারি ঠেকাতে গিয়ে তার স্বামী হামলার শিকার হয়েছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সকিব খানের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বিবাদ পুর্ণ জমি ১ নম্বর খতিয়ান ভুক্ত সরকারী হালোট। অনেক বার মাপজোঁক করা হয়েছে। এক পক্ষ সেই জমি দখল রেখেছিল। এখন অন্য পক্ষ দখল করছে। দুই পক্ষই বিএনপির লোক। এলাকায় তাদের পৃথক অফিস রয়েছে।

আরও পড়ুন – মোটরসাইকেলে ঘুড়তে বেড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষাই মামলা করবে বলে পুলিশকে জানিয়েছে। মামলা রেকর্ডের পর আসামী গ্রেফতার হবে।

মোটরসাইকেলে ঘুড়তে বেড়িয়ে যুবকের মৃত্যু

0

স্টাফ রিপোর্টার

বিকালে বন্ধুদের সাথে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুড়তে বেড়িয়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইমন হোসেন (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।

শনিবার বিকাল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া -রাজবাড়ী সড়কের খোকসার মোড়াগাছা বাজারের পশ্চিমে একটি যাত্রীবাহী বাস ওভারটেক করতে গিয়ে মোটরসাইকেল চালক ইমন ছিটকে সড়কে পরে যায়। এ সময় কুষ্টিয়ার দিক থেকে সামনের দিকে থেকে আসা ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয় ইমন হোসেন। ঘটনা স্থলে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ইমন হোসেনের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের টেংরা পাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সিভিল বিভাগে কর্মরত ছিলেন। নিহত ইমন ও তার ৬ বন্ধু তিনটি মোটরসাকেলে ঘুড়তে বেড়িয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেল আরহী যুবকরা কুষ্টিয়ার দিয়ে যাচ্ছিলো। তাদের মোটরসাইকেল বহরটি মোড়াগাছা বাজার পার হওয়ার সময় কুষ্টিয়া থেকে আসা পদ্মাগড়াই পরিবহনের বাসে তাদের একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা লাগে। এ সময় ইমন ছিটকে সড়কে পরে যায়। এ মুহুত্যে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হন ইমন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার মোটরসাকেলের অপর আরহী হাসান আহত হয়েছেন।

হাসান জানান, ঈদের ছুটিতে তারা ছয় বন্ধু তিনটি মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়ায় ঘুরতে যাচ্ছিলেন। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর সিভিল বিভাগে কর্মরত ছিলেন ইমন।

দুর্ঘটনার ফলে সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। খোকসা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রমে শুরু করেন। নিহত ইমনের মরদেহ খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরিবারের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন – খোকসায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আটক

দুর্ঘটনা স্থলে উপস্থিত খোকসা থানা পুলিশের এএসআই আক্তার জানান, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ট্রাক কুষ্টিয়া ট – ১১ -২৭০৭ নম্বর গাড়িটি আটক করা হয়েছে। বাকী পক্রিয়া কুষ্টিয়া হাই ওয়ে পুলিশ করবে।

সর্বশেষ সংবাদ

কুমারখালীতে ওসির গাড়ি ভাঙার অভিযোগ এমপির স্বজনর বিরুদ্ধে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানার ওসির গাড়িতে (পিকআপ) হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের স্বজনদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) রাত...

এসিল্যান্ড পরিচয়ে মুঠোফোনে ঈদের চাঁদা দাবি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিচয়ে মুঠোফোনে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে...

রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত বাচিক শিল্পী রফিকুল ইসলাম রফিকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে খোকসার কেন্দ্রীয় পৌর ঈদগাহ ময়দানে মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিকের জানাযার নামাজ...

ঈদে মিথিলার নতুন জামা হবে তো ?

মিথিলা। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ক্ষেত থেকে রসুন তুলে বিক্রি করে তবেই তাদের ঈদে নতুন জামা কেনা হবে। তাই বাবার সাথে জমি থেকে রসুন তুলে...

খোকসায় কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনি পুড়ে গেছে

স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়ার খোকসা বাজারের তালাবন্দ মুদির দোকানে মশা তাড়ানোর কয়েলের আগুনে ব্যবসায়ীর সেমাই চিনিসহ বেশ কিছু মালামাল পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও বাজারের নৈশ প্রহরীরা...